কমিশনের সুপারিশ বিদ্যমান সম্পদ পরিস্থিতির আলোকে বিচার-বিশেস্নষণ করে আগামী ১ জুলাই থেকে তা
পর্যায়ক্রমে কার্যকর হবেসামাজিক নিরাপত্তায় ২৬ লাখ টন খাদ্য বরাদ্দবাংলাদেশ ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রার
রিজার্ভের পরিমাণ ১,১২৪ কোটি ডলার (০২-০৩-২০১০)দেশে এবার প্রবাসী-আয় প্রায় ১,০০০ কোটি ডলার
হবে৩০ জুন-৭৪৭.০৯, ৩১ জুলাই-৭৭৪.১৪, ৩১ আগষ্ট-৯১৫.৫৭ ও ৩০ সেপ্টেম্বর-৯৩৬.২৫ কোটি ডলার ছিল
এডিপির আশঙ্কা জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৫.২ শতাংশে নেমে আসবেআইএমএফের চাপে এবার সঞ্চয়পত্রের সুদের হার
কমাতে যাচ্ছে সরকারকমিটি গঠন, জুলাই থেকে হ্রাসকৃত হার কার্যকর হতে পারে০৪-০৩-২০১০ তারিখ
সংসদে প্রশ্নোত্তরে অর্থমন্ত্রী-স্বাধীনতার পর ১৯৭২ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ৩৮ বছরে বিদেশি সাহায্য এসেছে
তিন লাখ ৬১ হাজার ২০০ কোটি টাকা (৫,১৬০ কোটি) ডলারএরমধ্যে ২৯ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলার ঋণ এবং
২১ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলার অনুদানডলার-৭০ হিসাবে ধরা হয়েছেচলতি অর্থবছরে জিডিপির মোট ২৪
দশমিক ৩৫ শতাংশ অর্থমূল্যে যার পরিমাণ ১,৬৮,২০০(এক লাখ আসট্টি হাজার দুইশত) কোটি টাকা বিনিয়োগ
হয়েছেআবার নির্বাচনী ইশতেহারেও আওয়ামী লীগ বলেছে, 'রাষ্ট্র ও সমাজের সকল স্তরের ঘুষ, দুর্নীিত
উচ্ছেদ, অনুপার্জিত আয়, ঋণখেলাপি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, কালো টাকা এবং পেশিশক্তি প্রতিরোধ ও
নির্মূেল কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবেগত বছর ২০০৯-২০১০ অর্থবছরে কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল
১১,৫০০ কোটি টাকাঋণ বিতরণ হয়েছিল ১১,১১৭ কোটি টাকার অর্থাৎ ৯৭ ভাগ২০০৯-২০১০ অর্থবছরে
২৭(সাতাশ) লক্ষ টিআইএন নম্বর ছিলআর ট্যাক্স প্রদান করেছিলেন ৮,১৫,০০০(আট লাখ পনের) হাজার জন
২০১০ সালের ২৫ জুন, প্রথম আলো: সংসদে প্রশ্নোত্তর-চলতি অর্থবছরে (২০০৯-২০১০) খাদ্যশস্যের চাহিদা ২
কোটি ৬৭ লাখ টন ছিল২০১০ সালে মাথাপিছু আয় ছিল-৭৬৩ মার্কিন ডলার২০০০ থেকে ২০১০ সালে মানে
দশ বছরে ১১৪ শতাংশ পরিবর্তন
নির্বাচনী ইশতেহার মাথায় রেখে আসছে বাজেটপ্রাক-বাজেট সভায় অর্থমন্ত্রী বড় বাজেট হলেও নতুন উদ্যোগ
তেমন থাকবে না২০০৯-২০১০ অর্থবছরে মোট খরচ হবে-১,১০,৫২৩ কোটি টাকাতা থেকে ১৯ দশমিক ৬০
শতাংশ বাড়িয়ে ২০১০-২০১১ অর্থ-বছরের বাজেটের আকার ধরা হয়েছে-১,৩২,১৭০ কোটি টাকাগণমানুষের
ওপর চাপ বাড়বেঅবকাঠামোয় গুরুত্ববাজেট জিডিপির ১৬.৯ ভাগ এবং ভবিষ্যতে ২০ ভাগ করার পরিকল্পনা
আছেরাজস্ব আয় ধরা হয়েছে-৯২,৮৪৭ কোটি টাকা (যা জিডিপির ১১.৯%), রাজস্ব ব্যয় ধরা হয়েছে-৯৩,৬৭০
