১৯১৬ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে প্রথম ট্যাংক এবং বিমানও ব্যবহার করা হয়। কিন্তু প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় কোনো ক্যামেরা না থাকায় সেনারা নিজ হাতেই যুদ্ধক্ষেত্রের ছবি আঁকত-কীভাবে কোন পথে তারা সেখানে জড়ো হবে সেটা ঠিক করার জন্য।

১৯১৭ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানী পারস্পরিক সম্পর্ক ছিন্ন।

১৯১৭ সালের ৬ এপ্রিল, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জার্মািনর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর, মিত্রপক্ষের জয়লাভের মধ্যদিয়ে প্রথম মহাযুদ্ধ শেষ হয়।

১৯১৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, লীগ অব নেশনসের মূলনীতি সম্পর্কে বৃটেন, আমেরিকা, ফ্রান্স ও ইতালী মতৈক্যে পৌঁছে।

১৯১৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি, লীগ অব নেশনসের প্রথম অধিবেশন শুরু।

১৯১৯ সালের ৫ মার্চ, কমিনর্টান (কমিউনিস্ট আন্তর্জািতক) গঠিত হয়।

১৯১৯ সালের মার্চ মাসে ফরাসি উড়োজাহাজ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ফারমান বিশ্বের প্রথম বিমান যাত্রীসেবা উড়োজাহাজে করে সর্বপ্রথম আকাশ পথে যাত্রী পরিবহণ করে। কিন্তু এর আগে আকাশপথে রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনো পরিবহণ ব্যবস্থা ছিল না। কিন্তু জীবিকার তাগিদে ভ্রমণ কিংবা বাণিজ্যের প্রয়োজনে মানুষ প্রাচীনকাল থেকেই এক দেশ থেকে অন্য দেশে পাড়ি দিয়েছেন।

১৯১৯ সালের ২২ মার্চ, প্যারিস ও ব্রাসেলসে সাপ্তাহিক বিমান সার্ভিস উদ্ধোধনের মধ্য দিয়ে বিশ্বে প্রথম আন্তজার্তিক বিমান সার্ভিস চালু হয়।

১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল, প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে মিত্রশক্তি ও জার্মানীর মধ্যে ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯১৯ সালের ২৮ এপ্রিল, লীগ অফ নেশনস প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯১৯ সালের ২৮ জুন, প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে মিত্রশক্তি ও অক্ষশক্তির মধ্যে ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯১৯ সালের ২৮ জুন, প্রথম মহাযুদ্ধের পর ভার্সেিলস চুক্তি স্কাক্ষরিত হয়েছিল গণতান্ত্রিক নীতিমালার ভিত্তিতে।

১৯১৯ সালের ৬ জুলাই, বিশ্বের প্রথম বিমান-ব্রিটিশ আর-৩৪ এর আটলান্টিক অতিক্রম।

১৯১৯ সালের ২৫ আগষ্ট, লন্ডন ও প্যারির মধ্যে প্রথম বিমান চলাচল শুরু হয়।

১৯১৯ সালে মন্টেগু-চেমসফোর্ড শাসন সংস্কার আইন প্রণীত হয়।

১৯১৯ সালে জন এলকক ও আর্থার ব্রাউন প্রথম বিরতিহীন বিমান চালিয়ে আটলান্টিক অতিক্রম করেন। এতে তাঁদের সময় লেগেছিল প্রায় সাড়ে ১৬ ঘন্টা।

