২০১২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি, দৈনিক জনকন্ঠ: বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পেলেও সন্তোষজনক উন্নতি সম্ভব হবে না। পুরনো কেন্দ্র সংস্কার প্রয়োজন।। এবার গ্রীষ্মে লোডশেডিং হবে সর্বোচ্চ দুই হাজার মেগাওয়াট।। সর্বোচ্চ বিদ্যুতের চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে সাত হাজার ১২৫ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে উৎপাদন আশা করা হচ্ছে ৫৩৩০ মেগাওয়াট থেকে সর্বোচ্চ মে নাগাদ ৫৯৪৫ মেগাওয়াট। এখন সর্বোচ্চ চার হাজার ৭৮০ মেগাওয়াট। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের চাহিদাই এক হাজার ৫০০ মেগাওয়াট।
২০১২ সালের ২৪ মার্চ, প্রথম আলো: এশিয়া কাপ পাকিস্তান-বাংলাদেশ খেলার দিন রাত্রি প্রায় ৬,০৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেন।
২০১২ সালের ১২ মে, দৈনিক জনকন্ঠ: লোডশেডিংয়ের মাত্রা বাড়ছে, পরিস্থিতি উন্নতির আশা নেই।
২০১২ সালের ১৬ মে, প্রথম আলো: বিদ্যুৎ নেই, তবু ৭ হাজার কিলোমিটার নতুন লাইন। নতুন নতুন বিতরণ লাইন স্থাপনের কাজ সরকারের মেয়াদ কমে আসার সঙ্গে বাড়ছে।
২০১২ সালের ১৭ মে, প্রথম আলো: বিশেস্নষণ ছাড়া রেন্টাল বিদ্যুতে যাওয়া ভুল হয়েছিল: অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।
২০১২ সালের ১৯ মে, দৈনিক জনকন্ঠ: দেশের ৬৯ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মধ্যে দিনে ৩৬টি আর সন্ধ্যায় বন্ধ রাখা হচ্ছে ২৩টি।
২০১২ সালের ১৯ মে, দৈনিক জনকন্ঠ: নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জ্বালানি সঙ্কট।
২০১২ সালের ১৯ মে, বাংলাদেশ প্রতিদিন: মাসে ৭০ হাজার নতুন গ্রাহক, বাড়ছে না উৎপাদন।
২০১২ সালের ২৯ মে, প্রথম আলো: বেশি দাম দিলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ। এ ঘোষণায় আগ্রহ কম শিল্প উদ্যোক্তাদের। প্রতি ইউনিটের মূল্য পড়বে ১৪ টাকা ৯৯ পয়সা।
২০১২ সালের ৩০ মে, দৈনিক জনকন্ঠ: নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত দেয়ার প্রস্তাবকে স্বাগত শিল্পোদ্যেক্তাদের-তবে মূল্য পুনঃনির্ধারণ করে যৌক্তিক পর্যােয় নামিয়ে আনার দাবি।
২০১২ সালের ১৭ জুন, প্রথম আলো: বিদ্যুতের দাবিতে জনতার হামলা, ডিসি আহত। উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি।
২০১২ সালের ২৮ জুন, প্রথম আলো: এত সস্তা বিদ্যুৎ পৃথিবীর আর কোথাও নেই। সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, 'বিদ্যুৎ যাদের আছে তারাই পাবে, অন্যরা পাবে না এ নীতিতে আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করে না। গত তিন বছরে ২৫ লাখ নতুন গ্রাহক হয়েছে। অতিরিক্ত ১০ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পেয়েছে। দিয়ে কিঞ্চিৎ না করব বঞ্চিত-এটাই আমাদের নীতি। তেলা মাথায় তেল দিতে চাই না।' তবু তেলা মাথায় তেল দিতে হয়-সমাজের নিয়ম।
২০১২ সালের ৯ জুলাই, দৈনিক জনকন্ঠ: ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে সারা দেশে বিদ্যুতের বিভিন্ন শ্রেণীর গ্রাহকের মোট সংখ্যা ছিল-১ কোটি ৮ লক্ষ। আর ২০১২ সালের মে মাসে তা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে-১ কোটি ৩৩ লক্ষ অর্থাৎ প্রায় ২৫ লক্ষ নতুন সংযোগ দেয়া হয়েছে। (১) বিদ্যুতের সংযোগ বৃদ্ধি ২৫ লক্ষ। (২) তিন বছরে উৎপাদন বৃদ্ধি ৩৩৮০ মেগাওয়াট, চাহিদা বৃদ্ধি ২৮৮৮ মেগাওয়াট। (৩) ২০০৮-২০০৯ এ মাসিক গড় লোডশেড ১২০ ঘন্টা এবং ২০১১-২০১২ এ মাসিক গড় লোডশেড ৬০ ঘন্টা।
