২০১৫ সালের ৪ এপ্রিল, প্রথম আলো : জনসংখ্যায় ২০৭০ সালেই খ্রিষ্টধর্মেক ছাড়াবে ইসলাম। ২০৫০ সালেই খ্রিষ্টধর্মেক ধরে ফেলবে ইসলাম। ২০১০ সালে ইসলাম ধর্মের লোক ১৬০(একশত ষাট) কোটি থেকে বেড়ে ২৮০(দুইশত আশি) কোটিতে। এটি হবে বিশ্বের জনসংখ্যার ৩০ শতাংশ। ২০১০ সালে খ্রিষ্টধর্মের লোকসংখ্যা-২১৭(দুইশত সতের) কোটি থেকে বেড়ে হবে ২০৫০ সালে ২৯০(দুইশত নব্বই) কোটি। কোনো ধর্মেই বিশ্বাস করে না এমন মানুষ বর্তমানে বিশ্বে তৃতীয় বৃহত্তম জনগোষ্ঠী। তবে ২০৫০ সালে তাদের কিছুটা পেছনে ফেলবে হিন্দুরা।
প্রতিবেদন বলছে, আগামী চার দশকও খ্রিষ্টানদের সংখ্যাই বিশ্বের সবচেয়ে বেশি থাকবে। তবে সব ধর্মের চেয়ে ইসলামের সম্প্রসারণ হবে বেশি। বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৭০ সালের পর বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মানুষের ধর্ম হবে ইসলাম। ২০৫০ সালেও ভারতে হিন্দুদের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকবে। তবে ইন্দোনেশিয়াকে ছাপিয়ে ২০৭০ সালে ভারত হবে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মুসলমানের আবাসভূমি।
২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল, প্রথম আলো : পিউ রিসার্চ সেন্টারের জরিপ। ৪৪টি দেশে গত বছর ওই জরিপ চালানো হয়। বাংলাদেশে ৩৯ শতাংশ পরিবারে সাইকেল আছে। বাংলাদেশে ৩(তিন) কোটি পরিবার বাস করে। সাইকেল আছে-১,১৭,০০,০০০(এক কোটি সতের লক্ষ) পরিবারের। আর মোটরসাইকেল আছে-১৮ শতাংশ পরিবারের মানে-৫৪,০০,০০০(চুয়ান্ন লক্ষ) ও মোটরগাড়ি আছে-২ শতাংশ পরিবারের মানে-৬,০০,০০০(ছয় লক্ষ)। ভারতে ৬২ শতাংশ পরিবার সাইকেল চালায় এবং পাকিস্তান বাইকেল চালায় ৩৬ শতাংশ। ভারতে গাড়ি-৬ শতাংশ, পাকিস্তানে গাড়ি-৩ শতাংশ। ভারতে-৪৭ শতাংশ এবং পাকিস্তানে ৪৩ শতাংশ মোটরসাইকেল। জরিপের সময় প্রিন্সটন সার্ভে রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশনের নির্দেশনা অনুযায়ী : বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম সবচেয়ে পিছিয়ে আছে। সবচেয়ে এগিয়ে আছে যেসব দেশগুলো মোটরগাড়ি ব্যবহার করে-ইতালি-৮৯ শতাংশ পরিবার, যুক্তরাষ্ট্র-৮৮%, জার্মািন-৮৫%, ফ্রান্স-৮৩%, দক্ষিণ কোরিয়া-৮৩%, মালয়েশিয়া-৮২% এবং জাপান-৮১%। ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে শীর্ষ দেশগুলো হলো-থাইল্যান্ড-৮৭%, ভিয়েতনাম-৮৬%, ইন্দোনেশিয়া-৮৫%, মালয়েশিয়া-৮৩%, চীন-৬০%, নাইজেরিয়া-৩৫%। এ তালিকায় বাংলাদেশ ১৮তম। আর সাইকেল ব্যবহারকারী দেশ হচ্ছে-জার্মািন-৮০%, জাপান-৭৮%, থাইল্যান্ড-৭৪%, পোলান্ড-৭০%, চিলি ও ভিয়েতনাম-৬৭%, চীন ও ইন্দোনেশিয়া-৬৫%, ইতালি ও দক্ষিণ কোরিয়া-৬৩%, ফ্রন্স-৫৯%। এ তালিকায় বাংলাদেশ ২৬তম।
