১৮৩৩ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি, শ্রী রামকৃঞ্চ কামারপুকুর গ্রামে জন্মগ্রহণ, মৃত্যু-১৮৮৬ সালে।
১৮৩৩ সালের ২০ জুলাই, কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কুন্ডুপাড়ার এক দরিদ্র পরিবারে গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৎ উনিশ শতকের সংবাদপত্র গ্রামবার্তা প্রকাশিকার সম্পাদক কাঙাল হরিণাথ মজুমদারের জন্ম, মৃত্যুঃ ১৬-০৪-১৮৯৬ তারিখ।
১৮৩৩ সালে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কেশবপুর গ্রামে সিলেটের মরমী বৈঞ্চব সাধক কবি রাধারমণ দত্তের জন্ম, মৃত্যু-১৩-১১-১৯১৫ তারিখ। বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে এই মরমী সাধককে ধামাইল গানের জনক বলা হয়।
১৮৩৪ সালের ১৪ মে, নরসিংদীর সদর উপজেলার মেহেরপাড়ায় কোরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদক গিরিশ চন্দ্র সেনের জন্ম, মৃত্যু-১৫-০৮-১৯১০ তারিখ।
১৮৩৪ সালের ১০ জুন, খুলনা জেলার সেনহাটি গ্রামে এক বৈদ্য পরিবারে সাহিত্যিক ও সাংবাদিক কৃঞ্চচন্দ্র মজুমদারের জন্ম, মৃত্যু-১৩-০১-১৯০৭ তারিখ।
১৮৩৪ সালে কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার হোমনাবাদ পরগনার পশ্চিমগাঁও-এ নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানীর জন্ম, মৃত্যু-২৩-০৯-১৯০৩ তারিখ। তার স্বামী মুহাম্মদ গাযী চৌধুরী ত্রিপুরার বিখ্যাত জমিদার ছিলেন। অবশ্য ফয়জুন্নেসার দাম্পত্য-জীবন সুখের হয়নি। তাঁর 'রুপ জালাল' উপন্যাসটি (আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস) ১৮৭৬ সালে প্রকাশিত হয়। নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী কুমিল্লা জেলার প্রথম নবাব।
১৮৩৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার শ্যামগ্রামে সঙ্গীত অনুরাগী ভূবন রায়ের জন্ম, মৃত্যু-১৮৮৯ সালে।
১৮৩৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, শ্রী শ্রী রামকৃঞ্চ পরমহংসদেবের (গদাধর চট্টোপাধ্যায়) জন্ম, মৃত্যু-১৬-০৮-১৮৮৬ তারিখ।
১৮৩৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি, মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার ষোলঘরের পশ্চিম ঘোষপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন প্রতিথযশা এ আইনবিদ স্যার চন্দ্রমাধব ঘোষ, মৃত্যু-১৯-০১-১৯১৮ তারিখ। ১৯০৬ সালে অবিভক্ত বাংলার প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত হয়েছিলেন।
১৮৩৮ সালে ফরিদপুর নিবাসী কবি গোবিন্দচন্দ্র রায়ের জন্ম, মৃত্যু-১৯১৭ সালে।
১৮৩৯ সালে সাধক আলেফ চাঁন দেওয়ানের জন্ম, মৃত্যু-১৯২৯ সালে (বাংলা-জন্ম-১২৪৬ সালে, মৃত্যু-১৩৩৬ সালে)।
১৮৪০ সালে যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার অমৃতবাজার গ্রামে সংবাদপত্র জগতের কিংবদন্তি শিশির কুমার ঘোষের জন্ম, কলকাতায় মৃত্যু-১০-০১-১৯১১ তারিখ। ১৮৬৮ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি, প্রকাশ করেন 'সাপ্তাহিক অমৃতবাজার' পত্রিকা। ১৮৭১ সালে সপরিবারে কলকাতায় গিয়ে সেখান থেকেই 'অমৃতবাজার পত্রিকা' বের করতে থাকেন। ১৮৯১ সালে পত্রিকা দৈনিক হিসেবে প্রকাশ হতে থাকে।
