২০১৪ সালের ২১ জানুয়ারি, প্রথম আলো: ৩৫০ কোটি মানুষের সমান সম্পদের মালিক ৮৫ ধনী। বিশ্বজুড়ে অসাম্য বাড়ছে। পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ৮৫ ব্যক্তির কাছে বিশ্বের অর্ধেক জনসংখ্যার সম্পদের সমপরিমাণ সম্পদ রয়েছে। অক্সফাম জানায়, বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ৮৫ জন মানুষের কাছে ১ দশমিক ৭০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার রয়েছে। সবচেয়ে বেশি রয়েছে-মেক্সিকোর টেলিকোম ব্যবসায়ী কার্লোস স্স্নিম হেলুর কাছে-৭,৩০০ কোটি ডলার, এর পরই রয়েছেন-মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস-৬,৭০০ কোটি ডলার এবং ওয়ারেন বাফেট-৫,৩০০ কোটি ডলার। ২০১৪ সালের ২১ জানুয়ারি, প্রথম আলো: ৩৫০ কোটি মানুষের সমান সম্পদের মালিক ৮৫ ধনী। বিশ্বজুড়ে অসাম্য বাড়ছে। পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ৮৫ ব্যক্তির কাছে বিশ্বের অর্ধেক জনসংখ্যার সম্পদের সমপরিমাণ সম্পদ রয়েছে। অক্সফাম জানায়, বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ৮৫ জন মানুষের কাছে ১ দশমিক ৭০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার রয়েছে। ২০১৪ সালের ১১ মার্চ, প্রথম আলো: বিশ্বে মোট ঋণের পরিমাণ ১০০ ট্রিলিয়ন ডলার। এক লক্ষ কোটিতে এক ট্রিলিয়ন। ২০০৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে ৭০ ট্রিলিয়ন ডলার ছিল। অর্থাৎ মাত্র ছয় বছরে সম্মিলিত বৈশ্বিক ঋণ ৩০ ট্রিলিয়ন বা ৪০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে।
আবার বিগত ১০০(একশত) বছরে উৎপাদন বেড়েছে ১৭ গুণ। আর গত ১০০(একশত) বছরে জনসংখ্যা বেড়েছে ৪ গুণেরও কম। গত ১৯০১ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্তকে বলা হয়েছে। তা'হলে পর্বত চুড়ান্ত উৎপাদন কোথায় যায়? হাতে গোনা কতিপয় মানব সন্তানের কাছেই কি? ওদের দ্বারাই চিরকাল সমস্ত উৎপাদন নিয়ন্ত্রিত হবে? এযাবৎকালের ইতিহাসই শ্রেণী সংগ্রামের ইতিহাস? আদিম সাম্যবাদী সমাজ ছাড়া। আদিম সাম্যবাদী সমাজে শোষণ ছিল না। দুনিয়ার সব মানুষের সমৃদ্ধি আর যৌথ আবেগ /প্রেম /স্নেহ /মায়া মমতার সামাজিক বিকাশ কি কোন দিনই হবেনা?
শ্রমজীবী মানুষ বুর্জোয়া সমাজব্যবস্থার পরিবর্তন করতে পারলেই হবে।
যে বিজ্ঞানের বদৌলতে এ অসহনীয় বৈষম্য তা কতটা বিজ্ঞানসম্মত আর কতটা আধিপত্যবাদ? এ আধিপত্যবাদ অধিকাংশ রাষ্ট্রকে করেছে গ্লোবাল নাচের পুতুল। তা'হলে কি রাষ্ট্র নামক এ কাঠামো ভাঙ্গার প্রয়োজন নেই? এ বিদ্যমান রাষ্ট্রটি, আর্থ-সামাজিক রাজনৈতিক পদ্ধতি আধুনিক বিজ্ঞান সম্মত বিকাশের নিশ্চয়তা দেয় কতটুকু?