২০১২ সালের ২৭ জুলাই, প্রথম আলো: বিদ্যুৎসংযোগ পেতে ঘুষ আর চাঁদাবাজি। পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ে সারা দেশ থেকে ঘুষ-দুর্নীিতর অসংখ্য অভিযোগ এসেছে।
২০১২ সালের ৩১ আগস্ট, প্রথম আলো: পল্লী বিদ্যুতের জন্য ৯২,৯৮০ খুঁটি কেনা হবে। দেশের বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে ১৮ লাখ নতুন সংযোগ দেওয়া হবে।
২০১২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: মানুষ যাতে একসময়ের কষ্ট ভুলে না যায়, সে জন্য প্রতিদিন দুই ঘন্টা লোডশেডিংয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় সংসদে ০৫-০৯-২০১২ তারিখ জাতীয় পার্টির মুজিবুল হকের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
২০১২ সালের ১২ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: সংসদে প্রশ্নোত্তর-দেশে দৈনিক বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা ৮৩১৫ মেগাওয়াট। সরকারি ও বেসরকারি খাতে বিদ্যুতের দৈনিক উৎপাদনক্ষমতা আট হাজার ৩১৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ৪৫ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা রয়েছে বেসরকারি খাতের।
২০১২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: ছয় ধাপে বিদ্যুৎ বিল:
| ক্রমিক | বিদ্যুতের নতুন ধাপ | আরইবির দাম | অন্য সব বিতরণ কোম্পানির দাম |
| ১ | ০-৭৫ ইউনিট | ৩.৬৬ টাকা | ৩.৩৩ টাকা |
| ২ | ৭৬-২০০ ইউনিট | ৪.৩৭ টাকা | ৪.৭৩ টাকা |
| ৩ | ২০১-৩০০ ইউনিট | ৪.১০ টাকা | ৪.৮৩ টাকা |
| ৪ | ৩০১-৪০০ ইউনিট | ৭.১০ টাকা | ৪.৯৩ টাকা |
| ৫ | ৪০১-৬০০ ইউনিট | ৭.৪০ টাকা | ৭.৯৮ টাকা |
| ৬ | ৬০০ ইউনিটের উধ্র্বে | ৯.৩৮ টাকা | ৯.৩৮ টাকা |
এ সরকার ক্ষমতায় আসার পর সাতবার বিদ্যুতের মূল্য বাড়ানো হয়েছে। ২০১৪ সালের ১ মার্চ থেকে বিদ্যুতের মূল্য ব্াড়ানো হয়েছে ৬ দশমিক ৯৬ শতাংশ।
২০১২ সালের ১৩ ডিসেম্বর, দৈনিক জনকন্ঠ: দারুণ সাফল্য স্বপস্নমেয়াদী প্রকল্পে-উৎপাদন ক্ষমতা ৮,২৭৫ মেগাওয়াট।
২০১৩ সালের ১২ জানুয়ারি, দৈনিক জনকন্ঠ: আমরা এ পর্যন্ত ৩৮৪৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৫৪টি বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণ করেছি। সর্বোচ্চ ৬৩৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুত সরবরাহ করেছি। বিদ্যুত উৎপাদনের ক্ষমতা ৮৫২৫ মেগাওয়াট এবং ৫২৮৭ মেগাওয়াট ক্ষমতার আরও ২৬টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণাধীন আছে। আমার প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর নিকট তবু কেন শীতের দিনেও লোডশেডিং করতে হয়।
২০১৩ সালের ২৯ মার্চ, প্রথম আলো: বিদ্যুৎ খাতে গত চার বছরে ৮০০ কোটি ডলার বা বাংলাদেশী টাকায় ৬৪,০০০(চৌসট্টি হাজার) কোটি টাকা ব্যয় করা হয়।
২০১৩ সালের ২৯ মে, দৈনিক জনকন্ঠ: বিশ্বব্যাংকের সমীক্ষা: বিদ্যুৎ সুবিধা বঞ্চিতদের তালিকায় বাংলাদেশ তৃতীয়। ২০১২ সাল পর্যন্ত দেশের ৬০ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে। ২০০৯ সালে ছিল-৪,৯৪২ মেগাওয়াট এবং ২০১৩ সালের ২৮ মে পর্যন্ত ৮,৫২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। ২৮ লাখ ৪০ হাজার নতুন গ্রাহককে বিদ্যুৎ সুবিধা দেয়া হয়। বাংলাদেশে ৫২ শতাংশ মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই।
