১৯৪৯ সালের ২৫ ডিসেম্বর, লাহোরে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের জন্ম।
১৯৫০ সালের ২৬ ডিসেম্বর, পাকিস্তানের ২৫তম প্রধথানমন্ত্রী রাজা পারভেজ আশরাফের জন্ম।
১৯৫২ সালের ৯ জুন, করাচীর এক সম্ভান্ত পরিবারে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানির জন্ম। তিনি ২৪তম প্রধানমন্ত্রী (ক্ষমতা-মার্চ-২০০৮)।
১৯৫২ সালের ২৫ নভেম্বর, পাঞ্জাব প্রদেশের লাহোরে পাঠান বংশোদ্ভূত পাকিস্তান ক্রিকেটের কিংবদন্তী তারকা ইমরান খানের (পুরো নাম ইমরান খান নিয়াজী) জন্ম।
১৯৫৩ সালের ২১ জুন, পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের করাচিতে বেনজির ভুট্টো জন্মগ্রহণ করেন, মৃত্যু-২৭-১২-২০০৭ তারিখ।
১৯৫৫ সালের ২২ জুলাই, করাচিতে পাকিস্তানের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আসিম আলী জারদারি জন্মগ্রহণ করেন। (ক্ষমতা গ্রহণ-০৯-০৯-২০০৮)।
১৯৫৬ সালের ২০ ডিসেম্বর, পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে প্রথম নারী স্পিকার ফাহমিদা মির্জার জন্ম।
১৯৬৬ সালের ১ জানুয়ারি, পাকিস্তানের ক্রিকেট খেলোয়ার ওয়াসিম আক্রামের জন্ম।
১৯৭০ সালের ৩ মার্চ, পাকিস্তানের মুলতান, পাঞ্জাবে সাবেক পাকিস্তান ক্রিকেট টিমের ক্যাপ্টেন ইনজামাম-উল-হকের জন্ম।
১৯৭০ সালে পাকিস্তানে সাঈদা হোসেন ওয়ারসির জন্ম। ওয়ারসি যুক্তরাজ্যের পাকিস্তানি অভিবাসী কারখানা শ্রমিকের মেয়ে। ব্রিটেনে প্রথম মুসলিম মন্ত্রী সাঈদা হোসেন ওয়ারসি।
১৯৭৩ সালের ১ জানুয়ারি, পাকিস্তানের প্রখ্যাত সংগীত শিল্পী রাহাত ফতেহ আলী খানের জন্ম।
১৯৭৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পাকিস্তানের তরুণ পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রাব্বানি খার জন্ম।
১৯৮০ সালের ১ মার্চ, পাকিস্তানের উত্তর-পূর্ব সীমান্ত প্রদেশের 'আফ্রিদি' নামের এক অনগ্রসর উপজাতি পরিবারে ক্রিকেটার শাহিবজাদা মোহাম্মদ শহীদ খান আফ্রিদির জন্ম।
১৯৮৮ সালের ২১ সেপ্টেম্বর, বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির জন্ম।
১৯৯৭ সালের ১২ জুলাই, পাকিস্তানের নারীশিক্ষা অধিকার কর্মী মালালা ইউসুফজাইের জন্ম।
পাকিস্তান
| ১ | শিল্পী নূরজাহান বেগম | ১৯২২ | মারা গেছেন |
| ২ | অভিনেতা মোহাম্মদ আলী | ১৯৩০ | মারা গেছেন |
| জেনারেল মুসা খান | ১৯১০ | মারা গেছেন |
| লে. জেনারেল টিক্কা খান | ১৯১৪ | মারা গেছেন |
| মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী | ১৯১৭ | মারা গেছেন |
| গবর্নর ফিরোজ খান নুন | ১৯১২ | মারা গেছেন |
| রাজনীতিক এয়ারমার্শাল আজগর খান | ১৯১১ | মারা গেছেন |
| রাজনীতিক জেনারেল জিয়াউল হক | ১৯২৫ | মারা গেছেন |
| রাজনীতিক বিলাওয়াল ভূট্টো | ১৯৮৪ | জীবিত |
| আজম খান-গভর্নর | ১৮৯৯ | মারা গেছেন |
| প্রখ্যাত সাংবাদিক হামিদ মির | ১৯৬৪ | জীবিত |
।পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল।
| মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ | ১৪.০৮.১৯৪৭-১১.০৯.১৯৪৮ |
| খাজা নাজিমউদ্দীন | ১১.০৯.১৯৪৮-১৯৫১ |
| ইস্কান্দার মির্জা | ১৯৫৫-১৯৫৬ |
।পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টগণ।
| ইস্কান্দার মির্জা | ২৩.০৩.১৯৫৬-২৭.১০.১৯৫৮ |
| মোহাম্মদ আয়ুব খান | ২৭.১০.১৯৫৮-২৫.০৩.১৯৬৯ |
| আগা মোঃ ইয়াহিয়া খান | ২৫.০৩.১৯৬৯-২০.১২.১৯৭১ |
| জুলফিকার আলী ভুট্টো | ২০.১২.১৯৭১-১৩.০৮.১৯৭৩ |
| চৌধুরী ফজল ইলাহি | ১৩.০৮.১৯৭৩-১৬.০৯.১৯৭৮ |
| মোহাম্মদ জিয়াউল হক | ১৬.০৯.১৯৭৮-১৭.০৮.১৯৮৮ |
| গোলাম ইসহাক খান | ১৭.০৮.১৯৮৮-১৮.০৭.১৯৯৩ |
| ওয়াসিম সাজ্জাদ | ১৮.০৭.১৯৯৩-১৪.১১.১৯৯৩ |
| ফারুক আহমেদ লেঘরী | ১৪.১১.১৯৯৩-০২.১২.১৯৯৭ |
| মোহাম্মদ রফিক তারার | ০১.০১.১৯৯৮-২০.০৬.২০০১ |
| পারভেজ মোশাররফ | ২০.০৬.২০০১-১৮.০৮.২০০৮ |
| আসিফ আলী জারদারী | ০৯.০৯.২০০৮-০৯-০৯-২০১৩ |
| মামনুন হুসাইন | ০৯-০৯-২০১৩-থেকে |
।পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীগণ।
| লিয়াকত আলী খান | ১৪.০৮.১৯৪৭-১৬.১০.১৯৫১ |
| খাজা নাজিম উদ্দীন | ১৭.১০.১৯৫১-১৭.০৪.১৯৫৩ |
| মোহাম্মদ আলী বোগরা | ১৭.০৪.১৯৫৩-১২.০৮.১৯৫৫ |
| চৌধুরী মোহাম্মদ আলী | ১২.০৮.১৯৫৫-১২.০৯.১৯৫৬ |
| হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী | ১২.০৯.১৯৫৬-১৭.১০.১৯৫৭ |
| ইব্রাহিম ইসমাইল চন্দ্রিগড় | ১৭.১০.১৯৫৭-১৬.১২.১৯৫৭ |
| মালিক ফিরোজ খান নুন | ১৬.১২.১৯৫৭-০৭.১০.১৯৫৮ |
| মোহাম্মদ আয়ুব খান | ০৭.১০.১৯৫৮-২৮.১০.১৯৫৮ |
| আগা মো. ইয়াহিয়া খান | ২৫-০৩-১৯৬৯-২০-১২-১৯৭১ |
| নুরুল আমিন | ০৭.১২.১৯৭১-২০.১২.১৯৭১ |
| জুলফিকার আলী ভুট্টো | ১৪.০৮.১৯৭৩-০৫.০৭.১৯৭৭ |
| জেনারেল মোহাম্মদ জিয়াউল হক | ০৫-০৭-১৯৭৭-২৪-০৩-১৯৮৫ |
| মোহাম্মদ খান জুনাই | ২৪.০৩.১৯৮৫-২৯.০৫.১৯৮৮ |
| মোহাম্মদ জিয়াউল হক(২য় মেয়াদে) | ২৯-০৫্ত১৯৮৮-১৭-০৮-১৯৮৮ |
| বেনজির ভুট্টো | ০২.১২.১৯৮৮-০৬.০৮.১৯৯০ |
| গোলাম মোস্তফা জাতোই | ০৬.০৮.১৯৯০-০৬.১১.১৯৯০ |
| মঈন নেয়াজ শরীফ | ০৬-১১-১৯৯০-১৮.০৭.১৯৯৩ |
| মঈনুদ্দিন আহম্মেদ কোরেসি | ১৮.০৭.১৯৯৩-১৮.০৭.১৯৯৩ |
| বেনজির ভুট্টো | ১৮.০৭.১৯৯৩-০৫.১১.১৯৯৬ |
| মালিক মেরাজ খালিদ | ০৫.১১.১৯৯৬-১৭.০২.১৯৯৭ |
| মঈন নেয়াজ শরীফ(২য় মেয়াদে) | ১৭.০২.১৯৯৭-১২.১০.১৯৯৯ |
| পারভেজ মোশাররফ | ১১-১০-১৯৯৯-১৮-০৮-২০০৮ |
| মীর জাফরুল্লাহ খান জামালি | ২১.১১.২০০২-২৬.০৬.২০০৪ |
| চৌধুরী সাজ্জাদ হোসাইন | ৩০.০৬.২০০৪-২০.০৮.২০০৪ |
| শওকত আজিজ | ২০.০৮.২০০৪-১৬.১১.২০০৭ |
| মোহাম্মদ মিয়া সুমোরো | ১৬.১১.২০০৭-২৫.০৩.২০০৮ |
| ইউসুফ রাজা গিলানি | ২৫.০৩.২০০৮-২২.০৬.২০১২ |
| রাজা পারভেজ আশরাফ | ২২.০৬.২০১২-০৬-০৬-২০১৩ |
