১৯৯২ সালের ২৪ মে, রবীন্দ্রসঙ্গীত বিশেষজ্ঞ শৈলজারঞ্জন মজুমদার পরলোকগমণ করেন।

১৯৯৩ সালের ৭ মে, সঙ্গীতজ্ঞ ও ব্যঙ্গ সাহিত্যস্রষ্টা অজিতকৃঞ্চ বসুর মৃত্যু।

১৯৯৩ সালের ৮ মে, দার্শিনক ও শিক্ষাবিদ দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু।

১৯৯৩ সালের ২৯ নভেম্বর, ভারতের অগ্রগণ্য শিল্পপতি জি. আর. ডি. টাটার মৃত্যু।

১৯৯৪ সালের ধ্রুপদী শিল্পী ওস্তাদ জহিরউদ্দিন ডাগরের মৃত্যু।

১৯৯৪ সালের ২৮ মে, ব্যঙ্গ সাহিত্যিক ও রাজনীতিক আসহাব উদ্দীনের ইন্তেকাল।

১৯৯৫ সালের ২৩ মার্চ, কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু।

১৯৯৬ সালের ৮ মে, প্রখ্যাত দার্শিনক ও শিক্ষাবিদ দেবী প্রসাদ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু।

১৯৯৮ সালের ৯ মে, গজল সম্রাট তালাত মাহমুদ ইন্তেকাল করেন।

১৯৯৮ সালের ১০ আগষ্ট, মোম্বাই হ'তে এপিবি/পিটিআই-ভারতের খ্যাতনাম্নী গায়িকা সামসাদ বেগমের ইন্তেকাল। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৯ বছর, তার স্বামীর নাম ছিল সোলাইমান। সে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তানের চীপ ইঞ্জিনিয়ার ছিল। তারপর সোলায়মান সাহেব অবসর নিয়ে ভারতে আবার চলে যান। সামসাদ বেগমের মেয়ের নাম নাছিম বাণু-তার জন্ম-১৯২১ সালে, এখনো জীবীত। নাসিম বাণু নিজেও একজন নায়িকা ছিলেন। নাসিম বাণুর মেয়ের নাম সায়রা বাণু। সায়রা বাণু বিখ্যাত অভিনেতা দীলিপ কুমার (ইউসুফ আলী খান)-এর স্ত্রী। সায়রা বাণু নিজেও একজন অভিনেত্রী।

পাকিস্তান:

১৮৪০ বা ১৮৩৯ মতান্তরে ১৮৩৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি জনশ্রুতি অনুযায়ী ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের গুরুদাসপুর জেলার 'কাদিয়ান' গ্রামের অধিবাসী মির্জা গোলাম আহমদ কাদিয়ানীর দাবী মোতাবেক তাকেই যারা ইমাম মেহেদী, ঈসা মসীহ ও নবী বলে স্বীকার করে এবং তার হাতে বা তার খলীফার হাতে বা বা'হাত গ্রহণ করে তাদেরকেই কাদিয়ানী বলা হয়ে থাকে তার জন্ম এবং কাদিয়ানীরা তাদের নামাজের কেবলা বানিয়ে নিয়েছে মির্জার জন্মস্থান কাদিয়ানকে। তাদের মসজিদে অন্যদের নামাজ পড়তে দেয়া হয় না। এ মির্জা প্রথমে নিজেকে ধর্মপ্রচারক, এরপর একজন মুহাদ্দিছ, এরপর ১৮৮১ সালে ইমাম মেহেদী বলে দাবী করে। ১৮৯১ সালে আবার নিজেকে প্রতিশ্রুত হযরত ঈসা মসীহ(আ.) বা মাসীহে মাউদুদ বলে দাবী করে। শেষ পর্যন্ত সে নিজেকে পূর্ণাঙ্গ নবী বলে দাবী করে বসে। আর ১৯০৮ সালের ২৬ মে, লাহোরে ডায়রিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে সে টয়লেটে পড়ে মারা যায়। তবে সে দাবী করেছিল যে, আমি মক্কায় মারা যাব, তার ঐ ভবিষ্যৎ বাণী মিথ্যো প্রমাণিত হয়। আমির আমান উল্লাহ ও নেয়ামতুল্লাহ কাদিয়ানিকে ২৬ আগষ্ট, ১৮৭৪ সালে পাথর মেরে হত্যা করে। আফগান সরকার মুসলিম উম্মাহর জিহাদী চেতনাকে অবদমিত করার দায়ে কাদিয়ানী ধর্মের প্রচারক আবদুল লতিফ কাদিয়ানীকে ১৯০৩ সালে, মোল্লা আবদুল হাকিম ও মোল্লা নূর কাদিয়ানীকে ১৯২৫ সালে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলিয়ে মারে।

