১৮৯৪ সালের ১৯ জুলাই, ঢাকায় পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমউদ্দিনের জন্ম, রাজনীতিবিদ খাজা নাজিমুদ্দিনের ইন্তেকাল-২২-১০-১৯৬৪ তারিখ। খাজা নাজিমউদ্দিনকে ১৯৫৩ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে উৎখাত করেন গোলাম মোহাম্মদ ও আইয়ূব খানের সহযোগিতায় তখনকার পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা সচিব মেজর জেনারেল ইস্কান্দার মির্যা। মীর জাফরের বংশধর মেজর জেনারেল ইস্কান্দার মির্যা। ইরানি বংশদ্ভূত এস. পি. টুনি মির্যার ছেলে হলো মেজর জেনারেল ইস্কান্দার মির্যা। ইস্কান্দার মির্যার জন্ম বাংলায় ছিল। সেনাবাহিনীর সহায়তায় ১৯৫৫ সালে ইস্কান্দার মির্যা পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেলের পদ দখল করেন। আর বরখাস্ত করেন মোহাম্মদ আলীকে। ১৯৫৬ সালে আরেক বাঙালি রাজনীতিক হোসেন শহীদ সোহওয়ার্দীেক পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেন। আর নিজেকে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হিসাবে ঘোষণা দেন। ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর, প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্যা পাকিস্তানে সামরিক আইন জারী করে ১৯৫৮ সালের ৮ অক্টোবর, প্রধান সেনাপতি আইয়ূব খানকে দেশে আইন-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য প্রধান সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত করেন। ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর, প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্যােক দেশত্যাগে বাধ্য করে নিজে জেনারেল আইয়ূব খান পাকিস্তানের স্বনির্বািচত প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত হন। আবার ১৯৬৯ সালের ২৫ মার্চ, জেনারেল ইয়াহিয়া খান পাকিস্তানের স্বনির্বািচত প্রেসিডেন্ট ফিল্ড মার্শাল আইয়ূব খানকে সরিয়ে নিজে ক্ষমতা দখল করেন। সে বছরই সাবেক প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্যা লন্ডনে মারা যান। কিন্তু তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান পাকিস্তানের প্রথম প্রেসিডেন্টকে নিজ দেশে দাফনের অনুমতি দেননি। তাই লন্ডন থেকে ইস্কান্দারের মরদেহ ইরানে নেওয়া হয় এবং পরে তেহরানে তাঁকে দাফন করা হয়। জেনারেল ইয়াহিয়া খান রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে থাকেন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছিল। কিন্তু ইয়াহিয়া খান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে অস্বীকৃতি জানান। সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালি জনগণের সাথে এটি ছিল সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতকতা। ১৯৭১ সালের পর পাকিস্তান এবং বাংলাদেশে বারবার রাজনীতিতে সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করেছে। জেনারেল জিয়াউল হক ১৯৭৭ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিলেন। তারপর আবার ১৯৯৮ সাল থেকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রক্ষমতায় আছেন জেনারেল (অব.) পারভেজ মোশাররফ ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত। ১৯৬৯ সালে ইস্কান্দার মির্যােক তেহরানে দাফন করা হলেও তাঁর প্রেতাত্মা এখনো জীবিত। শুধু নাম বদল হয়েছে, কিন্তু চরিত্র বদলায়নি। জেনারেল আইয়ূব খান, জেনারেল ইয়াহিয়া খান, জেনারেল জিয়াউল হক এবং জেনারেল পারভেজ মোশাররফ হোসেন হয়ে বেঁচে ছিলেন।
