২০০৮ সালের ৩ নভেম্বর, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা-সংসদ নির্বাচন ১৮ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র জমার শেষ তারিখ ১৩ নভেম্বর, বাছাই ১৬ ও ১৭ নভেম্বর, প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৪ নভেম্বর। উপজেলা নির্বাচন ২৮ ডিসেম্বর-মনোনয়নপত্র জমার শেষ তারিখ ১৩ নভেম্বর, বাছাই ১৯ ও ২০ নভেম্বর, প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৭ নভেম্বর।
২০০৮ সালের ৩ নভেম্বর, বদলে গেছে সংসদের ৮৪টি নির্বাচনী এলাকার সীমানা। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২৪ বছর আগে ১৯৮৪ সালের ২০ সেপ্টেম্বর, সর্বেশষ ৩০০ আসনের সীমানা পুনর্নিধারণ করা হয়। ঢাকায় ২০টি আসন হচ্ছেঃ লোকসংখ্যার ভিত্তিতে করায় অল্প জায়গায় আসনের সংখ্যা অনেক বেড়ে যাচ্ছে। ১৩টি বদলে এখন আসন দাঁড়াচ্ছে ২০টি। এরমধ্যে মহানগরে ১৪টি বাকী ৬টি ঢাকা জেলার ৫ উপজেলার মধ্যে।
২০০৮ সালের ৫ নভেম্বর, উপজেলা চেয়ারম্যানদের জন্য ৪৮২টি জিপ কেনা হচ্ছে। আগামী জানুয়ারি মাসের মধ্যে গ্যাসচালিত ১৫০০ থেকে ২০০০ সিসির গাড়ি কেনার পরিকল্পনা রয়েছে।
২০০৮ সালের ৭ নভেম্বর, জনপ্রতিনিধি ও শিক্ষকেরা স্বপদে থেকেই সংসদ নির্বাচন করতে পারবেন। দুটি নির্বাচন একসঙ্গে না। সরকারের অনুদানপ্রাপ্ত (এমপিওভুক্ত) স্কুল-কলেজের শিক্ষকেরাও স্বপদে থেকে সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। আর (এমপিওভুক্ত) স্কুল-কলেজের শিক্ষকেরাও স্বপদে থেকে উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি কেউই উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিতে চাইলে তাঁকে পদত্যাগ করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হবে। সরকারি চাকুরেদের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক অবসর গ্রহণের তারিখ থেকে পরবর্তী তিন বছর কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়া বা প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে নিষেঁধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে-এ অধ্যাদেশে। একজন প্রার্থী ভোটার প্রতি ৫ টাকা হারে খরচ করতে পারবেন-তবে ব্যয়সীমা ১৫ লাখের বেশি হবে না। নির্বাচনে দলীয় ব্যয় সর্বোচ্চ দেড় কোটি থেকে চার কোটি টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো দন্ডিত যুদ্ধাপরাধীকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। ঋণ ও বিলখেলাপীরা নির্বাচনের অযোগ্য, তবে ক্ষুদ্র কৃষি ঋণগ্রহীতা খেলাপিরা প্রার্থী হতে পারবেন।
২০০৮ সালের ৮ নভেম্বর, রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কের দুই পাশে নিজের লাগানো তালগাছের সারি দেখাচ্ছেন নিঃস্ব গহের আলী। বিশ বছর যাবত নিঃস্ব গহের আলীর 'তালসাম্রাজ্য' ১২ হাজার তালগাছ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে ভীমপুর ইউনিয়নজুড়ে। গহের আলীর বাড়ি এ ইউনিয়নের শিকারপুর গ্রামে। বয়স বলেছে প্রায় ১০৬ বছর, আমার মনে হয় ৮৬ বছর হবে। তাকে ইত্যাদির পক্ষ থেকে দুই লাখ টাকা দেয়া হয়।
২০০৮ সালের ৯ নভেম্বর, স্বেচ্ছা অবসরে যেতে হচ্ছে সোনালী ব্যাংকের ৭ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায় তিনটি ব্যাংকের স্বেচ্ছা অবসর কর্মসূচীর আওতায় প্রায় ১৬ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অবসরে যেতে হবে। সোনালী, জনতা ও অগ্রণী ব্যাংকের কোম্পানিতে রূপান্তুর হওয়ার জন্য।