১৯১৯ সালে তালিপামগাছের এ প্রজাতিটি প্রথম আবিস্কৃত হয়। ব্রিটিশ অরণ্যতরু সন্ধানী উইলিয়াম রক্সবার্গ এ প্রজাতিটির সন্ধান পান ভারতের পূর্বাঞ্চলে। তিনি এর নাম দেন 'করিফা তালিয়েরা'। পরে এর বৈজ্ঞানিক নাম হয় কারিফা তালিয়েরা রক্সবার্গ। বাংলায় গাছটিকে 'তালি' বা 'তালিপাম' নামে ডাকা হয়। গাছটি দেখতে অবিকল আমাদের চেনা তালগাছের মতো হলেও প্রকৃতপক্ষে এটি একটি ভিন্ন প্রজাতি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এ গাছটি প্রথম শনাক্ত করেন উদ্ভিদ বিজ্ঞানী শ্যামল কুমার বসু। এ গাছটির বয়স প্রায় সত্তর বছর। ২০০৪ সালের ১৩ ডিসেম্বর, নওরোজ জাহান: বিশ্বের বিরল বৃক্ষ টালি পাম বাংলাদেশে-উদ্ভিদ জগতে অতুলনীয় একটি গাছ টালি পাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরের বাংলোতে জনমানুষের চোখ এড়িয়ে কতকাল ধরে একপায়ে দাঁড়িয়ে আছে কে জানে। বিজ্ঞানীরা ১৯৯১ সালে সর্বপ্রথম এ গাছটির সন্ধান পান। বিশ্বে এ প্রজাতির এ একটি মাত্র গাছ বলে তারা জানিয়েছেন (তথ্য সূত্র-বাংলাদেশ ন্যাশনাল হার্বেিরয়াম)। সৌভাগ্যক্রমে সেটি এখন বাংলাদেশে। এ বিশাল পৃথিবীতে একা বিরল বৃক্ষটি দেশের মাটিতে ঝড়-ঝঞা উপেক্ষা করে টিকে আছে আজ অব দি। জৈব বৈচির্তেযর অনন্য উদাহরণ হিসেবে হয়তো টিকে থাকবে আরো কিছুকাল। আবহমান কাল থেকে শিক্ষা বিকাশে তালপাতার অবদান অনস্বীকার্য। ২০-০৭-২০১০ তারিখের প্রথম আলোর রিপোর্ট: মরণফুল ফোটার পর তালিপাম। মাথা তুলছে তালিপাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্যের বাসভবন চত্বরে বীজ থেকে অঙ্কুরিত দুর্লভ তালিপামের চারা। অধ্যাপক হাদিউজ্জামান বলেন, গাছটির প্রায় ৫০০ চারা গজিয়েছে। চারাগুলো বন বিভাগসহ বিভিন্ন সংস্থার সহায়তায় পরিকল্পিত উপায়ে বিভিন্ন জায়গায় লাগানো হবে। বিলুপ্তির শঙ্কা থেকে মুক্ত হয়ে আবারও পৃথিবীর বুকে মাথা তুলে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় তারা।

১৯২০ সালের ১০ জানুয়ারি, লীগ অব নেশন্স প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

১৯২০ সালের ১৭ মে, বিশ্বের প্রথম যাত্রীবাহী বিমান 'কে. এল. এম' চলাচল শুরু।

১৯২০ সালে পিটার্সবার্গ শহরে পৃথিবীর প্রথম নিয়মিত বেতার কেন্দ্র চালু হয়।

১৯২১ সালের ২২ জুন, ৫২টি দেশের ৬০৫ জন প্রতিনিধির উপস্থিতিতে মস্কোয় তৃতীয় কমিউনিস্ট আন্তর্জািতক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯২১ সালের ১৩ নভেম্বর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জাপানের মধ্যে প্যাসিফিক চুক্তি হয়।

১৯২২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি, ইংল্যান্ডে মার্কিনর নিয়মিত বেতার সম্প্রচার শুরু।

১৯২৬ সালে বিশ্বের প্রথম হৃদযন্ত্রের পেসমেকার স্থাপন করা হয়েছিল। এর আবিস্কারক ছিলেন ক্রাউন স্ট্রিট ওমেনস হসপিটালের এক নাম না জানা ডাক্তার। মূলত এর প্রশ্নবিদ্ধ নৈতিকতা ও পরবর্তী প্রতিক্রিয়ার ভয়ে নাম প্রকাশ করেননি। আজও আমরা তাঁর আবিস্কারের সুফল ভোগ করছি। কিন্তু মূল আবিস্কারক তাঁর নাম প্রকাশ না করায় তিনি যন্ত্রটি আবিস্কারের স্বীকৃতিও পাননি।

১৯২৬ সালের ২৭ জানুয়ারি, জন লগি ব্যায়ার্ড সর্বপ্রথম জনসমক্ষে টেলিভিশন প্রদর্শন করেন। বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন আবিস্কার করেন স্কটিশ বিজ্ঞানী জন লুগি ব্যায়ার্ড ও তার দল সর্বপ্রথম লন্ডনে জনসমক্ষে টেলিভিশন সম্প্রচারে সফল হন। তখনকার ছবি ছিল সাদাকালো। তবে একই বছর তারা রঙিন ফিল্টার ব্যবহার করে টেলিভিশন রঙ্গিন ছবি সম্প্রচারেও সক্ষম হন। রাশিয়া, পশ্চিম ইউরোপ, ব্রিটেন ও আমেরিকার বেশ কিছু বিজ্ঞানী একই সময় টেলিভিশন তৈরীর জন্য কাজ করছিলেন।

