| চৌধুরী মমতাজ বেগম(খিরন) | আহমদপুর চৌধুরীবাড়ি | ১২-০১-২০০৭ |
| মোঃ আবু তালেব(একরাম) | হাঁজীপুর | ১২-০১-২০০৭ |
| মনসুরুর রহমান(বেবী মামা) | মরিচাকান্দি | ১২-০১-২০০৭ |
| এ.কে.এম. আবদুল হক | উলুকান্দি | ১৩-০১-২০০৭ |
| হারুন-উর-রশীদ চৌধুরী | আহমদপুর | ১৩-০১-২০০৭ |
| মোহাম্মদ এমরান চৌধুরী | আহমদপুর | ১৩-০১-২০০৭ |
| মোহাম্মদ বেদন ভূঞা | আহমদপুর | ১৫-০১-২০০৭ |
| মিসেস বিলকিস বেগম | বলদিবাড়ি | ১৯-০১-২০০৭ |
| মিসেস ফেরদৌস বেগম | বলদিবাড়ি | ১৯-০১-২০০৭ |
| মিসেস হালিমা চৌধুরী | আহমদপুর চৌধুরীবাড়ি | ১৯-০১-২০০৭ |
| মিসেস নাসিমা চৌধুরী | আহমদপুর চৌধুরীবাড়ি | ১৯-০১-২০০৭ |
| মিসেস মাহমুদা চৌধুরী | আহমদপুর চৌধুরীবাড়ি | ১৯-০১-২০০৭ |
| মিসেস জেসমিন চৌধুরী | আহমদপুর চৌধুরীবাড়ি | ১৯-০১-২০০৭ |
| মাসুম সরকার | গাঙ্গেরকোট | ১৯-০১-২০০৭ |
| জনাব বায়েস সরকার | সতরা | ১৯-০১-২০০৭ |
| মিসেস ইরন চৌধুরী | আহমদপুর চৌধুরীবাড়ি | ১৯-০১-২০০৭ |
| মিসেস সেলিনা চৌধুরী | আহমদপুর চৌধুরীবাড়ি | ১৯-০১-২০০৭ |
| মিসেস মাকসুদা চৌধুরী | আহমদপুর চৌধুরীবাড়ি | ১৯-০১-২০০৭ |
| মিসেস ইয়াসমিন চৌধুরী | আহমদপুর চৌধুরীবাড়ি | ১৯-০১-২০০৭ |
| মিসেস তাহমিনা চৌধুরী | আহমদপুর চৌধুরীবাড়ি | ১৯-০১-২০০৭ |
| মোহাম্মদ আবু মুসা | হ্াঁজীপুর | ১৯-০১-২০০৭ |
| ডাঃ কাউসার | হ্াঁজীপুর | ১৯-০১-২০০৭ |
| মিসেস মমতাজ বেগম চৌধুরী | আহমদপুর চৌধুরী | ১৯-০১-২০০৭ |
| একরাম | হ্াঁজীপুর | ১৯-০১-২০০৭ |
| মিসেস পারভিন আক্তার | উলুকান্দি | ১৯-০১-২০০৭ |
| মিসেস চুনু বেগম | ব্ইলঘর(২টি) | ১৯-০১-২০০৭ |
| শাহাদত হোসেন(জাহাঙ্গীর) | ভেলানগর বড়বাড়ি | ১৯-০১-২০০৭ |
| মোঃ আবদুল কাইয়ূম | ভেলানগর বড়বাড়ি | ১৯-০১-২০০৭ |
| মিসেস সাকিনা ইয়াসমিন | ভেলানগর বড়বাড়ি | ১৯-০১-২০০৭ |
| মিসেস মিনু আক্তার | ভেলানগর বড়বাড়ি | ১৯-০১-২০০৭ |
| নাদিম | ভেলানগর বড়বাড়ি | ১৯-০১-২০০৭ |
| শফিক | ভেলানগর বড়বাড়ি | ১৯-০১-২০০৭ |