হাজার কোটি টাকাউন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে-৩৮,৫০০ কোটি(গত বছর থেকে এবার উন্নয়ন ব্যয় ৩৫ শতাংশ
বেড়েছে) টাকার মধ্যে ২১ হাজার ৯৪ কোটি ৭৮ লাখ টাকা আসবে আভ্যন্তরীণ উৎস থেকেবাজেট ঘাটতি ধরা
হয়েছে ৩৯,৩২৩ কোটি টাকা (যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপির) ৫ শতাংশজাপানি সুদ মওকুফ তহবিল
(জেডিসিএফ) থেকে ধরা হয়েছে ২ হাজার ১০৫ কোটি ২২ লাখ টাকাএ দুই উৎস মিলে দাঁড়ায় ২৩ হাজার
২০০ কোটি টাকাবাকি ১৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা প্রকল্প সাহায্য বা সুদ হিসেবেনতুন এডিপিতে
সবচেয়ে বেশি পরিবহন খাতে ছয় হাজার ৯০৩ কোটি ২৪ লাখ টাকাচার হাজার ৯১৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকা
শিক্ষা ও ধর্ম খাতেবিদ্যুৎ খাতে থাকছে চার হাজার ৯০৮ কোটি ১৯ লাখ টাকাআর পল্লী উন্নয়ন ও
প্রতিষ্ঠান খাতের জন্য চার হাজার ৩৩২ কোটি ৫০ লাখ টাকাভৌত পরিকল্পনা ও পানি সরবরাহে রাখা হচ্ছে
তিন হাজার ৬৩০ কোটি টাকা এর বাইরে স্বাস্থ্য, পুষ্টি, জনসংখ্যা ও পরিবারকল্যাণে তিন হাজার ৪৯৩ কোটি
টাকা এবং কৃষি খাতে এক হাজার ৯৮১ কোটি টাকা আর সবচেয়ে কম ৬৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা থাকছে শ্রম ও
কর্মসংস্থান খাতেআর ইউনিয়ন, উপজেলা, পৌসরভা, জেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন, পার্বত্য চট্টগ্রাম
ছাড়া বিশেষ এলাকার উন্নয়ন, নদী খনন এবং বিশেষ প্রয়োজনে উন্নয়ন সহায়তা ইত্যাদি ১০টি খাতের জন্য
বরাদ্ধ তিন হাজার ৪১১ কোটি টাতাএ আয়ের ২২ ভাগ ব্যয় হবে বেতন-ভাতা খাতে আর ২০ ভাগ ব্যয় হবে
সুদ পরিশোধ খাতেপ্রবৃদ্ধির হার ৬ দশমিক ৭ আর (বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস বাংলাদেশে এ অর্থবছরে
প্রবৃদ্ধি হবে ৬.১ থেকে ৬.৩ শতাংশ) মুল্যস্ফীতির হার সাড়ে ৬ শতাংশের মধ্যে (কিন্তু বাস্তবে মুল্যস্ফীতির
হার হবে প্রায় ১০ দশমিক ৬৭ শতাংশ)১০-০৬-২০১০ তারিখ বাজেট ঘোষণা হবেজিডিপির প্রক্কলন করা
হয়েছে ৭ লাখ ৮০ হাজার ২৯০ কোটি টাকাবোস্টন ইনস্টিটিউট ফর ডেভেলপিং ইকোনমিকসের সভাপতি ও বোস্টন
বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির ইমেরিটাস অধ্যাপক গুস্তাভ এফ পাপানেক গত ১০-০৫-২০১০ তারিখ বাংলাদেশ সফর
করেন এবং বলেন যে 'বছরে ৪০ লাখ লোকের কর্মসংস্থান করতে হবে'প্রধানমন্ত্রীর কিছু দক্ষ ও ক্ষমতাবান
রাজনৈতিক কর্মকর্তা (স্টাফ) প্রয়োজন, যাঁরা দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবেন, কাজের বাস্তবায়ন ঠিকমতো
তদারক করতে পারবেন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ-প্রক্রিয়ার জটিলতা কমাতে পারবেন২০১০-২০১১ বাজেট টাকা আসবে