১৯২৯ সালে বিবিসি'র প্রথম পরীক্ষামূলক টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু।

১৯৩০ সালের ১৩ মার্চ, সৌরমন্ডলের নবম গ্রহ পস্নটো আবিস্কৃত হয়।

১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্ব কাপ ফুটবল খেলা শুরু হয় :

বিশ্বকাপের ওপেনিং ম্যাচ: ১৯৩০ থেকে-২০১৪ পর্যন্ত
ক্রমিকবিশ্বকাপস্বাগতিকফলাফলদেশ
১৯৩০উরুগুয়েফ্রান্স-৪: ০মেক্সিকো
১৯৩৪ইতালিঅফিসিয়াল স্বীকৃতি নেই
১৯৩৮ফ্রান্সসুইজারল্যান্ড-১: ১জার্মানী
১৯৪২খেলা হয়নিদ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে
১৯৪৬খেলা হয়নিদ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে
১৯৫০ব্রাজিলব্রাজিল-৪: ০মেক্সিকো
১৯৫৪সুইজারল্যান্ডঅফিসিয়াল স্বীকৃতি নেই
১৯৫৮সুইডেনসুইডেন-৩: ০মেক্সিকো
১৯৬২চিলিচিলি-৩: ১সুইজারল্যান্ড
১৯৬৬ইংল্যান্ডইংল্যান্ড-০: ০উরুগুয়ে
১৯৭০মেক্সিকোমেক্সিকো-০: ০রাশিয়া
১৯৭৪জার্মানীব্রাজিল-০: ০যুগোস্লাভিয়া
১৯৭৮আর্জেিন্টনাপোলান্ড-০: ০জার্মানী
১৯৮২স্পেনবেলজিয়াম-১: ০আর্জেিন্টনা
১৯৮৬মেক্সিকোইতালি-১: ১বুলগেরিয়া
১৯৯০ইতালিআর্জেিন্টনা-০: ১ক্যামেরুন
১৯৯৪যুক্তরাষ্ট্রজার্মানী-১: ০বলিভিয়া
১৯৯৮ফ্রান্সব্রাজিল-২: ১স্কল্যান্ড
২০০২কোরিয়া-জাপানফ্রান্স-০: ১সেনেগাল
২০০৬জার্মানীজার্মানী-০৯-০৬-২০০৬কোস্টারিকা
২০১০দক্ষিণ আফ্রিকাদক্ষিণ আফ্রিকা ১১-০৬-২০১০মেক্সিকো
২০১৪ব্রাজিলজার্মান-১৪-০৭-২০১৪আর্জেিন্টনা

বিশ্বকাপের রোল অব অনার:

ক্রমিকসালচ্যাম্পিয়নরানার্স আপ

১১-০৬-২০১০ তারিখ বিশ্বকাপ ফুটবল প্রথম খেলা অনুষ্ঠিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকা-মেক্সিকো। বিশ্বকাপ ফুটবলে ৩২ দলের ৬৪টি খেলা অনুষ্ঠিত হয় এবং শেষ হয় ১৪ জুলাই, ২০১৪।

১৯৩০উরুগুয়েআর্জেিন্টনা
১৯৩৪ইতালিচেক
১৯৩৮ইতালিহাঙ্গেরী
১৯৪২সালে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধেরকারণে খেলা অনুষ্ঠিত হয়নি
১৯৪৬-ঐ--ঐ-
১৯৫০উরুগুয়েব্রাজিল
১৯৫৪পশ্চিম জার্মানীহাঙ্গেরী
১৯৫৮ব্রাজিলসুইডেন
১৯৬২ব্রাজিলচেকোশ্লোভাকিয়া
১৯৬৬ইংল্যান্ডপশ্চিম জার্মানী
১৯৭০ব্রাজিলইতালি
১৯৭৪পশ্চিম জার্মানীহল্যান্ড
১৯৭৮আর্জেিন্টনাহল্যান্ড
১৯৮২ইতালিপশ্চিম জার্মানী
১৯৮৬আর্জেিন্টনাপশ্চিম জার্মানী
১৯৯০পশ্চিম জার্মানীআর্জেিন্টনা
১৯৯৪ব্রাজিলইতালি
১৯৯৮ফ্রান্সব্রাজিল
২০০২ব্রাজিলজার্মানী
২০০৬ইতালি(০৯-০৭-২০০৬)ফ্রান্স (১৮তম খেলা)
২০১০স্পেন(১১-০৭-২০১০)হল্যান্ড (১৯তম খেলা)
২০১৪জার্মািন(১৪-০৭-২০১৪)আর্জেিন্টনা(২০তম খেলা)

