১৯৬৮ সালের শেষের দিকে এবং ১৯৬৯ সালের প্রথম ভাগেই আন্দোলন ব্যাপক ও তীব্র আকার ধারণ করে এবং শেষ পর্যন্ত গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়।
১৯৬৮ সালে আমি (আতাউর রহমান) এবং জিয়া হায়দার মিলে নাগরিক নাট্যসম্প্রদায় গঠন করি।
১৯৬৯ সালের ১ জানুয়ারি, গ্রামাঞ্চলে ঘেরাও আন্দোলন কর্মসূচী সর্বাত্মক ও সার্থক করার পাশাপাশি সারা দেশে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য মওলানা ভাসাীর আহবান।
১৯৬৯ সালের ৮ জানুয়ারি, পূর্ব পাকিস্তানের ৮টি রাজনৈতিক প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা এবং আইয়ূব মোনায়েম খানের স্বৈরাচারী শাসনের বিরোধী ছিল। ডাক ভুক্ত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ছিল নেজামে ইসলাম, কাউনসিল মুসলিম লীগ, জামাতে ওলামায়ে ইসলাম, আওয়ামী লীগ (পি. ডি. এম. পন্থী), ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, জামাতে ইসলাম, এন. ডি. এফ. ও আওলামী লীগ ছিল।
১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি, ছাত্র ইউনিয়ন (মেনন), ছাত্র ইউনিয়ন (মতিয়া) এবং ছাত্রলীগের সমন্বয়ে "ছাত্র সংগ্রাম কমিটি'' গঠন এবং ডাকসু কার্যালয়ে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে ১১-দফা কর্মসূচী ঘোষণা।
১৯৬৯ সালের ১৪ জানুয়ারি, পূর্ব বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ র্কতৃক ১১-দফা কর্মসূচী গ্রহণ।
১৯৬৯ সালের ১৮ জানুয়ারি, আটক আওয়ামীলীগ নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামী ঘোষণা।
১৯৬৯ সালের ১৮ জানুয়ারি, ১১ দফার দাবীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঐতিহাসিক বটতলায় ছাত্র সমাবেশের পর মিছিল। ছত্রভঙ্গ করার জন্য পুলিশের কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ।
১৯৬৯ সালের ১৯ জানুয়ারি, ই. পি. আর.-এর গুলিতে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদ আহত।
১৯৬৯ সালের ১৯ জানুয়ারি, ছাত্র মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ।
১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি, আসাদুজ্জামান শহীদ হওয়ার সংবাদে মোহাম্মদপুর হাউজিং এস্টেটে প্রবেশের মূল ফটকের নামকরণ করা হয় "আসাদ গেট''।
১৯৬৯ সালের ২৪ জানুয়ারি, হরতাল।
১৯৬৯ সালের ২৪ জানুয়ারি, আইয়ূবি শাসনের বিরুদ্ধে গণ-অভ্যুত্থান ঘটে এবং নবকুমার ইনস্টিটিউটের নবম শ্রেণীর ছাত্র কিশোর মতিউর পুলিশের গুলিতে শহীদ হন। ছাত্র-জনতার মিছিল।
১৯৬৯ সালের ২৪ জানুয়ারি গণ-অভ্যুত্থান। সামনের সারিতে তৎকালীন ছাত্রনেতা মাহবুব-উল্লাহ।
১৯৬৯ সালের ২৪ জানুয়ারি, প্রেস ট্রাস্টের পত্রিকা দৈনিক পাকিস্তানে অগ্নি সংযোগ।
১৯৬৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি, ছাত্রসমাজের ১১-দফা দাবী অনুযায়ী সরকার র্কতৃক ২১ ফেব্রুয়ারি, শহীদ দিবসের ছূটি ঘোষণা।