১৮৭৬ সালের ২৫ ডিসেম্বর, করাচিতে (জিন্নার বাবা-মায়ের নাম ছিল জেনাভাই ঠক্কর এবং মিঠাভাই) জেনাভাই এবং মিঠাভাইয়ের একটি পুত্র জন্মগ্রহণ করেন। প্রথা অনুসারে জেনাভাই নাম স্থির করেন, মিঠাভাই সম্মতি জানান। মুহম্মদ আলি জেনাভাই। মামলায় সম্পত্তি হারানোর পর ১৮৯৩ সালের জানুয়ারিতে তাঁর সম্পত্তি বিক্রি করে টাকা আদায় করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। মুহম্মদ আলি জেনাভাই ইংল্যান্ডে জিন্নাহ নাম ধারণ করে। করাচি থেকে ১৮৯৩ সালের জুলাই মাসে বম্বের দুর্গা মহল্লাতে থাকতে শুরু করেন মুহম্মদ আলি জিন্নাহর বাবা ও মা। জায়গাটা বম্বের কেল্লার ঠিক বাইরে। জিন্না খোজা মুসলিম ছিলেন। তিনি শিয়া গোষ্ঠীর ইথনা আশারি সম্প্রদায়ের মানুষ ছিলেন। হিন্দু লোহানা, জাতি থেকে ধর্মান্তরিত হয়েছিলেন খোজা সম্প্রদায়। যার মধ্যে হিন্দু-মুসলিম দুয়েরই মিশ্রণ। ভারতের গুজরাত প্রদেশে কাথিয়াবাড়ের অবস্থান, কচ্ছের বৃহৎ রানের তলায়। পশ্চিমে আরব সাগর তাকে ঘিরে রয়েছে, প্রসারিত হয়েছে স্থলের দিকে, উর্বর এবং সুজলা 'একশো রাজত্বের' ভূমি, ভাল নাম সৌরাষ্ট্র। কাথিয়াবাড় অর্থাৎ কাথিদের ভূমি, যেখানে পাওয়া যায় উত্তম কাথিয়াবাড়ি ঘোড়া, সুন্দরী-কাথি নারী, বিচক্ষণ বণিক এবং বহু ধনী বণিক পরিবার, হিন্দু এবং মুসলিম। পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা কায়েদে আযম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মৃত্যুবরণ করেন-১১-০৯-১৯৪৮ তারিখ করাচিতে। তিনি ১৯৩৫ সাল পর্যন্ত ধর্মিনরপেক্ষ ছিলেন। তবে তদানীন্তন কংগ্রেস নেতা জওহরলাল নেহরুর আচরণে তিনি আলাদা রাষ্ট্রের জন্য সংগ্রাম করতে বাধ্য হন। তিনি বলেন, এমনকি পাকিস্তানের জন্মের পরও জিন্নাহ ঘোষণা করেছিলেন, পাকিস্তান কোনো ধর্মীয় রাষ্ট্র হবে না এবং এ রাষ্ট্র হবে সকলের জন্য সমান। জিন্নাহ এবং সরোজিনী নাইডু ইংল্যান্ডে একই সময়ে ছিলেন। জিন্না মঞ্চাভিনয় করার চেষ্টা করেছিলেন, হয়তো তা পেশা হিসেবে নেওয়ার কথাও ভেবেছিলেন। জিন্নাহ ও সরোজিনী নাইডু দুজনেই শিল্পে আগ্রহী ছিলেন, সরোজিনী কবি ও লেখক হিসেবে, জিন্না নাটকে। জিন্না ভারতবর্ষে একমাত্র ব্যক্তি জাতীয় কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের একসাথে প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

