উন্নয়ন-৭৯,৬১৪ কোটি টাকাসরকারের উপর অর্পিত দায়(বিপিসি থেকে উদ্ভুত)-৭,৫২৩ কোটি টাকাসহ(৩০
জুন, ২০০৭ সাল হতে সরকারকে অনুমোদন দিয়েছে ৩০ জুন, ২০০৮ সাল পর্যন্ত সময়ের জন্য সর্বেমাট-৮৭,১৩৭
কোটি টাকার বাজেট ব্যয়ের অনুমোদন)মোট ঘাটতি ২২,৩১৩ কোটি টাকাবৈদেশিক ও অভ্যন্তরীণ ঋণ-এর
সুদ গুণতে হবে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকাকর ব্যতীত প্রাপ্তি-বৈদেশিক অনুদান/১ (বিবরণী-৫)-৪,২৫৫
কোটি টাকারাজস্ব আয়-৫৭,৩০১+৪,২৫৫=৬১,৫৫৬২০০৭-২০০৮ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির হার ধরা হয়েছে ৭
শতাংশশিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ-১২,১৪০ কোটি টাকাইসি সচিবালয়ের বরাদ্দ ৫৩৬ কোটি সাড়ে ৫৭ লাখ
টাকাছবিযুক্ত ভোটার তালিকা নির্বাচনী প্রস্তুতি ও ইসি ভবন খাতবাজেটে অর্থৈনতিক ৭টি চ্যালেঞ্জ-যেমন
ঃ সামষ্টিক অর্থৈনতিক স্থিতিমীলতা বজায় রাখা, প্রবৃদ্ধির গতিধারাকে ত্বরান্বিত করা, মূল্যস্ফীতি সহনীয়
পর্যােয় রাখা, ব্যক্তিখাত চালিত প্রবৃদ্ধির বাধাগুলোকে দূর করা, দারিদ্র কমিয়ে আনা, অঞ্চল ও শ্রেণীভিত্তিক
আয় সমতা তৈরী করা এবং খাদ্য নিরাপত্তা গড়ে তোলাকরমুক্ত আয়ের সীমা দেড় লাখ টাকাবিদ্যুৎ খাতে
বরাদ্দ বেড়েছে-৩,৮৩২ কোটি টাকাঅভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ-৯,৪৬৪ কোটি টাকা, বৈদেশিক ঋণের সুদ-১,৩২১
কোটি টাকা ও বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ-৪,০৯৮ কোটি টাকাজিডিপি-৫,৩০,৩০০ কোটি টাকা হবে ২০০৭-২০০৮
অর্থবছরেগত বছরের তুলনায় অনুন্নয়ন ব্যয় ১৭ হাজার কোটি টাকা বাড়ানো হলেও উন্নয়ন ব্যয় বেড়েছে
মাত্র-৫০০ কোটি টাকাগত বছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় প্রায় ২০ হাজার ৩০১ কোটি টাকার বেশী
বাজেট যথেষ্ট মাত্রায় উচ্চ প্রস্তাবনাসরকার কর্মসংস্থান খাতে ৩ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিলেও
সুনির্দিষ্ট কোনো কর্মসূচী দেয়নিদেশের ৬৫ ভাগ মানুষের এখনো বিদ্যুৎ সংযোগ নেই অথচ বলা হচ্ছে
'২০২০ সালে সবার জন্য বিদ্যুৎ'বাজেট বাংলাদেশের-বিজয় বিশ্বব্যাংকেরশুল্ক কাঠামোর ওপর-নীচ দুদিক
থেকেই লাভবান বিশ্বব্যাংকমাত্র ২০ কোটি ডলার বা ১,৪০০ কোটি টাকা ঋণ দিয়ে (ডিএসসি-ফোর ক্রেডিট)
বিশ্বব্যাংক এবারের বাজেট থেকে নগদ ৫ হাজার কোটি টাকা নিয়ে যাচ্ছেবাংলাদেশে বিশ্বব্যাংক, ভারত,
চীন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনসহ যেসব উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের কোম্পানিগুলোর স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব
করেসরকার এবারের বাজেটে যেখানে গরিব কৃষকের জন্য ২২শ' কোটি টাকা ভর্তুিক দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে
সেখানে বিদেশী ধনিক গোষ্ঠীর জন্য এর প্রায় আড়াইগুণ মানে ৫ হাজার কোটি টাকা নগদ ভর্তুিক দিচ্ছে
এরজন্য আমরা মুদির দোকানদার ও দর্জির দোকানদারে পরিণত হব এবং আমাদের মিল-ফ্যাক্টরীগুলি বন্ধ হয়ে
যাবেসরকারের অভ্যন্তরীণ দেনার স্থিতি আগামী বছর দাঁড়াবে লক্ষ কোটি টাকা২০০৭-২০০৮ অর্থবছরে
সরকারের ঋণ ৭৫ হাজার কোটি টাকাএরমধ্যে গত ১১ জুন, ২০০৭ পর্যন্ত ব্যাংক ঋণ স্থিতি ৩৩ হাজার কোটি
টাকাঅন্যদিকে কমপক্ষে ৪৩ হাজার কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রির মাধ্যমে ঘাটতি মোকাবিলা করে২০০৭-২০০৮
অর্থবছরে বাজেটে ব্যাংক থেকে ১৯,২৭৬ কোটি টাকা ঋণ গ্রহণের প্রস্তাব করা হয়েছে১২৭টি পণ্য পাচ্ছে
শূন্য শুল্ক সুবিধাকেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ ২০০৭-২০০৮ অর্থবছরের যাত্রা শুরু হলো অতীতের সব রেকর্ড
ভেঙ্গে ৫০৬ কোটি ৬৩ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার নিয়েঅর্থনীতিতে বন্যা ও ঘুর্ণিঝড়ের প্রভাব নিয়ে
সমুন্নয়ের পূর্বাভাসপ্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের পরিবর্তে ৬.২ শতাংশ২০০৭-২০০৮ সালের সংশোধিত
বাজেট-৯৩,৬০৮ কোটি টাকা খরচ হয়েছে এবং ঘাটতি হয়েছে ২৫,৫৪৬ কোটি টাকাতবে বাজেট ঘাটতি
জিডিপির ৫.৬৩ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৬.১৮ শতাংশে দাঁড়ায়জিডিপি ২০০৭-২০০৮ সালে ধরা হয়েছিল ৫,৩০,৩০০
কোটি টাকা কিন্তু হয়েছে ৫,৪১,৯১৮ কোটি টাকা এবং মাথাপিছু আয় হল-৫৯৯ ডলারমহিলারা ঘরে-বাইরে
যে কাজ করে তাঁরা উৎপাদন করে বছরে ৯,১০০ কোটি ডলারবিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস এবার ৫.৫ শতাংশ
প্রবৃদ্ধি হতে পারেমূল্যস্ফীতি ১১ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে বেশি২০০৭-২০০৮
অর্থবছরে আমদানি ব্যয প্রায় ২ হাজার ১৬২ কোটি ডলারবাণিজ্য ঘাটতি বড় আকার ধারণ করেছে এবং
বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৪.৬৩%ঘাটতির পরিমাণ-২৫ হাজার ৭৪ কোটি ২৭ লাখ টাকা২০০৬-২০০৭ অর্থবছরের
একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২৬ শতাংশ বেশিগত বছর একই সময়ে ব্যাংকগুলোয় মোট ১,৪৪০ কোটি ৪৩ লাখ
ডলারের আমদানি ঋণপত্র স্থাপন করা হয়েছিলগত অর্থবছরে রপ্তানি আয় ধরা হয়েছিল-১,৪৫০ কোটি ডলার,
প্রকৃত রপ্তানি আয় হয়েছে-১,৪১১ কোটি ডলার, প্রবৃদ্ধি ১৬%লক্ষমাত্রার চেয়ে কিছুটা কম, শীর্ষে রয়েছে
নিট পোশাকএবার জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৬.১৯%২০০৭-২০০৮ সালে বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৬১১
কোটি ৬২ লাখ ডলার
২০০৮ সালের ৩০ এপ্রিল, ৫২,৮৮১(বায়ান্ন হাজার আটশত একাশি) কোটি ৮১(একাশি) লক্ষ ২৯(উনত্রিশ) হাজার