| হাসান মামা | মরিচাকান্দি | ১৯-০১-২০০৭ |
| মশ্িউল আলম চৌধুরী(রনভী | আহমদপুর চৌধুরীবাড়ি | ১৯-০১-২০০৭ |
| মামুনকে আরো ২টি | সতরা | ১৯-০১-২০০৭ |
| সেলিনার স্বামীকে-৪টি | আহমদপুর | ১৯-০১-২০০৭ |
| তপনকে আরো ২টি | গাঙ্গেরকোট | ১৯-০১-২০০৭ |
| লাকী আক্তার | ভেলানগর বড়বাড়ি |
| আবদুল আজীজ ব্যাপারীর মেয়ে | নাসিরাবাদ | ১৯-০১-২০০৭ |
| স্বপনকে | গাঙ্গেরকোট | ১৯-০১-২০০৭ |
| অপুকে-২টি বই দেয়া হয়েছে | হ্াঁজীপুর | ১৯-০১-২০০৭ |
| ইমনকে-২টি | আহমদপুর | ১৯-০১-২০০৭ |
| মোঃ একরামূল হক(শিসন) | ফতেপুর বা হাতিরপুল | ৩১-০১-২০০৭ |
| মোঃ শাহেদ আলীকে | ভেলানগর বড়বাড়ি | ০৩-০২-২০০৭ |
| মোঃ বাহালুল হক চৌধুরীকে | ভারপ্রাপ্ত কন্ট্রোলার | ০৭-০২-২০০৭ |
| মোহাম্মদ ফারুক মাষ্টার | ভেলানগর বড়বাড়ি | ১২-০২-২০০৭ |
| রুপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয়-এর | রূপসদী | ১২-০২-২০০৭ |
| মিসেস খুকী বেগমকে | ভেলানগর দিওয়ানবাড়ি | ১২-০২-২০০৭ |
| মোহাম্মদ সাঈদকে | প্যারাকান্দিকাঠালবাগান | ১৩-০২-২০০৭ |
| মীরণ খালাকে(মকিমপুর) | নাসরিনের নিকট | ১৫-০৩-২০০৭ |
| সুলতান মামার স্ত্রীকে | নাসরিনের নিকট | ১৫-০৩-২০০৭ |
| স্নেহের আন্না শরীফকে | নাসরিনের বোন | ১৫-০৩-২০০৭ |
| স্নেহের জেবীনের বান্ধবীকে | নাসরিরেন মেয়ে | ১৫-০৩-২০০৭ |
| রূপসদী সরকারবাড়ির আমার সহপাঠী আবদুল | মিসেস ফরিদা বেগমকে | ২৭-০৩-২০০৭ |
| মোতালেব সরকার(মিন্টু)-এর স্ত্রী মিসেস |
| মোঃ মফিজুল ইসলাম | ভূতেরগুলি,ধানমন্ডি | ২০-০৪-২০০৭ |
| মিসেস কাঞ্চন(আপাকে) | ভেলানগর বড়বাড়ি | ১৮-০৫-২০০৭ |
| মোহাম্মদ জহিরুল কাইয়ূম | ইসলামপুর(নয়াপল্টন) | ২২-০৫-২০০৭ |
।গাযী আহমদ-এর দুই ছেলে:।
!
| খান মাহমুদ চৌধুরী-এর ছেলে | সালেহ্ আহমদ চৌধুরী-এর ছেলে |
! !
| আলী আকবর চৌধুরী-এর ছেলে | হাফেজ বখতিয়ার আহমদ চৌধুরী-এর ছেলে |
! !
| তোরাফ-উদ-দীন চৌধুরী-এর ছেলে | মোহাম্মদ রহিমোল্লা চৌধুরী-এর ছেলে |
! !
| হাফিজ-উদ-দীন চৌধুরী-এর ছেলে | মোহাম্মদ রেহান-উদ-দীন চৌধুরী-এর ছেলে |
! !
| সুন্দল হোসেন চৌধুরী-এর ছেলে | মোহাম্মদ রিয়াসত-উল্লাহ চৌধুরী-এর ছেলে |
! !
| তোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী-এর ছেলে | মোহাম্মদ শফি-উদ-দীন চৌধুরী-এর ছেলে |
! !
| আবদুর রহমান চৌধুরী-এর ছেলে | আলহাজ আবদুল মোমেন চৌধুরী-এর ছেলে |
! !
| মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর চৌধুরী-এর ছেলে | চৌধুরী ইকতিয়ারউদ্দিন মোহাম্মদ বখতিয়ার খিলজী-এর |
!
।মোহাম্মদ তোফায়েল ইসলাম চৌধুরী।
।প্ইরাংকুল চৌধুরীবাড়ির সাক্ষাতকার নিয়েছি-ডাঃ হাবিবুর রহমান চৌধুরীর, জন্ম-১৯২৮ সালে, বেলা ২ ঘটিকার।
| সময় মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর চৌধুরী মাষ্টারের বাড়িতে ০৪-০১-২০০৭ তারিখ | আমি মোঃ জাকির হুসেন(আলমগীর), আমার |
| সহযোগী ইমন চৌধুরী ও মামা মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম চৌধুরী(রফিক) | পইরাংকুল চৌধুরীবাড়ির ঠিকানা: |
| রেদাত্ত করীম চৌধুরী, ১৪০/১, খিলগাঁও, গুড়াণ, প্রভাতীবাগ | মোবাঃ-০১৭১৯৯৭৯০৫৫ |
২০১৫ সালের ১৮ আগস্ট বলেছেন যে, জনাব সোরজ কুমার সরকার, সহকারী রেজিস্ট্রার, সমাজকল্যাণ শাখা, রেজিস্ট্রারের দপ্তর। তাঁর অফিসের রুমে বসে আড্ডা দিচ্ছিলাম বিকেল বেলায় এমন সময় বলে উঠে যে, আমি সরোজ কুমার সরকার আগামী এক বছরের মধ্যে ধনী হব। আমি মো: জাকির হুসেন, অবসরপ্রাপ্ত ডেপুটি-রেজিস্ট্রার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বলে উঠি যে আপনি এ চাকরি করলে আগামী এক বছর মানে ১৮-০৮-২০১৬ তারিখের মধ্যে ধনী হতে পারবে না। ঐদিন মানে সেপ্টেম্বর মাসের ১৮-০৯-২০১৫ তারিখ আবার বলেছে যে, আগামী ১৮-০৮-২০১৭ তারিখের মধ্যে ধনী হতে পারব।
রূপসদীর আমীর উদ্দিন দারোগার নাম বদলে ঘাট মসজিদ বলে সদরঘাট বাদামতলী, বাবুবাজার।
নদীর তীরে অনন্যসুন্দর একটি মসজিদ। নিচে বইঠাসহ দুটি নৌকা। একটির পাটাতনে বসে গল্প করছেন কয়েকজন। ঢাকা: ফোর ইয়ারস হিষ্ট্রি ইন ফটোগ্রাফসহ বংলাদেশের পুরোনো ছবির কয়েকটি সাইটে গ্রামীণ পরিবেশেরর এমন একটি ছবি পাওয়া গেল। তাতে বলা হচ্ছে বুড়িগঙ্গাতীরে আমীর উদ্দিন দারোগ্া মসজিদের ছবিটি ১৯১২ সালের। ইতিহাসবিদ মুনতসীর মামুনের ঢাকা: স্মৃতি বিস্মিৃতির নগরী বইটিতেও এই মসজিদ এবং আমির উদ্দিনের বাড়ির একটি ছবি পাওয়া গেল। মসজিদটি সম্ভবত ১৮৪০ সালে নির্মিত। মুনতাসীর মামুন তথ্যসূত্র দিয়ে লিখেছেন, উনিশ শতকে ঢাকার একজন প্রতিপত্তিশালী নাগরিক ছিলেন আমীর উদ্দিন। উপাধি দেখে মনে হয় খুব সম্ভবত কোম্পানি আমলে তিনি দারোগা ছিলেন। প্রচুর অর্থ উপার্জন করেছিলেন। চাকরির উপার্জন দিয়ে এই যুগের নব্য ধনীদের মতো আমীর উদ্দিন ত্রিপুরা জেলার বরদাখাত পরগনায় জমিদারি কিনেছিলেন, যার মৌজার সংখ্যা ছিল বাইশ। জমিদারি কেনার সঙ্গে সঙ্গে তিনি অর্জন করেছিলেন আভিজাত্যও। কিন্তু জমিদার নয়, সবাই তাঁকে দারোগা আমির উদ্দিন নামেই চিনতেন। তিনি বুড়িগঙ্গার তীরে বিশাল একটি বাড়ি ও মসজিদ তৈরি করেছিলেন। মসজিদটিতে মোগল আমলের নির্মাণকাজ চোখে পড়ে। বুড়িগঙ্গার আশেপাশে যাঁরা থাকতেন, তাঁরা ওই মসজিদে নামাজ পড়তেন। আমীর উদ্দিনের দুই ছেলে (১) দিলওয়ার আলী ও (২) মুনশি ইউসুফ আলী। ইউসুফ আলীর ছেলে মুনশি গোলাম মাওলার মোরগ লড়াই ও ভাটিয়ালি গানের প্রতি গভীর টান ছিল। তাঁর সময়েই জমিদারি হাতছাড়া হয়। ইতিহাসের এই বর্ণনা পড়ে বাস্তবে গিয়ে খুঁজলে এখন আর আমীর উদ্দিনের বাড়ি পাওযা যাবে না। তবে বাবুবাজার ঘাট এলাকায় আমীর উদ্দিনের স্মৃতিসৌধ ও মসজিদটি এখনো টিকে আছে। অঅশপাশে উঠে গেছে বহুতল ভবন। এলাকার লোকজন অবশ্য দারোগা আমীর উদ্দিন মসজিদের বদলে এটিকে ঘাট মসজিদ হিসেবেই চেনে। বুড়িগঙ্গার তীর থেকেও মসজিদটি দেখা যায়। তবে মসজিদের আশপাশের জায়গা বেদখল হয়ে গেছে। সেখানে এখন গড়ে উঠেছে দোকান। রাখা হয়েছে ট্রাকসহ নানা ধরনের মালামাল। তবে ধুলোয় বিবর্ণ হয়ে যাওয়া মসজিদটি এখনো মনে করিয়ে দেয় ঢাকার শত বছরের পুরোনো ইতিহাস। ছবি: হাসান রাজা। ১৮৪০ সালে মসজিদ তৈরি করা হয়। মসজিদের ১৯১২ সালের ছবি ছিল পত্রিকায় এবং বর্তমান ছবি ছিল পত্রিকায়। ছবিগুলো দেয়া গেল না। দারো আমীর উদ্দিনের বাড়ি ছিল-রূপসদী গ্রামে, পোঃ রূপসদী, থানা-বানঞ্ছারামপুর, জিলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া। দারোগা আমীর উদ্দিন বিয়ে করেছে ভেলানগর গ্রামের খোশাল দেওয়ানের তিন নং মেয়েকে। খোশাল দিওয়ান ছিলেন বরদাহাত পরগনার দিওয়ান। মোঃ জাকির হুসেন ওরফে আলমগীরের মায়ের দাদার দাদার ভায়রা ভাই হল দারোগা আমীর উদ্দিন। ১৮৪৫ সালে জমিদারি খাজনারদায়ে লাটে ওঠলে বানঞ্ছারামপুর উপজেলায় ২২(বাইশ) মৌজা জমিদারি কিনেছিলেন। দারোগা আমীর উদ্দিন-অঅবুল কালাম যাকারিয়া ভাইয়ের দাদার বাবার ভায়রা ভাই ছিল।
২০১৪ সালের ৭ এপ্রিল, বাংলাদেশ সফরে সার্ন-এর মহাসচিব জার্মান পদার্থিবজ্ঞানী রালফ ডিটার হয়্যার। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীেদর অনেক সম্ভাবনা। সার্ন প্রতি বছর সারা বিশ্বের তিন হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩০০ শিক্ষার্থীেক গ্রীষ্মকালীন কর্মসূচীতে গবেষণার সুযোগ দেয়। এবার বাংলাদেশের পক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী এ সুযোগ পাচ্ছেন। ব্রহ্মান্ডের সৃষ্টিরহস্য উদঘাটন নিয়ে কাজ করেন জার্মান পদার্থিবজ্ঞানী রালফ ডিটার হয়্যার। মহাবিশ্ব কি দিয়ে তৈরি। শুরুতে দেখতেই বা কেমন ছিল তার রূপটা? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতেই কাজ করছে হয়্যারের প্রতিষ্ঠান সার্ন, যা বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও প্রসিদ্ধ পদার্থিবদ্যা গবেষণাগার হিসেবে পরিচিত। ২০১২ সালের জুলাইতে সার্ন ঘোষণা দিয়েছিল হিগস বোসন বা ঈশ্বর-কণার অস্তিত্ব। এ কণা মহাবিশ্বের সৃষ্টিরহস্য উন্মোচনের অনেক বিষয় সমাধান করতে পারে। ২০১৩ সালে পদার্থিবদ্যায় নোবেল পাওয়া ফ্রাসোয়াঁ ইংলাখত ও পিটার হিগসের 'লার্জ হার্ড ও কলাইডারের' গবেষণাটিও চালানো হয় সার্নে। তাই দুই বছর ধরে সার্নেক নিয়ে জগৎজুড়েই তুমুল আলোচনা।
এর পেছনে যুক্তিটা কী। রালফের উত্তর: 'অনেকেই বলে থাকেন বিজ্ঞানে তাঁদের আগ্রহ নেই। প্রয়োজনের সবটাই যে বিজ্ঞান। যদি কোনো মৌলিক বিজ্ঞান না থাকে, তবে কোনো প্রায়োগিক বিজ্ঞানের অস্তিত্ব থাকার কথা নয়। ২৩ বছর আগে সার্নে সৃষ্টি হয়েছিল ওয়াল্র্ড ওয়াইড ওয়েবের (ডডড)। এ ঘটনা পৃথিবীজুড়েই এনেছে নাটকীয় পরিবর্তন। তাহলে জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপই তো বিজ্ঞানের সঙ্গে হাত ধরেই আমরা চলেছি।
গড পার্টিকল বা ঈশ্বর-কণা যে বিশেষ জাতের সেটি প্রথম বলেছিলেন বাঙালি পদার্থিবদ সত্যেন্দ্রনাথ বসু। তাই প্রথম ওই কণাটির অস্তিত্ব কল্পনাকারী ব্রিটিশ পদার্থিবদ পিটার হিগস। হিগস ও সত্যেন্দ্রনাথ বসুকে নিয়ে এর নামকরণ হয়েছে হিগস বোসন।
বিজ্ঞানকে আন্তর্জািতক ভাষা হিসেবে বিবেচনা করেন রালফ ডিটার হয়্যার। কারণ, বিজ্ঞানের মাধ্যমে এক দেশের সঙ্গে অন্য দেশের মানুষকে এক সুতোয় বাঁধা সম্ভব।