২০০৮ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি, ত্রিপুরায় শনিবার(২৩-০২-২০০৮) বিধানসভা নির্বাচন। ভোটার সংখ্যা ২০ লাখেরও বেশি। ২,৩৯১টি ভোটাকেন্দ্র স্থাপন করেছে। প্রার্থীর সংখ্যা ৩১৩।

২০০৮ সালের ৩ মার্চ, কলকাতা প্রতিনিধি: মেঘালয় বিধানসভা নির্বাচন (০৩-০৩-২০০৮ তারিখ) ৬০ আসনবিশিষ্ট বিধানসভার নির্বাচন ও ভোটার সংখ্যা ১২ লাখ ৩০ হাজার ১৫২ জন।

২০০৮ সালের ৩ মার্চ, প্রথম আলোর রিপোর্ট: বিশ্ব রেকর্ড গড়তে ভারতের ৬০ জন বাবুর্চি গত (০১-০৩-২০০৮ তারিখ) একযোগে ১৩ টন বিরিয়ানি রান্নার এক মহাআয়োজন করেন। গিনেস বুকে নাম ওঠাতেই ওই বিরিয়ানি রান্নার আয়োজন করা হয়। যুক্তরাজ্যভিত্তিক গিনেস বুক অব ওয়াল্র্ড রেকর্ডেসর একজন কর্মকর্তাও বিশাল ওই বিরিয়ানি রান্নার কর্মযজ্ঞ প্রত্যক্ষ করেন। আয়োজক দলের প্রধান গুরুনাম অরোরা বলেন, নয়াদিল্লি স্পোর্টস স্টেডিয়ামে বিশেষভাবে তৈরি একটি চুলার ওপর বসানো বিশাল একটি পাত্রে শুরু হয় এ বিরিয়ানি রান্নার কাজ। ১৬ ফুট গভীর ওই পাত্রে তিন হাজার কেজি সুগন্ধি বাসমতী চাল, এক হাজার ২০০ লিটার তেল, ৮৫ কেজি গোলমরিচের গুড়ো, তিন হাজার ৬৫০ কেজি সবজি, ছয় হাজার লিটার পানি ও ১০ কেজি বিদেশি মসলা ঢেলে দেওয়া হয়। পানি ও মসলা ঢেলে দেয়ার জন্য তাঁরা একটি বিশেষ নল ব্যবহার করেন। এ ছাড়া অন্যান্য সুগন্ধি মসলাও এতে যোগ করা হয়।

২০০৮ সালের ৯ মার্চ, কলকাতা প্রতিনিধি: ৩৬ বছর বয়সে এক মা ২০তম সন্তানের জননী।

২০০৮ সালের ১৬ মার্চ, সুপ্রিম কোর্টের রায়-ভারতের নাগরিকেরা দেশের যেকোনো প্রান্তে থাকার অধিকারী।

২০০৮ সালের ২৬ মার্চ, নয়াদিল্লী প্রতিনিধি: ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন গড়ে ৪০ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। বর্তমানে ভারতে ৪০ লাখেরও বেশি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছে। ভারতের ষষ্ঠ পে-কমিশন এ সুপারিশ করেছে। এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে এ প্রথমবার ভারতের অর্থ মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর সুপারিশমালা জমা পড়ল। পে-কমিশন বিপুল পরিমাণে বেতন বাড়ানোর সুপারিশ করায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাবদ ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে আগামী ২০০৮-২০০৯ অর্থবছরে ১২,৫৬১ কোটি রুপি বেশি ব্যয় করতে হবে। বিচারপতি বি.এন. শ্রীকৃঞ্চের নেতৃত্বে গঠিত পে-কমিশন ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে বেতন বাড়ানোর সুপারিশ কার্যকর বা বাস্তবায়ন করতে বলেছে। এ ক্ষেত্রে বেতন সমন্বয়ে ব্যয় করতে হবে ১৮ হাজার ৬০ কোটি রুপি। কমিশন ২৪-০৩-২০০৮ তারিখ অর্থমন্ত্রী পি. চিদাম্বরমের কাছে সুপারিশমালাটি জমা দেয়। মন্ত্রিপরিষদ অনুমোদন করলেই নতুন পে-স্কেলটি বাস্তবায়ন শুরু হবে। পে-কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রি পরিষদ সচিবের বেতন বেড়ে হবে ৯০ হাজার রুপি এবং সচিবদের বেতন হবে ৮০ হাজার রুপি। আর কর্মচারীদের ন্যূনতম বেতন হবে ৬,৬০০ রুপি। পে-কমিশন অবসরভাতা ও পারিবারিক পেনশন ৪০ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। ভারতের ষষ্ঠ পে-কমিশনের অন্য উল্লেখযোগ্য সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে-তরুণ বিজ্ঞানী ও বিশেষ পদে আসীনদের জন্য বাজারভিত্তিক অর্থ প্রদান, নির্বািচত পদগুলোর বিপরীতে নিয়োগের ক্ষেত্রে দক্ষতার ওপর জোর দেওয়া, অবসর নেওয়ার বয়স ৬০ বছরে ও সাপ্তাহিক কর্মিদবস পাঁচ দিনে বহাল রাখা, সরকারি চাকরির গ্রেড ৩৫টি থেকে কমিয়ে ২০টিতে নামিয়ে আনা।