৩৯৫(তিনশত পঁচানব্বই) টাকার কাগুজি নোট বাংলাদেশ ব্যাংকে ইসু করেছেএরমধ্যে ৩১,৯৪৯(একত্রিশ হাজার
নয়শত উনপঁঞ্চাশ) কোটি ২০(বিশ) লক্ষ ৯৫(পঁচানব্বই) হাজার ২৭৫(দুইশত পঁচাত্তর) টাকার কাগুজি নোট
বাজারে চালু আছে১ টাকার কয়েন চালু আছে ৮০(আশি) কোটি টাকার, ২ টাকার কয়েন চালু আছে
২০(বিশ) কোটি টাকার এবং ৫ টাকার কয়েন চালু আছে ৫৫(পঁঞ্চান্ন) কোটি টাকার
২০০৮-২০০৯ অর্থ-বছরের বাজেটে মোট কর রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে-৬৯,৩৮২ কোটি টাকা এবং মোট রাজস্ব
আয় ধরা হয়েছে-৭৫,৭২৮ কোটি টাকা এবং রাজস্ব ব্যয় ধরা হয়েছে-৬৬,৭৫৩ কোটি টাকারাজস্ব
উদ্ধৃত্ত-৮,৯৭৫ কোটি টাকাউন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে-২৫,৬০০ কোটি টাকামোট খরচ হবে-৯৯,৯৬২ কোটি
টাকাসংশোধিত বাজেট ৯৪,১৪০ হাজার একশত চল্লিশ কোটি টাকাএরমধ্যে রাজস্ব আয়-৭৪,১০৯ কোটি
টাকা এবং রাজস্ব ব্যয় ৬৭,১২৫ হাজার একশত পঁচিশ কোটি টাকা এবং সংশোধিত উন্নয়ন ব্যয় ২৩,০০০(তেইশ
হাজার) কোটি টাকা২০০৮-২০০৯ সালে জিডিপি ধরা হয়েছিল-৬,১৩,১১১ কোটি টাকা এবং সংশোধিত
জিডিপি-৬,১৪,৯৪৩ কোটি টাকাসামগ্রিক ঘাটতি (অনুদান ব্যতীত): (জিডিপির শতকরা হার ৪ শতাংশ)
২০০৮-২০০৯ অর্থবছরে সংশোধিত ঘাটতি বাজেট ২৪,৯৬০ কোটি টাকানতুন অর্থবছরে ১৭ লাখ টন আমদানি ও
১৫ লাখ টন খাদ্যশস্য অভ্যন্তরীণভাবে সংগ্রহের পরিকল্পনার কথা থাকবেনির্বাচন কমিশনকে নির্বাচন করার
জন্য ৫৪৮ কোটি টাকা বরাদ্ধ দিয়েছেকৃষি ও পল্লী উন্নয়ন খাতে সর্বোচ্চ ১৬.৪%জাতীয় বাজেট
২০০৮-২০০৯-এর টাকা আসবে কোথা থেকেঃ জাতীয় রাজস্ব-বোর্ড নির্ধািরত কর-৫৪.৫%, বৈদেশিক
অনুদান-৬.৪%, বৈদেশিক ঋণ-৭.২%, অভ্যন্তরীণ অর্থায়ন-১৭.০%, কর ব্যতীত প্রাপ্তি-১২.৬% ও জাতীয় রাজস্ব
বোর্ড-বহির্ভূত-২.৩%বাজেটের হিসাব-নিকাশঃ ব্যয় হবে কোথায়-সুদ-১২.৬%, শিক্ষা ও প্রযুক্তি-১২.৩%,
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ-১১.৩%, কৃষি-৯.১%, জন প্রশাসন-৯.১%, সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ-৮.২%, স্থানীয়
সরকার ও পল্লী উন্নয়ন-৭.৩%, প্রতিরক্ষা সার্ভিস-৬.৪%, পরিবহন ও যোগাযোগ-৬.১%, স্বাস্থ্য-৫.৯%,
জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা-৫.৬%, কতিপয় অনুন্নয়ন বিনিয়োগ-০.৯% এবং অন্যান্য-৫.২%সরকারি কর্মচারীদের
জন্য ২০% মহার্ঘ ভাতার ঘোষণাআগামী অর্থবছরে সাড়ে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যপ্রতিরক্ষা খাতে ৭,৯৬৭
কোটি টাকা বরাদ্ধ এবং সংশোধিত বরাদ্দ-৮,১৯৬ কোটি টাকাবছরে ১০০ দিন কর্মসংস্থান হবে ২০ লাখ
লোকেরচলতি অর্থবছরে পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ১৬৪০ কোটি ডলার, প্রবৃদ্ধি ১৬.৫%গত অর্থবছরের চেয়ে