২০১৫ সালের ৪ জুন, প্রথম আলো : দুই বছর পর চালু এলএইচসি-বিশ্বের সবচেয়ে বড় একক যন্ত্র লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার(এলএইচসি) নজিরবিহীন পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য গতকাল বুধবার (০৩-০৬-২০১৫ তারিখ) থেকে আবারও চালু করা হয়েছে। কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে মেরামতকাজের জন্য এটি দুই বছর বন্ধ রাখা হয়েছিল। ইউরোপীয় পরমাণু গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (সার্ন) তৈরি এলএইচসিতে বিপরীতমুখী প্রোটন কণাস্রোতের মধ্যে প্রচন্ড শক্তিতে সংঘর্ষ ঘটিয়ে ক্ষুদ্র কণা ভাঙার চেষ্টা করা হয়। এটিকে হিগস বোজন কণার অস্তিত্ব প্রমাণের গবেষণায় ব্যবহার করা হয়েছে। মহাবিশ্বের সৃষ্টিরহস্য উন্মোচনের লক্ষ্যে এলএইচসি ব্যবহার করে অনুসন্ধানী গবেষণা করছেন সার্নের বিজ্ঞানীরা। প্রথম দফায় ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত এটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ডের সীমান্তে মাটির নীচে ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি বৃত্তাকার সুড়ঙ্গে এলএইচসির সুবিশাল গবেষণাগারটির অবস্থান। এএফপি ও বিবিসি।
২০১৫ সালের ১২ জুন, প্রথম আলো : আজ আন্তর্জািতক শিশুশ্রমবিরোধী দিবস। বর্তমানে ১৬ কোটি ৮০ লাখ শিশুশ্রমিক আছে বিশ্বে।
২০১৫ সালের ৮ জুলাই, প্রথম আলো : বিশ্বে ৮ দিনের সামরিক ব্যয়ে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা : মালালা। নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মালালা ইউসুফজাই আট দিনের সামরিক ব্যয় কমিয়ে তা শিক্ষা খাতে ব্যয় করার জন্য বিশ্বনেতাদের প্রতি আহবান জানিয়েছে। পাকিস্তানের নারী শিক্ষা আন্দোলনের এই কর্মী বলেছে, বিশ্বে সামরিক খাতে প্রতি আট দিনে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়, তা দিয়ে বিশ্বের সব শিশুকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বিনা মূল্যে শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা সম্ভব। খবর এএফপির। নরওয়ের অসলোতে গতকাল(০৭-০৭-২০১৫ তারিখ) মঙ্গলবার জাতিসংঘের শিক্ষা সম্মেলনে এ আহবান জানায় মালালা। মালালা ফাউন্ডেশনের হিসাব অনুযায়ী শিশু শিক্ষার ব্যবস্থা করতে গেলে প্রতিবছর ৩ হাজার ৯০০ কোটি ডলারের প্রয়োজন। বিশ্বে প্রতিদিন সামরিক ব্যয় হয়-৪৮৭.৫০(চারিশত সাতাশি কোটি পঁঞ্চাশ লক্ষ) ডলার। সম্মেলনে মালালা বলে, 'এই অর্থেক অনেক মনে হতে পারে। তবে নির্মম বাস্তবতা হচ্ছে, এই পরিমাণ অর্থ মাত্র আট দিনের সামরিক ব্যয়ের সমান। মালালা বলেন বিশ্বে ২০১৫ সালে-১,৭৭,৯৩৭.৫০(এক লক্ষ সাতাত্তর হাজার নয়শত সাইত্রিশ কোটি পঁঞ্চাশ লক্ষ কোটি ডলার) সামরিক ব্যয় হয়। মালালা বলে, আমার কথা হলো এ লক্ষ্য যদি নির্ধারণ করা যায়, তবে মাধ্যমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা যাবে। মালালার সাথে ছিল-জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন।