২০০৮ সালের ৩ এপ্রিল, বিনোদন ডেস্ক: ভারতের বিনোদনশিল্পে বার্ষিক আয়ের অঙ্ক শুনলে অনেকের মাথা ঘুরে যাবে। ভারতীয় মুদ্রায় তা ৫০ হাজার কোটি রুপি। কিন্তু এ বিপরীতে মাশুলও কম গুনতে হয় না তাদের। প্রতিবছর ১৬ হাজার কোটি রুপি অবৈধ চোরা ব্যবসায়ীদের কারণে গচ্চা দিতে হয়। মুম্বাইয়ে সম্প্রতি প্রচারমাধ্যম ও বিনোদনভিত্তিক একটি আন্তর্জািতক সম্মেলনে ইউএস-ইন্ডিয়া বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট রন সামার্স এ তথ্য জানান। ওয়েবসাইট।

২০০৮ সালের ২৭ এপ্রিল, কলকাতা প্রতিনিধি: নিজামের গুপ্তধন-দাবিদার ভারত, পাকিস্তান ও নিজামের ৩০০ বংশধর। ১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হওয়ার পর-ভারতের বহু স্বাধীন রাজ্য ভারত প্রজাতন্ত্রের অন্তর্ভুক্ত হলেও হায়দরাবাদের সপ্তম নিজাম তাতে সায় দেননি। ১৯৪৮ সালে কয়েক হাজার থ্রি নট থ্রি বন্দুকের ফরমায়েশ দিয়েছিলেন লন্ডনের একটি অস্ত্র নির্মাতা কোম্পানিকে। তিনি লন্ডনের ন্যাশনাল ওয়েষ্ট মিনিস্টার ব্যাংকে এক মিলিয়ন পাউন্ড বা ১০ লাখ পাউন্ড জমা দিয়েছিলেন। এরপর ভারতের হাতে চলে আসে হায়দরাবাদ। ফলে ওই ১০ লাখ পাউন্ড জমা থাকে ব্যাংকে। সেই ১০ লাখ পাউন্ড এখন সুদে আসলে দাঁড়িয়েছে ২৫০ কোটি রুপিতে।

২০০৮ সালের ২৯ এপ্রিল, ফোর্বস ম্যাগাজিনের তালিকা-বিশ্বের শীর্ষ ১০ সন্ত্রাসীর তালিকায় ভারতের শীর্ষস্থানীয় সন্ত্রাসী দাউদ ইব্রাহিম।

২০০৮ সালের ৫ মে, প্রাচীন শহরের সন্ধানঃ ভারতের উড়িষ্যা রাজ্যের রাজধানী ভুবনেশ্বরের কাছে শিশুপালগড়ে সন্ধান পাওয়া গেছে গ্রিসের এথেন্সের চেয়েও প্রাচীন একটি শহরের। সেখানে খননকাজ চালিয়ে পাওয়া গেছে বহু পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন। এ খননকাজের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের প্রধান ড. মনিকা স্মিথ। সমীক্ষারত বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এ লুপ্ত নগরীতে আড়াই হাজারেরও বেশি বছর আগে ২৫ হাজার মানুষের বাস ছিল। এটি এথেন্সের চেয়েও পুরোনো শহর। আকারেও ছিল এথেন্সের চেয়ে বড়। কলকাতা প্রতিনিধি।