১৫% বেশি পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা চূড়ান্ত হয়েছে ১,৬২৯ কোটি ৮০ লাখ ডলার (২০০৮-২০০৯) অর্থবছরে
নির্ধারণ করা হয়েছেকরমুক্ত আয় ছিল ১,৬৫,০০০ টাকাএবার জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৫.৯ ভাগবিবিএস
চলতি অর্থবছর মাথাপিছু জিডিপি প্রাক্কলন করেছে ৪২ হাজার ৬৩৮ টাকা বা ৬২১ ডলারআর মাথাপিছু
আয়(জিএনআই) হয়েছে ৪৪ হাজার ৮৬ টাকা বা ৬৯০ ডলার২০০৮-২০০৯ অর্থ-বছরে সংশোধিত উন্নয়ন
বাজেট-২৩,০০০ কোটি টাকার ৮৬% বাস্তবায়ন করা হয়েছে মানে ১৯,৬৬৮ কোটি টাকাদেশে বিনিয়োগযোগ্য
সঞ্চয় কত-সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০০৮-২০০৯ অর্থবছরে চলতি মূল্যে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি)
পরিমাণ ছয় লাখ ১৪ হাজার ৯৪৩ কোটি টাকাআর একই সময়ে জাতীয় সঞ্চয়ের হার জিডিপির ৩২ দশমিক ৩৭
শতাংশএ হিসাবে জাতীয় সঞ্চয়ের পরিমাণ এক লাখ ৯৯ হাজার ৫৭ কোটি টাকাঅন্যদিকে মোট বিনিয়োগের
হার জিডিপির ২৪ দশমিক ৩৭ শতাংশঅর্থাৎ বিনিয়োগের পরিমাণ এক লাখ ৪৮ হাজার ৬৯৩ কোটি টাকা
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের মধ্যে এখনো ৫০ হাজার ৩৬৩ কোটি টাকা বিনিয়োগযোগ্য সঞ্চয় পড়ে আছে
অর্থ বিনিযোগে আনা যাচ্ছে না০৭-০৯-০৯ ও ২০০৮ সালের ৬ মে, বাজেট ও বাণিজ্য ঘাটতিতে রেকর্ড
সরকারের আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি২০০৭-২০০৮ অর্থবছরের বাজেটের আকার ছিল ৮৭,১৩৭ কোটি টাকাঘাটতি
হবে প্রায় ১৬,০০০ হাজার কোটি টাকা এবং আগামী ২০০৮-২০০৯ অর্থবছরের বাজেট হবে প্রায় ১,০৩,০০০
কোটি টাকার মত২০০৮ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৫৯০ কোটি ডলারে উন্নীত
হয়েছে২০০৮ সালের ২২ জুলাই, সমকাল পত্রিকার রিপোর্ট: বাংলাদেশের নারীরা বছরে গৃহে ৯,১০০ কোটি
ডলারের শ্রম দেয়আর বাংলাদেশের জাতীয় আয় ২০০৭-২০০৮ অর্থবছরে ৭,৯৭০ কোটি ডলার
নির্বাচনী ইশতেহার মাথায় রেখে আসছে বাজেট২০০৯-২০১০ অর্থ-বছরের বাজেটে মোট কর রাজস্ব আয় ধরা
হয়েছে-৮৪,৫৯১ কোটি টাকা এবং রাজস্ব ব্যয় ধরা হয়েছে-৮৩,৩১৯ কোটি টাকা তা থেকে কমিয়ে ৮২,০২৩
কোটি টাকাউন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে-৩০,৫০০ কোটি টাকাসংশোধীত এডিপি ২৮,৫০০ কোটি টাকা হতে
পারেমোট উন্নয়ন প্রকল্পের সংখ্যা-১,০৫৮টি(মোট খরচ হবে-১,১৩,৮১৯ কোটি টাকা বা ১,৬৭৪ কোটি
ডলার এবং মোট ঘাটতি হবে-৩৪,৩৫৮ কোটি টাকা বা বাজেটের ২৬.৬৭ ভাগ ঘাটতি) সংশোধিত বাজেট
১,১০,৫২৩ কোটি টাকা (যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১৬ শতাংশ) আর সামগ্রিক বাজেট ঘাটতি