১৮৪১ সালে তেলিরবাগ, মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুরে সমাজসেবক ও কলকাতা হাইকোর্টের একজন শীর্ষস্থানীয় উকিল দুর্গােমাহন দাশের জন্ম, কলকাতায় মৃত্যু-১৮৯৭ সালে। বরিশাল আদালতের খ্যাতনামা উকিল কাশীশ্বর তাঁর পিতা।
১৮৪১ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম পন্ডিত দরিকান্দি গ্রামের মুনশি নৈমদ্দিন পন্ডিতের জন্ম, মৃত্যু-১৯১৫।
১৮৪১ সালের ১৩ মার্চ, মুন্সিগঞ্জ জেলার বৈরাগাদি গ্রামে ব্যারিস্টার মনমোহন ঘোষের জন্ম, মৃত্যু-১৬-১০-১৮৯৬ তারিখ।
১৮৪২ সালে বিক্রমপুর(বঙ্গাব্দ-১২৪৮), ভাগ্যকুলে জমিদার শ্রীনাথ রায়ের জন্ম, মৃত্যু-ভাগ্যকুল-০৪-০৬-১৯২৪ তারিখ (বাংলা ২১ জ্যৈষ্ঠ, ১৩৩১)।
১৮৪৩ সালের ২৩ জুলাই, মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর ভরাকর গ্রামে সাহিত্যিক, সাংবাদিক কালীপ্রসন্ন ঘোষের জন্ম, মৃত্যু-২৯-১০-১৯১০ তারিখ। 'একবার না পারিলে দেখ শতবার' তাঁর একটি বহুল পরিচিত কবিতা।
১৮৪৪ সালে মানিকগঞ্জ জেলার দাদরখি গ্রামে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের মুনশি ও লেখক মুন্সী আদালত খানের জন্ম, মৃত্যু-১৮৯৪ সালে। ১৮৬২ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে মুনশি পদে যোগদান করেন। পিতা জুলফিকার খান ছিলেন ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রাচ্যশাখার গ্রন্থাগারিক। আদালত খান কলকাতা মাদ্রাসা ও প্রেসিডেন্সি কলেজে শিক্ষালাভ করেন।
১৮৪৫ সালে টাঙ্গাইল জেলার চড়ান গ্রামে সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ আবদুল হামিদ খান ইউসুফজয়ীর জন্ম, মৃত্যু-১৯১৫ সালে।
১৮৪৭ সালে কিশোরগঞ্জ জেলার জয়সিন্ধি গ্রামের এক ভূস্বামী পরিবারে জাতীয়তাবাদী নেতা, সমাজসংস্কারক ও ব্রাহ্ম সমাজের পথপ্রর্দশক আনন্দমোহন বসুর জন্ম, মৃত্যু-২০-০৮-১৯০৬ তারিখ। ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর তিনি বঙ্গভঙ্গ বিরোধী এক সভায় সভাপতিত্ব করেন এবং রোগসয্যা হতে বিশাল জনসমাবেশে ভাষণ দেন।
১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর, কুষ্টিয়া জেলার গৌরী নদীর তীরে লাহিনীপাড়া গ্রামে কালজয়ী উপন্যাস 'বিষাদসিন্ধু'র রচয়িতা-১৮৭৬ সালে ও মুসলিম বাংলা সাহিত্যের অন্যতম দিকপাল, বিশিষ্ট সাহিত্যিক মীর মোশাররফ হোসেনের জন্ম, মৃত্যু-১৯-১২-১৯১২ তারিখ।
১৮৪৯ সালে বিক্রমপুরের গাড়ডুগা গ্রামে প্রখ্যাত গণিতশাস্ত্রবিদ অধ্যাপক রাজকুমার সেনের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। পদার্থ বিজ্ঞান গ্রন্থ রচনাসহ জ্যোতিষশাস্ত্রের উপর কয়েকটি গ্রন্থ রচনা করেছেন।
১৮৫০ সালে সাবেক ফরিদপুর জেলা বর্তমানে মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার সেনদিয়া গ্রামে রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ ও সমাজকর্মী অম্বিকাচরণ মজুমদারের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই।