২০০৮ সালের ১৪ আগষ্ট, কলকাতার চৌরঙ্গীতে সর্বোচ্চ টাওয়ার তৈরি হচ্ছে। এটি হবে পৃথিবীর ৫ম সর্বোচ্চ টাওয়ার। এর উচ্চতা ২৫০ মিটার হলেও থাকবে ৫৫টি তলা। উচ্চতার হিসাবে এটি হবে ৮৪ তলার সমান। জমি কিনতে খরচ পড়েছে ৪৩২ কোটি রুপি এবং তৈরি করতে খরচ পড়বে ২০০ কোটি রুপি। মূল জমিটি ছিল দ্বারভাঙ্গা মহারাজার। টাওয়ারে ঢোকার প্রবেশপথটি হবে ৪২ ফুট উচ্চতার, টাওয়ারের ৩০ তলায় থাকবে একটি উন্মুক্ত বাগান। ৫১ তলায় থাকবে একটি রেস্তোরা। অন্যদিকে ৫২ তলায় গড়ে তোলা হবে একটি তিন স্তরের গ্যালারি, যেখানে বসে কলাকাতার অসাধারণ দৃশ্য দেখার পাশাপাশি দেখা যাবে আকাশের রং পরিবর্তেনর রূপটিও। আর ছাদে থাকবে হেলিপ্যাড।

২০০৮ সালের ১৯ আগষ্ট, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন প্রকাশ: এ বছর ৫০ লাখ মানুষ মারা যাবে তামাক ব্যবহারের কারণে।

২০০৮ সালের ৮ সেপ্টেম্বর, এক বছরে ভারতে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারির সংখ্যা বেড়েছে ১০ কোটি। গত বছরে এ সময় এ সংখ্যা ছিল-১৯ কোটি ২৯ লাখ আর ২০০৮ সালে এ সংখ্যা-২৯ কোটি ৬০ লাখে দাঁড়ায়।

২০০৮ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর,ভারতে সম্পদের দিক দিয়ে তৃতীয় ধনী দল সিপিএম। কংগ্রেসের মোট সম্পদের পরিমাণ-২২৮ কোটি ৫০ লাখ, বিজেপির সম্পদের পরিমাণ-১১১ কোটি ৮০ লাখ রুপি আর সিপিএমের মোট সম্পদের পরিমাণ-১০৭ কোটি ৮৯ লাখ রুপি।

২০০৮ সালের ২২ অক্টোবর, চাঁদে যাচ্ছে ভারতের চন্দ্রযান-১। নাসার দুটি যন্ত্র নেওয়া হচ্ছে।

২০০৮ সালের ১০ নভেম্বর, প্রথম চেষ্টাতেই চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছে গেল ভারতের চন্দ্রযান।

২০০৮ সালের ১৮ নভেম্বর, সম্প্রতি ভারতের বিহারের শোনপুরে গরুর মেলায় চার শিঙ্গাড়া খেয়ে দাম দিতে গিয়ে বিপাকে পড়েন দুইজন পর্যটক। দোকানি চার শিঙ্গাড়ার দাম হাঁকেন ১০ হাজার রুৃপি। তর্ক-বিতর্ক করেও ছাড় পাননি তাঁরা। পরে তাঁদের হোটেল ম্যানেজার এ ঘটনা জেনে পুলিশ নিয়ে হানা দেয় মেলায়। পুলিশ দেখেই দোকানি পালিয়ে বাঁচেন। কিন্তু আটক হন তাঁর দুই কর্মচারী। আর পর্যটকেরা ফিরে পান ১০ টাকা শিঙ্গাড়ার দাম দিয়ে তাঁদের বাকি ৯,৯৯০ রুপি।

২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর, ভারতের উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতী যখন লক্ষ্নৌয়ের রাস্তা দিয়ে যান, তখন তাঁকে নিরাপত্তা দেয় পুলিশ বাহিনীর ৩৫০ জন পুলিশ ও ৩৪ গাড়ির বহর ব্যাপক নিরাপত্তায় সাধারণের দুর্ভোগ বেড়েছে।