২০০৮ সালের ১০ নভেম্বর, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা-সংসদ নির্বাচন ১৮ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র জমার শেষ তারিখ ২০ নভেম্বর, বাছাই ২৩ ও ২৪ নভেম্বর, প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৯ নভেম্বর। উপজেলা নির্বাচন ২৮ ডিসেম্বর-মনোনয়নপত্র জমার শেষ তারিখ ২০ নভেম্বর, বাছাই ২৫, ২৬ ও ২৭ নভেম্বর, প্রত্যাহারের শেষ দিন ৩ ডিসেম্বর।
২০০৮ সালের ১৪ নভেম্বর, ছয় বছরে জীবন বীমা করপোরেশনের অননুমোদিত খরচ ১২০ কোটি টাকা। আর করপোরেশনে ১৬ হাজারেরও বেশি বীমা দাবি অনিষ্পন্ন রয়েছে। এ ছাড়া করপোরেশনের স্বার্থ পরিপন্থী অনেক লোকসানি বীমা প্রকল্প এখনো চালু রয়েছে।
২০০৮ সালের ২২ নভেম্বর, ৩৭টি দল জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে।
২০০৮ সালের ২৪ নভেম্বর, নির্বাচনের পুনঃ তফসিল ঘোষণা-সংসদ মনোনয়নপত্র জমার শেষ তারিখ ৩০ নভেম্বর, বাছাই ৩ ও ৪ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১১ ডিসেম্বর। নির্বাচন ২৯ ডিসেম্বর। উপজেলা: মনোনয়নপত্র জমার শেষ তারিখ ১৩ ডিসেম্বর, বাছাই ১৭ থেকে ১৯ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৩১ ডিসেম্বর। নির্বাচন ২২ জানুয়ারি।
২০০৮ সালের ২৪ নভেম্বর, দুবাইয়ের বহুল আলোচিত আটলান্টিস পাম জুমেরিয়াহর কৃত্রিম দ্বীপ জুমেরিয়াহর বিলাশবহুল এ অবকাশযাপন কেন্দ্রের সেরা কক্ষটিতে রাত যাপনের সুযোগ পাচ্ছেন শাহরুখ খান। এক রাতের ভাড়া ১৮ লাখ ডলার। বাংলাদেশী টাকায় ১২.৬০(বার কোটি ষাট লক্ষ) টাকা।
২০০৮ সালের ২৫ নভেম্বর, নিবন্ধনপ্রক্রিয়া শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন: নবম সংসদ ১০৭টি দলের আবেদনপত্র যাচাই-বাচাই শেষে নির্বাচনে সর্বোচ্চ ৩৯টি দল অংশ নিতে পারবে।
২০০৮ সালের ২৮ নভেম্বর, 'ইশারা ভাষা' শ্রবণপ্রতিবন্ধীদের সঙ্গে যোগাযোগের সহজ মাধ্যম। দেশে মোট প্রতিবন্ধীর সংখ্যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ। আর হ্যান্ডিক্যাপ ইন্টারন্যাশনালের সহায়তায় জাতীয় প্রতিবন্ধী ফোরামের করা জরিপে মোট জনসংখ্যার ৫.৬ শতাংশ।
২০০৮ সালের ২৮ নভেম্বর, সংসদ নির্বাচনে প্রতি ভোটকক্ষে দুজন পর্যেবক্ষক থাকবেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবার দেশি-বিদেশী মিলিয়ে তিন লাখ ৬০ হাজার পর্যেবক্ষক থাকবেন। মোট ভোট কেন্দ্র ৩৫ হাজার ২১৬টি এবং ভোট কক্ষ ১ লাখ ৭৭ হাজার ১০৭টি কক্ষে মোট তিন লাখ ৫৪ হাজার ২১৪ জন পর্যেবক্ষক কাজ করবেন। এর বাইরে প্রতিটি রিটানিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে দুজন করে এবং প্রতিটি নির্বাচনী এলাকা বা আসনে ২০ জন ভ্রাম্যমাণ পর্যেবক্ষক থাকবেন।
২০০৮ সালের ১ ডিসেম্বর, ৪৩ বীমা কোম্পানির ৩৫০ পুনর্বীমা দাবি নিষ্পত্তির ব্যবস্থা হচ্ছে।
২০০৮ সালের ৪ ডিসেম্বর, সারা দেশে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিল ২,৪৫৬ জন। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের প্রথম দিনে প্রায় ২০০ প্রার্থিতা বাতিল।
২০০৮ সালের ৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় অনেক আসনে দুই দলের প্রার্থী নেই। ৫৫৭ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল। অনেক পরিচিত মুখ প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে বাদ পড়েছেন। প্রার্থিতা বহাল রইল ১১৯ জনের, হারালেন ৩ জন। ৩৪২ জন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার।
২০০৮ সালের ৬ ডিসেম্বর, স্বাধীনতাবিরোধী প্রার্থী দুই জোটেই। চার দলে ১৭ জন, মহাজোটে ২ জন ও স্বতন্ত্র ২ জন।
২০০৮ সালের ৭ ডিসেম্বর, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই হাজার ৪৫৬ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে ৫৫৭টি মনোনয়নপত্র বিল ও ঋণ খেলাপি এবং ভোটারদের সই জাল করার কারণে বাতিল করা হয়। গতকাল ২৬৫ জন আপিল করেন। আপিলের শুনানি চলছে- প্রথম দিনে ৩০ জন প্রার্থিতা ফিরে পেলেন।