১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, সেনাবাহিনীর গুলিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. শামসুজ্জোহা নিহতের সংবাদে ঢাকায় প্রচন্ড বিক্ষোভ। সান্ধ্য আইন উপেক্ষিত অসংখ্য ছাত্র-জনতা আহত ও গ্রেফতার। শেখ মুজিব সংক্রান্ত গুজব অব্যাহত।
১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি, গণঅভ্যুত্থানের মুখে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা তুলে নেয়া হয়।
১৯৬৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ূব খানের জরুরী গোলটেবিল বৈঠক শুরু।
১৯৬৯ সালের ৩ মার্চ, ঢাকায় পুলিশের গুলিতে তিনজন নিহত। প্রাক্তন পুলিশ অফিসারদের বিক্ষোভ মিছিল।
১৯৬৯ সালের ২১ মার্চ, প্রাদেশিক গভর্ণেরর পদ থেকে মোনায়েম খানের অপসারণ; গোপনে স্বপরিবারে ঢাকা ত্যাগ। প্রদেশের অর্থমন্ত্রী ড. এম. এন. হুদা নতুন গভর্ণর হিসেবে নিযুক্ত। শেখ মুজিবসহ বিরোধী নেতৃবৃন্দের সঙ্গে গভর্ণর হুদার ঘরোয়া আলোচনা।
১৯৬৯ সালের ২৪ মার্চ, পশ্চিম-পাকিস্তান থেকে মওলানা ভাসানী ফিরছেন। তেঁজগা বিমান বন্দরে অপেক্ষা করছেন জনতা।
১৯৬৯ সালের ২৫ মার্চ, পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ফিল্ড মার্শাল মোহাম্মদ আইয়ূব খান ক্ষমতাচ্যুত হন। জেনারেল ইয়াহিয়া খানের ক্ষমতা গ্রহণ। সারা পাকিস্তানে সামরিক আইন জারি এবং সকল রাজনৈতিক কার্যকলাপ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
১৯৬৯ সালের ২৫ মার্চ, বিভ্রান্তির মধ্যে হরতাল পালিত। পুলিশের গুলিতে ১ জন নিহত ও ৩ জন আহত।
১৯৬৯ সালে পটুয়াখালী জেলা প্রতিষ্ঠিত হয়। গ্রাম-৫৬০টি, ইউনিয়ন-৬৭টি।
১৯৬৯ সালের এপ্রিল মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার কায়তোল্লা গ্রামে ২২(বাইশ) জন গরু চোরকে গ্রাম্য সালিশীর ভিত্তিতে হত্যা করা হয়।
১৯৬৯ সালের ৮ নভেম্বর, ইনস্টিটিউট অব ডিপেস্নামা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)-এর প্রতিষ্ঠা।
১৯৬৯ সালে দেশের প্রাচীন ও প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লি.-এর সদস্যসংখ্যা-২৩০ জন এ উন্নীত করা হয়। ২০-০৫-২০০৫-এর পূর্বে সদস্যসংখ্যা ছিল-১৯৫ জন। ২০০৫ সালের ৩ জুলাই, ইনকিলাব পত্রিকায় মোঃ আসাদুজ্জামান: ৬২,৬৭৪টি ভুয়া বেনিফিশিয়ারী ওনার্স (বিও) একাউন্ট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সিকিউরিটি এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)'র নির্দেশ ডিপিরা (ডিপোজেটরি পার্টিিসপেন্ট) এসব ভুয়া বিও একাউন্ট বন্ধ করেছে। ভুয়া একাউন্ট বন্ধ করার পর বর্তমানে ডিপিগুলোতে বিও একাউন্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬০৩টি। ২০০৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি, ফজলুল বারী: শেয়ার বাজারে আবারো ধস। বিনিয়োগকারীরা রাজপথে: মাত্র ১৪ মাসে মূলধন কমেছে ৩ হাজার ৪৪৬ কোটি টাকা। সিএসই কর্মকর্তারা ভূয়া 'বিও' একাউন্টে শেয়ার ব্যবসা করছে।