২০০৮ সালের ২৮ নভেম্বর, ভয়ঙ্কর সন্ত্রাস, রক্তাক্ত মুম্বাই। জঙ্গিদের তান্ডবে ১২৫ জন নিহত, জিম্মি উদ্ধারে কমান্ডো অভিযান অব্যাহত।

২০০৮ সালের ২৭ থেকে ৩০ নভেম্বর, ৬০ ঘন্টার লড়াই শেষে শান্ত মুম্বাই। জঙ্গি হামলার ঘটনায় এ পর্যন্ত নিহত ১৬৬ জন। এর মধ্যে বিদেশী ২৬ জন। আহতের সংখ্যা ৩০০ জন। ১০ জন জঙ্গির মধ্যে একমাত্র জীবীত ছিলেন কাসাব(২২)। ০৬-০৫-২০১০ তারিখ কাসাবকে মৃত্যুদন্ড দিলেন মুম্বাই আদালত। তাঁর বিরুদ্ধে ৮৬টি অভিযোগ আনা হয়। এরমধ্যে চারটি অভিযোগে আদালত তাঁকে ভারতের 'অপরাধ কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন' অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি দেন। চারটি অভিযোগে কাসাবকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ডাদেশ দেওয়া হচ্ছে।

২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি, ভারতে শুরু হয়েছে অনির্দিষ্টকালের ট্রাক ধর্মঘট। ভারতে ৬০ লাখ ট্রাকের প্রতিনিধিত্ব করে পরিবহন কংগ্রেস।

২০০৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: ভারতে প্রতিদিন এক কোটি ৫০ লক্ষ লোক রেলে ভ্রমণ করে। দেশটির রেল খাতে ১৪ লাখ বেতনভুক্ত কর্মচারী রয়েছে।

২০০৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: ভারতে অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট। প্রতিরক্ষায় বরাদ্দ বৃদ্ধি ৩৫ ভাগ। ভারতে ২০০৯-২০১০ অর্থবছরের অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট পেশ করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ হয়েছে এক লাখ ৪১ হাজার ৭০৩ কোটি রুপি যা গত বছরের চেয়ে ৩৬ হাজার ১০৩ কোটি রুপি বেশি। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা।

২০০৯ সালের ২ মার্চ, প্রথম আলো: ভারতে আসন্ন নির্বাচনে খরচ হবে ১০ হাজার কোটি রুপি। সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ১০ হাজার কোটি রুপি ব্যয় হবে সরকারি ও বেসরকারি পর্যােয়।

২০০৯ সালের ৩ মার্চ, প্রথম আলো: ভারতের নির্বাচন শুরু ১৬ এপ্রিল এবং শেষ হবে ১৩ মে-কলকাতা প্রতিনিধি। ভোট গণনা করা হবে ১৬ মে। এবার ভারতের ৩২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোতে ৭১ কোটি ৪০ লাখ ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নির্বাচনে ব্যবহার করা হবে ১১ লাখ ভোটিং মেশিন এবং ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা হবে আট লাখ ২১ হাজার। এতে নিয়োজিত থাকবেন ৪০ লাখ ভোটকর্মী। আর নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত থাকবেন ২১ লাখ নিরাপত্তাকর্মী। ১৯৯৯ সালের নির্বাচন পাঁচ দফায় এবং সর্বেশষ ২০০৪ সালের নির্বাচন চার দফায় অনুষ্ঠিত হয়।

২০০৯ সালের ১৬ মার্চ, প্রথম আলো: কলকাতা প্রতিনিধি: 'বিনামূল্যে মোবাইল ও ১০ হাজার রুপিতে ল্যাপটপ দেব'-বিজেপি নেতা এবং এনডিএর সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী লালকৃঞ্চ আদভানি বলেছেন, বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট ক্ষমতায় গেলে ছাত্রছাত্রীদের ১০ হাজার রুপিতে ল্যাপটপ কম্পিউটার এবং দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারীদের বিনামূল্যে ফোন দেবে।

