১৯৫০ সালের ৩০ নভেম্বর, বাংলাদেশ ৪র্থ শ্রেণী সরকারী কর্মচারী সমিতি প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

১৯৫০ সালে মাছ আমাদের অন্যতম সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে তৈরী হয়েছে 'দি প্রটেকশন অ্যান্ড কনজারভেশন অব ফিশ অ্যাক্ট'।

১৯৫১ সালের ৬ এপ্রিল, বাংলা ভাষাকে 'জাতীয় ভাষা' করার দাবিতে সারা পূর্ববাংলায় 'জাতীয় ভাষা দিবস' পালিত হয়।

১৯৫১ সালের ৬ এপ্রিল, বাংলাভাষাকে 'জাতীয় ভাষা' করার দাবীতে পূর্ব বাংলায় 'জাতীয় ভাষা দিবস' পালিত হয়।

১৯৫১ সালে ''জাতীয় রাজস্ব বোর্ড''(এ. বি. আর.) গঠিত হওয়ার পর ৫৬ বছরের ইতিহাসে এটিই প্রথম মামলা এবং রায়। লবির ৮ বছর জেল ও অবৈধ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত-২৫ লাখ টাকা জরিমানা।

১৯৫১ সালে নারায়নগঞ্জ জেলায় ''আদমজী পাটকল'' প্রথম স্থাপিত হয়।

১৯৫১ সালের ১৬ অক্টোবরের পর খাজা নাজিমুদ্দিন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন।

১৯৫১ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম ছিল। ???

১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি, খাজা নাজিমউদ্দিন পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দু হবে বলে ঘোষণা দেন।

১৯৫২ সালের ৩০ জানুয়ারি, পূর্ব-বাংলায় সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা কর্মপরিষদ গঠিত হয়।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা কর্মপরিষদের সভাপতি হিসাবে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ভূমিকা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

১৯৫২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি, বিকেলে সরকার ১৪৪ ধারা জারি করে।

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি, 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' স্স্নোগানে উচ্চকিত সেই দিনে বিকেল তিনটা ২০ থেকে তিনটা ৫০ মিনিট বাংলার দামাল ছেলেরা বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছিল। সেই ''দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট''।

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি, ঢাকায় ভাষা আন্দোলনের দাবীতে পুলিশের গুলিতে নিহত। ২১ ফেব্রুয়ারিকে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা করেন এ. কে. ফজলুল হক।

১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি, ঢাকায় ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে শোক মিছিলে পুলিশ গুলী চালায়।

১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি, ভাষা আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয়।

১৯৫২ সালের ২৬ এপ্রিল, পূর্ব পাকিস্তান (বাংলাদেশ) ছাত্র ইউনিয়নের জন্ম।

১৯৫২ সালের ২ মে, কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের প্রতিষ্ঠা হয়।

১৯৫২ সালে বাংলাদেশে প্রথম গৃহ ঋণদানের অগ্রপথিক বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের যাত্রা শুরু।

১৯৫৩ সালের ১৭ জানুয়ারি, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে মুনীর চৌধুরী 'কবর' নাটক রচনা শেষ করেন।

১৯৫৩ সালের ১ মে, 'আদমজী জুট মিলস মজদুর ইউনিয়ন' গঠিত হয়।

১৯৫৩ সালের ৬ জুলাই, ২৯৮.২০ হেক্টর জমিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২০১০ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২৮ জন নিহত হয়েছে ছাত্র-শিক্ষক। নব্বইয়ের পরে নিহত ১৪ শিক্ষার্থীর নয়জনই শিবিরের শিকার।