-অর্থৈনতিক রিপোর্টার। ২০০৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর, ঢাকা স্টক একচেঞ্জের (ডিএসই)-এর বাজার মূলধন-১,০২,০০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। ২০০৯ সালের ১২ আগষ্ট, আমাদের সময়: বৃহত্তর শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মূলধন এখন জাতীয় বাজেটের (২০০৯-২০১০) চেয়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা বেশি। অর্থাৎ বাজার মূলধন বেড়ে ১,২৮,০০০(এক লাখ আটাশ হাজার) কোটি টাকা। প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হচ্ছে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা। ২০০৯ সালের ১৭ নভেম্বর, প্রথম আলো: সব মিলিয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসইর) মোট বাজার মূলধন ছিল এক লাখ ৭৪ হাজার কোটি টাকার ঘরে। আমাদের সময় ১২-০৫-২০১০ তারিখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসইর) মোট বাজার মূলধন দুই লাখ বিয়াল্লিশ হাজার কোটি দাড়িয়েছে। ১৮-০২-২০১০ তারিখ শেয়ারের তথ্য সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) তথ্য অনুসারে, বর্তমানে বিনিফিশনারী অনার্স একাউন্ট (বিও) হিসাবের সংখ্যা ২১ লাখ ৭০ হাজার। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড একচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। ২৪-০৫-২০১০ তারিখ ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ছয় হাজার ছিয়ানব্বই পয়েন্টের মাইলফলক। ১৪-০৬-২০১০ তারিখ ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ছয় হাজার তিনশত চব্বিশ পয়েন্টের মাইলফলক ছাড়িয়েছে। ০৯-১০-২০১০ তারিখ ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ৮০৮৩.০২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ২৮-১০-২০১০ তারিখ ডিএসইর ২,৯৪৬ কোটি ৩৭ লাখ টাকা এবং সিএসইর ৩৪০ কোটি ৪৭ লাখ টাকার রেকর্ড লেনদেন হয়েছে। ডিএসই + সিএসই= সম্মিলিত লেনদেন হয়েছে তিন হাজার দুইশত ছিয়াছি কোটি ৮৪ লাখ টাকা। ৩১-১০-২০১০ তারিখ ডিএসইর ৩,২০৮ কোটি ৯১ লাখ টাকা এবং সিএসইর ৩৪০ কোটি ৪৭ লাখ টাকার রেকর্ড লেনদেন হয়েছে। ডিএসই + সিএসই=সম্মিলিত লেনদেন হয়েছে তিন হাজার পাঁচশত উনপঁঞ্চাশ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। আমাদের সময় ০৫-১২-২০১০ তারিখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসইর) মোট বাজার মূলধন তিন লাখ ৬৮ হাজার কোটি ৪১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা ছাড়িয়েছে। ১১ মাসে দ্বিগুন ডিএসইর বাজার মূলধন। ২০,২১৬ কোটি টাকার শেয়ারের দাম এখন দৈনিক জনকন্ঠ ১৮-১০-২০১০ তারিখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসইর) মোট বাজার মূলধন তিন লাখ ২৫ হাজার ৯২৭ কোটি ৭৬ লাখ ৩ হাজার টাকার মাইলফলক ছাড়াল। পুঁজি বাজারে ইস্যুকৃত এসব শেয়ারের মূলধনের তুলনায় বাজার মূলধনের পরিমাণ ১৬ গুনেরও বেশি। ১৭-১১-২০০৯ তারিখে ডিএসইতে তালিকাভূক্ত সকল শেয়ার, মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও বন্ডের বাজার মূল্য ছিল ১ লাখ ৭৬ হাজার ৬১৯ কোটি ৭০ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। বর্তমানে ১৪-১০-২০১০ তারিখে বাজার মূলধনের পরিমাণ ৩ লাখ ২৫ হাজার ৯২৭ কোটি ৭৬ লাখ ৩ হাজার টাকা। চলতি বছরের শুরুতে বাজার মূলধন ছিল ১ লাখ ৯০ হাজার ৩২৩ কোটি টাকা। ২৪-১০-২০১০ তারিখ পর্যন্ত ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক একচেঞ্জের আওতাধীন বিও হিসাবের সংখ্যা ৩০ লাখ ১৮ হাজার ১২২টি। এরমধ্যে সক্রিয় হিসাবগুলোর মধ্যে ২২ লাখ ২১ হাজার ৬৭৪টি পুরুষ বিনিয়োগকারীর এবং ৭ লাখ ৮৮ হাজার ৫৩৪টি নারী বিনিয়োগকারীর। এছাড়া বাকি ৭ হাজার ৯১৪টি বিও হিসাব বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে চালু আছে। অন্যদিকেপ্রবাসী বাংলাদেশীদের নামে চালু থাকা বিও হিসাবের সংখ্যা ১ লাখ ২৩ হাজার ৪০৪টি। গত বছর বিও হিসাবধারীর সংখ্যা ছিল ১৪ লাখ ৬৭ হাজার ৪৬৭টি। মাদ্র এক বছরের ব্যবধানে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বেড়েছে ১৫ লাখ ৫০ হাজার ৬৩৯টি। সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) সূত্রে জানা যায় গতকাল রবিবার (২৪-১০-২০১০ তারিখ পর্যন্ত) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক একচেঞ্জের আওতাধীন বিও একাউন্ট নং-৩০ লাখ ১৮ হাজার ১২২টি। ২২-১১-২০১০ তারিখ সূচক ও বাজার মূলধনে নতুন রেকর্ড। ডিএসইর সূচক ৮,৫৯৮ পয়েন্টে উন্নীত এবং বাজার মূলধন হয়েছে ডিএসই ও সিএসইর বাজার তিন লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা। ডিএসই বাজার মূলধন তিন লাখ কোটি টাকা। ৩১-১২-২০১০ তারিখ বিও হিসাবধারী বিনিয়োগকারীর সংখ্যা ৩২ লাখ ৭৯ হাজার ১৫৮ জনে দাড়িয়েছে। সেই হিসাবে এক বছরে পুঁজিবাজারে নতুন প্রায় ১৯ লাখ ৪২ হাজার বিনিয়োগকারী যুক্ত হয়েছে। ২০০৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের(ডিএসই) বাজার মূলধনের পরিমাণ ছিল এক লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। ২০১০ সালের ২০ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: দেশের শেয়ারবাজারে সর্বকালের সর্বোচ্চ দরপতন ঘটেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে(ডিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক প্রায় ৫৫২ পয়েন্ট বা ৬ দশমিক ৭২ শতাংশ কমেছে। দেশের পুঁজিবাজারের ইতিহাসে এক দিনে এত বেশি পতনের ঘটনা এটাই প্রথম। আর ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, তা ৮৪ দশমিক ২১ শতাংশ বেড়ে তিন লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা। জিডিপির অনুপাতে ৫০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। অতি চাহিদার কারণে মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। ২০১১ সালের ১৯ জানুয়ারি, প্রথম আলো: শেয়ারবাজারে ধস ঠেকাতে আবারও লেনদেন বন্ধ। সব শেয়ারের অভিহিত মূল্য হবে ১০ টাকা। ২০১১ সালের ২০ জানুয়ারি, প্রথম আলো: শেয়ারবাজারের ডিএসই সার্বিক সূচক: ৫৭৩৯ এবং ডিএসই সাধারণ সূচক: ৬৯১৩। মোট লেনদেন ৫৩৭.