২০০৯ সালের ১৭ মার্চ, প্রথম আলো: পশ্চিমবঙ্গের লোকসভা নির্বাচনে 'নো মোবাইল জোন' ঘোষণা। ভোটার সংখ্যা-৫ কোটি ২৩ লাখ।

২০০৯ সালের ২৭ মার্চ, প্রথম আলো: চাল নিয়ে কংগ্রেস-বিজেপির নির্বাচনী প্রতিযোগিতা। দুই রুপি কেজি দরে প্রয়োজনীয় পরিমাণ চাল দিতে গেলে বিজেপিকে সাত হাজার ২০০ কোটি রুপি ভর্তুিক দিতে হবে। আর তা হবে কংগ্রেস প্রতিশ্রুত তিন রুপি কেজি দরে প্রয়োজনীয় পরিমাণ চালের ক্ষেত্রে ভর্তুিকর চেয়েও দেড় হাজার কোটি রুপি বেশি।

২০০৯ সালের ২৭ মার্চ, প্রথম আলো: কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সংযুক্ত প্রগতিশীল মোর্চার (ইউপিএ) সরকার ২০০৯-২০১০ অর্থবছরের বাজেটে এনআরইজিএ এবং ভারত নির্মােণ ৭১ হাজার কোটি ডলার বরাদ্দ দিয়েছে। এ বিপুল ব্যয়ের বিষয়টি ইতিমধ্যেই ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে।

২০০৯ সালের ১৬ এপ্রিল, প্রথম আলো: প্রথম পর্বে ১৫টি রাজ্য এবং দুটি কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চলের ১২৪টি আসনে ভোট আজ। এ পর্বে ১৪ কোটি ৩০ লাখ ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। শেষ পর্বেও ভোট হবে ১৩ মে। ভোট গণনা হবে ১৬ মে।

২০০৯ সালের ১৭ এপ্রিল, প্রথম আলো: ভারতে প্রথম পর্বের ভোটেই প্রাণ গেল ১৮ জনের।

২০০৯ সালের ২১ এপ্রিল, আমাদের সময়-নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন-ভারত বিশ্বের অন্যতম মানব পাচার কেন্দ্র।

২০০৯ সালের ২১ এপ্রিল, প্রথম আলো: আকাশে অতন্দ্র প্রহরী পাঠাল ভারত।

২০০৯ সালের ৮ মে, প্রথম আলো: এবার চার লাখে বাড়ি দেবে টাটা। এক লাখ রুপির ন্যানো গাড়ি বানিয়ে ভারতসহ গোটা বিশ্বকে চমকে দেওয়া টাটা গোষ্ঠী এবার মাত্র চার লাখ রুপিতে বাড়ি বানিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। ভারতের বিভিন্ন নামী শহরেই নির্মিত হবে এ বাড়ি। প্রথম পর্যােয় ওই বাড়ি তৈরি হচ্ছে মুম্বাইতে। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, বাড়িগুলোর আকার হবে ৩০০ থেকে ৪৬৫ বর্গফুট। দাম পড়বে তিন লাখ ৯০ হাজার রুপি থেকে ছয় লাখ ৭০ হাজার রুপি। মূল্য কম হলেও অন্যান্য আবাসন প্রকল্পের মতো সব ধরনের সামাজিক সুবিধা থাকবে এসব বাড়িতে। এএফপি।

২০০৯ সালের ১৪ মে, প্রথম আলো: কংগ্রেস জোট বেশি আসন পাবে। অধিকাংশ বুথ-ফেরত সমীক্ষার ফল, ভোটপর্ব শেষ, নজর ১৬ মের দিকে।

২০০৯ সালের ১৪ মে-এর সংবাদঃভারতে ২,৪০০(দুই হাজার চারিশত) বিশ্ববিদ্যালয় আছে।

২০০৯ সালের ১৭ মে, প্রথম আলো: ভারত শাসনের ভার সোনিয়ারই হাতে।

২০০৯ সালের ১৯ মে, আমাদের সময়: ভারতের মবচেয়ে ধনী নাগেশ্বর রাও লোকসভা কোটিপতি ৩,০৭৫ কোটি রুপির মালিক। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী ভারতে ২৮ কোটি মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে বাস করে।