২০১৩ সালের ৬ জুলাই, প্রথম আলো: সরকারের তথ্য বিবরণী-চার বছরে বিদ্যুৎ উৎপাদন দ্বিগুণ। বিদ্যুৎ খাত ৬০ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ-সুবিধা প্রাপ্তির আওতায় এসেছে। মাষ্টারপ্ল্যান প্রণীত হয়েছে, ২০২০ সালের মধ্যে ২২ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ৩৯ হাজার মেগাওয়াট।
২০১৩ সালের ১৯ আগস্ট, প্রথম আলো: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন-বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা আট হাজার ৬০০ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে।
২০১৩ সালের ২৩ অক্টোবর, প্রথম আলো: ৫ বছরে বিদ্যুৎ খাতের চিত্র: ৬২% ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে। ২০১৩ সাল-৯৭১৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা। ৯৩২২ কিলোমিটার বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন স্থাপন। ২০০৯ সাল-৪৭% ভাগ মানুষ এ সুবিধা পেত। ৪৯৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা। ৭৯৯১ কিলোমিটার বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন ছিল। সূত্র: পাওয়ার সেল, বিদ্যুৎ বিভাগ।
২০১৩ সালের ১২ নভেম্বর, প্রথম আলো: সন্ধ্যা ৬.০০ মিনিট। আলোক উৎসব এবং জাতীয় বিদ্যুৎ সপ্তাহ উদ্বোধন। আলোক উৎসব-১০,০০০(দশ হাজার) মেগাওয়াট। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
২০১৩ সালের ১৯ নভেম্বর, দৈনিক জনকন্ঠ: অর্থমন্ত্রী-আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেন-আগামী গ্রীস্মে কোন লোডশেডিং হবে না ২০১৪ সালে।
২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর, দৈনিক জনকন্ঠ: ২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা।
২০১৪ সালের ২ জানুয়ারি, দৈনিক জনকন্ঠঃ বিদ্যুৎ উৎপাদন ১১ হাজার মেগাওয়াট ছাড়াবে।
২০১৪ সালের ২৬ জানুয়ারি, দৈনিক জনকন্ঠ: ফেব্রুয়ারিতে বিদ্যুত উৎপাদন ১১ হাজার মেগাওয়াট হবে।
২০১৪ সালের ৩ মার্চ, প্রথম আলো: বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন: আর বাংলাদেশের ৪৭ শতাংশ জনগোষ্ঠী বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে। বাংলাদেশের সরকার বলেছে ৬২ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে।
২০১৪ সালের ১৬ জুলাই, প্রথম আলো : সাড়ে ১১ লাখ নতুন গ্রাহক বিদ্যুৎ সুবিধা পাবে-একনেকে প্রকল্প পাস।
২০১৪ সালের ২৩ জুলাই, দৈনিক জনকন্ঠ : বিদ্যুতে বিপস্নব-৬ বছরে বেড়েছে ৫ হাজার ৩শ ৯৯ মেগাওয়াট। নতুন গ্রাহক হয়েছে ৩৪ লাখ। সঞ্চালন লাইন ১ হাজার ৩শ ৩১ কিলোমিটার-।
২০১৫ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেন-আজ বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়ে হয়েছে-১৩ হাজার ২৮৬ মেগাওয়াট আর বিএনপির আমলে ছিল-৩ হাজার ৭৮২ মেগাওয়াট। মানুষের গড় আয়ু ছিল-৬৬ বছর ৬ মাস আর এখন গড় আয়ু বেড়ে হয়েছে-৭০ বছর ৩ মাস।