বিশ্বকাপের গোল্ডেন বল বিজয়ীরা:

বিশ্বকাপফুটবলারদেশ
১৯৮৬ম্যারাডোনাআর্জেিন্টনা
১৯৯০শিলাচিইতালি
১৯৯৪রোমারিওব্রাজিল
১৯৯৮রোনাল্ডোব্রাজিল
২০০২অলিভার কানজার্মানী
২০০৬জিনেদিন জিদানফ্রান্স
২০১০ফোরলানেরস্পেন
২০১৪মেসিআর্জেিন্টনা

বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জয়ী ফুটবলাররা:

ফুটবলারদেশগোলবিশ্বকাপ
গুইলার্মো স্তাবিলআর্জেিন্টনা১৯৩০
অডরিখ নেজেডলিচেকোশেস্নাভাকিয়া১৯৩৪
এডমুন্ড কোনেনজার্মানী১৯৩৪
অ্যাঞ্জেলিও শিয়াভিওইতালি১৯৩৪
লিওনিদাসব্রাজিল১৯৩৮
এডেমিরব্রাজিল১৯৫০
স্যান্ডর ককসিসহাঙ্গেরি১১১৯৫৪
জাস্ট ফন্টেইনফ্রান্স১৩১৯৫৮
ভাভাব্রাজিল১৯৬২
গ্যারিঞ্চাব্রাজিল১৯৬২
আনচেজচিলি১৯৬২
ইভানভরাশিয়া১৯৬২
অ্যালবার্টহাঙ্গেরি১৯৬২
ইউসেবিওপর্তুগাল১৯৬৬
গার্ড মুলারজার্মানী১০১৯৭০
জর্জ ল্যাটোপোল্যান্ড১৯৭৪
মারিও ক্যাম্পোসআর্জেিন্টনা১৯৭৮
পাওলো রশিইতালি১৯৮২
গ্যারি লিনেকারইংল্যান্ড১৯৮৬
শিলাচিইতালি১৯৯০
স্টয়চকভবুলগেরিয়া১৯৯৪
ওলেগ সালেঙ্কোরাশিয়া১৯৯৪
ডেভর সুকারক্রোশিয়া১৯৯৮
রোনাল্ডোব্রাজিল২০০২
মিরোস্স্নাভ ক্লোসাজার্মানী২০০৬
মুলারেরজার্মানী২০১০
জেমস রড্রিগুয়েজকলম্বিয়া২০১৪

২০০৬ সালের ১১ জুন, বিশ্বকাপের ২০০০তম গোল হচ্ছে জার্মানীতে। এর আগের ১৭টি বিশ্বকাপে ৭০৮টি ম্যাচে ২.৭১ গড়ে মোট গোলের সংখ্যা ১,৯১৬টি। ২০০০ গোলের মাইলস্টোন ছুঁতে এবারের বিশ্বকাপে প্রয়োজন ৮৪টি গোল। ১৮তম বিশ্বকাপের ৬৪টি ম্যাচে এবার ৮৪টি গোল হলেই ২০০০টি গোল হবে-১৮তম বিশ্বকাপে।

২০০৬ সালের ১৩ জুন, কয়েকদিন আগেই ফিফা কংগ্রেসে জানানো হয়েছে, ফিফার ২০০৫ সালে লাভ হয়েছে ৭৯৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা। বিশ্বকাপের খরচ তা থেকেও বেশী। ৩২ দল অংশগ্রহণকারী দেশের প্রত্যেক দেশকে ১০ লাখ সুইস ফ্রাঁ। এছাড়া প্রতিটি ম্যাচের জন্য প্রত্যেক দল পাবে ২০ লাখ সুইস ফ্রাঁ করে। অর্থাৎ বিশ্বকাপে এক ম্যাচে মানে সেই দেশের ফুটবল সংস্থা পাচ্ছে ৭ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। প্রথম পর্বে বিদায় নিলেও ৭০ লাখ সুইস ফ্রাঁ পাচ্ছেই প্রতিটি দেশ। দ্বিতীয় পর্বে বিদায় মানে ৩১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে গেলে ৪২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। শেষ চারে পৌছলে স্বাভাবিকভাবেই, প্রায় দ্বিগুণ পুরস্কার মূল্য ৮০ কোটি ১০ লাখ টাকা। বিশ্বকাপ ফাইনালে জয়ী আর পরাজিত দলের মধ্যে যত পার্থক্যই থাক, ফিফার পুরস্কার মূল্যে অবশ্য তেমন ফারাক নেই। মাত্র ২০ লাখ সুইস ফ্রাঁ। চ্যাম্পিয়ন পাবে ২৪৫ লাখ সুইস ফ্রাঁ, রানার্স হলে ২২৫ লাখ সুইস ফ্রাঁ। অর্থাৎ চ্যাম্পিয়ন দল বাংলাদেশী টাকায় পাবে প্রায় ১০০ কোটি টাকা।