১৮৫২ সালে ময়মনসিংহ জেলার বাঘিল গ্রামে এক রক্ষণশীল পরিবারে ব্রাহ্ম সমাজ ও স্বদেশী আন্দোলনের অন্যতম নেতা কৃঞ্চকুমার মিত্রের জন্ম, মৃত্যু-১৯৩৬ সালে।
১৮৫২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যনগর গ্রামে মুনশি সোলেমান মিয়ার জন্ম, মৃত্যু-১৯১৩ সালে। তাঁর ছেলে ১৮৭৯ সালে মুনশি সুভেদ আলীর জন্ম, মৃত্যু-১৯৪৪ সালে। তাঁর ছেলে ১৯০৬ সালে মুনশি আবদুল মজিদের জন্ম, মৃত্যু-১৯৮২ সালে। তার ছেলে ১৯৪৭ সালের ৩০ জুলাই, মধ্যনগর মুনশিবাড়িতে ব্যাংকার মোঃ নুরুল ইসলাম (নুরুর) জন্ম, মৃত্যু-১৬-০৬-২০১৫ তারিখ। তাঁর ছেলে ১৯৭৬ সালের ৩০ জুন, নগরিরচর গ্রামে নানাবাড়িতে মোঃ রেজাউল করিমের(কাজল) জন্ম।
১৮৫২ সালের ২৩ জুন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সুলতানপুর গ্রামে ব্রাহ্মসাধক রামকানাই দত্তের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। তিনি পদ্যে 'মুহাম্মদ' নামে হযরত মু.(স.) জীবনী লিখেছেন।
১৮৫৪ সালের ২১ ডিসেম্বর, সুনামগঞ্জের লক্ষণশ্রী গ্রামের বিখ্যাত জমিদার, বাংলার মরমী কবি ও সাধক হাছন রাজার জন্ম, মৃত্যু-০৭-১২-১৯২২ তারিখ। তাঁর ছেলে ১৮৭৬ সালে গনিউর রাজার জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। মরমী কবি হাছন রাজা হলো দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফের নানা।
১৮৫৫ সালে রংপুর জেলার পায়রাবন্দ পরগনায় এক অভিযাত সামন্ত পরিবারে একজন প্রখ্যাত মুসলিম মহিলা, কবি ও সমাজকর্মী কুরিমুন্নেসা খানম চৌধুরীর জন্ম, মৃত্যু-২৬-০৯-১৯২৬ তারিখ।
১৮৫৬ সালের ২৫ জানুয়ারি, বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার অন্তর্গত বাটোজোর একটি ছোট গ্রামের সচ্ছল কায়স্থ ভূম্যধিকারী পরিবারে জনহিতৈষী ও জাতীয়তাবাদী নেতা এডভোকেট অশিনীকুমার দত্তের জন্ম, মৃত্যু-০৭-১১-১৯২৩ তারিখ।
১৮৫৭ সালের ৮ নভেম্বর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার শিবপুর গ্রামে গীতিকার, সুরকার, গায়ক ও বংশীবাদক সাদক ফকির আফতাব উদ্দিন খাঁর জন্ম, মৃত্যু-২৫-০১-১৯৩৩ তারিখ।
১৮৫৮ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার বিটঘর গ্রামে মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য জন্মগ্রহণ করেন, মৃত্যু-১৯৪৩ সালে।
১৮৫৮ সালে উপমহাদেশের নন্দিত গণিতসম্রাট যাদবচন্দ্র চক্রবর্তী সিরাজগঞ্জ জেলার কামারচন্দ্র থানার তেঁতুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন, মৃত্যু-২৬-১১-১৯২৩ তারিখ। ১৮৮৭ থেকে একাদিক্রমে ২৮ বছর অধ্যাপনা করেন। ১৯১৫ সালে অবসর নেন আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
১৮৫৮ সালের ৩০ নভেম্বর, বিজ্ঞানী স্যার জগদীস চন্দ্র বসু ময়মনসিংহে জন্মগ্রহন করেন (মুন্সীগঞ্জ জেলার বিক্রমপুরের রাড়িখাঁল গ্রামে বাবার বাড়ি), ১৯৩৭ সালের ২৩ নভেম্বর গিরিডিতে মৃত্যুবরন করেন।