১৮৯৩ সালের ২৬ ডিসেম্বর, বিপস্নবী কমিউনিষ্ট নেতা ও কমরেড মাও সে তুং-এর জন্ম, মৃত্যু-০৯-০৯-১৯৭৬ তারিখ। ১৮৯৪ সালের ২২ মার্চ, চট্টগ্রামে মাস্টার দা সূর্যেসনের জন্ম, ১৯৩৪ সালের ১২ জানুয়ারি, চট্টগ্রাম যুব বিদ্রোহের নায়ক মাষ্টারদা সূর্যেসনের ফাঁসি হয়। ১৮৯৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর, টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর উপজেলার বিরামদি গ্রামে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ ও সাহিত্যিক প্রিন্সিপাল ইব্রাহিম খাঁ'র জন্ম, ইন্তেকাল-২৯-০৩-১৯৭৮ তারিখ। ১৮৯৪ সালে রংপুরে সাবেক পূর্ব-পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রি আবু হোসেন সরকারের জন্ম, মৃত্যুঃ ১৭-০৪-১৯৬৯ তারিখ। ১৮৯৪ সালে নোয়াখালীতে বিট্রিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সক্রিয় কর্মী, স্বাধীনতা সংগ্রামী, কবি ও সমাজসেবিকা আশালতা সেনের জন্ম, মৃত্যু-দিল্লীতে ০৩-০২-১৯৮৬ তারিখ। ১৮৯৬ সালে পূর্ব পাঞ্জাবের কার্নায় পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খানের জন্ম, রাওয়ালপিন্ডিতে জনসভায় বক্তৃতাকালে আততায়ীর গুলিতে নিহতঃ ১৬-১০-১৯৫১ তারিখ। ১৮৯৬ সালের ৪ নভেম্বর, রনদা প্রসাদ সাহার জন্ম, মির্জাপুর (টাংগাইল), যার নাম আরপি সাহা। ১৯৩৮ সালে ৭৫০(সাতশত পঞ্চাশ) শয্যাবিশিষ্ট বিখ্যাত কুমুদিনী হাসপাতাল স্থাপন করেন। ০৭-০৫-১৯৭১ তারিখ, গভীর রাতে পাক বাহিনী রনদা প্রসাদ সাহা ও তার একমাত্র পুত্র রবিকে ধরে নিয়ে যায় এবং হত্যা করে। ১৮৯৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর, বি-বাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মরিচাকান্দি গ্রামে বাঙ্গালী মুসলমানের মধ্যে প্রথম ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মিজানুর রহমানের জন্ম, মৃত্যু-১৫-০৮-১৯৮১ তারিখ। তিনি ১৯২৬ সালে প্রথম বি. সি. এস. লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হন। ১৮৯৭ সালের ২৩ জানুয়ারি, নেতাজি সুভাস চন্দ্র বসুর জন্ম, নেতাজি মৃত্যুবরণ করেছেনঃ ১৮-০৮-১৯৪৫ তারিখ রাত ১১টা ২০মিনিটের সময় তাইওয়ানে বিমান দুর্ঘটনায়। ১৮৯৭ সালের ৩০ জুলাই, কুষ্টিয়ার কুুমারখালী উপজেলার লক্ষীপুর গ্রামের মাতুলালয়ে বিচিত্র ও বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী, প্রখ্যাত জ্ঞানতাপস, ইমিরিটাস অধ্যাপক ড. কাজী মোতাহার হোসেনের জন্ম, মৃত্যুঃ০৯-১০-১৯৮১ তারিখ। তার ছোটবেলা কেটেছে রাজবাড়ী (ফরিদপুর) জেলার পাংশা উপজেলার বাগমারা গ্রামের পৈত্রিক নিবাসে। ১৮৯৭ সালের ৩ নভেম্বর, ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশালে সাংবাদিক ও সাহিত্যিক আবুল কালাম শামসুদ্দিনের জন্ম, মৃত্যু-০৪-০৩-১৯৭৮ তারিখ। ১৮৯৭ সালের ১৮ নভেম্বর, বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার নরোত্তমপুর গ্রামে উপমহাদেশে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, নারীপ্রগতি ও মুক্তিসংগ্রামের অন্যতম পথিকৃৎ মনোরমা বসুর জন্ম, মৃত্যু-১৯৯০ সালে।