৩১,০৩৯ কোটি টাকাবাজেটে এবার বিদেশী ঋণ শোধ করা হবে ৫,৯৫০ কোটি টাকাসামগ্রিক ঘাটতি
(অনুদান ব্যতীত): (জিডিপির শতকরা হার ৪.৫ শতাংশ)করমুক্ত আয় ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকাকালো টাকা
সাদা করা চালু রাখার প্রস্তাব তিন বছরের জন্য (২০০৯ সালের জুলাই থেকে ৩০ জুন ২০১২ সাল পর্যন্ত)
বৈধ টাকা অবৈধ দেখালেই লাভবৈধ ৫০ লাখ টাকা হলে কর দিতে হবে-১২.৫০ সাড়ে বার লক্ষ টাকা আর অবৈধ
৫০ লাখ দিয়ে ১০০ বর্গিমটারের একটি বাড়ি বা ফ্ল্যাট কিনলে প্রতি বর্গিমটার ৮০০ টাকা হারে কর দিলেই
তা বিনা প্রশ্নে মেনে নেওয়া হবেএ পর্যন্ত ৩৮টি বাজেট ঘোষিত হয়েছে এবং কালো টাকা সাদা করার
৮(আট) বার সুযোগ দিয়েছেনতুন সংযোজন পিপিপিঃ প্রতিবারই তা ছিল দুই ভাগে বিভক্ত-রাজস্ব ও উন্নয়ন
বাজেটপ্রথমবারের মতো আগামী বাজেট হচ্ছে তিন পর্যােয়-রাজস্ব, উন্নয়ন ও সরকারি-বেসরকারি
অংশীদারিত্ব (পিপিপি) বাজেটপ্রবৃদ্ধির হার ৫.৮ শতাংশের বেশি হবে না (অর্থমন্ত্রী) কিন্তু প্রবৃদ্ধি
হয়েছে-৫.৫৪ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতির হার থাকবে ৬ থেকে সাড়ে ৬ শতাংশের মধ্যে না মূল্যস্ফীতির হার হয়েছে
৮ দশমিক ৭৮ শতাংশ* বিনিয়োগ ঘাটতি পূরণে পিপিপি বরাদ্দ থাকছে ২৫০০ কোটি টাকা* ৭৮ উপজেলায়
অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচীতে থাকবে ১১৭৬ কোটি টাকা* কৃষি গবেষণায় ২৩৮ কোটি ও
সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে* মন্দা মোকাবিলায় বরাদ্দ থাকছে প্রায় পাঁচ
হাজার কোটি টাকাসূত্র জানায়, আগামী অর্থবছরের জন্য পণ্য ও সেবা মিলিয়ে মোট দেশজ উৎপাদন
(জিডিপি) প্রাক্কলন করা হয়েছে ৬,৮৬,৭৩০ কোটি টাকা কিন্তু জিডিপির আকার দাঁড়াচ্ছে ৬ লাখ ৯ হাজার
৫৭১ কোটি টাকাআগামী অর্থবছরে বাজেটে ঘাটতি থাকবে জিডিপির পাঁচ শতাংশবাজেট ২০০৯-২০১০ টাকা
আসবে কোথা থেকে-বৈদেশিক অনুদান-৪.৫ ভাগ, বৈদেশিক ঋণ-৭.৬ ভাগ, অভ্যন্তরীণ অর্থায়ন-১৮.১ ভাগ,
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নিয়ন্ত্রিত কর-৫৩.৬ ভাগ, কর ব্যতীত প্রাপ্তি-১৩.৬ ভাগ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-বহির্ভূত
কর-২.৬ ভাগব্যয় হবে কোথায়: ব্যাংকের সুদ দিতে হবে-১৩.৯ ভাগ, প্রতিরক্ষা ব্যয় হবে কত-৫.৩ ভাগ
(৮,৩৮২ কোটি টাকা) + জনপ্রশাসন-১৩.৬ ভাগ + পেনশন-৩.২ ভাগ (২২.১ ভাগ বাজেটের শতাংশ বা ২৪ হাজার
৫০৪ কোটি টাকা লাগবে বেতন ও পেনশন বাবদ), শিক্ষা ও প্রযুক্তি-১১.৯ ভাগ, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ-৩.৮ ভাগ,
কৃষি-৪.৫ ভাগ, সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ-৭.৩ ভাগ, ভর্তুিক-৬.১ ভাগ, স্থানীয় সরকার ও পল্লী