২০০৮ সালের ৮ ডিসেম্বর, আরও ১৭ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করল কমিশন।
২০০৮ সালের ৮ ডিসেম্বর, মোট প্রার্থীর ৩৫ শতাংশ মানে ৮৬৫ জন আয়কর দেন না।
২০০৮ সালের ৮ ডিসেম্বর, সোনারগাঁয়ের পেরাব গ্রামে ৪০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত 'বাংলার তাজমহল' (০৯-১২-২০০৮ তারিখ ঈদুল-আয-হার দিন) উন্মুক্ত হচ্ছে। সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের পেরাব গ্রামে ১২ বিঘা জমির ওপর প্রায় ৪০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এটি নির্মাণ করা হয়েছে। ২০০৩ সালে এর নির্মাণকাজ শুরু হয়। শুধু আদলে নয়, আকারেও এটি মূল তাজমহলের সমান। শিল্পপতি ও চলচ্চিত্র পরিচালক আহসান উল্লাহ মনি জানান, সম্রাট শাহজাহানের অনন্য কীর্তি তাজমহল দেখতে ১৯৮০ সালে তিনি ভারতের আগ্রায় গিয়েছিলেন। তাজের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে তিনি এর আদলে নিজ দেশে একটি স্থাপনা নির্মােণর সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেন, সম্রাট শাহজাহানের সম্মানে আমি তাজমহল নির্মােণর সিদ্ধান্ত নিই।
২০০৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর, নির্বাচনের দিন ১ লাখ ৮২ হাজার দেশি-বিদেশি পর্যেবক্ষক থাকবেন।
২০০৮ সালের ১৯ ডিসেম্বর, বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবির তথ্য: আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে ৩০০ প্রার্থী ঋণখেলাপি হিসেবে চিহ্নিত। ৪৮১টি উপজেলায় মনোনয়নপত্র জমাদানকারী মোট ৯,৯৬১ জন প্রার্থী। তঁদের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৪,২০১ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩, ৫৪৬ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২,২১৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বি। উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো বা ঋণতথ্য ব্যুরোতে ৫০ হাজার টাকা বা তার চেয়ে বেশি ঋণের তথ্য থাকে।
২০০৮ সালের ২৪ ডিসেম্বর, ২৯৯টি আসনে প্রার্থীসংখ্যা ১৫ জন সহ ১,৫৫৫ জন ও নারী প্রার্থী ৫৮ জন। মোট ভোটার-৮,১০,৫৮,৬৯৮ জন, নারী ভোটার-৪,১২,৩৬,১৪৯ জন এবং পুরুষ ভোটার-৩,৯৮,২২,৫৪৯ জন। তরুণ ভোটার-১,৭০,০০,০০০ জন। মোট পর্যেবক্ষক প্রায় তিন লাখ। মোট বাজেট ১৮১ কোটি টাকা। মোট ভোটকেন্দ্র-৩৫,২১৬টি। নির্বাচনের দায়িত্বে-১০,৮৭,৯১৪ জন।
২০০৮ সালের ২৬ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক মুক্তি আন্দোলনের নেতা মোঃ সাদেকের শেষ ইচ্ছা একবার সংসদ সদস্য হওয়া। বলেন 'সুযোগ না থাকলে মানুষের উপকার করোন যায় না।' তিনি ১৯৭৩ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সদস্যপদে প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন কৃষক মোঃ সাদেক। সেই নির্বাচনে জিততে পারেননি। ১৯৮১ সালে করলেন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। দল ছাড়া নির্বাচন করে ঠিক সুবিধা করতে পারছিলেন না, তাই ১৯৮৩ সালে একটি দল গঠন করলেন। বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক মুক্তি আন্দোলন। এ জীবনে ২০ জেলায় ৪৫টি নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তিনি। জেলাগুলো হচ্ছে-ভোলা, কক্সবাজার, সিলেট, নেত্রকেকোণা, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নরসিংদী, কুমিল্লা, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, পাবনা, মেহেরপুর, খুলনা, ফরিদপুর, বরিশাল, ঝালকাঠি, সাতক্ষীরা, গাজীপুর ও ঢাকা। রাজনীতিই তাঁর একমাত্র কাজ। বিয়ে করেননি, করবেনও না। বাপ্তায় তাঁর নিজস্ব ঘর নেই। ঢাকাতে পার্টির অফিসঘরেই থাকেন।
