আয়ঃ ১৬০ ডলার; জিডিপির হারঃ নেই; লেবার ফোর্স(১৯৮১)ঃ কৃষিতে-৮৩%; শিল্পে-১২%; (১৯৮০)ঃ ১৯৮২ সালে
মোট জিডিপি ৯৬৯ মিলিয়ন ডলার; পৃথিবীর ১২৭তম অর্থনীতির দেশরাজধানী-
উরুগুয়ে: লোকসংখ্যাঃ ২৯,১০,০০০(১৯৮২); ৩১,৯৯,০০০(১৯৯৪); ৩৪,৯৪,৩৮২ (২০০৯); ৩৫,১০,৩৮৬(২০১০);
প্রতিবর্গমাইলে বসবাসঃ ৪১.৭২; ৪৭; ৫২.১; ৫১.৯ জন; শহরে বাস করেঃ ৮৩.০%; ৮৯%; ৯২%; ৯২.৪%; প্রধান
ভাষা-স্পেনিশ; ধর্মঃ রোমান কেথলিক-৬৬%; প্রটেসটেন্ট-২%; ননপ্রফেসিং অথবা অন্যান্য-৩১%; আয়তন-৬৮,০৩৯
বর্গমাইল; ১,৭৬,২২০ বর্গিকলোমিটার; পৃথিবীর লোকসংখ্যার-১,৯৬৮.৮৭ ভাগের এক ভাগ; পৃথিবীর
আয়তনের-৮৩৮ ভাগের এক ভাগ; শিক্ষার হারঃ ৯৪%; ৯৬%; ৯৮%; ৯৮.২%; মাথাপিছু আয়ঃ ১,৭১০; ৩,১০০;
১২,৪০০; ১২,৬০০ ডলার; জিডিপির হারঃ ৮.৯%; ১.৯%; বিদ্যুৎ উৎপাদন ৫.৩ বিলিয়ন মেগাওয়াট; লেবার
ফোর্স(২০০৭)ঃ কৃষিতে-৯%; শিল্পে-১৫%; সার্ভিেসস-৭৬%; ৯টি বিমানবন্দর আছে; (১৯৮০)ঃ ১৯৮২ সালে মোট
জিডিপি ১.৭ বিলিয়ন ডলার; পৃথিবীর ১০৩তম অর্থনীতির দেশ; (১৯৯২)ঃ ১৯৯৪ সালে মোট জিডিপি ৯.৮ বিলিয়ন
ডলার; পৃথিবীর ৭০তম অর্থনীতির দেশ; ২০০৯ সালে মোট জিডিপি ৪৩.২; ৪৩.৯(২০১০) বিলিয়ন ডলার;পৃথিবীর
৮৬তম অর্থনীতির দেশরাজধানী-মনটেভিডিও
উজবেকিস্থান: লোকসংখ্যাঃ ২,২৬,০৯,০০০(১৯৯৪); ২,৭৬,০৬,০০৭(২০০৯); ২,৭৮,৬৫,৭৩৮(২০১০); প্রতিবর্গমাইলে
বসবাসঃ ১৩০; ১৬৮.১; ১৬৯.৭ জন; শহরে বাস করেঃ ৪০%; ৩৬.৭%; ৩৬.৩%; প্রধান ভাষা-উজবেক; ধর্মঃ
মুসলিম-৮৮%; ইস্টটিম অর্থডক্স-৯%; আয়তন-১,৭২,৭৪২ বর্গমাইল; ৪,৪৭,৪০০ বর্গিকলোমিটার; পৃথিবীর
লোকসংখ্যার-২৪৯.২২ ভাগের এক ভাগ; পৃথিবীর আয়তনের-৩৩০.০৭ ভাগের এক ভাগ; শিক্ষার হারঃ ৯৬.৯%;
৯৯.২%; মাথাপিছু আয়ঃ ২,৬০০; ২,৮০০ ডলার; জিডিপির হারঃ ৯%; ৮.১%; বিদ্যুৎ উৎপাদন-৪৬.৭ বিলিয়ন
মেগাওয়াট; লেবার ফোর্স(১৯৯৫)ঃ কৃষিতে-৪৪%; শিল্পে-২০%; সার্ভিেসস-৩৬%; ৩৩টি বিমানবন্দর আছে; ১৯৮২
সালে উজবেকিস্থান রাষ্ট্রের জন্ম হয়নি; ১৯৯৪ সালেরও জিডিপির হিসেব নেই; ২০০৯ সালে জিডিপি ৭১.৭;
৭৮.৩(২০১০) বিলিয়ন ডলার; পৃথিবীর ৭৬তম অর্থনীতির দেশরাজধানী-টাসকেন্ট২০১৫ সালে প্রবৃদ্ধি
হবে-৭.৮৭%
ভানোয়াটু: লোকসংখ্যাঃ ১,১২,০০০(১৯৮২); ১,৭০,০০০(১৯৯৪); ২,১৮,৫১৯ (২০০৯); ২,২১,৫৫২(২০১০);
প্রতিবর্গমাইলে বসবাসঃ ১৯.৫৮; ৩৬; ৪৬.৪; ৪৭.১ জন; শহরে বাস করেঃ ২৩.৫%; ২৫.১%; প্রধান ভাষা-পিডগিন;
প্রধান ধর্ম-প্রেসবাইটেনিয়ান-৩১%; এঙ্গলিকান-১৩%; রোমান কেথলিক-১৩%; আদার খিষ্টান-১৪%; সেভেনথ-ডে
এডভেনটিজ-১১%; ইনডিজিনিয়াস বিলিবস-৬%; আয়তন-৪,৭১০ বর্গমাইল; ১২,২০০ বর্গিকলোমিটার; পৃথিবীর
লোকসংখ্যার-৩১,৪৮৪.৬৮ ভাগের এক ভাগ; পৃথিবীর আয়তনের-১২,১০৫.৫২ ভাগের এক ভাগ; শিক্ষার হারঃ ৯০%;
৭৮.১%; ৮১.৩%; মাথাপিছু আয়ঃ ৪,৬০০; ৫,৩০০ ডলার; জিডিপির হারঃ ৬.৬%; ৩.৮%; ৩টি বিমানবন্দর আছে;
১৯৮২ সালের ডাটা দেয়া হয়নি; (১৯৯০)ঃ ১৯৯৪ সালে মোট জিডিপি ১৪২ মিলিয়ন ডলার; পৃথিবীর ১৭৯তম
অর্থনীতির দেশ; ২০০৯ সালে মোট জিডিপি ৯৮৮.৫ মিলিয়ন ডলার; ২০১০ সালে ১.২ বিলিয়ন ডলার; পৃথিবীর
১৬৭তম অর্থনীতির দেশরাজধানী-পোর্ট ভিলা
ভেটিকান সিটি: লোকসংখ্যাঃ ১,০০০(১৯৮২); ৮১১(১৯৯৪); ৮২৬(২০০৯); ৮২৯(২০১০); পৃথিবীর
লোকসংখ্যার-৭৪,৩৯,৭৫৯ ভাগের এক ভাগ; আয়তন-০.১৭ বর্গমাইল; ১০৮.৭ একর; (০.৪৪ বর্গিকলোমিটার),
পৃথিবীর আয়তনের ৩৩,৫২,৫৯,৯৬০ ভাগের এক ভাগ; প্রতিবর্গমাইলে বসবাসঃ ৪,৮৮৭; ৪,৮৭৯.৮ জন; শিক্ষার হারঃ
৯৯%; মাথাপিছু আয়ঃ ৩০,০০০; ডলার; বিশ্বের ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র স্বাধীনতা লাভ করে ১৯২৯ সালের ১১
ফেব্রুয়ারিরাষ্ট্রভাষা: ইতালীয়; ধর্ম-রোমান কেথলিকরাজধানী-
ভেনিজুয়েলা: লোকসংখ্যাঃ ১,৫৫,০০,০০০(১৯৮২); ২,০৫,৬২,০০০(১৯৯৪); ২,৬৮,১৪,৮৪৩(২০০৯);
২,৭২,২৩,২২৮(২০১০); প্রতিবর্গমাইলে বসবাসঃ ৩৭.২৬; ৫৮; ৭৮.৭; ৭৯.৯ জন; শহরে বাস করেঃ ৭৫.১%; ৮৪%;
৯২.৩%; ৯৩.১%; প্রধান ভাষা-স্পেনিশ; ধর্মঃ রোমান কেথলিক-৯৬%; আয়তন-৩,৫২,১৪৪ বর্গমাইল; ৯,১২,০৫০
বর্গিকলোমিটার; পৃথিবীর লোকসংখ্যার-২৫৬.৫৭ ভাগের এক ভাগ; পৃথিবীর আয়তনের-১৬১.৯১ ভাগের এক ভাগ;
শিক্ষার হারঃ ৮৫.৬%; ৮৮%; ৯৩৯৫.২%; মাথাপিছু আয়ঃ ৩,৬৩৯; ২,৮০০; ১৩,৫০০; ১৩,০০০ ডলার; জিডিপির
হারঃ ৪.৮%; -৩.৩%; বিদ্যুৎ উৎপাদন-১০৮.৪ বিলিয়ন মেগাওয়াট; লেবার ফোর্স(১৯৯৭)ঃ কৃষিতে-১৩%;
শিল্পে-২৩%; সার্ভিেসস-৬৪%; সামরিক বাজেট ২.৮ বিলিয়ন ডলার; একটিব ফোর্স-১,১৫,০০০ জন; ১৩১টি
বিমানবন্দর আছে; (১৯৮০)ঃ ১৯৮২ সালে মোট জিডিপি ৫৯.৯ বিলিয়ন ডলার; পৃথিবীর ৩০তম অর্থনীতির দেশ;
(১৯৯২)ঃ ১৯৯৪ সালে মোট জিডিপি ৫৭.৮ বিলিয়ন ডলার; পৃথিবীর ৩৬তম অর্থনীতির দেশ; ২০০৯ সালে মোট
জিডিপি ৩৫৭.৪ বিলিয়ন ডলার; পৃথিবীর ৩১তম অর্থনীতির দেশরাজধানী-কেরাকাস
ভিয়েতনাম: লোকসংখ্যাঃ ৫,৪৭,০০,০০০(১৯৮২); ৭,৩১,০৪,০০০(১৯৯৪); ৮,৬৯,৬৭,৫২৪(২০০৯);
৮,৯৫,৭১,১৩০(২০১০); ২০১৫ সালের ১৬ আগস্ট, ৯,৩০,০০০০০(২০১৫); প্রতিবর্গমাইলে বসবাসঃ ৪১৩.৬৫; ৫৭৪;
৬৯২.৩; ৭৪৮.২ জন; শহরে বাস করেঃ ২১%; ২৬.৪%; ২৯.৮%; প্রধান ভাষা-ভিয়েতনামিজ; ধর্মঃ বুদ্দ-৯%;
কেথলিক-৭%; নান-৮১%; পৃথিবীর লোকসংখ্যার-৭৯.১১ ভাগের এক ভাগ; আয়তন-১,২৭,২৪৪ বর্গমাইল; ৩,২৯,৫৬০
বর্গিকলোমিটার; পৃথিবীর আয়তনের ৪৪৮ ভাগের এক ভাগ; শিক্ষার হারঃ ৭৮%; ৮৮%; ৯০.৩%; ৯২.৫%; মাথাপিছু
আয়ঃ ১৫০; ২৩০; ২,৮০০; ২,৯০০ ডলার; জিডিপির হারঃ ৬.২%; ৫.৩%; বিদ্যুৎ উৎপাদন-৫৪.৩ বিলিয়ন
মেগাওয়াট; লেবার ফোর্স(২০০৫)ঃ কৃষিতে-৫৫.৬%; শিল্পে-১৮.৯%; সার্ভিেসস-২৫.৫%; সামরিক বাজেট-৩.৭
বিলিয়ন ডলার; একটিব ফোর্স-৪,৫৫,০০০ জন; ৩৭টি বিমানবন্দর আছে; (১৯৭৮)ঃ ১৯৮২ সালে মোট ৮.২ বিলিয়ন
ডলার; পৃথিবীর ৭১তম অর্থনীতির দেশ; (১৯৯২)ঃ ১৯৯৪ সালে মোট জিডিপি ১৬ বিলিয়ন ডলার; পৃথিবীর ৬৪তম
অর্থনীতির দেশ; ২০০৯ সালে মোট ২৪১.৭; ২৫৬.৯(২০১০) বিলিয়ন ডলার; পৃথিবীর ৪৪তম অর্থনীতির দেশ
রাজধানী-হেনয়একক মোবাইল ব্যবহারকারী-৫ কোটি ২০ লাখ=শতকরা-৫৫.৫১%
ইয়েমেন: লোকসংখ্যাঃ (উত্তর ও দক্ষিণ ইয়েমেন ছিল ১৯৮২ সালে) ৭৩,০০,০০০ (১৯৮২); ১,২১,০৫,০০০(১৯৯৪);
২,৩৮,২২,৭৮৩(২০০৯); প্রতিবর্গমাইলে বসবাসঃ ৩৫.৮১ জন; ৫৮ জন; ১১৬.৯ জন; শহরে বাস করেঃ ২৮.৯%; প্রধান
ভাষা-আরবী; ধর্মঃ মুসলিম(সুনি ও শিয়া); পৃথিবীর লোকসংখ্যার-২৮৮.৮০ ভাগের এক ভাগ; আয়তন-২,০৩,৮৫০
বর্গমাইল; ৫,২৭,৯৭০ বর্গিকলোমিটার; পৃথিবীর আয়তনের ২৭৭ ভাগের এক ভাগ; শিক্ষার হারঃ ৫০%; ৫৮.৯%;
মাথাপিছু আয়ঃ ৯০০; ২,৪০০ ডলার; জিডিপির হারঃ ৩.২%; ১৮টি বিমানবন্দর; (১৯৭৬)ঃ ১৯৮২ সালে মোট
জিডিপি ৩.২৫ বিলিয়ন ডলার; পৃথিবীর ৮৭তম অর্থনীতির দেশ; (১৯৯২)ঃ ১৯৯৪ সালে মোট জিডিপি ৮ বিলিয়ন
ডলার; পৃথিবীর ৭২তম অর্থনীতির দেশ; ২০০৯ সালে মোট জিডিপি ৫৫.৩ বিলিয়ন ডলার; পৃথিবীর ৮২তম
অর্থনীতির দেশরাজধানী-সানা
জামবিয়া: লোকসংখ্যাঃ ৬০,০০,০০০(১৯৮২); ৯৫,৮৮,০০০(১৯৯৪); ১,১৮,৬২,৭৪০(২০০৯); ১,৩৪,৬০,৩০৫(২০১০);
প্রতিবর্গ মাইলে বসবাসঃ ১৮.৮২; ৩২; ৪১.৫; ৪৬.৯ জন; শহরে বাস করেঃ ৪০.৪%; ৪৯%; ৩৫%; ৩৫.৫%; প্রধান
ভাষা-ইংলিশ; ধর্মঃ খ্রিষ্টান-৫০%-৭৫%; মুসলিম এন্ড হিন্দু-২৪-৪৯%; পৃথিবীর লোকসংখ্যার-৫৭৯.৯৭ ভাগের এক
ভাগ; আয়তন-২,৯০,৫৮৬ বর্গমাইল; ৭,৫২,৬১৪ বর্গিকলোমিটার; পৃথিবীর আয়তনের ১৯৬.২১ ভাগের এক ভাগ;
শিক্ষার হারঃ ৫০%; ৫৪%; ৬৮%; ৭০.৭%; মাথাপিছু আয়ঃ ৪১৪; ৩৮০; ১,৫০০; ১,৬০০ ডলার; জিডিপির হারঃ ৬%;
৬.৩%; ৯টি বিমানবন্দর; (১৯৭৯)ঃ ১৯৮২ সালে মোট জিডিপি ৩.২৪ বিলিয়ন ডলার; পৃথিবীর ৮৯তম অর্থনীতির
দেশ; (১৯৯২)ঃ ১৯৯৪ সালে মোট জিডিপি ৪.৭ বিলিয়ন ডলার; পৃথিবীর ৯৪তম অর্থনীতির দেশ; ২০০৯ সালে মোট
জিডিপি ১৭.৫; ১৮.৫(২০১০); বিলিয়ন ডলার; পৃথিবীর ১১৯তম অর্থনীতির দেশরাজধানী-লুসাকা
জিম্বাবুয়ে: লোকসংখ্যাঃ ৭৬,০০,০০০(১৯৮২); ১,০৯,৭৫,০০০(১৯৯৪); ১,১৩,৯২,৬২৯(২০০৯);
১,১৬,৫১,৮৫৮(২০১০); প্রতিবর্গমাইলে বসবাসঃ ৪৮.৯৬; ৭৩; ৭১.৫; ৭৮ জন; শহরে বাস করেঃ ১৯.৬%; ২৭%;
৩৫.৯%; ৩৭.৮%; প্রধান ভাষা-ইংলিশ; ধর্মঃ সাইনক্রিয়েটিক-৫০%; খ্রিষ্টান-২৫%; ইনডিজিনিয়াস বিলিবস-২৪%;
পৃথিবীর লোকসংখ্যার-৫১৩.৫৬ ও ৬০৩.৯০ ভাগের এক ভাগ; আয়তন-১,৫০,৮০৪ বর্গমাইল; ৩,৯০,৫৮০
বর্গিকলোমিটার; পৃথিবীর আয়তনের ৩৭৭.৯১ ভাগের এক ভাগ; শিক্ষার হারঃ ৩০%; ৬৭%; ৯১.২%; ৯১.৪%;
মাথাপিছু আয়ঃ ৮,০০০; ৫৪৫; ২০০; ১০০ ডলার; জিডিপির হারঃ -১৪.১%; -১.৩%; ১৯টি বিমানবন্দর; (১৯৭৯)ঃ
১৯৮২ সালের মোট জিডিপি ৩.৪ বিলিয়ন ডলার; পৃথিবীর ৮৭তম অর্থনীতির দেশ; (১৯৯২)ঃ ১৯৯৪ সালে মোট
জিডিপি ৬.২ বিলিয়ন ডলার; পৃথিবীর ৮১তম অর্থনীতির দেশ; ২০০৯ সালে মোট জিডিপি ১.৯ বিলিয়ন ডলার;
পৃথিবীর ১৫৭তম অর্থনীতির দেশরাজধানী-হারেরে
১৮৭২ সালে যুক্তরাজ্যকে পেছনে ফেলে বৃহত্তম অর্থনীতির স্থানটি দখলে নেয় যুক্তরাষ্ট১৮৭২ সালের পর থেকে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বে ১ম অর্থনীতির দেশ হিসেবে বহাল আছে এবং বহাল থাকবে ২০১৫ সাল পর্যন্ত২০১৫
সালের পর চীন এক নম্বর অর্থনীতির দেশ হিসেবে দেখা দিবে-এর আগে বলেছিল আইএমএফ যে-চীন ২০১৮ সালে এক
নম্বর অর্থনীতির দেশ হবেআমি মোঃ জাকির হুসেন ওরফে আলমগীর বলছি আগামী ২১০০ সালের মধ্যে চীন
অর্থনীতির আকারে কয়েকগুণ বড় হবে ঠিকই-তাই বলে ২১০০ সালের মধ্যে চীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন নাগরিকের
সমান মাথাপিছু হবে২০১৫ সালে চীনের জনসংথ্যা-১৩৭ কোটি আর আমেরিকার জনসংখ্যা-৩২ কোটি
আমেরিকার জনগণের মাথাপিছু আয়ের সমান হতে হলে চীনের জনগণের মাথাপিছু আয় আরো ৫০(পঁঞ্চাশ) বছর
সময় লাগবে মানে ২০৬৫ সালে হবে এর আগে নয়চীনের জনগণের ৪.২৮ ভাগের এক ভাগ হল আমেরিকার জনগণ
২০১৪ সালে যুক্তরাষ্টকে টপকে চীন এখন ক্রয়ক্ষমতার দিক দিয়ে বৃহত্তম অর্থনীতির দেশএকশত বিয়াল্লিশ বছর পর
মার্কিন অর্থনীতি নেমে এল ক্রয়ক্ষমতায় দ্বিতীয় অবস্থানেখবর দ্য টেলিগ্রাফ ও নিউজউইকেরআন্তর্জািতক মুদ্রা
তহবিলের(আইএমএফ) হিসাব অনুযায়ী, চীনের অর্থনীতির আকার এখন ১১ ট্রিলিয়ন ব্রিটিশ পাউন্ড বা ১৭ দশমিক
৬১ ট্রিলিয়ন ডলারআর যুক্তরাষ্টের অর্থনীতি ১০ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ব্রিটিশ পাউন্ড বা ১৭ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন
ডলার২০১৯ সাল নাগাদ আইএমএফ বলছে চীনের অর্থনীতির আকার দাঁড়াতে পারে ১৬ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন পাউন্ডে
বা ২৬ দশমিক ৯৮ ট্রিলিয়ন ডলারতত দিনে মার্কিন অর্থনীতি চীনের থেকে পিছিয়ে পড়তে পারে ২০ শতাংশ
অর্থাৎ মার্কিন অর্থনীতির আকার তখন দাড়াতে পারে ১৩ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ব্রিটিশ পাউন্ডতবে এই পিপিপির
ভিত্তিতে অর্থনীতির আকার ঠিক করার সময় জীবনযাপনের ব্যয় আমলে নেওয়া হয় নাযদি তা করা হয়, তাহলে
চীনের অর্থনীতি এখনো যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ছোট১৯৬৮ সালে অর্থনীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরই দ্বিতীয়
অবস্থানে জায়গা করে নেয় সোভিয়েত ইউনিয়ন১৯৯১ সালের পূর্ব পর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়ন বিশ্ব অর্থনীতিতে
দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল এবং ১৯৯১ সালের পর জাপান বিশ্ব অর্থনীতিতে দ্বিতীয় স্থান করে নেয়২০০৯ সাল থেকে
চীন বিশ্ব অর্থনীতিতে দ্বিতীয় অবস্থানে জায়গা করে নেয়২০০৯ সাল থেকে জাপান বিশ্ব অর্থনীতিতে তৃতীয়
অবস্থানে চলে যায়২০০৯ সালের পর জার্মািন বিশ্ব অর্থনীতিতে ৪র্থ অবস্থানে জায়গা করে নেয়অর্থনীতিতে
২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়াবে চীনআর ২০৪৯ সালে চীন প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ঠিক ১০০ বছরের মাথায় দেশটি
আন্তর্জািতক মর্যাদার দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যাবে২০৫০ সালেও বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে
নিজের শীর্ষস্থান ধরে রাখবে চীনতবে ২০৫০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় অর্থনীতি
হিসেবে উঠে আসবে ভারততখন যুক্তরাষ্ট্র তৃতীয় স্থানে নেমে যাবে২০৫০ সালে ইন্দোনেশিয়া চতুর্থ ও
ব্রাজিল ৫ম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হবে২০১৪ সালে চীনের সামরিক ব্যয় ছিল ১৩(তের) হাজার কোটি মার্কিন
ডলারচীনের সামরিক ব্যয় বাড়ছে ১০ শতাংশ২০১৫ চীনের সামরিক ব্যয় হবে-১৪,৩০০(চৌদ্ধ হাজার তিনশত)
কোটি ডলার২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সামরিক ব্যয়ের জন্য ৫৮ হাজার ৫০০ কোটি ডলার
বরাদ্ধ চেয়েছেযুক্তরাষ্ট্র মনে করে, চীন তার সামরিক ব্যয়ের বিষয়টি সব সময় কমিয়ে বলেতাদের প্রকৃত ব্যয়
আসলে আরও বেশিবিশ্বে ২০১৪-১৫ সালে সামরিক ব্যয়-১,৭৭,৯৩৭.৫০(এক লক্ষ সাতাত্তর হাজার নয়শত সাইত্রিশ
হাজার পঁঞ্চাশ ডলার)এ বছর বিশ্ব অর্থৈনতিক প্রবৃদ্ধি কমবে : আইএমএফআগের পূর্বাভাস ছিল ৩ দশমিক ৫
শতাংশএ বছর প্রবৃদ্ধি হবে-৩ দশমিক ৩ শতাংশএখন বলছে-এ বছর বিশ্ব প্রবৃদ্ধি হবে ৩ শতাংশ২০১৬ সালে
বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির হার বেড়ে দাঁড়াবে-৩ দশমিক ৮ শতাংশআবার সংশোধিত বিশ্ব প্রবৃদ্ধি হবে-২.৯
শতাংশচীন ২০১৬ সালে পৃথিবীর এক নম্বর অর্থনীতির দেশ হবে
২০১২ সালের ১ আগস্ট, প্রথম আলো: ২০০৯ সাল থেকে বৈশ্বিক রপ্তানি আয়ের শীর্ষে চীনপরিমাণগতভাবে
সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি ভারতেরনিজস্ব প্রতিবেদক: চীন পৃথিবীর বৃহত্তম পণ্য রপ্তানিকারক দেশ২০১১ সালে চীন
বৈশ্বিক রপ্তানি থেকে প্রায় সাড়ে ১০ শতাংশ আয় করেছেআর কোনো দেশের মোট রপ্তানি বৈশ্বিক অংশের ১০
শতাংশ বা তার ওপরে যায়নিবিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডবিস্নউটিও) বিশ্ব বাণিজ্য প্রতিবেদন-২০১২ থেকে এ তথ্য
পাওয়া গেছেএতে দেখা যায়, ২০১১ সালে পরিমাণগতভাবে বৈশ্বিক রপ্তানি বেড়েছে ৫ শতাংশতবে মূল্যমানের
(মার্কিন ডলার) হিসেবে বৈশ্বিক রপ্তানি বৃদ্ধির হার হয়েছে ১৯ শতাংশপরিমাণগতভাবে গত বছর সবচেয়ে বেশি
রপ্তানি বেড়েছে ভারতেরদেশটির রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধির হার বেড়েছে ১৬ দশমিক ১০ শতাংশঅবশ্য ২০১০ সালে
ভারতের রপ্তানির পরিমাণ বেড়েছিল ২২ শতাংশ২০১১ সালে পরিমাণগত বৃদ্ধির দিক দিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে
চীনগত বছর চীনের রপ্তানির পরিমাণ বেড়েছে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ, যা তার আগের বছর ছিল ২৮ দশমিক ৪০
শতাংশডবিস্নটিওর প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, গত বছর বিশ্ববাজারে চীনের রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে একলাখ ৮৯
হাজার ৯০০ কোটি ডলারএটি তার আগের বছরের রপ্তানি আয়ের তুলনায় ২০ শতাংশ বেশিদ্বিতীয় স্থানে আছে
যুক্তরাষ্ট্রবিশ্ববাজার থেকে দেশটির রপ্তানি আয় হয়েছে এক লাখ ৪৮ হাজার ১০০ কোটি ডলার, যা বৈশ্বিক
রপ্তানির ৮ দশমিক ১০ শতাংশপ্রায় একই রপ্তানি আয় (এক লাখ ৪৭ হাজার ৪০০ কোটি ডলার) করায় জার্মািন
আছে তৃতীয় স্থানে, যা বৈশ্বিক রপ্তানির প্রায় ৮ দশমিক ১০ শতাংশতবে রপ্তানি আয়ের দিক থেকে শীর্ষ ১০
দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে রাশিয়ারদেশটি গত বছর ৩০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছেঅন্যদিকে
রপ্তানি মূল্যমানের দিক দিয়ে ভারতের অবস্থান ১৯তমদেশটি ২৯ হাজার কোটি ডলারের রপ্তানি আয় করেছেতবে
প্রবৃদ্ধির হার বেশ ভালো ৩৫ শতাংশচীন ২০১৩ সালে পণ্য রপ্তানি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ২৫ হাজার