২০১০ সালের ১১ জুন, প্রথম আলো: বিশ্ব কাপের রেকর্ড। (১) সবচেয়ে বেশি গোল-১৫, রোনালদো (ব্রাজিল)। (২) এক টুর্নােমন্টে সবচেয়ে বেশি গোল-১৩, জাঁ ফন্টেইন। (৩) এক ম্যাচে সবচেয়ে বেশি গোল-৫, ওলেগ সালেঙ্কো (রাশিয়া-ক্যামেরুন, ১৯৯৪)। (৪) সবচেয়ে বেশি হ্যাটট্টিক ২টি-স্যান্ডর ককসিস (হাঙ্গেরি, ১৯৫৪), জাঁ ফন্টেইন (ফ্রান্স, ১৯৫৮), জার্ড মুলার (র্জামানি, ১৯৭০) এবং গ্যাব্রিয়েল বাতিস্ত্ততা (আর্জেিটনা ১৯৯৪ ও ১৯৯৮)। (৫) সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা-পেলে (ব্রাজিল, ১৭ বছর ২৩৯ দিন)। (৬) সর্বকনিষ্ঠ হ্যাটট্টিক-পেলে (১৭ বছর ২৪৯ দিন, ব্রাজিল-সুইডেন, ১৯৫৮)। (৭) সবচেয়ে বেশি বয়সী গোলদাতা-রজার মিলা (৪২ বছর ৩৯ দিন, ক্যামেরুন-রাশিয়া, ১৯৯৪)। (৮) সবচেয়ে বেশি বয়সে হ্যাটট্টিক-তোরে কেলার (৩৩ বছর ১৫৯ দিন, সুইডেন-কিউবা, ১৯৩৮)। (৯) সবচেয়ে দ্রুততম গোল-১১ সেকেন্ড; হাকান সুকুর (তুরস্ক-কোরিয়া, ২০০২)। (১০) সবচেয়ে বেশি গোলের ম্যাচ-আর্জেিন্টনা ৭-৫ সুইজাল্যান্ড, ১৯৫৪। (১১) সবচেয়ে বেশি ম্যাচে গোল না খাওয়া গোলরক্ষক-১০ ম্যাপচ, পিটার শিলটন (ইংল্যান্ড, ১৯৮২-১৯৯০) ও ফারিয়েন বার্থেজ (১৯৯৮-২০০৬)। (১২) সবচেয়ে বেশি সময় গোপল না খাওয়া গোলরক্ষক-ওয়াল্টার জেঙ্গা, ৫১৭ মিনিট (ইতালি, ১৯৯০)। (১৩) সবচেয়ে বেশি গোল খাওয়া গোলরক্ষক-২৫ গোল, আস্তোনিও কারবাজাল (মেক্সিকো) ও মোহামেদ আল-দিয়াইয়া (সৌদি আরব)। (১৪) দুবার বিশ্বকাপ জেতা কোচ-ভিওরিও পোজ্জো (ইতালি, ১৯৩৪ ও ১৯৩৮)। (১৫) বিশ্বকাপে পাঁচটি ভিন্ন দেশের কোচ-বোরা মিলুটিনোভিচ (মেক্সিকো ১৯৮৬, কোস্টারিকা ১৯৯০, যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৪, নাইজেরিয়া ১৯৯৮, চীন ২০০২)। (১৬) সবচেয়ে বেশি বয়সী কোচ-সিজার মালদিনি (৭০ বছর ১৩১ দিন, প্যারাগুয়ে ২০০২)। (১৭) খোলোয়াড় ও কোচ হিসেবে টুর্নােমন্ট জয়-মারিও জাগালো ও ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার। (১৮) সবচেয়ে দ্রুত লালকার্ড-৫৬ সেকেন্ড, হোসে বাতিস্তা (উরুগুয়ে-স্কটল্যান্ড ১৯৮৬)। (১৯) বেঞ্চে থেকেও লাল কার্ড দেখা ফুটবলার-ক্লদিও ক্যানিজিয়া (আর্জেিন্টনা-সুইডেন, ২০০২)। (২০) এক ম্যাচে সবচেয়ে বেশি দর্শক-১ লাখ ৯৯ হাজার ৮৫৪; মারাকানা, ব্রাজিল-উরুগুয়ে; ১৯৫০। (২১) সবচেয়ে কম দর্শক-৩০০; রুমানিয়া-পেরুঃ ১৯৩০ সালে।