২০০৮ সালের ২৭ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় ভারতের ৬ জরিপ জাহাজ। ঢাকার আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ দিল্লিকে। জানা যায়, জাহাজগুলো সরিয়ে নেওয়ার জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হলেও ভারতীয় পক্ষ তা মানছে না। তারা বাংলাদেশের ১৪ নম্বর বস্নকে তেলগ্যাস অনুসন্ধানের কাজ করছে।
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর, প্রথম আলো-টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: ভোট দেওয়া হলো না তাঁদের। টাঙ্গাইলে রডভর্তি ট্রাক উল্টে মারা গেলেন ২৫ জন মজুর।
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর, ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
২০০৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: তাৎক্ষণিক বিশেস্নষণ-সুশাসনের পথে সংসদীয় তদারকি কার্যকর হবে। অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ।
২০০৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় সারা দেশে ৭০ জন আহত। সংখ্যালঘুদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর।
২০০৯ সালের ১ জানুয়ারি, প্রথম আলো: প্রায় সব আসনে কারচুপি হয়েছে-অভিযোগ বিএনপির।
২০০৯ সালের ১ জানুয়ারি, প্রথম আলো: বিভিন্ন স্থানে সহিংসতায় আহত ৬০ জন। কুলিয়ারচরে বিএনপির নেতাকে কুপিয়ে জখম।
২০০৯ সালের ১ জানুয়ারি, প্রথম আলো: বাধ্যতামূলকভাবে ইলেকট্রনিক ক্যাশ রেজিস্টার ব্যবহার আজ থেকে শুরু। প্রথম পর্যােয় ছয় মহানগরে তিন হাজার ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানে স্থাপন।
২০০৯ সালের ১ জানুয়ারি, প্রথম আলো: এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহাজোট ও চার দলের প্রধান যথাক্রমে শেখ হাসিনা ও বেগম খালেদা জিয়াসহ মোট ৫৫ জন নারী সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এদের মধ্যে বিজয়ী হয়েছেন ১৭ জন।
২০০৯ সালের ২ জানুয়ারি, প্রথম আলো: উপজেলা নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বািচত ১৪ জন। সারা দেশে ৪৮১টি উপজেলায় মোট ৮,১৩৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এর আগে ১৯৮৫ সালের ১৬ ও ২০ মে এবং ১৯৯০ সালের ১৪-২৫ মার্চ উপজেলা পরিষদের নির্বাচন হয়। আর ২০০৯ সালের ২২ জানুয়ারি তৃতীয় উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং হয়।
২০০৯ সালের ২ জানুয়ারি, প্রথম আলো: ২০০৮ সালে জীবন যাত্রার ব্যয় বেড়েছে সাড়ে নয় শতাংশ। একই বছর আগের বছরের তুলনায় পণ্যমূল্য বেড়েছে ১২.৫৪ শতাংশ। ক্যাবের জরিপে দেখা যায়, ২০০৮ সালে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে চালের মূল্য, ৪০.৭০ ভাগ। আটা-ময়দার দাম বেড়েছে ১৭.১১ ভাগ, ডাল-১৯.২৪ ভাগ, ভোজ্যতেল-২৭.৩৩ ভাগ, ডিম-১৯.০৮ ভাগ, দেশীয় মসল্লা ৬.৭৮ ভাগ এবং আমদানি করা মসল্লা-১৬-৬২ ভাগ, লবণ-৪.৯১ ভাগ, চিনি ও গুড়-৪.০২ ভাগ, চা-১.৯৬ ভাগ, দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য-২১.৯৯ ভাগ, ফল-৫.২২ ভাগ, পান-সুপারি-১.৮৯ ভাগ, জ্বালানি তেল-১১.৮৩ ভাগ এবং সাবানের দাম-২০.৮৯ ভাগ বেড়েছে। ২০০৭ সালে-দেশি মসুর ডাল-৭৬.৮১ টাকা ছিল। ২০০৮ সালে এর দাম-১০১ টাকা এবং ২০০৯ সালে দাম ১০৪ টাকা হল।
২০০৯ সালের ২ জানুয়ারি, প্রথম আলো: বিভিন্ন স্থানে বিএনপি সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলা, লুটপাট। বেগমগঞ্জে যুবলীগ নেতার বাড়িতে আগুন।
