তাঁর স্বপ্ন — ‘আমার চাওয়া পাওয়া’
‘বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তথ্যাবলী’ গ্রন্থের শেষে তিনি রেখে গেছেন এই ব্যক্তিগত প্রবন্ধ। কিছু অংশ:
আমি যা ভাবি তা করতে পারি না, যা করি তা ভাবি না। প্রতিদিন বিবেকের সাথে লড়াই করতে করতে হেরে যাই। … আমি যা করতে চাই তা করতে পারলে আমার স্বাধীনতা আছে বা আমি স্বাধীন মানুষ। কিন্তু আমার কাজ এমন হবে না যা অপরের জন্য ক্ষতিকর হয়। আমি পৃথিবীতে দ্বিতীয়বার আর আসবো না।
সরকার নির্ধারিত বেতন কাঠামোর সুযোগ-সুবিধার মধ্যে সৎভাবে চাকুরী করলে সম্পদের মালিক হওয়া যায় না। আমাদের দেশে সৎভাবে সম্পদের মালিক হওয়া কঠিন কাজ।
আমাদের দেশে যে সম্পদ আছে তা দিয়ে বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষা — এসব মৌলিক চাহিদার গ্যারান্টি দেয়া যায়। তখনই আমাদের দেশের প্রত্যেক মানুষ প্রকৃত অর্থে স্বাধীন হবে। নতুবা মুক্তিযুদ্ধের অর্থ বা এ স্বাধীনতার অর্থ ফাঁকাবুলি ছাড়া আর কিছু নয়।
বেশীরভাগ মানুষ বলে খাদ্যের অভাবে মানুষগুলো মারা যাচ্ছে, আসলেই কি কথাটা তাই? … আসলে কথাটা হবে ক্রয়-ক্ষমতার অভাবে মানুষগুলো মারা যাচ্ছে।
কিন্তু দেশের বেশীরভাগ মানুষকে সব সময়ের জন্য বোকা রাখা যাবে না। আমার বিশ্বাস এক সময় দেশের ৯৫ ভাগ মানুষ জেগে উঠবে।
তাঁর নিজের ভাষায় তাঁর স্বপ্ন: “বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা এবং শ্রমজীবী মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষার গ্যারান্টি দেয়া। এর বেশি কিছু তাঁর চাওয়া-পাওয়া নেই।”
📖 সম্পূর্ণ প্রবন্ধটি বইয়ে পড়ুন: বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তথ্যাবলী