২০১০ সালের ১১ জুন, প্রথম আলো: সেরা দশ স্কোরার:

রোনালদোব্রাজিল১৫
জার্ড মুলারজার্মািন১৪
জাঁ ফন্টেইনফ্রান্স১৩
পেলেব্রাজিল১২
স্যান্ডার ককসিসহাঙ্গেরি১১
ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যানজার্মািন১১
হেলমুট রানজার্মািন১০
তেওফিলিও কাবিলাসপেরু১০
গ্যারি লিনেকারইংল্যান্ড১০
জর্জ লাটোপর্তুগাল১০
গ্যাব্রিয়েল বাতিস্ত্ততাআর্জেিন্টনা১০
মিরোস্স্নাভ ক্লোসাজার্মািন১০

(১) চুড়ান্ত পর্বে সবচেয়ে বেশি উপস্থিতি-ব্রাজিল(১৯ বার)। (২) সবচেয়ে বেশি শিরোপা জয়-ব্রাজিল (৫ বার)। (৩) সবচেয়ে বেশি ফাইনাল খেলা দল-ব্রাজিল ও জার্মািন (৭ বার করে)। (৪) সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা দল-ব্রাজিল ও জার্মািন (৯২টি খেলা)। (৫) সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জেতা দল-ব্রাজিল (৬৪)। (৬) সবচেয়ে বেশি ম্যাচ হারা দল-মেক্সিকো (২২)। (৭) সবচেয়ে বেশি গোল করা দল-ব্রাজিল (২০১)। (৮) সবচেয়ে বেশি গোল হজম করা দল-জার্মািন(১১২)। (৯) সবচেয়ে বেশিবার টুর্নােমন্ট খেলে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠতে না পারা দল-স্কটল্যান্ড (৮)। (১০) সবচেয়ে বেশি টানা শিরোপা-২; ইতালি (১৯৩৪, ১৯৩৮), ব্রাজিল (১৯৫৮, ১৯৬২)। (১১) সবচেয়ে বেশি টানা ফাইনাল-৩; (জার্মািন ১৯৮২-১৯৯০), ব্রাজিল (১৯৯৪-২০০২)। (১২) সবচেয়ে বেশি টানা জয়-১১; ব্রাজিল। (১৩) সবচেয়ে বেশি ম্যাচে টানা অপরাজিত-১৩; ব্রাজিল। (১৪) সবচেয়ে বেশি টানা ম্যাচে হার-৯; মেক্সিকো। (১৫) সবচেয়ে বেশিবার অংশগ্রহণ-৫ বার; আন্তোনিও কারবাজাল (জার্মািন, ১৯৮২-১৯৯৮)। (১৬) ৩ বার বিশ্বকাপ জেতা একমাত্র ফুটবলার-পেলে (১৯৫৮, ১৯৬২ ও ১৯৭০)। (১৭) সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ফুটবলার-লোথার ম্যাথাউস (জার্মািন, ২৫ ম্যাচ)। (১৮) সবচেয়ে বেশি সময় খেলা-২২১৭ মিনিট; পাওলো মালদিনি (ইতালি)। (১৯) সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জেতা ফুটবলার-কাফু (ব্রাজিল, ১৬ ম্যাচ)। (২০) সবচেয়ে বেশি ফাইনালে উপস্থিতি-৩ বার (কাফু, ব্রাজিল ১৯৯৪-২০০২)। (২১) সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা অধিনায়ক-ডিয়েগো ম্যারাডোনা (১৬ ম্যাচ)। (২২) বদলি ফুটবলার হিসেবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ফুটবলার-ডেনিলসন (ব্রাজিল, ১১ ম্যাচ) ও (২৩) কনিষ্ঠতম ফুটবলার-নরম্যান হোয়াউটসাইড (১৭ বছর ৪১ দিন, উত্তর আয়ারল্যান্ড)।