১৮৭৭ সালের ৯ নভেম্বর, বিখ্যাত উর্দু মহাকবি ও দার্শিনক আল্লামা ইকবাল পাঞ্জাবের শিয়ালকোর্টে জন্ম এবং মৃত্যু-২১-০৪-১৯৩৮ তারিখ। তাঁর ছেলে-১৯১৮ সালে পাঞ্জাবের শিয়ালকোর্টে পাকিস্তানের সাবেক প্রধান বিচারপতি ড. জাবেদ ইকবালের জন্ম। ড. জাবেদ ইকবাল হলো মহাকবি আল্লামা ইকবালের পুত্র। ১৯৭১-এর ঘটনার জন্য আমরা অনুতপ্ত-ড. জাবেদ ইকবাল।

১৮৯০ সালে চারসাদ্দাই তহশিল, জেলা পেশোয়ার-এ সীমান্ত গান্ধীর নাম, ভারত-রত্ন বাদশা খান বা খান আবদুর গফুর খানের জন্ম, ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রবাদ পুরুষ সীমান্ত গান্ধী (খান আবদুর গাফ্‌ফার খানের মৃত্যু-২০-০১-১৯৮৮ তারিখ। (তাঁর আসল বয়স-এর চাইতে অনেক বেশি বা কেউ মনে করে যে, ১৮৮০ সালে প্রকৃত জন্ম)। তিনি ছিলেন হিন্দু-মুসলমান ঐক্যের প্রতীক। তাঁর ছেলে-১৯১৬ সালে পাকিস্তানের উত্তর পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের নেতা সীমান্ত গান্ধী বলে পরিচিতি খান আবদুল গাফফার খানের পুত্র ও পাকিস্তানের আওয়ামী ন্যাশনাল পার্টির প্রতিষ্ঠাতা খান আব্দুল ওয়ালী খানের জন্ম, ২৫-০১-২০০৬ তারিখ ইন্তেকাল করেন। খান আব্দুল ওয়ালি খান ১৯৭০ সালে পার্লােমন্টে সদস্য নির্বািচত হন। ১৯৯০ সালে রাজনীতি থেকে অবসর নেন।

১৮৯৬ সালে পূর্ব পাঞ্জাবের কার্নায় পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খানের জন্ম, রাওয়ালপিন্ডিতে জনসভায় বক্তৃতাকালে আততায়ীর গুলিতে নিহত হন-১৬-১০-১৯৫১ তারিখ।

১৮৯৮ সালের ১ জানুয়ারি, পাকিস্তানের শিয়ালকোটে সবচেয়ে বয়সী নারী সন্ত কাউর বাজওয়ার জন্ম, মৃত্যু-পশ্চিম লন্ডনের সাউথ হলে ১১৫ বছর ১৯৯ দিন বাঁচার পর।

১৯০৩ সালে ভারতের হায়দারাবাদ রাজ্যের আওরংগবাদ শহরে মাওলানা সাইয়েদ আবুল আ'লা মওদূদীর জন্ম, আমেরিকায় মৃত্যু-২২-০৯-১৯৭৯ তারিখ পাকিস্তান সময় অনুযায়ী সন্ধ্যা পৌনে ছ'টায়। ১৯৪১ সালের ২৬ আগষ্ট, ৭৫ জন লোক নিয়ে 'জামায়াতে ইসলামী' নামে একটি আদর্শবাদী দল গঠন। মাওলানা মওদূদী তার আমীর নির্বািচত।

১৯০৬ সালে পাকিস্তানের স্বঘোষিত প্রেসিডেন্ট ফিল্ড মার্সল মোহাম্মদ আইয়ূব খাঁনের জন্ম, মৃত্যু-২০-০৪-১৯৭৪ তারিখ। আইয়ূব খাঁন ১৯৫১ সালে পাকিস্তান আর্মীর সেনাপ্রধান হন।