২০১৫ সালের ২৪ জুলাই, প্রথম আলো : ১৯৬৯ সালে মানুষ প্রথমবারের মতো চাঁদের বুকে পা রেখেছিল। মার্কিন নভোচারীরা অ্যাপোলো ১১ নভোযানে চড়ে সফলভাবে চাঁদে অবতরণ করেন। আর মাত্র এক দশকের কিছু বেশি সময়ের মধ্যেই মানুষ চাঁদে বসবাসের সামর্থ অর্জন করতে পারে।
২০১৫ সালের ২৪ জুলাই, প্রথম আলো : আরেক 'পৃথিবীর' সন্ধান।মার্কিন মহাকাশ সংস্থার(নাসা) একদল জ্যোতির্বিদ দাবি করেছেন, পৃথিবীর মতো আরেকটি গ্রহের খোঁজ মিলেছে। নাসার ওই বিজ্ঞানীরা আমাদেও সৌরজগতের বাইরে পৃথিবী-সদৃশ গ্রহটির সন্ধান পাওয়ার কথা গত বৃহসপতিবার(২৩-০৭-২০১৫ তারিখ) জানিয়েছেন। নতুন চিহ্নিত ওই গ্রহের নাম ফোরফিফটিটুবি। এটি পৃথিবীর চেয়ে ৬০ শতাংশ বেশি বড়।
২০১৫ সালের ২৮ জুলাই, প্রথম আলো : সর্বোচ্চ কর্মসংস্থানে বিশ্বসেরা ১০ প্রতিষ্ঠান।
| ১ | মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ | ৩২,০০,০০০(বত্রিশ লাখ) |
| চীনা সেনাবাহিনী | ২৩,০০,০০০(তেইশ লাখ) |
| ওয়ালমার্ট(যুক্তরাষ্ট্র) | ২১,০০,০০০(একুশ লাখ) |
| ম্যাকডোনাল্ডস(যুক্তরাষ্ট্র) | ১৯,০০,০০০(উনিশ লাখ) |
| ইউকে ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস(এনএইসএস) | ১৭,০০,০০০(সতের লাখ) |
| চায়না ন্যাশনাল পেট্রোলিয়াম করপোরেশন | ১৬,০০,০০০(ষোল লাখ) |
| ষ্টেট গ্রিড করপোরেশন অব চায়না | ১৫,০০,০০০(পনের লাখ) |
| ভারতীয় রেলওয়ে | ১৪,০০,০০০(চৌদ্ধ লাখ) |
| ভারতীয় প্রতিরক্ষা বিভাগ | ১৩,০০,০০০(তের লাখ) |
| ২ | ফক্সকন-জার্মান | ১২,০০,০০০(বার লাখ) |
২০১৫ সালের ৬ আগস্ট, প্রথম আলো : গ্রিস সংকটে বিশ্ব জিডিপির প্রবৃদ্ধি কমবে। চলমান গ্রিস সংকটসহ নানা সমস্যার কারণে চলতি বছরে বিশ্ব জিডিপি মোট দেশজ উৎপাদন) প্রবৃদ্ধি কমে ৩ শতাংশে নেমে আসবে। এমন পূর্বভাস দিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অবক ইকোনমিক অ্যান্ড সোশাল রিসার্চ(এনআইইএসআর)। এর আগে প্রতিষ্ঠানটি বিশ্ব প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ২ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিল। চীনের প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ হবে না বলে মনে এনআইইএসআর। সূত্র : বিবিসি।
২০১৫ সালের ৮ আগস্ট, প্রথম আলো: ৭ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে ১৩ দেশ।
| ক্র | দেশ | গড় প্রবৃদ্ধি | ক্র | দেশ | গড় প্রবৃদ্ধি |
| ১ | ইতিওপিয়া | ৯.৭% | ২ | তুর্কেমনিস্তান | ৯.০৭% |
| ৩ | কঙ্গো | ৮.৬২% | ৪ | মিয়ানমার | ৮.৩% |
| ৫ | উজবেকিস্তান | ৭.৮৭% | ৬ | আইভরি কোষ্ট | ৭.৮০% |