আবার বলা হচ্ছে বিজ্ঞান হলো বিশেষ জ্ঞান। বিজ্ঞান কাকে বলে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা গবেষণালব্ধ জ্ঞানকে বিজ্ঞান বলে। আর এ বিশেষ জ্ঞানের অনুশীলন হল সামাজিক গঠনাবলী ও প্রাকৃতিক নিয়মাবলীতে সু-সংগঠিত যুক্তি আর পর্যেবক্ষণের স্বচ্ছ কর্ম দ্বারা। তা'হলে কি সব জ্ঞানই বিজ্ঞান নয়? আমরা কোনটি জ্ঞান আর কোনটি বিশেষ জ্ঞান হিসেবে গ্রহণ করব? সুতরাং স্পষ্ট বলা যায় বিজ্ঞান আর সমাজের সাধারণ মানুষের মাঝে অবস্থান করে না। পাশাপাশি সমাজ আর প্রকৃতি পর্যেবক্ষণলব্ধ যুক্তি চর্চার অধিকারও চলে যায় ঐ বিশেষ মানুষের নিয়ন্ত্রণে। অথচ মানুষের ইতিহাস পর্যােলাচনা করলে আমরা জানি-সংগ্রহশীল কিংবা শিকার ভিত্তিক সমাজের যৌথ প্রয়াসের মধ্যে দিয়ে তাদের জীবন-যাপন অগ্রসরতা পেয়েছিল। সম্পূর্ণ বৈষয়িক ও প্রাকৃতিক ব্যবস্থাবলীর উপর গড়ে উঠছে তাদের শ্রমক্ষেত্র ও চিন্তার পদ্ধতি। অরণ্যচারী গুহাবাসী মানুষ তার অর্জিত অভিজ্ঞতাকে ক্রমান্বয়ে সঞ্চারিত করেছে নিরন্তন গোষ্ঠীলব্ধ প্রতিরোধী শক্তির অনন্যতায়। তা'হলে মানব-সমাজ বিকাশের কোন পর্যােয় অর্জিত সেই গোষ্ঠীবদ্ধ সার্বজনিন জ্ঞান খন্ড খন্ড বিশেষ জ্ঞানে রূপ নিল? ইতিহাসের গতি পথে কখন তা মানুষের চিন্তা জগতে এসেছে? কিংবা মানুষ অর্থৈনতিকভাবে খন্ড খন্ড শ্রেণীতে ভাগ হয়ে যাওয়ার কারণেই কি বিশেষ জ্ঞান হিসেবে বিজ্ঞান বিশেষ শ্রেণীর ক্ষমতার কৌশল উপকরণে পরিণত হয়নি? আজকের পাশ্চাত্য দর্শন কিভাবে কখন আধিপত্যবাদী চরিত্রের হয়ে উঠল? আমাদের বাংলা অঞ্চলে কি কোন বিজ্ঞান দর্শন, জিজ্ঞাসা ছিল না? আমাদের বিজ্ঞান দর্শন আজ কোথায়? জিজ্ঞাসাগুলো কেন হারিয়ে গেল? আসলে আমাদের জিজ্ঞাসাগুলোই বা নিয়ন্ত্রণ করে কারা? আমাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থায় বিজ্ঞান ছিল না? বিজ্ঞান কি শুধু গবেষণাগারের ব্যাপার? এটা কি কেবল ধনীদের বিলাসের বস্তু বা অস্তিত্ব? শ্রমজীবী মানুষের কি কোন উপকারে আসে? মানবতার বিকাশে এ বিজ্ঞান কতটুকু সহায়ক?