৪০ কোটি টাকা। ২০১১ সালের ২১ জানুয়ারি, প্রথম আলো: শেয়ারবাজারের ডিএসই সার্বিক সূচক: ৫২৬৩ এবং ডিএসই সাধারণ সূচক: ৬৩২৬। মোট লেনদেন ৬৮ কোটি টাকা। সিএসই মোট লেনদেন ১২ কোটি টাকা। ক্রেতা নেই, বাজার বন্ধ। ২৪-০১-২০১১ তারিখ রোববারও শেয়ারবাজার বন্ধ, ৬ ব্রোকারেজ হাউসের লেনদেন এক মাস স্থগিত, বুক বিল্ডিং পদ্ধতি বন্ধ। ১৯৯৬ সালে কয়েক হাজার কোটি টাকা শেয়ারবাজার থেকে গুটি কয়েকজন নিয়েছিল এবারও (ডিসেম্বর, ২০১০ ও জানুয়ারি, ২০১১) ৬৪ হাজার কোটি টাকা শেয়ারবাজার থেকে নিয়ে গেছে। ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি, প্রথম আলো: এসইসির চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টের তিরস্কার। শেয়ারবাজারের ঘটনা রাষ্ট্র ও সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। ০৮-০২-২০১১ তারিখে প্রথম আলো: শেয়ারের দরপতন চলছেই দিশেহারা বিনিয়োগকারীরা। ১৩-০৭-২০১১ তারিখে আবার বাজার মূলধন ৩(তিন) লক্ষ কোটি টাকা হয়েছে। ৩৪ লক্ষ বিনিয়োগকারী শেয়ারবাজারে ব্যবসা করছিলেন তারমধ্যে ৫ লক্ষ বিনিয়োগকারী ব্যবসা থেকে আউট। আর ১৯ লক্ষ বিনিয়োগবারী ৩৩% ভাগ শেয়ার প্রতিদিন বাধ্যতামূলক বিক্রির কারণে তাঁদের পুঁজি হারিয়েছে। আর বর্তমানে ১০ লক্ষ বিনিয়োগকারী শেয়ার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। পতন ঠেকাতে প্রণোদনা। ২০১১ সালের ৩ আগস্ট, ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল-তিন লাখ ৮৫৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। ১ অক্টোবর, ২০১১ সালে ডিএসই সাধারণ সূচক-৫,৯০২ ছিল। ১৭ অক্টোবর, ২০১১ সালে ডিএসই সাধারণ সূচক-৫,৪২৪ হয়েছে। ২০১১ সালের ১৫ নভেম্বর, প্রথম আলো: ডিএসইর সূচক পাঁচ হাজারের নিচে। ১৪-১১-২০১১ তারিখ সাধারণ মূল্যসূচক প্রায় চার হাজার ৮৭৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ২০১৪ সালের ৪ এপ্রিল, তিন লাখ দুইশত পঁয়ত্রিশ হাজার কোটি লক্ষ সাতানব্বই হাজার আটশত একসট্টি টাকা।
১৯৯৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারির তথ্য-বিদেশী বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের শেয়ার বাজার হ'তে ৫২৮(পাঁচশত আটাশ) কোটি টাকা নিয়ে গেছে।
২০০৯ সালের ২ জানুয়ারি, প্রথম আলো: সংবাদ সম্মেলনে ২০০৯ সালের জন্য ডিএসইর লক্ষ্যমাত্রা প্রকাশ। পুঁজিবাজারের মূলধন দুই হাজার কোটি ডলার করা হবে।
২০০৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: ১৯৯৬-এর শেয়ার কেলেঙ্কারির মামলা নিষ্পত্তি হয়নি এক যুগেও।
২০০৯ সালের ২ নভেম্বর, আমাদের সময়: ১ লাখ ৪৬ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ঢাকার পুঁজিবাজারের মূলধন।