১৮৫৮ সালে বাঙ্গালী ঐতিহ্য ও হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের ইরানী বংশোদ্ভূত বাংলাকাব্যের মহাকবি কায়কোবাদ ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ থানার আগলা পূর্বপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং মৃত্যুবরণ করেন ১৯৫১ সালের ২১ জুলাই।
১৮৫৮ সালে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুরের আড়িয়াল গ্রামে ব্যায়ামবিদ শ্যামাকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম, মৃত্যু-০৬-১২-১৯১৮ তারিখ। এ তথ্যটি মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুরের সেকড়ের সন্ধানের লেখক সাইদুল ইসলাম খানের বই থেকে নিয়েছি। ব্যায়ামবিদ শ্যামাকান্ত পাটনার নবাবের চিড়িয়াখানার বাঘিনীর সঙ্গে লড়াই করে জয়ী হলে নবাব র্কতৃক বাঘসমেত এক হাজার টাকা পুরস্কার প্রদান। তাঁর বুকের ওপর ১২/১৩ মণ ওজনের পাথর ভাঙতেন। এভাবে শ্রেষ্ঠ ব্যায়মবিদ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ।
১৮৫৯ সালের ২৩ অক্টোবর, যশোরের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব রায়বাহাদুর যদুনাথ মজুমদারের জন্ম, মৃত্যু-২৪-১০-১৯৩২ তারিখ। ১৮৮১ সালে এম. এ. পরীক্ষায় ইংরেজীতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন।
১৮৬০ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি (বাংলা ৪ ফাল্গুন, ১২৬৬ সালে), মুন্সিগঞ্জ জেলার ভাগ্যকুল গ্রামে জমিদার ও দানবীর হরেন্দ্রলাল রায়ের জন্ম, মৃত্যু-কলকাতায় ২৮-০৯-১৯৩৭ তারিখ (বাংলা ১৩ আশ্বিন, ১৩৪৪ সালে)।
১৮৬০ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি, মাদারীপুরের হাঁজী খাদেম হোসেন শিকদারের জন্ম, মৃত্যু-২৮-০৩-২০১২ তারিখ। পৃথিবীর সবচেয়ে জীবিত বয়স্ক মানুষ হিসেবে ২৮ মার্চ(মঙ্গলবার) ১৫২ বছর ১ মাস ২১ দিন বয়সে পৃথিবী থেকে চির বিদায় নিলেন। আমার জানামতে এটা সঠিক তথ্য নয়।
১৮৬০ সালে বরিশালে কবি মোজাম্মেল হকের জন্ম, মৃত্যু-৩০-১১-১৯৩৩ তারিখ।
১৮৬০ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার রতনপুর গ্রামে খান বাহাদুর আবদুর রউফের জন্ম, মৃত্যু-১৯৩২ সালে।
১৮৬১ সালের ২ আগষ্ট, খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার রাড়ুলি গ্রামে বাঙালীর রসায়নচর্চার পথিকৎ (স্যার পিসি রায়) আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের জন্ম, মৃত্যু-১৯৩৪ সালে।
১৮৬১ সালের ১ মার্চ, নওগা জেলার গৌরনাইয়ের বরেন্দ্র বর্মণ পরিবারের সন্তান এবং রাজশাহীর একজন নেতৃস্থানীয় আইনজীবী, সুসাহিত্যিক, নাট্যানুরাগী, সম্পাদক, সমাজকর্মী, খ্যাতনামা ঐতিহাসিক, দেশপ্রেমিক, প্রখ্যাত পন্ডিত ও পুরাতত্ত্ববিদ (নদীয়া জেলার নওয়াপাড়া থানার সিমুলিয়ায় আইনজীবী, সমাজকর্মী, খ্যাতনামা ঐতিহাসিক) অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়র জন্ম, মৃত্যু-১০-০২-১৯৩০ তারিখ। বাংলাদেশে তো বটেই, সারা ভারতেই অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়ের মতো প্রতিভাধর বাঙালি বিরল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় ও অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় তিনজন প্রতিভাবান বাঙালির মধ্যে দু'জনের জন্মই বাংলাদেশে।