আসুন এ প্রশ্ন উত্থাপন করি আমাদের শ্রমের মধ্যে, আমাদের চিন্তার মধ্যে। আমাদের যৌথ আর সামাজিক বিশেস্নষণে সমৃদ্ধ হউক আমার/আপনার বিজ্ঞান চিন্তা। বিকশিত হউক মানবিক সাম্যের এসব দ্বান্দ্বিক প্রশ্নোত্তরের রূপায়ন আমাদের মাঝে বিজ্ঞান চেতনা বাড়িয়ে তোলে। বস্তুর প্রতিনিয়ত বিকাশ হচ্ছে। সমাজের নিয়ম হলো উৎপাদন এবং পুনঃউৎপাদন। চিরন্তন বলে কিছুই নেই। সব কিছুই পরিবর্তনশীল। আমাদের দেশের সম্পদের অপচয়, সমাজের সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, দুর্নীিত, স্বজনপ্রীতি, অব্যবস্থা এবং অনৈতিক কাজ বন্ধ করতে হবে নতুবা ততদিন বাংলাদেশের বেকারত্ব ও দারিদ্র দূর হবে না। বেকারত্ব ও দারিদ্র দূর করতে হলে-সম্পদের অপচয় রোধ, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, দুর্নীিত, স্বজনপ্রীতি, অব্যবস্থা ও অনৈতিক কাজ বন্ধ করতে হবে নতুবা বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। প্রকৃত উন্নয়ন মানে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষার গ্যারান্টি সবার জন্য করতে হবে। তখনই বাংলাদেশ হবে প্রকৃতপক্ষে ''সোনার বাংলা''। নতুবা সবই কথার কথা ও ফাঁকাবুলি ছাড়া আর কিছু নয়। মোঃ জাকির হুসেন ওরফে আলমগীর, ডেপুটি রেজিস্ট্রার(অবসর), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। গ্রাম-ভেলানগর।
।দেশ-বিদেশের স্মরণীয় কিছু লোকের নাম ও।
।জন্ম-মৃত্যুর কথা:।
এশিয়া মহাদেশ:
৫৬৩ খ্রিষ্টপূর্ব গৌতম বুদ্ধের জন্ম, খ্রিষ্টপূর্ব ৪৮৩ মৃত্যু। বুদ্ধধর্মের জন্ম খ্রিষ্টপূর্ব ৫২৫।
৫৫১ খ্রিষ্টপূর্ব ২৭ আগষ্ট, চীনা দার্শিনক কনফুসিয়াসের জন্ম এবং খৃষ্টপূর্ব ৪৭৯ মৃত্যুবরন।
৪৬৪ খ্রিষ্টপূর্বের এ দিনে (১৯-০৫-৪৬৪) নেপালের তরাই অঞ্চলের লুম্বিনীকাননে এক ছায়া-সুশীতল শালবৃক্ষের নিচে মহান বুদ্ধ বুদ্ধাঙ্কুররূপে (গৌতম বুদ্ধ) পৃথিবীতে আবির্ভূত হন। ২৯ বছর বয়সে তিনি সংসার ত্যাগ করে গভীর ধ্যানে মনোনিবেশ করেন গয়ায় বোধিদ্রুমমূলে। লাভ করেন বোধিজ্ঞান, আবির্ভূত হন মহান বুদ্ধরূপে। এ দিনেই তিনি মহানির্বাণপ্রাপ্ত হন।
১ খ্রিষ্টাব্দের ২৫ ডিসেম্বর, যীশু খৃষ্ট্রের জন্ম, মৃত্যু-৩১ খ্রিষ্টাব্দে।