কোথা থেকেবৈদেশিক ঋণ-৮.২%, বৈদেশিক অনুদান-৩.৬%, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-নিয়ন্ত্রিত কর-৫৪.৯%,
অভ্যন্তরীণ অর্থায়ন-১৭.৯%, কর ব্যতীত প্রাপ্তি-১২.৭% ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বহির্ভুত কর-২.৬%বাজেট
২০১০-২০১১ সাল-ব্যয় হবে কোথায়: শিক্ষা ও প্রযুক্তি-১৩.২%, সুদ-১১.১%, পরিবহন ও যোগাযোগ-৬.৩%,
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ-৪.৬%, কৃষি-৫.৪%, জনপ্রশাসন-৭.১%, জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা-৪.৬%, বিনোদন, সংস্কৃতি
ও ধর্ম-১.২%, পেনসন-৩.১%, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন-৮.১%, স্বাস্থ্য-৬.০%, প্রতিরক্ষা-৬.১%, সামাজিক
নিরাপত্তা ও কল্যাণ-৭.০%, গৃহায়ণ-০.৯%, শিক্ষা ও অর্থৈনতিক সার্ভিস-১.১%, ভর্তুিক-৫.৮% ও বিবিধ
ব্যয়-৮.২%অনুন্নয়ন ব্যয়: অর্থৈনতিক বিশেস্নষণ (%) কতিপয় অনুন্নয়ন বিনিয়োগ-১১.৪%, অপ্রত্যাশিত ব্যয় ও
অন্যান্য থোক-১.৬%, ভর্তুকী-৮.৩%, পেনসন-৪.৪%, সম্পদ সংগ্রহ-৩.৪%, পন্য সেবা-১১.৩%,
বেতন-ভাতা-২২.০%, সুদ-১৫.৯%, সাহায্য মঞ্জুরী-১৯.৪% ও বিবিধ-২.২%এবারও ১ লাখ ৭৫ হাজার কোটি
কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দিয়েছেনকৃষিতে বরাদ্দের হার ও ভর্তুিক কমেছেপিপিপিতে বরাদ্দ তিন
হাজার কোটি টাকাএদিকে চলতি অর্থবছরে বাজেট ব্যয়ের বাইরে সরকারের বিভিন্ন ধরণের সংযুক্ত দায়
মিলিয়ে মোট এক লাখ ৯৯ হাজার ৮৭৩ কোটি ৬৫ লাখ ৩৮ হাজার টাকা নির্দিষ্টকরণ বিল জাতীয় সংসদে পাস
করা হয়েছেনতুন কৃষিঋণ নীতিমালা ঘোষণা২০১০-২০১১ অর্থবছরে কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষমাত্রা ১২,৬১৭
কোটি টাকাচলতি অর্থবছরে ১,৮৫০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রার প্রস্তাবচলতি
অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) মোটি ৯১৬টি প্রকল্প রয়েছেএর মধ্যে ১২৭টি প্রকল্পের
মেয়াদই শেষ হয়ে গেছেবিশ্ব অর্থনীতি নিয়ে আইএমএফ উদ্বিগ্নএবার বিশ্ব প্রবৃদ্ধি হবে ৪.৮%,
বাংলাদেশের ৬.৩%২০১০-২০১১ অর্থবছরে ২৮(আটাশ) লক্ষ টিআইএনধারীর মধ্যে ট্যাক্স প্রদান করেছেন মাত্র
৮(আট লাখ) রির্টান জমা দিয়েছেনআর ২০(বিশ) লাখ টিআইএনধারী ট্যাক্স প্রদান করেননি২৭-১২-২০১০
তারিখ বাংলাদেশ ব্যাংকে রিজার্ভ সর্বকালের রেকর্ড, ১১০০ কোটি ডলার২০১০ সালের ২ জুন, জনকন্ঠ পত্রিকা
ঃ দশ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ৫৭২ কোটি মার্কিন ডলারআমদানি খাতে ব্যয় ১,৮৬৬ কোটি ডলার, আর
রফতানি খাতে আয় ১,২৯৪ কোটি ডলার২০১০-২০১১ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬ দশমিক ৭১
মাথাপিছু আয়-৭৫৫ ডলার প্রক্কলন করা হলেও তা কিছুটা কমে ৭৪৮ ডলার চূড়ান্ত হয়েছে
২০১০-২০১১ অর্থ-বছরের বাজেটের আকার ধরা হয়েছে-১,৩২,১৭০ কোটি টাকামোট জিডিপির প্রাক্কলন করা
হয়েছিল ৭ লাখ ৮০ হাজার ২৯০ কোটি টাকা, আর জিডিপির প্রবৃদ্ধি হয়েছে-৬.৬৬% বা ৬.৩% এবং মাথাপিছু
আয় হয়েছে-৮২৮ ডলারএবার ২০১১-২০১২ অর্থবছরে বাজেটের আকার ধরা হয়েছে-১,৬৩,৫৮৯ কোটি টাকা
জিডিপির আকার ধরা হয়েছে-৮,৫৮,৯৫২ কোটি টাকাআর জিডিপির প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে-৭%প্রবৃদ্ধি হবে
৫.৫%: আইএমএফ(সম্পদ ব্যবহারে সরকারের কিছু অব্যবস্থাপনা রয়েছেরাজস্ব আয় ধরা হয়েছে-১,২৩,৩২৩
কোটি টাকাঘাটতি ধরা হয়েছে-৪৫,২০৮ কোটি টাকা২০১১-২০১২ অর্থবছরের বাজেট কাঠামো: (১)
রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে-১,১৮,৩৮৫ কোটি টাকা এবং জিডিপির শতকরা ১৩.২ শতাংশ(২) এনবিআর কর
রাজস্ব-৯১,৮৭০ কোটি টাকা এবং জিডিপির ১০.২ শতাংশ(৩) এনবিআর-বহির্ভূত কর রাজস্ব-৩,৯১৫ কোটি
টাকা এবং জিডিপির ০.৪ শতাংশ(৪) করবহির্ভূত রাজস্ব-২২,৬০০ কোটি টাকা এবং জিডিপির ২.৫ শতাংশ
(৫) সরকারি ব্যয়-১,৬৩,৫৮৯ কোটি টাকা এবং জিডিপির ১৮.২ শতাংশ(৬) অনুন্নয়ন ব্যয়সহ অন্যান্য
ব্যয়-১,১৭,৫৮৯ কোটি টাকা এবং জিডিপির ১৩.১ শতাংশ(৭) বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি-৪৬,০০০ কোটি টাকা
এবং জিডিপির ৫.১ শতাংশ এবং সংশোধিত এডিপি চূড়ান্ত ৪১,০০০ কোটি টাকা(৮) বাজেট ঘাটতি-৪৫,২০৮
কোটি টাকা এবং জিডিপির ৫ শতাংশঘাটতি অর্থায়ন কোথা থেকে আসবে: (১) অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে
আসবে-২৭,২০৮ কোটি টাকা মানে ব্যাংক থেকে ঋণ নেবে ১৮ হাজার ৯৫৭ কোটি টাকা আর সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে
পাওয়া যাবে ৬ হাজার কোটি টাকা (২) বৈদেশিক উৎস থেকে আসবে ১৭,৯৯৬ কোটি টাকা মানে বৈদেশিক ঋণ
থেকেরাজস্ব আয়ের সবচেয়ে বেশি অর্থ আসবে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট থেকে আসবে ৩৪ হাজার ৩০৪
কোটি টাকা, যা মোট রাজস্ব আয়ের ৩৭ দশমিক ৩ শতাংশএ ছাড়া আমদানি শুল্ক থেকে ১২ হাজার ৬৩৪
কোটি টাকা বা ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ, আয়কর থেকে ২৭ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা বা ৩০ শতাংশ এবং সম্পূরক
শুল্ক খাতে ১৬ হাজার ২২০ কোটি টাকা বা ১৭ দশমিক ৭ শতাংশ রাজস্ব আসবে৩৯ হাজার ৬৩৭ কোটি টাকার
উন্নয়ন ব্যয়ের বাইরে অনুন্নয়ন বা রাজস্ব ব্যয়ের সবচেয়ে বড় অংশ যাবে বেতন-ভাতা খাতেএ খাতে ব্যয় হবে
মোট রাজস্ব ব্যয়ের ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ বা ২১ হাজার ৬৪০ কোটি টাকাএ ছাড়া সুদ পরিশোধ খাতে ব্যয়
হবে ১৭ হাজার ৯৯৭ কোটি টাকা বা ১৫ দশমিক ৫ শতাংশসামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীতে সাড়ে ২২ হাজার
কোটি টাকা যা উন্নয়ন ও অনুন্নয়ন বাজেটের ২০১১-২০১২ অর্থবছরে ১৩ দশমিক ৭৯ শতাংশবাজেটের টাকা
আসবে কোথা থেকে: অভ্যন্তরীণ অর্থায়ন-১৬.৬%, বৈদেশিক ঋণ থেকে-৮.০%, বৈদেশিক অনুদান থেকে-৩.০%,
এনবিআর নিয়ন্ত্রিত কর থেকে-৫৬.২%, কর ব্যতীত-১৩.৮% এবং এনবিআর বহির্ভূত কর থেকে আসবে-২.৪%
সঞ্চয়পত্রের সুদের ওপর উৎসে কর কর্তেনর হার ১০% থেকে কমিয়ে ৫% করা হয়েছে২০১০-২০১১ অর্থবছরে ছিল ১৯
হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা, যা উন্নয়ন ও অনুন্নয়ন বাজেটের ১৪ দশমিক ৮ শতাংশকরমুক্ত আয়ের সীমা এক লাখ
৬৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা করা হয়েছে, মহিলা ও ৬৫ বছর বয়স্কদের করমুক্ত আয়সীমা
২ লাখ ও প্রতিবন্ধীদের ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা২ কোটি টাকার সম্পত্তির অধিকারীদের করের ওপর ১০ শতাংশ
সারচার্জসরকারি কর্মকর্তােদর দেওয়া আয়কর ফেরত দেবে না সরকার০৯-০৬-২০১১ তারিখ বাংলাদেশ
ব্যাংকে রিজার্ভ সর্বকালের রেকর্ড ১,১৬০ কোটি ডলার১৩-০৭-২০১১ তারিখ বাণিজ্যমন্ত্রী রপ্তানির লক্ষমাত্রা
নির্ধারণ করেছেন ২,৬৩৬ কোটি ডলার এবং আমদানির লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করেন নাইআমার মনে হয় এবার
(২০১১-২০১২ অর্থ-বছরে) আমদানি হবে-৩,৫৩০ কোটি ডলারএবার বাণিজ্য ঘাটতি হবে ৯০০ বা ৬৫০ কোটি
ডলার২০-০৮-২০১১ তারিখের প্রথম আলো: বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বেশষ হিসাব মতে, ০৭-০৮-২০১১ তারিখ
পর্যন্ত সরকারের বকেয়া ঋণের পরিমাণ দাড়িয়েছে ৭৫ হাজার ১৮৯ কোটি ৮১ লাখ টাকা৬ষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক
পরিকল্পনা অনুমোদন-ব্যয় ১৩ লাখ ৪৭ হাজার কোটি টাকাএ পর্যন্ত বিভিন্ন কর অফিস থেকে প্রায় ৩০ লাখ
টিআইএন ইস্যু করা হয়েছেআয়কর অধ্যাদেশ অনুযায়ী, ৩০ লাখ টিআইএনধারীর লোক রিটার্ন জমা দেয়া
বাধ্যতামূলকশতকরা এক-তৃতীয়াংশ তাঁদের বার্ষিক আয়কর বিবরণী জমা দেনচলতি ২০১১-২০১২ অর্থবছরে
বাজেটে সরকার সামাজিক নিরাপত্তা বেস্টনী বিভিন্ন কর্মসূচীতে ১৭শ ৬০ কোটি ২৫ লাখ টাকা বিতরণের
ঘোষণা প্রদান করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতএরমধ্যে বয়স্ক ভাতা (১) ২৪ লাখ ৭৫ হাজার
জনকে-এ খাতে বরাদ্দ ৮৯১ কোটি টাকা(২) এছাড়া বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্ত মহিলাদের জন্য দুস্থ ভাতা
দেয়া হচ্ছে-৯ লাখ ২০ হাজার মহিলাকে-এ খাতে বরাদ্দ ৩৩১ কোটি ২০ লাখ টাকা(৩) দুই লাখ ৮৬ হাজার
হচ্ছে প্রতিবন্ধিকে ভাতা দেয়া হচ্ছে ১০২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা(৪) দরিদ্র মাতৃকালীন ভাতা-৯২ হাজার
জনকে দেয়া হচ্ছে-৪২ কোটি ৫০ লাখ টাকাএবং (৫) কর্মজীবি দরিদ্র মায়ের মাতৃকালীন ভাতা ৭৭ হাজার
৬শ জনকে ৩২ কোটি ৬০ লাখ টাকাএছাড়া দেড় লাখ মুক্তিযোদ্ধাকে ভাতা দেয়া হচ্ছে-৩৬০ কোটি টাকা
আগে এ ভাতার টাকা লাইন ধরে গিয়ে ভাতার টাকা গ্রহণ করতে হয়েছেএ ৪০ লাখ সুবিধাভোগীকে ব্যাংকের
মাধ্যমে ভাতা প্রদানের নির্দেশ-দিয়েছেন-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসরকারী ব্যাংকে হিসাব খোলা যাবে ১০
টাকার বিনিময়ে২০১১-২০১২ অর্থবছরে বৈদেশিক সাহায্যপ্রাপ্তি ৪১ কোটি ডলার পাওয়া গেছে আর ঋণ
পরিশোধ করা হয় ৪০ কোটি ডলার (দৈনিক জনকন্ঠ ২০-১২-২০১১ তারিখ)১০-০১-২০১২ তারিখের দৈনিক জনকন্ঠ
পত্রিকার রিপোর্ট: বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৯০০ কোটি ডলারের নিচে নেমে এসেছে২০১২ সালের ২৬
ফেব্রুয়ারি, দৈনিক জনকন্ঠ: এডিবি কমল সাড়ে ৪০ হাজার কোটি টাকাপণ্যবাণিজ্যে ঘাটতি ৬৫০ কোটি
ডলার ছাড়ালবিদেশি বিনিয়োগ কমেছে ৩.৫%চলতি অর্থবছরে মাথাপিছু জিডিপি ৭৭২ মার্কিন ডলারে(চলতি
মূল্যে) উন্নীত হবে বলে মনে করছে বিবিএস এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবার ৬.৩২%সরকার জিডিপির প্রবৃদ্ধি
ধরা হয়েছিল-৭%প্রসঙ্গত, চলতি অর্থবছরে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ৬ দশমিক ২ শতাংশ আর আন্তর্জািতক
মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ৫ দশমিক ৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছেআর চলতি
মূল্যে এর আয়তন ৯(নয়) লাখ ১৪ হাজার ৭৮৪ কোটি টাকাবিনিয়োগ নিয়ে সন্দেহ রয়েছে-সাবেক
তত্ত্বাবধায়ক অর্থমন্ত্রী মির্জা আজিজ২০১১-২০১২ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি থেকে দুই হাজার ৪২৯ কোটি ডলার
তার মানে পাকিস্তানের তুলনায় বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ৬৯ কোটি ডলার বেশি হয়েছেপাকিস্তানের আয়
হয়েছে দুই হাজার ৩৬০ কোটি ডলার
(বাজেট ২০১২-২০১৩) এক লাখ ৯১ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকাবাজেটের আকার বাড়ছে ১৮.১%রাজস্ব আয়ের
আহরণের প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে ১ লক্ষ ৪৫ হাজার ৭১৪ কোটি টাকাবার্ষিক ব্যয়-১,৯১,৭৩৮
কোটি টাকার স্থলে সংশোধিত বাজেটের আকার দুই হাজার কোটি টাকা কমিয়ে এক লাখ ৮৯ হাজার কোটি
করা হচ্ছেবার্ষিক ঘাটতি-৫২,০৬৮ কোটি টাকা জিডিপির ৫ শতাংশবার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (এডিপি)
আয়তন হবে ৫৫ হাজার কোটি টাকা (০৯-০৩-২০১৩ তারিখের বাংলাদেশ প্রতিদিন সংশোধিত এডিপি হচ্ছে ৫০
হাজার ৩৬৬ কোটি টাকা) এবং মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হবে ৭ দশমিক ২