১৮৬১ সালে ঢাকা জেলার মহেশ্বরদী পরগনার নরসিংদী গ্রামে কবিগুণাকর হরিচরণ আচার্যেযর জন্ম, মৃত্যু-২৭-০৫-১৯৪১ তারিখ।
১৮৬২ সালের ৮ অক্টোবর, ব্রাহ্মণবাড়িযা জেলার, নবীনগর উপজেলার শিবপুর গ্রামে উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ সংগীতগুরুদের অন্যতম ওস্তাদ ও সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ'র জন্ম, মধ্য প্রদেশের মাইহারে মৃত্যু-০৬-০৯-১৯৭২ তারিখ।
১৮৬৩ সালে ফেনী জেলার শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক খান বাহাদুর আবদুল আজীজের জন্ম, মৃত্যু-১৯২৬ সালে। তাঁর পিতা আমজাদ আলী ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের ব্যক্তিগত সহকারী। আবদুল আজীজ ঢাকা কলেজ থেকে ১৮৮৬ সালে বি.এ. পাস করে। বৃহত্তর নোয়াখালী জেলার প্রথম র্গযাজুয়েট ছিলেন। পরিচয় হলোঃ কবি হাবিবুল্লাহ বাহার ও কবি শামসুন নাহারের নানা।
১৮৬৩ সালে সিলেট জেলার পাঠানটোলার শিক্ষাবিদ, লেখক ও জাতীয়তাবাদীকর্মী মৌলভী আবদুল করিমের জন্ম, মৃত্যু-কলকাতায় ১৯৪৩ সালে।
১৮৬৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর, ধনবাড়ী, টাঙ্গাইল, নবাব বাহাদুর সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরীর জন্ম এবং মৃত্যু-১৭-০৪-১৯২৯ তারিখ। অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুসলিম মন্ত্রী, বিশিষ্ট লেখক ও শিক্ষাবিদ ছিলেন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।
১৮৬৩ সালে মধুসূদনের ভ্রাতুষপুত্রী কবি মানকুমারী বসুর জন্ম, মৃত্যু-১৯৪৩ সালে।
১৮৬৪ সালের ১২ অক্টোবর, ঝালকাঠি জেলার বাসন্ডা গ্রামে কবি কামিনী রায়ের জন্ম, মৃত্যু-২৭-০৯-১৯৩৩ তারিখ। তিনি ১৫ বছর বয়সেই লিখেছেন প্রথম কবিতাগ্রন্থ "আলো ও ছায়া"।
১৮৬৪ সালে মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার শ্যামসিদ্ধি গ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতের প্রধান অধ্যাপক ও বহু মূল্যবান গ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে শ্রীশচন্দ্র চক্রবর্তীর জন্ম, মৃত্যু-১৯৪৫ সালে। ভারতীয় উপমহাদেশের বহু মনীষী গুরুত্বপূর্ণ মতামত চেয়ে তাঁর কাছে পত্র লিখতেন।
১৮৬৫ সালের ২২ জুন, চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার উনাইপুরা গ্রামে বৌদ্দভিক্ষু ও পন্ডিত কৃপাশরন মহাস্থবিরের জন্ম, মৃত্যু-৩০-০৪-১৯২৭ তারিখ।
১৮৬৬ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাছিরনগর উপজেলার গোকর্ণ গ্রামে বিচারপতি নবাব স্যার সৈয়দ শামসূল হুদার জন্ম, মৃত্যু-০৭-১০-১৯২২ তারিখ। (সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের সভাপতি ছিলেন এবং ব্রিটিশরাজ ১৯১৩ সালে নাইট উপাধিতে ভূষিত করেন)। বিচারপতি নবাব স্যার সৈয়দ শামসূল হুদা ফজলে হাসান আবেদের বাবা মরহুম সিদ্দিক হাসান আবেদের মামা।