১৯১১ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি, পাকিস্তানের পাঞ্জাবের শিয়ালকোর্টে আজন্ম বিপস্নবী কবি ফয়েজ আহমদ ফয়েজের জন্ম, ১৯৮৩ সালে অসুস্থ হয়ে নিজের দেশ পাকিস্তানের লাহোরে ফিরে আসেন, এখানেই মৃত্যু-১৯-১০-১৯৮৪ তারিখ।

১৯১৪ সালে বেলুচিস্তানের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি মীর গুল খান নাসিরের জন্ম, মৃত্যু-১৯৮৩ সালে। তিনি বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। নিজ জনগোষ্ঠীর স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলার কারণে এই বালুচ কবি পাকিস্তানি শাসকদের হাতে নানাভাবে নির্যািতত হন।

১৯১৪ সালে পাকিস্তানের রাজনীতিক আজমল খাটকের জন্ম, মৃত্যু-০৭-০২-২০১০ তারিখ।

১৯১৫ সালে পাকিস্তানের পেশোয়ারে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল আগা মোহাম্মদ ইয়াহিয়া খানের জন্ম, মৃত্যু-১৪-০৮-১৯৮০ তারিখ।

১৯১৫ সালে লাহোরে জন্মগ্রহণকারী লে. জে. নিয়াজীর জন্ম, ইন্তেকাল-০২-০২-২০০৪ তারিখ ৮৯ বছর বয়সে। এএফপি, বিবিসি: ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর প্রধান লে. জে. নিয়াজী ছিলেন। ১৯৩৯ সালে নিয়াজী ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন।

১৯১৬ সালের ৩১ আগষ্ট, পাকিস্তানে সরকারীভাবে স্বীকৃত স্বাধীনতা আন্দোলনের চিত্রশিল্পী আহমদ সাঈদ নাগির জন্ম, মৃত্যু-০১-০৯-২০০৬ তারিখ করাচির আগা খান হাসপাতালে। ওয়াল্র্ড আর্ট এনসাইক্লোপেডিয়ায় তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তিনি ১৯৪৪ সাল থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের ওপর চিত্রকর্ম তৈরী করেন।

১৯২০ সালের ১ জানুয়ারি, ভারতের রামপুরে লে. জেনারেল সাহেবজাদা ইয়াকুব খানের জন্ম, মৃত্যু-২৬-০১-২০১৬ তারিখ। ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের সময় তাঁরা দুই ভাইও পৃথক হয়ে যান, তাঁদের পূর্ব-পুরুষেরা রামপুরের রাজা ছিলেন। মেজর সাহেবজাদা ইয়াকুব খান পাকিস্তানে চলে যান, আর তাঁর বড় ভাই সাহেবজাদা ইউনুস খান ভারতে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ১৯৪৮ সালে পাকিস্তান-হিন্দুস্থান যুদ্ধে দুভাই মুখোমুখি হন। ১৯৬০ সালে সাহেবজাদা ইয়াকুব কলকাতার মেয়ে খলিলিকে বিয়ে করেন। ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে তাঁকে শেখ মুজিবের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। তিনি ইয়াহিয়াকে লিখিতভাবে জানান, শেখ মুজিবের কাছে ক্ষমতা হস্তন্তর করলেই সব সমস্যার সমাধান হবে। ইয়াহিয়া তাঁর কথা না শুনলে সাহেবজাদা ইয়াকুব খান পদত্যাগ করেন। ফলে প্রাথমিকভাবে জান্তার চক্ষুশুলে পরিণত হলেও শেষমেষ তিনিই সঠিক প্রমাণিত হন। ১৯৭৭ সালের পূর্বেই সাহেবজাদা রুশ রাষ্ট্রদূত ছিলেন। জেনারেল জিয়াউল হক সাহেবজাদা ইয়াকুব খানকে ১৯৮২ সালে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন। সে বছরই তিনি রাষ্ট্রীয় সফরে দিল্লি যান, ৩৫ বছর পর দুভাইয়ের সাক্ষাৎ হয়। চোখে পানি নিয়ে তাঁরা একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন, কিন্তু ১৯৪৮ সালের ঘটনা নিয়ে তাঁরা কথা বলেননি।সাহেবজাদা ইয়াকুব ছিলেন পাকিস্তানের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ১৯৮৬ সালে জেনারেল জিয়াউল হক সাহেবজাদা ইয়াকুব খানকে কারগিল দখল করার পরিকল্পনা জানান, সেনাবাহিনীর কয়েকজন কমান্ডার ওই পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু ইয়াকুব সঙ্গে সঙ্গে ওই পরিকল্পনা বাতিল করে দেন। সৌভাগ্যবশত জেনারেল জিয়াউল হক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে একমত হলে ওই পরিকল্পনা বাতিল হয়ে যায়। তিনি সব সময়ই ভাই-বোনদের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক রাখতে চেষ্টা করতেন।