| ৭ | পাপুয়া নিউ গিনি | ৭.৬০% | ৮ | ভারত | ৭.৫৭% |
| ৯ | ভুটান | ৭.৫৫% | ১০ | মোজাম্বিক | ৭.৩০% |
| ১১ | তানজানিয়া | ৭.১৫% | ১২ | রুয়ান্ডা | ৭.১২% |
| ১৩ | চীন | ৭.১০% | ০ | ০ | ০ |
২০১৫ সালের ৮ আগস্ট, সমকাল: ট্রু স্টোরি: চীনে প্রতিদিন ২৭৪টি প্রতিবাদ বিক্ষোভ হয়। ২০২৫ সালের মধ্যে চীনে নিউইয়র্ক শহরের মতো বড় কমপক্ষে দশটি শহর থাকবে। ২০২০ সালের মধ্যে চীনের জিডিপি যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপিকে ছাড়িয়ে যাবে। এর আগে বলা হয়েছিল ২০১৮ সালের মধ্যে চীন যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপিকে ছাড়িয়ে যাবে। কিন্তু আমার কথা হল আগামী একশত বছর মানে ২১১৫ সালের আগে চীনের একজনের মাথাপিছু আয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন মানুষের মাথাপিছু আয় থেকে কম থাকবে।
* একজন আমেরিকান যে পরিমাণ জ্বালানি তেল ব্যবহার করে, একজন চায়নিজ যদি সে পরিমাণ তেল ব্যবহার শুরু করে, তাহলে এখন সৌদি আরব সারা বিশ্বে যে পরিমাণ তেল রফতানি করে তার সাত গুণ চীনে রফতানি করে সেই চাহিদা মেটাতে হবে।
* সারা রাত না ঘুমিয়ে বিছানায় গড়াগড়ি করলে ১৬১ ক্যালোরি শক্তি ক্ষয় হয়।
* মধু একমাত্র খাবার যেটি প্রাকৃতিকভাবেই পচে না। এটি ৩ হাজার বছর পর্যন্ত ভালো থাকার উদাহরণ আছে।
* ২০০১ সালে আমেরিকার গরিবদের জন্য ইরাকি প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন ৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার দান করেন।
* জাপানে উচ্চতার তুলনায় ওজন বেশি হওয়া অবৈধ!
* লিফটে টয়লেট: জাপানে প্রায় ৬ লাখ ২০ হাজার লিফট আছে।
* বরের বয়স-১০৩, কনের বয়স-৯১ বছর বয়স। সবচেয়ে বেশি বয়সে নতুন রেকর্ড হয়ে গেল সম্প্রতি। পাত্র ও পাত্রীর বয়সের মিলিত হিসাব ১৯৪ বছর। কিরবি ও ডোরিনের সম্পর্ক দীর্ঘ ২৭ বছরের। তাদের দু'জনের সাতটি সন্তান রয়েছে। নাতি-পুতির সংখ্যাও নেহাত কম নয়। এর আগে রেকর্ড ছিল ফরাসি যুগল ফ্যান্সিসকো ফার্নােন্দজ ও ম্যাডেলাইন ফ্যান্সসনিয়োর রেকর্ড। বিয়ের সময় ফরাসি দম্পতির মিলিত বয়স ছিল-১৯১ বছর।
২০১৩ সালের ২০ জুন, দৈনিক জনকন্ঠ: বিশ্বে বাস্তুহারার সংখ্যা ৪ কোটি ৫২ লাখ।
২০১৩ সালের ৩ জুলাই, দৈনিক জনকন্ঠ: বিশ্বে প্রতিবছর ২ কোটি ৭০ লাখ মানুষ পাচার হয়ে থাকে-মোটি বাণিজ্যের পরিমাণ ৩ হাজার কোটি ২০০ কোটি ডলার।