১৮৯৭ সালের ২৩ নভেম্বর, কিশোরগঞ্জ জেলায় "বাঙ্গালী থাকিব না মানুষ হইব'' বইয়ের লেখক নিরুদ চন্দ্র চৌধুরীর জন্ম, মৃত্যু-১৯৯৯ সালে লন্ডন শহরে। ১৮৯৭ সালের ২১ ডিসেম্বর, ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা থানার মনোহরপুর গ্রামে কবি গোলাম মোস্তফার জন্ম, মৃত্যুঃ ১৩-১০-১৯৬৪ তারিখ। ১৮৯৮ সালের ১ মে, চট্টগ্রামের ফতেহাবাদ গ্রামে কথাশিল্পী মাহবুব-উল-আলমের জন্ম, ১৯৮১ সালের ৭ আগষ্ট কাজীর দেউড়ীস্থ নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন। ১৮৯৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর, উপমহাদেশের বিশিষ্ট সাহিত্যিক, সাংবাদিক, আইনজ্ঞ ও রাজনীতিবিদ আবুল মনসুর আহমদের জন্ম, ইন্তেকাল-১৮-০৩-১৯৭৯ তারিখ। ১৮৯৮ সালের ২৩ জুলাই, বাংলা সাহিত্যির দিকপাল তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম, মৃত্যু-১৯৭২ সালে। ১৮৯৮ সালে বরিশালের সন্তান অকুতোভয় পাইলট ইন্দ্রনীল রায়ের জন্ম, মৃত্যু-১৮-০৭-১৯১৮ তারিখ। পাইলট ইন্দ্রনীল রায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধে প্রাণ দিয়ে প্রমাণ রাখেন যে-বাঙ্গালীরা বীরের জাতি। ১৯১৬ সালে বিশ্বে প্রথম বিমান বাহিনী প্রতিষ্ঠিত হয় ''ব্রিটিশ রাজকীয় বিমান বাহিনীতে ক্যাডেট পাইলট হিসাবে তিনি লাভ করেন কিংস কমিশন''। ১৮ জুলাই তাঁর জঙ্গী বিমানটি ফের গুলি বিদ্ধ হয়ে ভূপাতিত হয়। বিধবস্ত বিমানের সাথে তিনি প্রাণ হারান। মাত্র ২০(বিশ) বছর আয়ু পেয়েছিলেন। ''পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে দুঃসাহসী মানুষের মধ্যে যাঁরা অগ্রগণ্য, তাদের মধ্যে ইন্দ্রনীল রায় একজন...এ অঞ্চলের একমাত্র ফাইটার এইস পাইলট হিসাবে তিনি বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।'' ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি, বরিশাল জেলায় বাংলা আধুনিক কাব্যবিক জীবনানন্দ দাশের জন্ম, ১৯৫৪ সালের ২২ অক্টোবর, কলকাতায় সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু।
১৮৯৯ সালের ২৫ মে, পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম, মৃত্যুঃ ২৯-০৭-১৯৭৬ তারিখ বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা বেজে ১০ মিনিটে। ১৯২১ সালের ১৭ জুন, নজরুলের সঙ্গে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের সৈয়দা নার্গিস আসর খানম ওরফে সৈয়দা খাতুনের বিয়ে হয়। অজ্ঞাত কারণে বিয়ের রাতেই শেষ হয়ে যায় এ সম্পর্ক। পরে ১৯২৪ সালের ২৪ এপ্রিল, প্রমীলাকে বিয়ে করেন নজরুল। ১৯৪২ সালের ১০ জুলাই থেকে কবি আলজাইমার্স ডিজিজে অসুস্থ ছিলেন। তাঁর পিতার নাম কাজী ফকির আহমদ। মা জাহিদা খাতুন। ১৯১৭ সালে করাচীতে গিয়ে তিনি সৈনিকের খাতায় নাম লেখান। তিনি ১৯২০ সালে সেখান থেকে ফিরে এসে দেশের স্বাধীনতার জন্য নিজকে উৎসর্গ করেন। কবি-পত্নী প্রমীলা নজরুল ইসলাম কলকাতায় ইন্তেকালঃ ৩০-০৬-১৯৬২ তারিখ। কবি-পত্নীর ইন্তেকালের প্রায় এক দশক পর কবিকে ঢাকায় আনা হয়েছিল ২৪ মে, ১৯৭২ সালে। ১৮৯৯ সালের ২৮ জুন, কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর উপজেলার হুমায়ূনপুর গ্রামে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর আবদুল মোনয়েম খানের জন্ম, মৃত্যু-১৪-১০-১৯৭১ তারিখ। গভর্নর ছিলেন ২৮-১০-১৯৬২ তারিখ থেকে ২৩-০৩-১৯৬৯ তারিখ পর্যন্ত। ১৮৯৯ সালে যশোর জেলার ঝিনাইদহের অধিবাসী বিপস্নবী সন্ত্রাসবাদের রোমান্সকর ব্যক্তিত্ব বাঘা যতীন দাসের জন্ম, ১৯২৯ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর, ৬৩ দিন অনশনের পর লাহোর কারাগারে মারা যান। ১৯০০ সালের ১৯ মার্চ, নোবেল বিজয়ী ফরাসী পদার্থিবদ ফ্রেদেরিক জুলিও কুরির জন্ম, ১৯৫৬ সালের ১৭ মার্চ, নোবেল বিজয়ী বিখ্যাত ফরাসী পদার্থিবদ জোলিও কুরির মৃত্যু।
১৯০০ সালের ৮ মে, পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার মাড় গ্রামের মাতুলালয়ে স্বনামধন্য বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ ড. মুহাম্মদ কুদরাত-এ-খুদার জন্ম, ঢাকায় মৃত্যুঃ ০৩-১১-১৯৭৭ তারিখ। ১৯০০ সালে সিলেটে আদর্শিক বাবা-মায়ের পরিবারে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অগ্নিকন্যা, নারীনেত্রী ও দেশব্রতী লীলা রায়ের (নাগ) জন্ম, কলকাতায় মৃত্যু-১১-০৬-১৯৭০ তারিখ। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রী। ১৯০০ সালের ১৭ মে, ইরানের খোমেইন শহরে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় গুরু ও রাজনৈতিক নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লা খোমেনীর (রহ.) জন্ম, মৃত্যু-০৪-০৬-১৯৮৯ তারিখ। ১৯০০ সালের ২৭ নভেম্বর, সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া থানার অন্তর্গত হাটিকুমরুল ইউনিয়নের তারুটিয়া নামক গ্রামের সন্ত্রান্ত মুসলিম পরিবারে কিংবদন্তী পুরুষ মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশের জন্ম, মৃত্যুঃ ২০-০৮-১৯৮৬ তারিখ। ১৯০০ সালে দিনাজপুর জেলার সুলতানপুর গ্রামে কৃষকনেতা ও রাজনীতিক হাজী মোহাম্মদ দানেশের জন্ম, মৃত্যু-২৮-০৬-১৯৮৬ তারিখ। ১৯০০ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার শিবপুর গ্রামে বেহালাবাদক, কন্ঠশিল্পী, সুরকার ও সঙ্গীত শিক্ষক ওস্তাদ মতিউর রহমানের জন্ম, মৃত্যুঃ ০১-০২-১৯৬৭ তারিখ। ১৯০০ সালে বরিশাল জেলায় বিপস্নবী লেখক আরজ আলী মাতুব্বরের জন্ম, মৃত্যু-১৯৮৫ সালে। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর তিন খন্ড রচনা সমগ্র প্রকাশিত হয়। পাকিস্তান সরকার ১৯৫১ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত তাঁর লেখা-লেখি করার ওপর বিধিনিষেধ করেছিলেন। ১৯০০ সালের ৮ ডিসেম্বর, রাজস্থানের উদয়পুরে নৃত্যলোকের রাজপুত্র উদয়শংকরের জন্ম, মৃত্যুঃ২৬-০৯-১৯৭৭ তারিখ। তিনিই প্রথম বাঙালি, যিনি জগৎসভায় নৃত্যকলা প্রদর্শন ও প্রচার করে প্রভূত যশ ও খ্যাতি অর্জন করেন। উদয়শংকরের আদি নিবাস বাংলাদেশের যশোরের কালিয়া গ্রামে। ১৯০১ সালের ৬ জুন, আধুনিক ইন্দোনেশিয়ার স্থপতি ড. আহমদ সুকর্নোর জন্ম, মৃত্যু-২১-০৬-১৯৭০ তারিখ। ১৯০১ সালের ২৮ জুলাই, বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট পার্টির সভাপতি কমরেড মণি সিংহের জন্ম, মৃত্যুঃ ৩১-১২-১৯৯০ তারিখ। মাতৃকুল ছিলেন নেত্রকোনার সুসং দুর্গাপুরের জমিদার। ১৯০১ সালে ফেনী জেলার দাগনভূঁইয়া উপজেলার রামনগর গ্রামে সাংবাদিক ও রাজনীতিক হামিদুল হক চৌধুরীর জন্ম, মৃত্যুঃ ১৮-০১-১৯৯২ তারিখ। ১৯০১ সালের ২৭ অক্টোবর, কুচবিহারের বলরামপুর গ্রামে মরমী শিল্পী আব্বাস উদ্দীনের জন্ম, মৃত্যুঃ ৩০-১২-১৯৫৯ তারিখ। শিল্পী আব্বাস উদ্দীনের পিতা জাফর আলী আহমেদ তুফানগঞ্জ আদালতের উকিল ছিলেন। ১৯০২ সালের ১৭ জানুয়ারি, তুরস্কের ছোট্ট শহর আলেপেস্নায় এক নিঃসঙ্গ বিপস্নবী ও বিখ্যাত তুর্কি কবি নাজিম হিকমতের জন্ম, মৃত্যু-০৩-০৬-১৯৬৩ তারিখ। ১৯০২ সালের ১ জুলাই, ভারতের পশ্চিম বাংলায় রম্য সাহিত্যিক ও বহু ভাষাবিদ সৈয়দ মুজতবা আলীর জন্ম, ঢাকায় ইন্তেকাল ১১-০২-১৯৭৪ তারিখ।
১৯০২ সালে বর্তমান চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার এক সভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ভারতীয় উপমহাদেশের স্বনামধন্য চিকিৎসক, পাকিস্তানের প্রথম এফআরসিপি (ইউ. কে.) ও বাঙালী মুসলমানদের চিকিৎসা পেশার অগ্রদুত ডা. নওয়াব আলীর জন্ম এবং ঢাকায় ইন্তেকাল-০৪-০৭-১৯৭৭ তারিখ। ১৯০২ সালে পশ্চিমবাংলায় বাংলা সিনেমা জগতের বিখ্যাত চলচ্চিত্র ও নাঠ্যাভিনেতা ছবি (শচীন্দ্রনাথ) বিশ্বাসের জন্ম, মৃত্যু-১১-০৬-১৯৬২ তারিখ মোটর দুর্ঘটনায় তিনি মারা যান। ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি, পল্লী কবি জসিমউদ্দীনের জন্ম, মৃত্যু ১৪-০৩-১৯৭৬ তারিখ। ১৯০৩ সালের ১৪ জানুয়ারি, বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলায় শিক্ষক, গবেষক ও ইতিহাসবিদ অধ্যাপক ড. নীহাররঞ্জন রায়ের জন্ম, কলকাতায় মৃত্যু-৩০-০৮-১৯৭৮ তারিখ। তাঁর সৃষ্টি বাঙালীর ইতিহাস আদি পর্ব। ১৯০৩ সালের ১ জুলাই, চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার অন্তর্গত কেওচিয়া গ্রামে শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক ও কথাসাহিত্যিক মনস্বী আবুল ফজলের জন্ম, মৃত্যু-০৪-০৫-১৯৮৩ তারিখ। ১৯০৩ সালের ২৯ অক্টোবর, নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলার ইলমদী গ্রামে সাবেক জাতীয় পরিষদের সদস্য (এম.এন.এ.), ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা, কবি ও সাংবাদিক বে-নজীর আহমেদের জন্ম, মৃত্যু-১২-০২-১৯৮৩ তারিখ। ১৯০৩ সালে ভারতের হায়দারাবাদ রাজ্যের আওরংগবাদ শহরে মাওলানা সাইয়েদ আবুল আ'লা মওদূদীর জন্ম, আমেরিকায় মৃত্যু-২২-০৯-১৯৭৯ তারিখ পাকিস্তান সময় অনুযায়ী সন্ধ্যা পৌঁনে ছ'টায়। তিনি ১৯৪১ সালের ২৬ আগষ্ট, লাহোরে ৭৫ জন লোক নিয়ে 'জামায়াতে ইসলামী' নামে একটি আদর্শবাদী দল গঠন। ১৯০৩ সালের ১ ডিসেম্বর, চট্টগ্রামে বিপস্নবী (চট্টগ্রাম অস্্রাগার লুন্ঠনের অন্যতম নায়ক এবং রাজনীতিবিদ) অনন্ত সিং-এর জন্ম, মৃত্যুঃ ২৫-০১-১৯৭৯ তারিখ। ১৯০৪ সালের ৩১ জানুয়ারি, পাবনা জেলার সুজানগর থানার মুরারিপুর গ্রামে শিক্ষাবিদ ও লোকসংস্কৃতি বিশেযজ্ঞ মুহম্মদ মনসুরউদ্দিনের জন্ম, ঢাকার শান্তিনগরে মৃত্যু-১৯-০৯-১৯৮৭ তারিখ। ১৯০৪ সালের ১৫ মার্চ, অন্নদা শংকর রায়ের জন্ম, মৃত্যু-২৮-১০-২০০২ তারিখ। তিনি ১৯২৯ সালে আই.সি.এস. পাশ করেন। কবি, সাহিত্যক, ছড়াকার এবং ১৯২৯ সালে বিলেত গিয়েছিলেন। ১৯০৪ সালের ১২ জুলাই, চিলির পারলাল শহরে পরিচিত ছিল কমিউনিষ্ট লেখক হিসেবে ও নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিক পাবলো নেরুদার জন্ম, মৃত্যু-২৩-০৯-১৯৭৩ তারিখ। ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে নোবেল পান।
ঙ্ ১৯০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি, পশ্চিম বাংলায় দার্শিনক-রাজনীতিবিদ আল্লামা আবুল হাশিমের জন্ম, (১৯৫০ সালে পশ্চিম বঙ্গের কলকাতা, বর্ধমান, বাঁকুড়া, হুগলী, হাওড়া, মেদিনীপুর প্রভৃতি অঞ্চলে মুসলিমবিরোধী সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হয় এবং এ কারণে ১৯৫০ সালে আবুল হাশিম দেশ ত্যাগ করে ঢাকায় চলে আসেন) মৃত্যুঃ ০৫-১০-১৯৭৪ তারিখ। ১৯০৫ সালের ৬ মার্চ, ঢাকা জেলার দামরাই উপজেলার বালিয়া গ্রামে সাবেক প্রধানমন্ত্রী আতাউর রহমান খানের জন্ম, মৃত্যু-০৭-১২-১৯৯১ তারিখ। ১৯০৫ সালের ১৫ এপ্রিল, বরিশালের গৈলা গ্রামে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম বিপস্নবী শহীদ তারকেশ্বর সেনগুপ্তের জন্ম, বন্দিশিবির থেকে পালাতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন ১৫-০৯-১৯৩১ তারিখ। ১৯০৫ সালে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গাজীপুর গ্রামে ঐতিহাসিক ও অধ্যাপক আবদুল হালিমের জন্ম, মৃত্যু-১৯৭২ সালে। ১৯০৫ সালে বিপস্নবী নেতা এবং ঐতিহাসিক নক্সালবাড়ী লড়াইয়ের সূচনাকারী শহীদ কমরেড চারু মজুমদারের জন্ম, মৃত্যুঃ ২৮-০৭-১৯৭২ তারিখ। ১৯০৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি, বাংলা সিনেমা জগতের বিখ্যাত মঞ্চ ও চলচ্চিত্র অভিনেতা পাহাড়ী (নরেন্দ্রনাথ) সান্যালের জন্ম, মৃত্যু-১০-০২-১৯৭৪ তারিখ। ১৯০৬ সালের ১ জুন, বি-বাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ থানার আড়াইসিধা গ্রামে কবি আবদুল কাদিরের জন্ম, মৃত্যুঃ ১৯-১২-১৯৮৪ তারিখ। ১৯০৬ সালে পাকিস্তানের স্বঘোষিত প্রেসিডেন্ট ফিল্ড মার্শাল মোহাম্মদ আইয়ূব খাঁনের জন্ম, (আইয়ূব খাঁন ১৯৫১ সালে পাকিস্তান আর্মীর সেনাপ্রধান হন এবং ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর, প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জােক সরিয়ে জেনারেল আইয়ূব খান পাকিস্তানের স্বনির্বািচত প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত হন।) মৃত্যুঃ ২০-০৪-১৯৭৪ তারিখ। ১৯০৬ সালে বি-বাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার রসুল্লাবাদ গ্রামে দার্শিনক ও প্রিন্সিপাল সাইদুর রহমানের জন্ম, মৃত্যু-২৮-০৮-১৯৮৭ তারিখ। ১৯০৬ সালের ২৫ অক্টোবর, সুনামগঞ্জের তেঘরিয়া গ্রামস্থ নানা মরমী কবি হাসন রাজার বাড়িতে ইসলামী চিন্তাবিদ ও দার্শিনক দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফের জন্ম, মৃত্যু-০১-১১-১৯৯৯ তারিখ। ১৯০৬ সালের ১ অক্টোবর, কুমিল্লার চর্থা গ্রামে উপমহাদেশের বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী ও সুরকার শচীন দেব বর্মেণর জন্ম, বোম্বে শহরে মৃত্যুঃ ৩১-১০-১৯৭৫ তারিখ।