১৯২৪ সালে পাকিস্তানের সাবেক টেষ্ট ক্রিকেটার, ক্রিকেট সাংবাদিক ও ধারাভাষ্যকার ওমর কোরেশীর জন্ম, মৃত্যু-১৫-০৩-২০০৫ তারিখ।

১৯২৬ সালে পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভূট্টোর জন্ম, ১৯৭৯ সালের ৪ এপ্রিল, তাঁর ফাঁসি হয়।

১৯২৬ সালের ২৯ জানুয়ারি, তৎকালীন ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের জৎ শহরে নোবেল বিজয়ী পাকিস্তানী পরমাণুবিজ্ঞানী প্রফেসর ড. আবদুস সালামের জন্ম, অক্সফোর্ডে মৃত্যু-২১-১১-১৯৯৬ তারিখ। ১৯৪৬ সালে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আবদুস সালাম গণিতে এম.এ. পাশ করেন।

১৯২৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, লাহোরে পাকিস্তান ক্রিকেটের প্রবাদ পুরুষ ফজল মাহমুদের জন্ম, মৃত্যু-০৫-০৬-২০০৫ তারিখ।

১৯২৭ সালের ১৮ জুলাই, ভারতের রাজস্থানের ঝুনঝুন জেলার লুনা গ্রামে এক ঐতিহ্যবাহী সংগীত পরিবারে উপমহাদেশের ধ্রুপদ সংগীত ও গজলের ধ্রুবতারা মেহদি হাসানের জন্ম, পাকিস্তানের করাচিতে মৃত্যু-১৩-০৬-২০১২ তারিখ বুধবার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ২২ মিনিটে। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর পরিবারসহ পাকিস্তানের সহিওয়াল জেলার ছিচা ওয়াতনি এলাকায় থিতু হন তাঁরা। ১৯৫৭ সালে ঠুমরি গায়ক হিসেবে পাকিস্তান বেতারে গাওয়ার সুযোগ পাওয়ার পর থেকে আর্থিক সংকট কাটতে থাকে মেহদি হাসানের।

১৯২৯ সালের জুলাই মাসে পাকিস্তানের লারকানায় নুসরাত ভুট্টোর জন্ম, দুবাইর একটি হাসপাতালে মৃত্যু-২৩-১০২০১১ তারিখ। লারকানায় পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর লাশ দাফন করা হয়। ১৯৪৯ সালে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে জুলফিকার আলী ভুট্টোর সঙ্গে নুসরাতের দেখা হয়। ১৯৫১ সালে অক্সফের্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র থাকাকালে জুলফিকার বিয়ের প্রস্তাব দেন নুসরাতকে। ১৯৫১ সালে জুলফিকার আলী ভুট্টোর সাথে নুসরাতের বিয়ে হয়। ১৯৫৩ সালের ২১ জুন, জুলফিকার-নুসরাতের প্রথম সন্তান বেনজিরের জন্ম হয়। নুসরাত ভুট্টোর সঙ্গে চলে গেল অনেক ঐতিহাসিক তথ্য।

১৯৩১ সালের ২০ জুলাই, পাকিস্তানের অভিনেতা মোহাম্মদ আলী ভারতের রোহতাক-৩ এ জন্মগ্রহণ করেন এবং মৃত্যু-১৯-০৩-২০০৬ তারিখ।