১৮৬৬ সালের ৪ নভেম্বর, মানিকগঞ্জের বকজুড়ি গ্রামে প্রাচীন পুঁথি সংগ্রাহক, অবিভক্ত বাংলার প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও গবেষক আচার্য অধ্যাপক ড. দীনেশ চন্দ্র সেনের জন্ম, কলকাতায় মৃত্যু-২০-১১-১৯৩৯ তারিখ।
১৮৬৭ সালে সিলেট জেলায় গজনফর আলী খানের জন্ম, মৃত্যু-২৬-০৩-১৯৫৯ তারিখ। তিনি ১৮৯৭ সালে অবিভক্ত ভারতের প্রথম বাঙালি মুসলিম আই. সি. এস. অফিসার ছিলেন।
১৮৬৭ সালে মানিকগঞ্জ জেলায় বাংলা চলচ্চিত্রের জনক ও প্রবাল পুরুষ হীরালাল সেনের জন্ম, মৃত্যু-২৯-১০-১৯১৭ তারিখ। ১৮৯৮ সালের ৪ এপ্রিল, বাংলা চলচ্চিত্রের জনক হীরালাল সেন প্রথম চলচ্চিত্র প্রদর্শন করেন।
১৮৬৭ সালে চট্টগ্রাম জেলার সন্ধীপে লেখক ও ইসলামি পন্ডিত আবদুল আওয়াল জৌনপুরীর জন্ম, মৃত্যু-১৮-০৬-১৯২১ তারিখ কলকাতার মানিকতলায় তাঁকে সমাহিত।
১৮৬৮ সালে জন্মগ্রহণকারী বঙ্গশ্বেরী, নাটোরের রানি ভবানীর বংশধর ছিলেন মহারাজা জগদিন্দ্রনাথ রায়, মৃত্যু-জানা নেই। এই রাজা রাজনীতি, সাহিত্য, সংগীতচর্চার পাশাপাশি ছিলেন অসাধারণ ক্রীড়া সংগঠক।
১৮৬৮ সালের ৭ জুন, পশ্চিম বাংলার উত্তর ২৪(চব্বিশ) পরগনা জেলার বশিরহাট মহকুমার হাকিমপুর গ্রামে সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ'র জন্ম, তিনি ঢাকাতে ইন্তেকাল করেন ১৮-০৮-১৯৬৮ তারিখ।
১৮৬৯ সালের ২৯ অক্টোবর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার শিবপুর গ্রামে মুনশি নায়েব আলী খাঁর জন্ম, মৃত্যু-১৬-১০-১৯৭১ তারিখ।
১৮৬৯ সালে যশোর জেলায় সাহিত্যিক প্রমোথ চৌধুরীর জন্ম, মৃত্যু-১৯৪৬ সালে।
১৮৬৯ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানার চারগাছ গ্রামে অখিলচন্দ্র দত্তের জন্ম, মৃত্যু-১৯৫০ সালে। বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় তিনি সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন।
১৮৭০ সালের এপ্রিল মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার গুনিয়ক গ্রামে ব্যারিস্টার আবদুর রসুল, বি.সি.এল.-এর জন্ম, মৃত্যু-৩১-০৭-১৯১৭ তারিখ লন্ডনে। তিনি ছিলেন এ উপমহাদেশের একজন শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতা।
১৮৭০ সালের ৫ নভেম্বর, মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানার তেলিরবাগ গ্রামে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী ও আইনজীবী দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের জন্ম; মৃত্যু-১৬-০৬-১৯২৫ তারিখ দার্জিিলংয়ে।
১৮৭১ সালের ১১ অক্টোবর, চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার সূচক্রদন্ডী গ্রামের এক মদ্যবিত্ত পরিবারে বিশিষ্ট পুঁথিসংগ্রাহক ও লেখক মুন্সি আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদের জন্ম, ঢাকায় মৃত্যু-৩০-০৯-১৯৫৩ তারিখ।