৫৭০ সালের ২৯ আগষ্ট মোতাবেক ১২ রবিউল আউয়াল রোজ সোমবার প্রত্যুষে আরবের মক্কা নগরীতে সভ্রান্ত কুরাইশ বংশে মাতা আমেনার গর্ভে হযরত মুহাম্মদ(স.) জন্মগ্রহণ করেন এবং ১২ রবিউল আউয়াল, ১১শ হিজরী মোতাবেক ৭ জুন, ৬৩২ সালে প্রায় ৬৩-বছর বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন। বিশ্ব নবীর গোটা জীবনকাল প্রায় ২২,৩৩০(বাইশ হাজার তিনশত ত্রিশ) দিন ৬(ছয়) ঘন্টা সময়। মহানবী(স.) মক্কা নগরীতে অবস্থান করেণ ১২ বছর ৫ মাস ২১ দিন। মহানবী(স.) মদীনায় অবস্থান করেণ ১০ বছর ৬ মাস ৯ দিন। বিশ্বনবী(স.) জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ বদরের এবং ওহুদের যুদ্ধ। মহানবী(স.)-এর উপর সর্বপ্রথম ওহী নাজিল হয় ৬১০ সালের ৬ আগষ্ট মোতাবেক ২৭ রমজান।
৬১০ সালের ৩ জুলাই, সাহাবী সহল ইবনে সাইদ (রা.) ইন্তেকাল।
৬৩৪ সালের ২২ আগষ্ট, ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর (রা.) ইন্তেকাল।
৬৪৪ সালের ৩ নভেম্বর, আততায়ীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর (রা.) শাহাদাতবরণ।
৬৪৫ সালের ২৩ হিজরীঃ ১৯ জুলাই, সেনাপতি মুসলিম ইবনে ইকরামা(রা.) ইন্তেকাল।
৬৫৬ সালের ১৭ জুন, ইসলামের খলিফা হযরত ওসমান(রা.) বিদ্রোহী ঘাতকের হাতে নিহত।
৬৬১ সালের ২৭ জানুয়ারি, ইসলামের চতুর্থ খলিফা হযরত আলী(রা.) শাহাদত বরণ।
৬৭২ সালের ৩ জুলাই, সাহাবী মুয়াবিয়া ইবনে খোদাইজ(রা.) ইন্তেকাল।
৬৭৩ সালের ১১ জুলাই, বিখ্যাত সাহাবী হযরত ছররান ও জুবাইর(রা.) ইন্তেকাল।
৬৭৮ সালের ১৩ জুলাই, উম্মুল মোমেনিন হযরত আয়েশা সিদ্দিকা(রা.) মৃত্যু।
৬৯৩ সালের ১১ জুলাই, বিশিষ্ট সাহাবী আবু সাঈদ খুদরী(রা.) ইন্তেকাল।
৭০২ সালে ইমাম আবু হানিফা(রহ.) জন্মগ্রহন করেন, ৭৭২ সালে তিনি মৃত্যুবরন করেন।
৭১৬ সালের ২২ সেপ্টেম্বর, দামেস্কের সম্রাট সুলায়মানের মৃত্যু।
৭২২ সালে জাবির ইবনেহাইয়ান জন্মগ্রহন করেন এবং ৮০৩ সালে মৃতু্যুবরণ করেন।
৭২৩ সালের ১০ জুলাই, বিখ্যাত আরবী কবি ফরাজ দাকের ইন্তেকাল।
৭২৮ সালের ১০ অক্টোবর, বিশ্বখ্যাত সাধক হাসান বসরীর(রহ.) ইন্তেকাল।
৭৩৩ সালের ২৩ জুলাই, খলিফা মামুনুর রশিদের ইন্তেকাল।
৭৩৯ সালের ২ এপ্রিল, বাগদাদের খলিফা হারুন-অর রশিদের জন্ম, ৭৮৬ খ্রীষ্টাব্দ বাগদাদে হারুন-অল-রসিদের সিংহাসন লাভ এবং ৮০৯ সালের ২৪ মার্চ, বাগদাদে খলিফা হারুনুর রশিদের ইন্তেকাল।
৭৪২ সালের ৯ জুলাই, ইমাম শেহাব জুহরী(রহ.) ইন্তেকাল।