১৯৩৩ সালের ২২ এপ্রিল, কাশ্মীরে নাসিম আখতার মালিকের জন্ম। ১৯৫৩ সালে পাকিস্তান কমিউনিষ্ট পার্টির নেতা শামীম আশরাফ মালিকের সঙ্গে বিয়ে হওয়ার পর নাসিম রাজনীতিতে সক্রিয় হন।

১৯৩৬ সালের ৩১ মার্চ, ভূপাল, মধ্যপ্রদেশে ড. আবদুল কাদির খানের জন্ম। ড. আবদুল কাদির খান, পাকিস্তানের পারমাণবিক বোমার জনক। কিন্তু তার প্রকৃত জন্ম তারিখ ২৭ এপ্রিল, ১৯৩৬ সাল। ড. আবদুল কাদির খান ১৯৫২ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে তাঁর বড় ভাই তাঁকে করাচীতে নিয়ে আসেন এবং ১৯৫২ সালের ১৫ আগষ্ট সিন্ধুর খোকড়াপাড় সীমান্ত দিয়ে পাকিস্তান পৌঁছেন। করাচীর ডিজি বিজ্ঞান কলেজে ভর্তি হন। ঐ কলেজে ১৯৫৩ সাল থেকে ১৯৫৭ সাল অবধি পড়াশুনা করেন। ড. আবদুল কাদির খানের পিতা আবদুল গফুর খান ১৮৯৬ সালে নাগপুর বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন এবং শিক্ষা বিভাগে যোগ দেন। ১৯৩৫ সালে চাকরী হতে অবসর নিয়ে স্থায়ীভাবে ভূপালে বসবাস করতে শুরু করেন। ১৯৫৬ সালে ভূপালে ড. আবদুল কাদির খানের পিতা ইন্তেকাল করেন। এ সময় ড. আবদুল কাদির খান করাচীতে ছাত্র হিসেবে অধ্যয়নরত ছিলেন। ঘোরী উপজাতির সাথে তাঁর পূর্বপুরুষদের সম্পর্কের কারণে ড. আবদুল কাদির খান তুর্কী বংশোদ্ভুত। ১২০০ শতকে তার পূর্বপুরুষরা ভারতে আগমন করেন।

১৯৩৭ সালের ১ জানুয়ারি, আফগানিস্তানের নানগারহারে পাকিস্তানের বিখ্যাত কৌতুক অভিনেতা রঙ্গিলা জন্মগ্রহণ করেন, লাহোরে মৃত্যু-২৪-০৫-২০০৫ তারিখ।

১৯৩৭ সালের ১ ডিসেম্বর, কলকাতায় পাকিস্তানের সাবেক প্রধান বিচারপতি সাইদুজ্জামান সিদ্দিকীর জন্ম। তিনি ১৯৫২ সালে ঢাকা বোর্ড থেকে মাধ্যমিক ও ১৯৫৪ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৫৮ সালে করাচি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এম. এ. ও ১৯৬০ সালে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।

১৯৩৯ সালে পাকিস্তানের সাবেক ৮ম প্রেসিডেন্ট ফারুক আহমেদ খান লেঘারির জন্ম, মৃত্যু-২০-১০-২০১০ তারিখ রাওয়ালপিন্ডির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়।

১৯৩৯ সালের ৪ আগষ্ট, পাকিস্তানের হালা শহরের সম্ভ্রান্ত প্রভাবশালী মখদুম পরিবারে রাজনীতিক ও কবি মখদুম আমিন ফাহিমের জন্ম।

১৯৪২ সালের ১১ আগষ্ট, পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফ দিল্লীর কমলা মার্কেট এলাকার ''লালা গিরিধারী লাল মেটারনিটি হাসপাতালে'' জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৪২ সালে পাকিস্তানের ৬০ দশকের ছাত্র নেতা এবং পাঞ্জাবের গভর্নর সালমান তাসির জন্ম, দেহরক্ষীর গুলিতে মৃত্যু-০৪-০১-২০১১ তারিখ।