২০০৯ সালের ২৩ মে, প্রথম আলো: ভারতের লোকসভায় প্রবীণ ও নবীন সাংসদ-এরমধ্যে ৮৮ বছরের প্রবীণের পাশাপাশি আছেন ২৬ বছরের যুবক।

২০০৯ সালের ২৫ মে, প্রথম আলো: ২০০৯ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে কংগ্রেস অঙ্গীকার করে, শহর ও গ্রামীণ এলাকায় দারিদ্রসীমার নিচে যারা বাস করে, তাদের প্রতি পরিবারের জন্য প্রতি কেজি তিন রুপি দরে মাসে ২৫কেজি চাল বা গম দেওয়া হবে। ভারতে দরিদ্র রয়েছে ৩০ কোটি। এর মধ্যে ৮ কোটি ১০ লাখ দারিদ্রসীমার নিচে বাস করে। ২০০৯-২০১০ অর্থবছরের জন্য খাদ্যে ভর্তুিক ধরা হয়েছে ৪২ হাজার ৪৯০ কোটি রুপি।

২০০৯ সালের ২৮ মে, প্রথম আলো: আইলায় পশ্চিমবঙ্গে মৃতের সংখ্যা-৯১।

২০০৯ সালের ৫ জুন, প্রথম আলো: ২০০৮-২০০৯ অর্থবছরের মার্চ পর্যন্ত অর্থৈনতিক প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬.৭ শতাংশ। অথচ গত বছর (২০০৭-২০০৮ সালে) ছিল ৯ শতাংশ।

২০০৯ সালের ৫ জুন, প্রথম আলো: ভারতের ইতিহাসে এ প্রথম স্পিকার হলেন একজন মহিলা স্পিকার মীরা কুমার।

২০০৯ সালের ৬ জুন, প্রথম আলো: কলকাতা প্রতিনিধি-সর্বস্ব দান করে নিরুদ্দেশ হলেন 'মাস্টারসশাই' সারদানন্দ দাস ১৯৬৫ সালে ওই স্কুলে চাকরি নিয়ে অবসর নেন ১৯৯৫ সালে। এ ৩০ বছরের সুদীর্ঘ সময়ে এলাকায় তিনি পরিচিত ছিলেন একজন আদর্শ শিক্ষক হিসেবে। তাঁর জীবনের সঞ্চয় করা ৮১ লাখ রুপি দান করে গেলেন 'দরিদ্র মেধাবী ছাত্র সাহায্য তহবিল' নামের একটি ট্রাস্ট গঠন করে। এলাকা থেকে বিদায় নেওয়ার আগে তিনি তাঁর দলিলে উল্লেক করে যান, ওই ৮১ লাখ রুপির ওপর প্রতিবছর প্রাপ্ত ছয় লাখ ৬০ হাজার রুপি লভ্যাংশ যেন বৃত্তি হিসেবে দেওয়া হয়।

২০০৯ সালের ৮ জুন, প্রথম আলো: ভারতে মহিষের ক্লোনিং। সুস্থ আছে ক্লোন মহিষশাবক 'গরিমা'।

২০০৯ সালের ১৪ জুন, প্রথম আলো: কলকাতা প্রতিনিধি-তিরুপতি মন্দির। এখন মন্দির কর্তৃপক্ষের কাছে রয়েছে ১১ টন সোনা। ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের তিরুমালা পাহাড়ের শিখরে অবস্থিত তিরুপতি মন্দিরে অধিষ্ঠিত তিনি। ওই দেবতা হলেন ভেঙ্কটেশ্বর। কর্ণাটকের পর্যটনমন্ত্রী জনার্দন রেড্ডি তাঁর চরণে দান করলেন ৪৫ কোটি রুপি মূল্যের স্বর্ণ-হীরা-মণিমুক্তায় খচিত একটি মুকুট। কিছুদিন আগে অস্ট্রেলিয়ার এক নারী শিল্পপতি ওই মন্দিরে ২০০ কোটি রুপির একটি চেক পাঠিয়েছেন। এটিই এখন পৃথিবীর সবচেয়ে জমকালো ও সম্পদশালী মন্দির।