৭৫০ সালের ১১ জুলাই, খলিফা দ্বিতীয় মারওয়ান নিহত হওয়ার মধ্য দিয়ে উমাইয়া বংশের খেলাফতের অবসান।
৭৫৩ সালের ৭ জুলাই, বিশিষ্ট তাবেয়ী আতা ইবনে সায়েব কুকীর ইন্তেকাল।
৭৭৫ সালের ৭ অক্টোবর, বাগদাদের দ্বিতীয় খলিফা আবু জাফর মনসুরের ইন্তেকাল।
৮১০ সালে ইমাম বোখারী (রহ.) জন্মগ্রহন করেন এবং মৃত্যুবরন ৮৭০ সালে।
৮২১ সালের ৬ জুলাই, বিখ্যাত আরবী ব্যাকরণবিদ কুরতবীর ইন্তেকাল।
৮৪২ সালের ৫ জুন, আব্বাসীয় খলিফা মুতাসিম বিল্লাহ'র ইন্তেকাল।
৮৪২ সালের ১৪ জুলাই, বিখ্যাত ইসলামী ব্যক্তিত্ব হাফেজ আবুল ওয়ালিদের ইন্তেকাল।
৮৫৫ সালের ২০ জুলাই, ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বলের(রহ.) ইন্তেকাল।
৮৫৮ সালে আবু আবদুল্লাহ ইবনে জাবীর ইবনে সিনান আল বাত্তানীর জন্ম, মৃত্যু-৯২৯ সালে।
৮৭০ সালে আল ফারাবী জন্মগ্রহন করেন এবং মৃত্যুবরন করে ৯৬৬ সালে।
৮৭৪ সালের ৯ জুলাই, সুলতান বায়েজিদ বোস্তামীর(রহ.) ইন্তেকাল।
৯৪৬ সালের ১৭ জানুয়ারি, পশ্চিম পারস্যের শাসক অদুদ-উদ-দৌলা তুর্কীেদর বাগদাদ থেকে বহিস্কার করেন।
৯৭৬ সালের ১৪ নভেম্বর, চীনের জনদরদী সম্রাট তাই শুং-এর মৃত্যু।
৯৮০ সালের আগষ্ট মাসে বিশ্বখ্যাত পন্ডিত আরব দার্শিনক, চিকিৎসক ও বিজ্ঞানী ইবনে সিনা উজবেকিস্তানের খার্মাতায়েন জেলার বোখারা শহরের নিকট আফসানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং মৃত্যু-১০৩৭ সালের ২১ জুন। (পিতার নাম-আবদুল্লাহ এবং মায়ের নাম-সিতারা)।
৯৮৭ সালের ১ জুলাই, বিখ্যাত আরবী ব্যাকরণবিদ ইমাম আবু আলী আল হাসান ইবনে আহমদ আল ফারসীর ইন্তেকাল।
৯৮৭ সালের ৪ জুলাই, প্রচলিত জুমার খুতবা প্রণেতা নাবাতা আল খাতীবের ইন্তেকাল।
১০৪৮ সালে খোরাসানের রাজধানী নিশাপুরে পারস্যের বিজ্ঞানী ও কবি ওমর আল খৈয়ামের জন্ম, ০৪-১২-১১১২ তারিখ মৃত্যুবরন করেন।
১০৫৫ সালের ৭ জুলাই, আবু বাকার ইবনে মাকরানার(রহ.) ইন্তেকাল।
১০৫৮ সালে ইমাম গাজ্জালীর(রহ.) জন্ম এবং মৃত্যুবরন করেন ১১১১ সালে।
১০৬৩ সালের ১৯ জুলাই, ইবনে হাজমের ইন্তেকাল।
১০৭৭ সালে গাউছে পাক হজরত আবদুল কাদের জিলানীর (রহ.) জন্ম, মৃত্যু-১১৫৫ সালে।
১১৬২ সালে ইতিহাসে বিতর্কিত পুরুষ বহু দেশ বিজেতা ও মঙ্গল নেতা চেঙ্গিস খাঁনের জন্ম এবং মৃত্যু-১৮-০৮-১২২৭ তারিখ। 'চীনা ভূখন্ডেই চেঙ্গিস খানের সমাধি রয়েছে'। চীনে চেঙ্গিস খানকে শ্রদ্ধা করা হয় এবং চীনের কমিউনিষ্ট পার্টি তাকে মহান 'চীনা' রাজবংশের অগ্রদুত হিসেবে মনে করে থাকে।