২০১৩ সালের ১৪ জুলাই, প্রথম আলো: বিশ্বের বৃহত্তম ভবন। চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শিচুয়ান প্রদেশের রাজধানী শেংদু শহরে নির্মিত বিশ্বের 'সবচেয়ে বড় ভবন' দর্শনার্থীেদর জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। ৫০০ মিটার দৈর্ঘয, ৪০০ মিটার প্রস্থ ও ১০০ মিটার (৩৩০ ফুট) উচ্চতার এই ভবনের নাম নিউ সেঞ্চুরি গ্লোবাল সেন্টার। এতে থাকবে বিপনিকেন্দ্র, অফিস, সম্মেলনকক্ষ, বিশ্ববিদ্যালয় কমপেস্নক্স, একাধিক বাণিজ্যিক কেন্দ্র ও পাঁচতারা হোটেল, অত্যাধুনিক প্রেক্ষাগৃহ প্রভৃতি। ভবনটি সামনে রয়েছে ছয় হাজার মানুষ ধারণের উপযোগী কৃত্রিম সৈকত, ঝরনা প্রভৃতি। ১৭ লাখ বর্গিমটার ফ্লোর। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনের চেয়ে তিন গুণ বেশি।
২০১৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশ প্রতিদিন: যৌনতায় এগিয়ে ব্রিটিশ নারী, পিছিয়ে ভারতীয় পুরুষ। সপ্তাহে অন্তত ১৪ বার সেক্স করে গবেষকদের তাক লাগিয়ে দিয়েছেন ক্রোয়েশিয়ান পুরুষরা। বিশ্বের মধ্যে একমাত্র নেদারল্যান্ডের নারীরাই বলেছেন, সেক্স করার পর তারা দারুণ রকম তৃপ্তি পেয়েছেন। সমীক্ষায় দেখা গেছে অন্তত ৬০ ভাগ ব্রিটিশ নারীরা নয়জন পুরুষের সাথে যৌনতায় অংশ নিয়েছেন। ভারতীয় পুরুষরা সপ্তাহে অন্তত একদিন গড়ে সঙ্গম করে।
২০১৩ সালের ৩ অক্টোবর, প্রথম আলো: বিশ্ব জনসংখ্যা নিয়ে ফরাসি গবেষণা। ২০৫০ সালে জনসংখ্যা হবে ৯০০ কোটি। বিশ্বের জনসংখ্যা বর্তমানে প্রায় ৭১০ কোটি থেকে বেড়ে ২০৫০ সালে ৯৭০ কোটিতে দাঁড়াবে। গত ০১-১০-২০১৩ তারিখ মঙ্গলবার প্রকাশিত ফরাসি এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ আভাস দেওয়া হয়েছে। এই শতাব্দীর শেষে ১০০০ হাজার কোটি থেকে এক হাজার ১০০শত কোটি হতে পারে। ২০৫০ সালে পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ লোক বসবাস করবে আফ্রিকায়। যুক্তরাষ্ট্রের লোকসংখ্যা তখন হবে-১০০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে। এশিয়ার লোকসংখ্যা বর্তমানের ৪৩০ কোটি থেকে বেড়ে হবে অন্তত ৫২০ কোটি। বর্তমানে বিশ্বে চীনের লোকসংখ্যা সবচেয়ে বেশি ১৩০ কোটি। এরপর ১২০ কোটির দেশ ভারত। ২০৫০ সালে চীনকে টপকে যাবে ভারত। তখন ভারতের জনসংখ্যা হবে ১৬০ কোটি। দ্য টেলিগ্রাফ।
২০১৩ সালের ২০ নভেম্বর, দৈনিক জনকন্ঠ: বর্তমান বিশ্বের ২৫০ কোটি লোক টয়লেট ব্যবহারের সুবিধা থেকে বঞ্চিত। বিশ্বে ১০০ কোটি লোক খোলা যায়গায় মলত্যাগ করে। এর মধ্যে ভারতীয়ের সংখ্যা ৬০ কোটি।
২০১৪ সালের ৪ মার্চ, প্রথম আলো: সমীক্ষ অনুযায়ী, বিশ্বের ৬৮টি দেশের এক হাজার ৮৬৭ জন ব্যক্তি ১০০ কোটি ডলারের বেশি সম্পদের মালিক। এর মধ্যে ৪৮১ জনই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। সবচেয়ে বেশি সম্পদের মালিক বিল গেটস ছয় হাজার ৮০০ কোটি ডলার।
২২-১১-২০১৩ তারিখের প্রথম আলো-বিশ্বের সব মানুষের জন্য খাবার:
২০৫০ সালে বিশ্বের সম্ভাব্য জনসংখ্যা হবে ৯০০ কোটি। তখন কি অর্থৈনতিক সমৃদ্ধি বজায় রেখে এবং পরিবেশের ওপর কোনো চাপ ছাড়াই এই পৃথিবীর পক্ষে সবার খাবারের জোগান দেওয়া সম্ভব হবে?