১৯৫৩ সালে শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বািচত হন।

১৯৫৩ সালে সেচ্ছাসেবক ভিত্তিতে তদানীন্তন পূর্ব-বাংলায় পরিবার পরিকল্পনা সমিতি এদেশে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম শুরু করে। তারও একযুগ পরে ১৯৬৫ সালে প্রথম এদেশে সরকারীভাবে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্তু ১৯৭৬ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানই প্রথমবারের মতো জনসংখ্যাকে দেশের এক নম্বর সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে জাতীয় জনসংখ্যা নীতি প্রনয়ণ করেন। এ সময়ই পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের কাজ করার জন্য পূর্ণকালীন মাঠকর্মী নিয়োগ করা হয়। ২০১৫ সালের ৭ আগস্ট, প্রথম আলো: পাশে অঅছি তাই, ৮ কোটিরও অধিক দম্পতি অপরিকল্পিত গর্ভধারণ থেকে পেয়েছে সুরক্ষা। বর্তমানে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহারকারীদের প্রতি তিন জনের একজন এস.এম.সি-ও পরিকল্পনা পণ্য ব্যবহার করছে। গত ৪১ বছর না গত ৩৯ বছর ধরে পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রী সরবরাহ করে এসএমসি ৮ কোটি ২৬ লক্ষেরও অধিক দম্পতিকে সুরক্ষা দিয়েছে। দেশজুড়ে গড়েছে অসংখ্য ছোট ছোট সুখী পরিবার। দিয়েছে সুস্থ ও সুন্দর জীবন।

১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর, যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।

১৯৫৩ সালে বাংলাদেশে প্রথম চন্দ্রঘোনা কাগজকল স্থাপিত হয়।

১৯৫৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর, দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।

১৯৫৪ সালে মুসলিমলীগ পূর্ব-বাংলায় বিলম্বিত সাধারণ নির্বাচন ঘোষণা করে।

১৯৫৪ সালে ২১-দফার ভিত্তিতে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন করে। যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের টিকেট প্রদান নিয়ে ফজলুল হক-সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে মওলানা ভাসানীর বিরোধ প্রকট হয়ে ওঠে।

১৯৫৪ সালের ৮ মার্চ, পূর্ববঙ্গ পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট মুসলিম লীগকে পরাজিত করে।

১৯৫৪ সালের ৮ থেকে ১২ মার্চ, পূর্ব বাংলায় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মুসলিম লীগ ৯টি আসনে এবং যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসনে বিজয় অর্জন করে।

১৯৫৪ সালের নির্বাচনের মধ্যেদিয়ে মওলানা সাহেব কমিউনিস্টদের নিবিড় সান্নিধ্যে আসেন।

১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জেনর পর মন্ত্রিসভা গঠন করে।

১৯৫৪ সালের ১৪ মে, আদমজী পাটকলে বাঙালী ও অবাঙালী শ্রমিকদের মধ্যে দাঙ্গা সংঘটিত হয়। এ দাঙ্গায় সরকারী হিসাবে ৪০০ জন ও বেসরকারী হিসাবে ৬০০ জন নিহত।

১৯৫৪ সালের ৩০ মে, পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার পূর্ব বাংলায় যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বাতিল করে ও ৯২(ক) ধারা জারি করে।

১৯৫৪ সালের ৩০ মে, পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার র্কতৃক পূর্ব-বাংলায় যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বাতিল।

১৯৫৪ সালে রহিমআফরোজ ব্যাটারিজের গোড়াপত্তন হয়।

১৯৫৪ সালের ১৪ অক্টোবর, পাকিস্তানের গণপরিষদ বাতিল করা হয়।

১৯৫৪ সালের নভেম্বরে, স্টকহোমে বিশ্বশান্তি সম্মেলনের এক বিশেষ অধিবেশনে মওলানা ভাসানী আমন্ত্রিত হয়ে যোগ দেন।

১৯৫৪ সালের ২১ ডিসেম্বর, কুমিল্লায় বেসরকারী কলেজ শিক্ষকদের সংগঠন 'কলেজ শিক্ষক সমিতি' প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭২ সালের ৩০ ডিসেম্বর, ইসলামিক একাডেমী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে পুনর্গিঠত হয় সমিতি। ১৯৫৪ থেকে ২০০৪: কলেজ শিক্ষক সমিতির ৫০ বছর।

১৯৫৪ সালে নাবিস্কো গস্নুকোজ বিস্কুটের জন্ম।

১৯৫৫ সালের ১২ মে, সিলেটের হরিপুরে প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়।

১৯৫৫ সালের ২২ মে, বুলবুল ললিতকলা একাডেমি (বাফার) প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৫৫ সালের ১৭ জুন এবং ১৯৫৬ সালের ১৫ জানুয়ারি, মওলানা ভাসানী প্রথম 'স্বাধীন পূর্ব-পাকিস্তান' গঠনের কথা উল্লেখ করেন।

১৯৫৫ সালের ২৪ অক্টোবর, আওয়ামী মুসলিম লীগের নাম পরিবর্তন করে আওয়ামী লীগ রাখা হয়।

১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর, বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ১৯৭২ সালের ১৮ মে, বাংলা একাডেমী অর্ডার ১৯৭২ জারি। ২০০৪ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারীর, সংবাদ অনুসারে: একুশে বইমেলা: একাডেমী প্রতিষ্ঠার ২৩ বছর পর স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৮ সাল থেকে বইমেলা শুরু হয়। এর আগে ১৯৭২ সালে প্রথম একুশে উপলক্ষে একাডেমীর নিজস্ব বই বিক্রি শুরু হয়। ১৯৭৫ সাল থেকে বাংলা একাডেমীর একুশের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে একটি বেসরকারী প্রকাশনা সংস্থা প্রথম একাডেমীর বটতলায় চাদর পেতে বই বিক্রি শুরু করে। অনেকেই বলেছেন, ওই প্রতিষ্ঠানটি ছিল মুক্তধারা। পরের বছর থেকে প্রকাশনা সংস্থা বাড়তে থাকে। তাই ১৯৭৮ সালে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ মেলায় রূপান্তরিত হয়। ১৯৭৮ সালেই বাংলা একাডেমী আনুষ্ঠানিকভাবে মেলার আয়োজন করে আসছে। ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি মেলা আয়োজনে সহযোগী শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়। ১৯৮৪ সালে বাংলা একাডেমীর নীতিমালা প্রণয়নকালে এ মেলার নামকরণ করা হয় 'অমর একুশে গ্রন্থমেলা'। ১৯৯২ সালে একুশের বইমেলা একাডেমীর দেয়ালের বাইরে গিয়ে অবস্থান নেয়। স্টলের সংখ্যা বাড়তে বাড়তে ১৯৯৭ সালে ৫২০টিতে গিয়ে দাঁড়ায়। ১৯৯৮ সাল থেকে আবার মেলা একাডেমীর চার দেয়ালের ভেতরে গিয়ে অবস্থান নেয়। ২০০৪ সালে মেলায় ৪৫৭টি স্টল থাকছে। বাংলা একাডেমী এ পর্যন্ত ৪,৪০০ বিভিন্ন বিষয়ের বই প্রকাশ করেছে।

১৯৫৬ সাল থেকে আমি মোঃ জাকির হুসেন ওরফে আলমগীর প্রাইমারী স্কুলে প্রথম শ্রেণীতে পড়া অবস্থায় বিড়ি-সিগারেট পান করতে থাকি এবং ১৯৮৬ সালের ১৮ জুলাই, মোঃ জাকির হুসেন(আলমগীর) সিগারেট পান করা বন্ধ করি। এরপর থেকে আমি বলি যে, আমি যদি সিগারেট পান করি তা'হলে আমি আমার পস্রাব পান করি। এ কথা তিনবার বলার পর আর পান করিনি। ০৪-১০-২০১৫ তারিখ পর্যন্ত সিগারেট আর পান করিনি।

১৯৫৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি, মওলানা ভাসানী, মুখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার ও শহীদ বরকতের মা যৌথভাবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ভিত্তি স্থাপন করেন।

১৯৫৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি, ঢাকার সেগুনবাগিচায় 'বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি' প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭৬ সালে সমিতির কার্যক্রম শাহবাগে স্থানান্তরিত হয়।

১৯৫৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি, পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র গণপরিষদে গৃহীত হয়।

১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ, পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান কার্যকর হয়। এ সংবিধানে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়।

১৯৫৬ সালে ''পূর্ববাংলার'' নাম ''পূর্ব পাকিস্তান'' রাখা হয়।

১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ, পাকিস্তানকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয়।

১৯৫৬ সালের ২৪ মার্চ,শের-ই-বাংলা এ.কে.ফজলুল হক পূর্ব-পাকিস্তানের গভর্ণর নিযুক্ত হন।

১৯৫৬ সালের ২২ জুলাই, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোং লিমিটেডের জন্ম।

১৯৫৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়-মোহাম্মদ সিদ্দিক খানের নের্তৃেত্ব বাংলাদেশের গ্রন্থাগার সমিতি।

১৯৫৬ সালের ৩ আগষ্ট, পূর্ব-পাকিস্তানের নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র 'মুখ ও মুখোশ' মুক্তি লাভ করে।

১৯৫৬ সালের ২৯ আগস্ট, খাদ্যের দাবিতে ঢাকায় 'ভুখা মিছিল' হয়।

১৯৫৬ সালের ৪ সেপ্টেম্বর, আবদুল জব্বার পরিচালিত ঢাকার প্রথম চলচ্চিত্র 'মুখ ও মুখোশ' মুক্তি লাভ করে।

১৯৫৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর, চৌধুরী মোহাম্মদ আলী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলে, ১৯৫৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর, সোহরাওয়ার্দী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন।

১৯৫৬ সালে দুটো উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটে। প্রথমটি আওয়ামী 'মুসলিম' লীগ নাম থেকে 'মুসলিম' শব্দটি প্রত্যাহার;দ্বিতীয়তঃ ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ, দেশের প্রথম সংবিধান ঘোষণা।

১৯৫৬ সালেই সর্বপ্রথম গণ-পরিষদে সাংবিধানিক প্রশ্ন নিয়ে তুমুল বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৫৬ সালে 'পূর্ব-পাকিস্তান কমিউনিষ্ট পার্টি'র কলকাতায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, কমিউনিষ্টরা আওয়ামী লীগের মধ্যে কাজ করবেন।

১৯৫৬ সালের ৫ অক্টোবর, প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল কচি-কাঁচার মেলা। প্রতিষ্ঠাদের মধ্যে ছিলেন কবি সুফিয়া কামাল, কবি জসিমউদ্দিন, ড. কুদরত-এ-খুদা, রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, ড. আবদুল্লাহ আলমুতী শরফুদ্দীন ও অধ্যাপক অজিত গুহ প্রমুখ। এখন তাঁদের কেউ বেঁচে নেই (০৬-১০-২০১১)।

১৯৫৬-৫৮ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, গভর্ণর শের-ই-বাংলা এ. কে. ফজলুল হক, আতাউর রহমান খাঁনকে পূর্ব-পাকিস্তানে আওয়ামী লীগ মন্ত্রীসভা গঠনের দায়িত্ব দেন।

১৯৫৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি, ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলনে মওলানা ভাসানীর কন্ঠে বাংলাদেশকে স্বাধীন করার আহবান।

১৯৫৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি, কাগমারী সাংস্কৃতিক সম্মেলনে লেনিন, গান্ধী প্রমুখ নেতার ছবি সম্বলিত তোরণ, ভারত থেকে তারাশঙ্কর, প্রবোধ কুমার সান্যাল প্রভৃতি সাহিত্যিকদের আমন্ত্রণ, দেশী-বিদেশী সংস্কৃতি চেতনাসম্পন্ন পন্ডিত ব্যক্তিদের আলোচনার মধ্যদিয়ে বাঙালির জাতীয় অনুসন্ধান সাধনের কথা আজ ভাবতেও অবাক লাগে।

১৯৫৭ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি, মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে কাগমারী সম্মেলন শুরু।

১৯৫৭ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি, ঐতিহাসিক কাগমারীতে দু'দিনব্যাপী ঐতিহাসিক সাংস্কৃতিক সম্মেলন।

১৯৫৭ সালের ৩ এপ্রিল, তৎকালীন পাকিস্তানের প্রাদেসিক পরিষদে শিল্পমন্ত্রী হিসেবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এফ.ডি.সি. বিল উত্থাপন করেছিলেন। ১৯৫৭ সালে প্রথম ১৫ জন লোক নিয়ে এফ. ডি. সি.'র কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৮৮ সালে এ প্রতিষ্ঠানে ৫(পাঁচ) হাজার লোক কাজ করে। ২০০১ সালের ৪ সেপ্টেম্বরের তথ্যানুযায়ী-এফ. ডি. সি-তে ১০(দশ) হাজার লোক কাজ করে। আর এ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস ঘোষণা করেছে বর্তমান সরকার মানে আওয়ামী লীগ। আর. এ. ঐতিহাসিক দিনেই এবার দেয়া হলো 'জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১০'।

১৯৫৭ সালের ৩০ মে, 'পূর্ব পাকিস্তান ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন' (ইপসিক) প্রতিষ্ঠিত। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর ১৯৭২ সালে নাম পরিবর্তিত হয়ে 'বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন' (বিসিক)।

১৯৫৭ সালের ২৪ জুলাই, মওলানা ভাসানী আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেন।

১৯৫৭ সালের ২৫ জুলাই, মাওলানা ভাসানী ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) গঠন করে।

১৯৫৭ সালের ৭ সেপ্টেম্বর, পাকিস্তানের করাচিতে পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ নামে আজকের ''বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান'' (বিআইডিএস)-প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৫৭ সালের ১১ অক্টোবর, প্রেসিডেন্টের অভিপ্রায় অনুসারে সোহরাওয়ার্দী পদত্যাগ করেন।

১৯৫৭ সালে মওলানা ভাসানী এবং সোহরাওয়ার্দী সাহেবের বিরোধ আরো তীব্র হয়ে ওঠে।

১৯৫৭ সালে বাংলাদেশে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।

১৯৫৮ সালের ৮ মার্চ, ঢাকা মুসলিম চেম্বার এবং ইউনাইটেড চেম্বার একত্রকরণের মাধ্যমে ''ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির'' আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।

১৯৫৮ সালে ঢাকায় শিক্ষা সম্প্রসারণ গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৫৮ সালের শুরুতে মওলানা ভাসানী কৃষক সমিতি গঠন করেন।

১৯৫৮ সালে পূর্ব পাকিস্তান অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ গঠনের প্রেক্ষিতে সরকার বরিশালের মেরিন ওয়ার্কশপটি তাদের কাছে হস্তান্তর করে।

১৯৫৮ সালের ১৮ আগষ্ট, বাঙলাদেশের সাঁতারু ব্রজেন দাসের ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম। বিশ্ব রেকর্ড স্থাপন করেন।

১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর, প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তানে সামরিক আইন জারী করে ৮ অক্টোবর, প্রধান সেনাপতি আইয়ূব খানকে দেশে আইন-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য প্রধান সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত করেন।

১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর, প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জােক সরিয়ে জেনারেল আইয়ূব খান পাকিস্তানের স্বনির্বািচত প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত হন।

১৯৫৮ সালের ৩১ অক্টোবর, 'ঢাকা বণিক ও শিল্প সমিতির' (ডিসিসিআই)-এর প্রতিষ্ঠা। ৩১-১০-২০০৮ সালে (ডিসিসিআই)-এর ৫০ বছর বা সুবর্ণজয়ন্তী পালন করেন।

১৯৫৮ সালে গাজীপুর ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। সেনাবাহিনীর এ্যাডজুটেন্ট জেনারেলের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত ক্যাডেট কলেজের মাদ্যমে ক্যাডেট কলেজ সংক্রান্ত ধারণা বিকাশ লাভ করতে থাকে।

১৯৫৯ সালের ২৭ মে, আই. সি. এস. অফিসার আখতার হামিদ খান-কুমিল্লায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড)'র প্রতিষ্ঠাতা।

১৯৫৯ সালের ১৯ মে, পূর্ব-পাকিস্তানে বর্তমান বাংলাদেশে বাঙ্গালী উদ্যোগে শুরু হয়েছিল ব্যাংকিং-এর এক নতুন অধ্যায় তৎকালীন ''হাবিব ব্যাংক লিমিটেড'' বর্তমানে ''পূবালী ব্যাংক লিমিটেড'' এ ব্যাংকই প্রথম ব্যাংক বাঙ্গালীদের।

১৯৫৯ সালের ১২ আগষ্ট, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডবিস্নউটিএ)'র প্রতিষ্ঠা।

১৯৫৯ সালের ২৬ অক্টোবর, পাকিস্তান সরকার মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশ জারি করে। মৌলিক গণতন্ত্রের প্রবর্তক ছিলেন আইয়ূব খান।