২০০৯ সালের ২ জানুয়ারি, প্রথম আলো: ধুনটে আওয়ামী লীগের সমর্থক দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা।
২০০৯ সালের ২ জানুয়ারি, প্রথম আলো: নির্বািচতদের মধ্যে ব্যবসায়ী ১৬৯ জন, কোটিপতি ১২৮ জন এবং পেশাদার রাজনীতিক ১০ জন। সুজনের তথ্য।
২০০৯ সালের ৫ জানুয়ারি, আমার দেশ পত্রিকা: ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১,৫৫৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ৯২৩ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত-আওয়ামী লীগের-৪ জন, বিএনপির-১৪ জন, জাপার-১২ জন, গণফোরামের-৪৪ জন ও বিকল্পধারার-৬১ জন।
২০০৯ সালের ৫ জানুয়ারি, দেশ পত্রিকা: উপজেলা চেয়ারম্যানের অধীনে থাকবেন ইউএনও ও ওসি: উন্নয়ন তদারকির দায়িত্বও তাদের।
২০০৯ সালের ৫ জানুয়ারি, দেশ পত্রিকা: জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৪ লাখ ১৬ হাজার ৯২৭ ভোট কম পেয়ে ১৮৪ আসন হারিয়েছে-৪(চার) দলীয় জোট।
২০০৯ সালের ৫ জানুয়ারি, প্রথম আলো: উপজেলা নির্বাচনে মহাজোট নেই।
২০০৯ সালের ৫ জানুয়ারি, প্রথম আলো: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুই বছরে ১৪৪ অধ্যাদেশ। নবম সংসদের প্রথম অধিবেশনের ৩০ দিনের মধ্যে এসব আইনে পরিণত করতে হবে। ২০০৭ সালের ১৪ জানুয়ারি উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উপদেষ্টা পরিষদের সর্বেশষ ১৪৩তম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং ১৪৪টি অধ্যাদেশ এবং সিদ্ধান্ত হয়েছে ৬৬৪টি মোট সিদ্ধান্তের ৭৭ ভাগ বা ৫১২টি বাস্তবায়িত হয়েছে: ২০০৭ সালে যেসব অধ্যাদেশ পাস হয়েছে: ২০০৭ সালে জারি করা অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে রয়েছে-জরুরি ক্ষমতা অধ্যাদেশ, বিচার বিভাগ পৃথককরণসংক্রান্ত দি কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর (সংশোধিত) অধ্যাদেশ, বিশেষ ক্ষমতা (সংশোধিত) অধ্যাদেশ, দি কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর (দ্বিতীয় সংশোধনী) অধ্যাদেশ, দুর্নীিত দমন কমিশন (সংশোধিত) অধ্যাদেশ, ক্রিমিনাল ল অ্যামেন্ডমেন্ট (সংশোধিত) অধ্যাদেশ, দি মেম্বার্স অব পার্লােমন্ট (সংশোধিত) অধ্যাদেশ, বার কাউন্সিল(অস্থায়ী বিধান) অধ্যাদেশ, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ (সংশোধিত অধ্যাদেশ, ভোটার তালিকা অধ্যাদেশ, দুর্নীিত দমন কমিশন (দ্বিতীয় সংশোধনী) অধ্যাদেশ ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ উল্লেখযোগ্য। ২০০৮ সালে যেসব অধ্যাদেশ পাস হয়েছে: ২০০৮ সালের উল্লেখযোগ্য অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে রয়েছে-নির্বাচন কমিশন সচিবালয় অধ্যাদেশ, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কমিশন অধ্যাদেশ, মেম্বার্স অব পাবলিক সার্ভিস কমিশন(সংশোধিত) অধ্যাদেশ, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ, আদালত অবমাননা অধ্যাদেশ, স্বপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশ অধ্যাদেশ(সংশোধিত) অধ্যাদেশ, সরকারি অ্যাটর্নি সার্ভিস (সংশোধিত) অধ্যাদেশ ইত্যাদি। জানা গেছে, নিয়ম অনুযায়ী নবম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুও ৩০ দিনের মধ্যে এসব অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপন করতে হবে। সংসদ কোনো অধ্যাদেশের বৈধতা না দিলে তা বাতিল হিসেবে গণ্য হবে। তবে ওই অধ্যাদেশের আওতায় ইতিপূর্বে সম্পন্ন হওয়া সব কাজ 'পাস্ট অ্যান্ড ক্লোজড' হিসেবে বৈধতা পাবে। এ ছাড়া তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মেয়াদে ১৩৩টি উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে ব্যয় হয়েছে ৮৫ হাজার ২২৪ কোটি টাকা।