বিশ্বে খাবারের ক্ষতি ও অপচয় খাদ্যপণ্যের হিসাব, ২০০৯
ক্ষতি ও অপচয় (ওজন) ১০০%=১৩০ কোটি টন): ফলমুল ও শাকসবজি, মূল ও কান্ড, খাদ্যশস্য, দুধ, মাংস, তেলবীজ ও ডাল, মাছ ও সামুদ্রিক জীব।
খাদ্য উৎপাদন:
(১০০%=১,৩৩০ কোটি হেক্টর বা ৩,৩২৫ কোটি একর জমি)
অ্যান্টার্কিটকা অঞ্চল বাদে বিশ্বের মোট ভূমির ৩৭% খাদ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। ফসলের আবাদ, চারণভূমি ও তৃণভূমি, অন্যান্য তৃণভূমি ও বনভূমি, অরুণ্য, বিক্ষিপ্ত চাষাবাদ/পতিত জমি* অভ্যন্তরীণ জলাশয়, নগরাঞ্চল। স্থায়ী বরফাচ্ছাদন, মরুভূমি ইত্যাদি।
দ্রষ্টব্য: তথ্য-উপাত্ত ১০০% সঠিক না-ও হতে পারে।
জলবায়ু পরিবর্তেনর প্রভাবে শস্য উৎপাদনের প্রভাব পড়তে পারে:
কোনো তথ্য-উপাত্ত নেই। উৎপাদনে শতকরা পরিবর্তন (বর্তমান থেকে ২০৫০ পর্যন্ত)।
-৫০% পরিবর্তন + ১০০% পরিবর্তন।
সূত্র: ওয়াল্র্ড রিসোর্সেস ইনস্টিটিউট/বিশ্বব্যাংক/জাতিসংঘ/লাইভসায়েন্স।
২০১৪ সালের ২১ জানুয়ারি, প্রথম আলো: ৩৫০ কোটি মানুষের সমান সম্পদের মালিক ৮৫ ধনী। বিশ্বজুড়ে অসাম্য বাড়ছে। পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ৮৫ ব্যক্তির কাছে বিশ্বের অর্ধেক জনসংখ্যার সম্পদের সমপরিমাণ সম্পদ রয়েছে। অক্সফাম জানায়, বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ৮৫ জন মানুষের কাছে ১ দশমিক ৭০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার রয়েছে। সবচেয়ে বেশি রয়েছে-মেক্সিকোর টেলিকোম ব্যবসায়ী কার্লোস স্স্নিম হেলুর কাছে-৭,৩০০ কোটি ডলার, এর পরই রয়েছেন-মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস-৬,৭০০ কোটি ডলার এবং ওয়ারেন বাফেট-৫,৩০০ কোটি ডলার।
২০১৪ সালের ১১ মার্চ, প্রথম আলো: বিশ্বে মোট ঋণের পরিমাণ ১০০ ট্রিলিয়ন ডলার। এক লক্ষ কোটিতে এক ট্রিলিয়ন। ২০০৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে ৭০ ট্রিলিয়ন ডলার ছিল। অর্থাৎ মাত্র ছয় বছরে সম্মিলিত বৈশ্বিক ঋণ ৩০ ট্রিলিয়ন বা ৪০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। তবে এরকই সময়ে বিশ্বে 'কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ব্যাংক' খ্য্াত ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল সেটেলমেন্টসের (বিআইএস) ত্রৈমাসিক পর্যােলাচনায় এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। বিআইএসের মতে, দুনিয়াজুড়ে সরকারগুলো আর্থিক সংকট কাটিয়ে উঠতে স্বল্পসুদে ব্যাপক হারে উণ নিয়েছে। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বিআইএস হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর একটি সংগঠন। বর্তমানে এটির সদস্য ৬০টি কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সূত্র: রয়টার্স। ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারকে ৮০ টাকা দিয়ে পূড়ণ করলে=৮,০০০ হাজার ট্রিলিয়ন টাকার সমান=৮,০০০,০০০০০,০০০০০০০(আট হাজার লক্ষ কোটি টাকাকে)। ৭২০ কোটি মানুষ দিয়ে ভাগ করিলে একজনের ভাগে ১১ লক্ষ ১১ হাজার ১১১ একশত এগারো টাকা ভাগে পড়ে। প্রত্যেকের ভাগে ১৩,৮৮৯(তের হাজার আটশত উনানব্বই) ডলার।
২০১৪ সালের ২৬ মার্চ, প্রথম আলো: বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৪৩ বছরে প্যারেড গ্রাউন্ডে বিশ্ব রেকর্ড গড়তে জাতীয় সংগীত গাইল দুই লাখ ৫৪ হাজার ৬৮১ জন মানুষ।