২০১৫ সালের ১৮ মার্চ, বাংলাদেশ প্রতিদিন : বিদ্যুতে সুখবর নেই। ৭ হাজার ৮৭৪ মেগাওয়াট। গত সোমবার ১৬-০৩-২০১৫ তারিখ ৫ হাজার ৫৫৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়। সে হিসাবে এপ্রিলে দেশে প্রায় দুই হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ ঘাটতি থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আবুল মাল আবদুল মুহিত সাহেব আপনি বলেছেন ৮ ফেব্রুয়ারি বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে-১৩ হাজার ২৮৬ মেগাওয়াট আর বিএনপি'র আমলে ছিল-৩ হাজার ৭৮২ মেগাওয়াট।
২০১৫ সালের ২৭ আগস্ট, প্রথম আলো : উৎপাদন খরচ কমলেও দাম বাড়ল বিদ্যুত ও সব ধরনের গ্যাসের দাম বাড়ছে-প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন-দুই চুলা-৪৫০/-টাকা থেকে=৬৫০/-টাকা এবং এক চুলা-৪০০/- টাকা থেকে ৬০০/- টাকা মানে ৫০ ভাগ বাড়ছে। বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে ২ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে ২৬ দশমিক ২৯ শতাংশ।
১ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ তারিখ থেকে কার্যকর।
বিদ্যুতের দাম (টাকায়) গ্যাসের দাম (টাকায়)
| ইউনিট | বর্তমান হার | বর্ধিত হার | গ্রাহক শ্রেণি | বর্তমান দাম | বর্ধিত দাম |
| ১-৫০ ইউনিট | ৩.৩৩ টাকা | ৩.৩৩ টাকা | সিএনজি | ৩০ টাকা | ৩৫ টাকা |
| ১-৭৫ | ৩.৫৩ টাকা | ৩.৮০ টাকা | গৃহস্থালি এক চুলা | ৪০০ টাকা | ৬০০ টাকা |
| ৭৬-২০০ | ৫.০১ টাকা | ৫.১৪ টাকা | দুই চুলা | ৪৫০ টাকা | ৬৫০ টাকা |
| ২০১-৩০০ | ৫.১৯ টাকা | ৫.৩৬ টাকা | ৩০১-৪০০ টাকা | ৫.৪২ টাকা | ৫.৬৩ টাকা |
| ৪০১-৬০০ | ৮.৫১ টাকা | ৮.৭০ টাকা | ৬০১ বা তার বেশি | ৯.৯৩ টাকা | ৯.৯৮ টাকা |
২০১৫ সালের ৫ অক্টোবর, প্রথম আলো : আগামী ৫ বছরের মধ্যে সারা দেশের দেড় কোটি বিদ্যুৎ গ্রাহককে প্রি-পেইড মিটার দেওয়ার উদ্যোগ সরকারের।
২০১৫ সালের ৯ অক্টোবর, প্রথম আলো : দেশের শততম বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন। সব প্রকল্প সময়মতো শেষ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।
২০১৫ সালের ২৮ অক্টোবর, প্রথম আলো: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র-ব্যয় হবে ১ লাখ ৮ হাজার কোটি টাকা বা (১ হাজার ৩৫০ কোটি মার্কিন ডলার): অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
২০১৬ সালের ২৭ জানুয়ারি, প্রথম আলো: রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মােণ চুক্তি হবে ফেব্রুয়ারি। প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র-প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রটি নির্মােণরজন্য ঠিকাদার নির্বািচত হয়েছে ভারত। ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই কেন্দ্রটিতে ২০১৯ সালে উৎপাদন শুরু হতে পারে। এই কেন্দ্রে উৎপাদিত সব বিদ্যুৎ কিনবে বাংলাদেশ।
২০১৬ সালের ৯ মার্চ, প্রথম আলো: বর্তমানে পল্লী বিদ্যুয়াতন বোর্ডের আওতায় ২ লাখ ৮৮ হাজার ৪৩৮ কিলোমিটার বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন রয়েছে। আর গ্রাহকসংখ্যা ১ কোটি ৩৭ লাখ। দেশকে শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় আনতে হলে ৪ লাখ ৪২ হাজার কিলোমিটার বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন লাগবে। কিন্তু দ্বীপ, বনভ্থমি, পাহাড়ি এলাকা, জলাভ্থমি ও দুর্গম এলাকার কারণে ১২ শতাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ দেয়া সম্ভব নয়। তাই প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩ লাখ ৯০ হাজার কিলোমিটার। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মাত্র ৬ শতাংশ এলাকা বিদ্যুৎ-এর বাইরে থাকবে। প্রকল্পের মেয়াদ ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত।