উন্নয়ন-৭.৬ ভাগ, পরিবহন ও যোগাযোগ-৬.৩ ভাগ, স্বাস্থ-৫.৯ ভাগ, জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা-৪.৯ ভাগ,
বিনোদন, সংস্কৃতি ও ধর্ম-০.৮ ভাগ, গৃহায়ণ-১.১ ভাগ, শিল্প ও অর্থৈনতিক সার্ভিস-০.৭ ভাগ ও বিবিধ
ব্যয়-৩.১ ভাগঅভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ-১৪,৪৭১ কোটি টাকা দিতে হবে এবং বৈদেশিক ঋণের সুদ বাবদ দিতে
হবে-১,৩৩৭ কোটি টাকাবৈদেশিক ঋণের সুদ ও আসল বাবদ দিতে হবে-৪,৫৪২ কোটি টাকাএমপিও খাতে
১১২ কোটি টাকা-মাধ্যমিকে বিনামূল্যে বই, প্রাথমিকে সবার জন্য নতুন বইবিদ্যুৎ-জ্বালানি খাত গতিশীল
হবে-বিদ্যুতের ন্যূনতম চাহিদা পূরণ ২০১১ সালেবাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী বাড়ানোর প্রস্তাব
২০১২ সালের মধ্যে দেশে দারির্দেযর হার ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার কাজ শুরু করেছে
বয়স্ক ভাতা বর্তমানে মাথাপিছু ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০০ টাকা এবং ভাতাভোগীর সংখ্যা বর্তমান ২০
লাখ থেকে বাড়িয়ে ২২ লাখ ৫০ হাজার করার প্রস্তাব করা হয়েছেএ জন্য টাকা লাগবে ৮১০ কোটি টাকাগত
বছর বরাদ্দ ছিল ৬০০ কোটি টাকাদুস্থ মহিলা ভাতার হারও হবে ৩০০ টাকাএ জন্য বরাদ্দ বর্তমানের ৬১
কোটি ২০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৩৩১ কোটি ২০ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছেঅসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের
ভাতার হার বর্তমানে ৯০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে এক হাজার ৫০০ টাকা এবং ভাতা প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা এক
লাখ থেকে বাড়িয়ে এক লাখ ২৫ হাজারে উন্নীত করার প্রস্থাব করা হয়েছেএ খাতে বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে
২২৫ কোটি টাকা, যা গত বছর ছিল ১১৭ কোটি টাকাখোলাবাজারে কম দামে খাদ্য বিক্রিসহ কাজের
বিনিময়ে খাদ্য, ভিজিএফ, ভিজিডি, টিআর(খাদ্য), জিআর(খাদ্য) এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে খাদ্য সহায়তা বাবদ
বাজেটে পাঁচ হাজার ৮৭৭ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছেমোট দেশজ উৎপাদনের ২২ শতাংশ কৃষি
খাত থেকে আসে এবং মোট শ্রমশক্তির ৪৮ শতাংশ এ খাতে নিয়োজিতএ কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী তাঁর
বাজেট বক্তৃতায় ২০১২ সালের মধ্যে খাদ্যে দেশের স্বয়সম্পূর্ণতা অর্জেনর লক্ষ্য নিয়ে এবারের বাজেটে পরিকল্পনা
নেয়া হয়েছেগঙ্গা ব্যারাজ নির্মাণ, গড়াই নদীসহ ২৩টি নদী খননের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বাড়ানো হবে
কৃষি খাতে উন্নয়ন ও অনুন্নয়ন বাবদ বাজেটে পাঁচ হাজার ৯৬৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছেবেতন