২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, বাংলাদেশ প্রতিদিন: বিরেশ্ব এ বছর নিহত ১১০ সাংবাদিক।

২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: গিনেস বুকে বৃহত্তম লাড্ডু। লাড্ডুটির ওজন ৮ হাজার ৩৬৯ কেজি। উপকরণ লেগেছে-২ হাজার ৯০০ কেজি চিনি, ২ হাজার ৩০০ কেজি ডাল, ১ হাজার ১০০ কেজি ঘি, ৭০০ কেজি মিছরি, ৮০০ কেজি কাজু ও কিশমিশ, ৪০ কেজি এলাচ এবং ১০ কেজি কর্পুর। খরচ হয়েছে সাড়ে ১৬ লাখ রুপি।

২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: ১৯ বিলিয়ন ডলার খুইয়েছেন পৃথিবীর ৪০০ শীর্ষ ধনী।

২০১৬ সালের ১৭ জানুয়ারি, প্রথম আলো: বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বের মোট জনসংখ্যা ৭৩৫ কোটি। এর ৭০০ কোটিই মোবাইল প্রযুক্তির আওতায় আছে। সারা বিশ্বে অনলাইনে যুক্ত ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩২০ কোটি। এর মধ্যে উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবহার করে ১১০ কোটি মানুষ। আর ইন্টারনেট-বঞ্চিত 'অফলাইন জনগোষ্ঠী ৪০০ কোটি।

২০১৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: বিশ্বে খাদ্যশস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ দশম। খাদ্যশস্য উৎপাদনে শীর্ষ ১০ দেশ।

ক্রদেশলোকসংখ্যাখাদ্যশস্য উৎপাদনমাথাপিছু হার
চীন১৪০(একশত চল্লিশ) কোটি৫৫ কোটি ১১ লক্ষ টন৩৯৪ কেজি
যুক্তরাষ্ট্র৩২(বত্রিশ) কোটি৪৩ কোটি ৬৫ লক্ষ টন১,৩৬৪ কেজি
ভারত১৩০(একশত ত্রিশ) কোটি২৯ কোটি ৩৯ লক্ষ টন২২৬ কেজি
ব্রাজিল২১(একুশ) কোটি১০ কোটি ১০ লক্ষ টন৪৮০ কেজি
রাশিয়া১৪ কোটি ৩৫ লাখ৯ কোটি ০৩ লক্ষ টন৬২৯ কেজি
ইন্দোনেশিয়া২৫ কোটি ৮০ লাখ৮ কোটি ৯৭ লক্ষ টন৩৪৮ কেজি
ফ্রান্স৭(সাত) কোটি৬ কোটি ৭৫ লক্ষ টন৯৮৪ কেজি
কানাডা৩ কোটি ৫০ লাখ৬ কোটি ৬৩ লক্ষ টন১,৮৯৪ কেজি
ইউক্রেন৪ কোটি ৫০ লাখ৬ কোটি ৩১ লক্ষ টন১,৪০২ কেজি
বাংলাদেশ১৬ কোটি ৫০ লাখ৫ কোটি ৫০ লক্ষ টন৩৩৩ কেজি

২০১৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: পিৎজা টাটকা থাকবে তিন বছর। যুদ্ধক্ষেত্রে সেনাদের জন্য নানা ধরনের খাবার পাঠানো হয়। এগুলো তাৎক্ষণিক খাওয়ার উপযোগী হলেও সাধারণত খুব মুখরোচক হয় না। রসই অতৃপ্তি দূর করতে এবার মার্কিন সেনাবাহিনীর জন্য সরবরাহ করা হচ্ছেনতুন একধরনের পিৎজা। এর বিশেষত্ব হলো, এটি টাটকা থাকবে তিন বছর। আবার স্বাদেও দারুণ।

২০১৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: নিউইয়র্কেক টেক্কা দিল বেইজিং। চীনের বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা-৫৬৮ জন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংখ্যা-৫৩৫ জন। তবে শীর্ষ ১০ জনের তালিকায় এখনো মার্কিনদের আধিপত্য।

২০১৬ সালের ২ এপ্রিল, প্রথম আলো: যুক্তরাষ্ট্রের সেনসাস ব্যুরোর প্রতিবেদন: বিশ্বে বাড়ছে বয়স্ক জনসংখ্যা। ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষ এখন বিশ্বে ৮.৫% আর বাংলাদেশে ৫.১%। বিশ্বে এখন ৬৫ বছর বয়সের জনসংখ্যা ৬২ কোটি। প্রতিবেদন বলছে, মানুষ আগের চেয়ে বেশি দিন বেঁচে থাকছে। এখন বৈশ্বিক গড় আয় ৬৮.৬ বছর(বাংলাদেশে ৭০ বছর)। গড় আয়ু বৃদ্ধি অব্যাহত। ২০৫০ সালে গড় আয়ু বেড়ে দাঁড়াবে ৭২.২ বছর। ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্বে বয়স্ক জনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ১৬ দশমিক ৭ শতাংশ। এখন বাংলাদেশে ২০ জন মানুষে একজন বয়স্ক আর ২০৫০ সালে ৭ জন মানুষে একজন বয়স্ক।

।এ পৃথিবীর আন্তর্জািতক দিবসগুলির নাম নিম্নে দেয়া হলো:।

প্রতি বছর ১৭ রমজান ঐতিহাসিক বদর দিবস পালিত হয়। এ দিবসে রাসুলে করীম(সাঃ) মাত্র ৩১৩ জন সাহাবী নিয়ে আবু জেহেলের বিশাল বাহিনীর সাথে বদর প্রান্তে যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে রণকৌশল এবং মহান আল্লাহ তায়া'লার গায়েবী সাহায্যে বিরোধী বাহিনীকে পরাজিত করেছিলেন।

১৮৫৭ সালের এ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের সূচ কারখানার নারী শ্রমিকরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। ১৮৬০ সালে এ নারী শ্রমিকরাই নিজস্ব ইউনিয়ন গঠন করেন। স্বীকৃতি পায় নারী শ্রমিকদের সংগ্রাম। ১৯১০ সালে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত সাম্যবাদী নারীদের আন্তর্জািতক সম্মেলনে ৮ মার্চেক আন্তর্জািতক নারী দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব রাখেন জার্মান কমিউনিষ্ট আন্দোলনের নেত্রী ক্লারা জেৎকিন। অবশেষে ১৯৭৫ সালে জাতিসংঘ এ দিনটিকে আন্তর্জািতক নারী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ৮ মার্চ, ২০০৭ অধিকার আদায়ের ৯৭ বছর পূর্তির দিন।-

১৮৭৪ সালের ৯ অক্টোবর, বিশ্ব ডাক দিবস পালিত হয়।

১৮৮৬ সালের ১ মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হে মার্কেেটর শ্রমিকরা ৮(আট) ঘন্টা কাজের জন্য আন্দোলন করার সময় পুলিশেরগুলিতে কতিপয় শ্রমিকের জীবন দিতে হয়েছিল। তখন থেকেই সারা পৃথিবীব্যাপী আন্দোলনের ভয়ে সাম্রাজ্যবাদীরা ১২(বার) ঘন্টার কাজের পরিবর্তে ৮(আট) ঘন্টা কাজের দাবী মেনে নিয়েছে। এরপর থেকেই আন্তর্জািকত স্বীকৃত হিসেবে ১ মে, শ্রমিক দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

১৮৯০ সালের ১ মে, দ্বিতীয় আন্তর্জািতক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মে দিবস পালন শুরু হয়।

১৯০৫ সালে মাকে ভালবাসা ও সম্মান জানাতে প্রবর্তন করা হয় মাদার্স ডে বা মা দিবসের। তবে যুক্তরাষ্টে মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর স্বীকৃতি ও প্রসার ঘটে ১৯১৪ সালে। এরই ধারাবাহিকতায় আমেরিকার সাথে এবার ১৩ মে ''মা দিবসটি'' পালন করবে বাংলাদেশ।

১৯২৩ সালের ২ জুলাই, ''আন্তর্জািতক সমবায় দিবস'' পালিত হয়।

১৯৩৫ সালের ৫ আগস্ট, কংগ্রেস দিবসটি জাতীয় বন্ধু দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

১৯৪৫ সালের ১৬ অক্টোবর, জাতিসঙ্গের প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (ফাও)-এর উদ্যোগে প্রতিবছর বিশ্বের সর্বত্র 'বিশ্ব খাদ্যদিবস' পালিত হয়।

১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর, জাতিসংঘ দিবস। ১৯৪৫ সালের আজকের এ দিনে সানফ্রান্সিসকো ঘোষণার মধ্য দিয়ে এ বিশ্বসংস্থা গঠিত হয়।

১৯৪৬ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি, জাতিসংঘে ইউনাইটেড ন্যাশন রেডিও-এর ধারণা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তাই ১৩ ফেব্রুয়ারি, বিশ্ব বেতার দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

১৯৪৮ সালের ২৮ অক্টোবর, আল-কুদস দিবস পালিত হয়। মুসলমানদের প্রথম কেবলা ও রাসুল(স.)-এর মেরাজের স্মৃতিসহ অসংখ্য নবীর (আ.) পুণ্য স্মৃতি বিজড়িত পবিত্র বায়তুল মুকাদ্দাস দীর্ঘ ৫৬ বছর ধরে ইহুদীদের দখলে রয়েছে।

১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর, মানবাধিকার ঘোষণা; এজন্য প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর "বিশ্ব মানবাধিকার দিবস'' পালিত হয়।

১৯৪৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর, বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস।

১৯৫০ সালের ২৩ মার্চ, বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত হয়।

১৯৫৩ সালের ২৯ মে, আন্তর্জািতক এভারেষ্ট দিবস। এ দিনে এডমুন্ড হিলারী ও শেরপা তেনজিং নোরগে প্রথম পা রেখেছিলেন পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেষ্টে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এভারেষ্টের উঁচ্চতা ২৯,০৩৫ ফিট বা ৮,৮৫০ মিটার।

১৯৫৩ সাল হইতে প্রতি বৎসর অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার বিশ্ব শিশু দিবস পালিত হয়। সূত্রমতে, প্রতিদিন ১৫ কোটি শিশু অভূক্ত অবস্থায় থাকে।

১৯৬১ সালে এমনেষ্টি ইন্টারন্যাশনাল প্রতিষ্ঠা করেন পিটার বেনেনসন।

১৯৬২ সালের ১৫ মার্চ, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন.এফ. কেনেডি এই দিনটিকে আন্ত-র্জািতক ভোক্তা অধিকার দিবস হিসেবে ঘোষণা দেন। সেদিন থেকেই এ দিবসটি পালিত।

১৯৬৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর থেকে আন্তর্জািতক স্বাক্ষরতা দিবস পালিত হয়।

১৯৬৬ সালের ৫ অক্টোবর, থেকে 'বিশ্ব শিক্ষক দিবস' হিসেবে পালিত হয়।

১৯৬৯ সালের ১৭ মে, বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবস। আন্তর্জািতক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের (আইটিইউ) ১৮৯টি সদস্য দেশের মধ্যে বাংলাদেশেও এ দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে পালিত হচ্ছে।

১৯৬৯ সালের ১৪ অক্টোবর, থেকে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের পণ্যের গুণগত 'বিশ্ব মান দিবস' পালিত হয়।

১৯৬৯ সালের ১৫ অক্টোবর, থেকে 'বিশ্ব সাদা ছড়ি' দিবস পালিত হয়।

১৯৭১ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, থেকে বিশ্ব জলাভূমি দিবস পালিত হয়।

১৯৭২ সালের ৫ জুন, বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসাবে পালিত হয় প্রতি বছর।

১৯৭৫ সালের ৮ মার্চ, আন্তর্জািতক নারী দিবস হিসেবে পালিত হয় প্রতি বছর।

১৯৭৭ সালের ১৮ মে, সেন্ট পিটার্সবার্গে অনুষ্ঠিত কংগ্রেসের সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রতিবছর ১৮ মে, আন্তর্জািতক জাদুঘর দিবস পালিত হয়।

১৯৮০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে, ''বিশ্ব পর্যটন দিবস'' পালিত হচ্ছে।

১৯৮১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর, থেকে সনদটি কার্যকর হওয়ার কারণে প্রতিবছর ৩ সেপ্টেম্বরকে 'আন্তর্জািতক সিডও' দিবস পালিত হয়।

১৯৮২ সালের ২৯ এপ্রিল, থেকে ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার ইনস্টিটিউট ''আন্তর্জািতক নৃত্যু দিবস'' পালন করে আসছে।

১৯৮২ সালের ২১ জুন, বিশ্ব সঙ্গীত দিবস পালিত হয়।

১৯৮২ সালের ২২ সেপ্টেম্বর, ''বিশ্ব শান্তি দিবস'' পালিত হয়।

১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ, বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস পালিত হয়।

১৯৮৭ সালের ২৬ জুন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪২তম অধিবেশনে সর্বসম্মতক্রমে প্রতি বছর ২৬ জুনকে আন্তর্জািতক মাদকবিরোধী দিবস হিসেবে পালন।

১৯৮৭ সালের ১১ জুলাই থেকে ''বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস'' পালিত হয়।

১৯৯০ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে বিশ্ব এইডস দিবস হিসাবে পালন করা হয়।

১৯৯০ সালের ১৮ ডিসেম্বর, জাতিসংঘ 'অভিবাসী শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সকল সদস্যদের অধিকার সংরক্ষণে আন্তর্জািতক সনদ' অনুমোদিত হয়। ২০০০ সাল থেকে জাতিসংঘ সনদ গ্রহণের এ তারিখটিকেই ''বিশ্ব অভিবাসী দিবস'' হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

১৯৯১ সালের ১ অক্টোবর, বিশ্ব প্রবীণ দিবস পালিত হয়।

১৯৯১ সালের ১৮ নভেম্বর, জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত মতে প্রতি বছর ''১৪ নভেম্বর, বিশ্ব ডায়বেটিস দিবস'' পালিত হয়।

১৯৯১ সালের ৩ মে, বিশ্ব মুক্ত সাংবাদিকতা দিবস।

১৯৯২ সালের ৫ মে থেকে 'আন্তর্জািতক ধাত্রী দিবস' পালিত হয়।

১৯৯২ সাল থেকে প্রতি বছর ১ আগষ্ট থেকে ৭ আগষ্ট পর্যন্ত ''বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ'' পালিত হয়।

১৯৯২ সালের ৩ ডিসেম্বর, বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস পালিত হয়।

১৯৯৩ সালের ৩ মে, বিশ্ব সংবাদপত্র স্বাধীনতা দিবস, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভার সিদ্ধান্ত অনূযায়ী এদিনটি স্বাধীন, মুক্ত ও বহুমূখী ধারণাসমৃদ্ধ সাংবাদিকতা নিশ্চিত করার লক্ষে বিশ্ব সংবাদপত্র স্বাধীনতা দিবস হিসেবে ঘোষিত হয়।

১৯৯৩ সালের ২২ মে, বিশ্ব প্রাণবৈচিত্র দিবস পালিত হয়।(ইন্টারন্যাশনাল বায়োডাইভার সিটি ডে)। এ দিবসটি ১৯৯৩ সাল থেকে সারা বিশ্বের পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোসহ কৃষক, শ্রমিক মেহনতি মানুষ উদযাপন করে আসছে। ২০১০ সালকে 'আন্তর্জািতক জীববৈচিত্র বর্ষ' হিসেবে ঘোষণা হয়।

১৯৯৩ সালের ৯ আগষ্ট, বিশ্ব আদিবাসী দিবস পালনের ঘোষণা দেয়। কিন্তু ১৯৯৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর, জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে প্রতিবছর ৯ আগষ্টকে বিশ্ব আদিবাসী দিবস পালনের সিদ্ধান্ত দেয়া হয়। বিশ্বের ৭০টি দেশের ৩৭ কোটি আদিবাসী জনগণ ধরিত্রীর জীববৈচিত্রপূর্ণ অঞ্চলগুলোর অন্যতম রক্ষাকারী।(০৯-০৮-২০০৯)।

১৯৯৪ সালের ১৭ জুন থেকে 'বিশ্ব খরা ও মরুকরণ প্রতিরোধ দিবস' পালন করার সিদ্ধান্ত।

১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর, থেকে 'বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস' পালিত হচ্ছে।

১৯৯৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর, সারাবিশ্বে গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ১৬ সেপ্টেম্বর, আন্তর্জািতক ওজন দিবস পালন করা হয়।

১৯৯৬ সালের ২৭ এপ্রিল, বিশ্ব পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা দিবস পালন করা হয়।

১৯৯৬ সালের ২১ নভেম্বর, বিশ্ব টেলিভিশন দিবস পালিত হয়।

১৯৯৭ সালের ২৬ জুন, আন্তর্জািতক নির্যাতন বিরোধী দিবস পালন করা হয়।

১৯৯৭ সালের ১৮ মে, আন্তর্জািতক জাদুঘর দিবস পালিত হয়।

১৯৯৭ সালের ২৫ নভেম্বর, আন্তর্জািতক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস।

১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর, ২৮টি দেশের সমর্থেন বাংলাদেশের প্রস্তাব অনুসারে ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জািতক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেসকো।

২০০০ সাল থেকে একুশে ফেব্রুয়ারি, পালিত হচ্ছে আন্তর্জািতক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে।

২০০১ সালের ১৫ অক্টোবর, 'বিশ্বব্যাপী খাওয়ার আগে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া দিবস।

২০০২ সালের ২১ নভেম্বর, ''বিশ্ব দর্শন দিবস'' পালিত হয়।

২০০২ সালের ২৯ মে, থেকে ''আন্তর্জািতক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস'' পালিত হয়।

২০০২ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর, বিশ্বব্যাপী তথ্য জানার অধিকার দিবস পালন করা হয়।

২০০২ সালের ২১ নভেম্বর, ''বিশ্ব দর্শন দিবস'' পালিত হয়।

২০০৪ সালের ১২ মে, গতকাল বুধবার জাতীয়ভাবে প্রথমবারের মত বাংলাদেশে আন্তর্জািতক নার্সেস দিবস পালিত হয়।

২০০৪ সালের ৯ ডিসেম্বর থেকে আন্তর্জািতক দুর্নীিতবিরোধী দিবস পালিত হয়।

২০০৬ সালের ৫ মে, বাংলাদেশ নার্সেস এসোসিয়েশনের উদ্যোগে এই প্রথম ''আন্তর্জািতক ধাত্রী (মিডওয়াইফ)'' দিবস পালন করা হয়।

২০০৬ সালের ১৭ মে, ''বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস'' পালন করা হচ্ছে।

২০০৬ সালের ২১ জুন, ''বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফিক দিবস'' পালিত হয়।

২০০৬ সাল থেকে ১৭ অক্টোবর, বিশ্ব দারিদ্র নিরসন দিবস পালিত হয়।

২০০৭ সালের ২ অক্টোবর, মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিনে ''আন্তর্জািতক অহিংসা দিবস'' ঘোষণা করেন।

২০০৭ সালের ৮ অক্টোবর, বিশ্ব প্যালিয়েটিভ সেবা দিবস পালিত হয়।

৪ ফেব্রুয়ারি, বিশ্ব ক্যান্সার দিবস পালিত হয়।

১৪ ফেব্রুয়ারি, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস পালিত হয়।

প্রতিবছর মার্চ মাসের দ্বিতীয় সোমবার কমনওয়েলথ দিবস পালন করা হয়।

৮ মার্চ 'আন্তর্জািতক নারী' দিবস পালিত হয়।

৮ মার্চ, বিশ্ব কিডনি দিবস পালিত হয়। বাংলাদেশে বছরে ২৫ হাজার লোকের কিডনি হঠাৎ অকেজো হয়ে যায়।

১১ মার্চ, 'বিশ্বমন্দা ও বাণিজ্য সংরক্ষণবাদ' পালিত হয়।

১১ মার্চ, বিশ্ব কিডনি দিবস পালিত হয়।

১২ মার্চ 'বিশ্ব গস্নকোমা দিবস' পালিত হয়।

১৫ মার্চ, বিশ্ব পঙ্গু দিবস।

১৫ মার্চ, বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস।

২১ মার্চ, আন্তর্জািতক বর্ণৈবষম্য বিলোপ দিবস-২০০৯।

২২ মার্চ, 'বিশ্ব পানি দিবস' পালিত হয়।

২০০৮ সালের ২২ মার্চ, আন্তর্জািতক স্যানিটেশন বর্ষ কর্মসূচী ঘোষণা করবে সরকার।

২৩ মার্চ, বিশ্ব আবহাওয়া দিবস পালিত হয়।

২৪ মার্চ, বিশ্ব যক্ষ্ণা দিবস পালিত হয়।

২৫ মার্চ, 'যুদ্ধ ও নৃশংসতা প্রতিরোধে আন্তর্জািতক দিবস' পালিত হবে।

২৭ মার্চ, বিশ্ব নাট্য দিবস পালিত হয়।

২ এপ্রিল, আন্তর্জািতক অটিজম সচেতনতা ও জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস পালিত।

৭ এপ্রিল, বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয়।

১৬ এপ্রিল, বিশ্ব কন্ঠ দিবস পালিত হয়।

১৭ এপ্রিল, বিশ্ব হিমোফিলিয়া দিবস পালিত হয়।

২৩ এপ্রিল, বিশ্ব গ্রন্থ ও গ্রন্থস্বত্ব দিবস পালিত হয়।

২৪ এপ্রিল, ''বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস'' পালিত হয়।

২৮ এপ্রিল, 'বিশ্ব নিরাপদ কর্মস্থল দিবস' পালিত হয়।

৩ মে, বিশ্ব অ্যাজমা দিবস পালিত।

৩ মে, 'ওয়াল্র্ড প্রেস ফ্রিডম ডে' (বিশ্ব মুক্ত সাংবাদিকতা দিবস) পালিত হয়।

৭ মে, 'বিশ্ব হাঁপানি দিবস' পালিত হয়।

৮ মে, বিশ্ব রেডক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস।

১১ মে, বিশ্ব মাতৃ দিবস পালিত হয়।

১২ মে, আন্তর্জািতক নার্সেস দিবস পালিত হয়।

১২ মে, ''বিশ্ব ন্যায্য বাণিজ্য দিবস'' পালিত হয়।

১৩ মে, বিশ্ব মা দিবস পালিত হয়।

১৫ মে, আন্তর্জািতক পরিবার দিবস।

১৬ মে, বিশ্বস্বাস্থ্য দিবস পালিত হয়।

১৭ মে, বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস পালিত হয়।

২০০৯ সালের ১৯ মে, বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস পালিত হয়।

২০ মে, ''বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস'' পালিত হয়।

২৮ মে, ''আন্তর্জািতক নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস'' পালিত হয়।

৩১ মে, 'বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস' পালিত হয়।

৪ জুন, 'বিশ্ব ক্যান্সার সারভাইভার্স দিবস' পালিত হয়।

৫ জুন, বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়।

১২ জুন, বিশ্ব শিশু শ্রম প্রতিরোধ দিবস পালিত হয়।

১৪ জুন, প্রতি বছর বিশ্ব রক্তদান দিবস পালিত হয়।