২০১৬ সালের ৯ জুন, প্রথম আলো: বিদ্যুৎ-সংকটে ব্যাহত পদ্মা সেতুর কাজ। জাজিরা প্রান্তে দিনে ১২ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকে না। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ চেয়ে সেতু বিভাগের চিঠি। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সূত্রমতে, বর্তমানে দেশে বিদ্যুতের উৎপাদনক্ষমতা প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে। তবে প্রকৃতউৎপাদন সর্বোচ্চ ৮ হাজার ১৭৭ মেগাওয়াট। উৎপাদিত বিদ্যুতের একটা অংশ চলে যায় বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবহার ও সঞ্চালনে সিষ্টেম লসে।
২০১৬ সালের ৩০ জুন, মহাকাল: বর্তমানে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ হয়েছে-৯ হাজার ৩৬ মেগাওয়াট।
১৯০৩ সালে বঙ্গভঙ্গের প্রস্তাব সরকারিভাবে উত্থাপন করা হয়।
১৯০৪ সালে চট্টগ্রাম বাকল্যান্ড পাবলিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯০৪ সালে লর্ড কার্জন সমবায় ঋণদান সমিতি আইন প্রণয়ন করেন। ইংলিশ ফ্রেন্ডলি সোসাইটিজ এ্যাক্ট-১৭৯৩ অনুযায়ী প্রণীত হয় এই আইন। গ্রামীণ দরিদ্র উৎপাদক শ্রেণীর সঞ্চয়, আত্মনির্ভরতার। ২০০৫ সালের ৩১ মার্চ, সমবায়ের শতবর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠানের উদ্ভোধন করেন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। দেশে বর্তমানে ১ লাখ ৬২ হাজার সমবায় সমিতি রয়েছে-যার সদস্যসংখ্যা প্রায় ৮২ লাখ। সমবায় সমিতির প্রতি সদস্যকে একটি পরিবারের প্রতিনিধি ধরে নিলে দেখা যাবে দেশের ৪ কোটির বেশি মানুষ সমবায় আন্দোলনের সঙ্গে প্রত্যক্ষও পরোক্ষভাবে জড়িত। তারপর থেকে ১৯ নভেম্বর, ২০১১ তারিখ ৪০তম সমবায় দিবসের উদ্ভোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-বাংলাদেশে ১ লাখ ৭৭ হাজার সমবায় সমিতির সদস্য সংখ্যা হচ্ছে-৯০ লাখ।
১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর, ব্রিটিশরাজ বঙ্গভঙ্গের নির্দেশ জারি করে।
১৯০৫ সালের ১৬ জুলাই, খুলনা জেলার বাগেরহাটে প্রথম ব্রিটিশ পন্যদ্রব্য বর্জন আন্দোলন শুরু হয়।
১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর, 'বঙ্গভঙ্গ' কার্যকর হয়। ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর, 'বঙ্গভঙ্গ' রদ হয়।
১৯০৬ সালে কক্সবাজার পাবলিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯০৬ সালের ১ আগষ্ট, ভারতের দিল্লীতে হাকীম আবদুল মজীদ হামদর্দ প্রতিষ্ঠা করেন। বাংলাদেশেও ১৯৫৩ সালে হামদর্দ প্রতিষ্ঠা করা হয়। হামদর্দ বাংলাদেশে ইতোমধ্যে আধুনিক কারখানা চালু করেছে।
১৯০৬ সালের ২৫ নভেম্বর, নিখিল ভারত মুসলিম লীগেরও জন্মের আগে কলকাতায় ৫১ ওয়েলেসলি স্ট্রীটে নবাব বাহাদুর সৈয়দ আমীর হোসেনকে সভাপতি এবং মৌলভী সিরাজুল ইসলাম খান বাহাদুরকে সাধারণ সম্পাদক করে বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধবাদীদের বিরুদ্ধে জনমত গঠন ও লালন করার জন্য মোহামেডাল ভিজিলেন্স এসোসিয়েশন গঠন করা হয়।