২০০৯ সালের ১৭ নভেম্বর, প্রথম আলো: গ্রামীণফোনের লেনদেন শুরু, ডিএসইর সূচকে রেকর্ড। শেয়ার লেনদেন শুরুর এক দিনেই গ্রামীণফোনের জন্য ডিএসইর বাজার মূলধন ২৩ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা বেড়েছে। সব মিলিয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসইর) মোট বাজার মূলধন ছিল এক লাখ ৭৪ হাজার কোটি টাকার ঘরে। বিক্রয়যোগ্য তিন লাখ ৪৭ হাজার ১৯৭ জন শেয়ারধারী প্রত্যেকেই যেহেতু একটি বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাবে এক লট অর্থাৎ ২০০ শেয়ার পেয়েছেন ফলে একসঙ্গে সর্বোচ্চ ২০০ শেয়ার বিক্রি হয়। গ্রামীণফোনের ৪৮৬ কোটি টাকারও বেশি মূল্যমানের ছয় কোটি ৯৪ লাখ ৩৯ হাজার ৪০০টি শেয়ার লেনদেনযোগ্য হয়েছে। এ শেয়ারগুলো আইপিওর লটারির মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা পান। গ্রামীণফোনসহ ২৩০টি কোম্পানীর শেয়ার লেনদেন হয়। প্রথম দিনেই ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৭৬৫ পয়েন্ট বেড়েছে। সব মিলিয়ে সাধারণ মূল্যসূচক চার হাজার ১৪৮ পয়েন্ট ছাড়িয়েছে। তবে সিএসইর সূচকে গ্রামীণ ফোনের শেয়ার লেনদেনের কোনো প্রভাব পড়েনি। সিএসইর সার্বিক সূচক ২০০ পয়েন্ট বেড়ে হয়েছে ১১ হাজার ৮৩৬ পয়েন্ট। ১৬-১১-২০০৯ তারিখ মোট লেনদেন হয়েছে ৭৩৮ কোটি।
২০১০ সালের ২ জুলাই, প্রথম আলো: ইন্টারপোলের দুই ফেরারি আসামি শেয়ারবাজার থেকে নিয়ে গেছে ২৫০ কোটি টাকা। পাকিস্তানি বংশোদ্ভুত ব্রিটিশ নাগরিক রাফাত আলী রিজভি ও মিসরীয় বংশোদ্ভুত সৌদি নাগরিক হিশাম আল ওয়াররাখকে প্রতারণার দায়ে ধরিয়ে দিতে ২০০৯ সালে 'রেড এলার্ট' জারি করেছে পুলিশের আন্তর্জািতক সংস্থা ইন্টারপোল। বিভিন্ন দেশে তাঁদের বেশ কিছু ব্যাংক হিসাবও স্থগিত রাখা হয়েছে। অথচ তাঁদের মালিকানাধীন ফাষ্ট এশিয়া হোল্ডিংস নিজেদের শেয়ার বিক্রি করে দিয়ে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা নিয়ে গেছে। কোম্পানিটি ইতিমধ্যে ৫৭ লাখ শেয়ার বিক্রি করে দিয়ে এর সিংহভাগ অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় নিয়ে গেছে। ডিএসইর একটি সূত্র বলছে, এ কোম্পানিতে তাঁদের পাঁচ কোটি টাকার বেশি লগ্নি ছিল না। ডিএসইসির সভাপতি শাকিল রিজভী বলেন, কীভাবে দেশে বৈদেশিক মুদ্রা ঢুকছে এবং বের হচ্ছে, সেটি দেখার দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের। ১৯৯৬ সালেও বাংলাদেশ থেকে বিদেশীরা ৫০০ কোটি টাকা শেয়ারবাজার থেকে নিয়ে গেছে।
২০১১ সালের ২২ জানুয়ারি, প্রথম আলো: শেয়ারবাজার সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী। অনেক সময় ঠিকমতো সিদ্ধান্ত হয়নি। আমরা এখন শনাক্ত করার চেষ্টা করছি কোথায় কোথায় ভুল করলাম। নিয়ন্ত্রকদের ভুল আছে, আমারও ভুল হয়েছে।
২০১১ সালের ২৪ মে, প্রথম আলো: আওয়ামী নামধারীরাই দায়ী, ব্যবস্থা নিন। শেয়ার কেলেঙ্কারি নিয়ে সংসদ উত্তপ্ত। সমালোচনায় মুখর সরকারি দলের সাংসদেরাই।