১১৬৫ সালের ২৮ জুলাই, আবু বাকার মুহাম্মদ ইবনে আলী আরাবী আন্দালুসীর মৃত্যু।
১১৭৩ সালের ১৪ জুলাই, সালাউদ্দিন আইয়ুবীর পিতা নাজিমুদ্দিনের ইন্তেকাল।
১১৭৫ সালে আল্লামা ও পারস্যের কবি শেখ সা'দীর(রহ.) জন্ম, মৃত্যু-১২৯৫ সালে ১২০ বছর বয়সে।
১২৪৮ সালের ২৪ জুলাই, বিখ্যাত আরবী ব্যাকরণ 'কাফিয়া'র লেখক ইবনে হাজেবের মৃত্যু।
১২৮৮ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, চিকিৎসাবিদ ইবনে নাফিসের ইন্তেকাল।
১৩০৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর, হযরত শাহ জালাল(রহ.) ছিলেন ইয়েমেনীর সিলেট আগমনের সাতশ' বছর পূর্তি হয় ১৮-১২-২০০৩ তারিখ হযরত শাহ জালাল(রহ.) সুরমা নদীর যে ঘাট দিয়ে সিলেট শহরে প্রবেশ করেছিলেন সেই ঐতিহ্যবাহী স্থান শেখঘাট মসজিদ থেকে দরগাহ পর্যন্ত শোভাযাত্রা হয়েছিল। শাহ জালাল (রহ.) মাত্র ৩২ বছর বয়সে ৩৬০(তিনশত ষাট) জন সঙ্গী নিয়ে সিলেটে আগমন করেন। ৬২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। জন্ম-১২৭১ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৩৩৩ খ্রিষ্টাব্দে। কিন্তু মৃত্যু দেখানো হয়েছে ১৩৪৭ খ্রিষ্টাব্দে। প্রতি বছর ২২ ডিসেম্বর থেকে ওরসের কাজ শুরু হয়।
১৩২১ সালের ১৪ আগষ্ট, কবি দান্তের মৃত্যু।
১৩২২ সালের ২৭ ডিসেম্বর, বিশ্বের অন্যতম দার্শিনক সমাজ বিজ্ঞানী ও ঐতিহাসিক ইবনে খালদুনের জন্ম, মৃত্যু-১৪০৬ সালে।
১৩৭৮ সালের ২০ মে, বাহমানি রাজ্যের সুলতান দাউদ শাহ বাহমনি নিহত হন।
১৫০১ সালের ৩ জানুয়ারি, বিখ্যাত উজবেক কবি ও দার্শিনক নাজিমউদ্দিন মীর আলিশের ইন্তেকাল।
১৬২৯ সালের ১৯ জানুয়ারি, পারস্যের প্রথম সম্রাট শাহ আব্বাসের ইন্তেকাল।
১৭৮১ সালের ৬ জুলাই, সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠাতা স্যার টমাস স্ট্যামফোর্ড র্যাফলসের জন্ম, মৃত্যু-০৫-০৭-১৮২৬ তারিখ।
১৮৬৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর, শ্রীলঙ্গার কলম্বো শহরে ধনাঢ্য হেওয়া বিতরণ পরিবারে বৌদ্ধ পন্ডিত ও ভারতে বৌদ্ধ ধর্মের পুনর্জাগরণের অগ্রদূত অনাগারিক ধর্মপালের জন্ম, মৃত্যু-২৯-০৪-১৯৩৩ তারিখ।
১৮৬৬ সালের ১২ নভেম্বর, চীনের জাতীয়তাবাদী বিপস্নবী নেতা সানইয়াৎ সেনের জন্ম, মৃত্যু-১২-০৩-১৯২৫ তারিখ।
১৮৬৯ সালের ২৩ মার্চ, ফিলিপিন মুক্তি আন্দোলনের নেতা ও স্বাধীনতা সংগ্রামী আওলাইন্দো এমিলের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই।
১৮৮০ সালের ৮ জুলাই, জর্জিয়ার ককেসাস পার্বত্য অঞ্চলে আনতিসা কুরচাভার জন্ম। 'রুস্তাভি-২' টেলিভিশন প্রচার করে আনতিসা কুরচাভার সম্পর্কে এক প্রতিবেদনে দাবি করে, পৃথিবীর জীবীত মানুষদের মধ্যে কুরচাভাই সবচেয়ে বেশি বয়সী মানুষ। তাঁকে অবসর-ভাতা বই প্রদান করা হয়েছে ১৯৬০ সালে।
১৮৮৩ সালে লেবাননি কবি কহলিল জিবরানের জন্ম, মৃত্যু-১৯৩১ সালে।
১৮৮৭ সালে চীনের প্রধানমন্ত্রী চৌ এন-লাইয়ের জন্ম, মৃত্যু-০৮-০১-১৯৭৬ তারিখ।
১৮৮৭ সালের ৩১ অক্টোবর, চীনা যোদ্ধা এবং জাতীয়তাবাদী চীনের (বর্তমান তাইওয়ান) প্রেসিডেন্ট চিয়াং কাইশেকের জন্ম, মৃত্যু-০৫-০৪-১৯৭৫ তারিখ।
১৮৮৭ সালে জাপানে কামাটো হংগো'র জন্ম, মৃত্যু-২০০৩ সালের ডিসেম্বর। ১১৬ বছর বেঁচেছিলেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনিই ছিলেন (গিনেস বুক অব ওয়াল্র্ড রেকর্ডস অনুসারে) বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক পুরুষ মানুষ।
১৮৯০ সালের ১৯ মে, ভিয়েতনামের বিপস্নবী, কমিউনিষ্ট নেতা ও প্রেসিডেন্ট হো. চি. মিনের জন্ম, মৃত্যু-০৩-০৯-১৯৬৯ তারিখ। ১৯৪১ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি, তিরিশ বছর প্রবাস জীবন যাপনের পর হো-চি-মিন ভিয়েতনাম আসেন।
১৮৯২ সালের ২৯ মে, ইরানী বাহাই সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠাতা মির্জা বাহাউল্লাহ'র মৃত্যু।
১৮৯৩ সালের ২৬ নভেম্বর না ডিসেম্বর, বিপস্নবী কমিউনিষ্ট নেতা ও কমরেড মাও সে তুংগের জন্ম, মৃত্যু-০৯-০৯-১৯৭৬ তারিখ।
১৮৯৫ সালে চীনের চিয়াংসু প্রদেশের চি থিং ছিয়াও অঞ্চলে ছুটন্ত ঘোড়ার চিত্রকর ও শিল্পী সু পেই হোংগের জন্ম, ১৯৫৩ সালে মহান শিল্পী অকস্মাৎ মৃত্যুবরণ করেন।
১৮৯৫ সালের ১০ মে, জাপানের কামা চিনেনের জন্ম, মৃত্যু-০৩-০৫-২০১০ তারিখ। বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক নারী বলে গিনেস ওয়াল্র্ড রেকর্ড এ কথা জানায়।
১৮৯৫ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর, দক্ষিণ জাপানের কিউশিউ দ্বীপের মিয়াকোনোজো শহরে বিশ্বের সবচেয়ে প্রবীণ ব্যক্তি তোমোজি তানাবের ১১৩তম বার্ষিকী পালন করেন।