১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর, ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহ'র প্রাসাদে মুসলিম শিক্ষা সম্মেলনে ''নিখিল ভারত মুসলিম লীগ'' প্রতিষ্ঠিত হয়। ঐ সালেই সৈয়দ আমীর আলী নিখিল ভারত মুসলিম লীগের সভাপতি নির্বািচত হন।
১৯০৭ সালে নড়াইল জেলার অন্তর্গত লোহাগড়া উপজেলা রামনারায়ন পাবলিক লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯০৭ সালে মওলানা ভাসানী দেওবন্দ যান এবং সেখানে দু'বছর ছিলেন।
১৯০৭ সালে গাইবান্ধা পাবলিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠি হয়।
১৯০৮ সালের ১১ এপ্রিল, খুলনার স্কুলছাত্র বিপস্নবী ইন্দুভূষণ রায়ের নিক্ষিপ্ত বোমায় চন্দননগরের মেয়র নিহত হন।
১৯০৮ সালে মুন্সিগঞ্জ হরেন্দ্রলাল পাবলিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠি হয়।
১৯০৮ সালে বিক্রমপুরের ভাগ্যকুলের কুন্ডু জমিদারদের দ্বারা হরেন্দ্রনাথ পাবলিক লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠিত।
১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইন সংস্কারের উদ্দেশ্যে আইনের এ সংশোধনী আনা হয়। ২০০৪ সালের ৭ ডিসেম্বর, প্রেসিডেন্ট রেজিস্ট্রেশন (সংশোধন) আইনে স্বাক্ষর করেন। ২০০৫ সালের ১ জুলাই, থেকে সম্পত্তির উত্তরাধিকারে শরীয়া বহাল এবং রেজিস্ট্রেশন আইন কার্যকর হচ্ছে।
১৯০৮ সালে সাইবেরিয়ার তুঙ্গুঙ্কা এলাকায় উল্কাপিন্ডের সবচেয়ে মারাত্মক ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছিল। এখানে বিরাট একটি উল্কাপিন্ড পতিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। ফলে চারপাশের কয়েক হাজার কি. মি. এলাকাজুড়ে গাছপালা উপড়ে পড়েছিল। ১৯৩৫ সালে আমাদের বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার ত্রিপুরা এলাকায় যে উল্কাপিন্ড পাওয়া গেছে, তার ওজন ৩৭.৩৫ কেজি। বাংলাদেশে পতিত উল্কাপিন্ডের মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড়। তাছাড়া ২০০৬ সালের ৩১ জানুয়ারি, দিনাজপুর জেলার সিংপাড়া গ্রামে একটি উল্কাপিন্ড পতিত হয়েছে। এ ঘটনা নিয়ে দেশ-বিদেশের জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মধ্যে কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে। এ এবড়ো-খেবড়ো গঠনের উল্কাপিন্ডটির ওজন ২.৫ কেজি, দৈর্ঘয ১২.৫ সে. মি. ও প্রস্থ ১০ সে. মি.। এ উল্কাপিন্ডটি প্রচন্ড বেগে পতিত হওয়ার সময় গ্রামবাসী শোঁ শোঁ শব্দ শুনতে পায়। এটা মাটিতে পড়ে ২/৩ ফুট গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কারণ আজ থেকে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি বছর আগে, একটি বড় আকৃতির একটি উল্কাপিন্ড পৃথিবীতে এসে পড়েছিল। বর্তমানে মেক্সিকোর ইউকাটান নামক অঞ্চলে। তাতে পৃথিবীর আবহাওয়া মন্ডলে বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছিল। আর সেই সাথে এ পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে অতিকায় বৃহত্তম প্রাণী ডাইনোসরের বিলুপ্তি ঘটে। বড় আকৃতির উল্কার আয়তন কয়েক শত কি. মি. ও হতে পারে। এগুলো সাধারণত মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহের মাঝামাঝি এলাকায় সূর্যের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ করে থাকে। উল্কাপিন্ডের অজানা কথা।