| মঈন নেয়াজ শরীফ(৩য় মেয়াদে) | ০৬-০৬-২০১৩-থেকে |
পাকিস্তানের সেনাপ্রধানগণ
| ১ | প্রথম সেনা প্রধান ইংরেজ জেনারেল | ১৪-০৮-১৯৪৭ থেকে |
| জেনারেল ফিল্ড মার্শাল আইয়ূব খান | ১৯৪৮ সাল থেকে |
| জেনারেল মুসা | ১৯৬৪ সাল থেকে ২৪-০৩-১৯৬৯ |
| জেনারেল ইয়াহিয়া খান | ২৫-০৩-১৯৬৯-২০-১২-১৯৭১ |
| জেনারেল হামিদ খান | ২০-১২-১৯৭১- |
| জেনারেল টিক্কা খান | ১৯৭৩ সাল থেকে |
| জেনারেল মোহাম্মদ জিয়াউল হক | ০৫-০৪-১৯৭৭-১৭-০৮-১৯৮৮ |
| জেনারেল পারভেজ মোশাররফ-১৩তম | ১১-১০-১৯৯৯-১৮-০৮-২০০৮ |
| জেনারেল আশফাক কায়ানি(অব.)-১৪তম | ০৭-০৭-২০০৭-২৯-১১-২০১৩ |
| ২ | জেনারেল রাহিল শরিফ(১৫তম) | ২৯-১১-২০১৩-২৯-১১-২০১৬ |
| জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া-১৬তম | ২৯-১১-২০১৬-১৬তম |
পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতিগণ
| বিচারপতি মুহাম্মদ ইব্রাহিম | ১৯৪৭ থেকে |
| বিচারপতি হামিদুর রহমান | দ্বিতীয় বিচারপতি |
| ইফতেখার মুহাম্মদ চৌধুরী | ১২-১২-২০১৩ তারিখ পর্যন্ত ছিল |
| ৬৪ বছর বয়সী জিলানী | ১২-১২-২০১৩ তারিখ থেকে |
বাংলাদেশ:
৯৮২ সালে বৌদ্ধ ধর্মের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পুরুষ শ্রীজ্ঞান অতীশ দীপংকর মুন্সীগঞ্জের সদর উপজেলার বজ্রযোগিনী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন, ১০৫৪ সালের ১৮ নভেম্বর, দেহত্যাগ করেন চীনদেশে। ১৯৭৮ সালের ২৩ জুন, অতীশ দীপংকরের দেহভস্ম চীন থেকে ঢাকায় আনা হয়।
১২৭১ খ্রিষ্টাব্দে ইয়েমেনে হযরত শাহ জালাল (রা.)'র জন্ম, বাংলাদেশের সিলেট শহরে মৃত্যু-১৩৩৩ খ্রিষ্টাব্দে। মৃত্যু দেখানো হয়েছে ১৩৪৭ খ্রিষ্টাব্দে। কিন্তু ৬২ বছর বয়সে মারা গেছেন।
১৪৩৪ সালে সিলেট জেলার নবগ্রাম-লাউর গ্রামে এক বারেন্দ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে বৈঞ্চব দার্শিনক অদ্বৈতাচার্য (গোস্বামী)'র জন্ম, মৃত্যু-১৫৫৮ সালে।
১৪৫৮ সালের ২৩ অক্টোবর, বিখ্যাত সূফী সাধক ও ইসলাম প্রচারক খাজা খান জাহান আলীর (রহ.) ইন্তেকাল।
১৫৩১ সালে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার পদ্মা তীরবর্তী প্রেমতলীর খেতুর গ্রামের গৌরাঙ্গবাড়িতে ঠাকুর শ্রী নরোত্তম দাসের জন্ম, মৃত্যু- ১৮-১০-১৫৮১ তারিখ।
১৫৫০ সালে কিশোরগঞ্জ সদরে চাতুয়াইল গ্রামে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের প্রথম বাঙালি কবি চঁন্দ্রাবতীর জন্ম, মৃত্যু-১৬০০ সালে।
১৬০৭ সালে মধ্যযোগীয় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আলাওলের জন্ম, মৃত্যু-১৬৮০ সালে।
১৬১৫ সালে আকা বাকের (জ্যেষ্ঠ)'র জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। আকা বাকেরের বংশ তালিকা (আকা বাকের তুর্কি মুসলমান ছিলেন, ঢাকার বিখ্যাত বাখরখানি রুটির প্রবর্তক ছিলেন তিনি নিজেই)। তাঁর ছেলের নাম পাওয়া যায়নি। ছেলের জন্ম হতে পারে-১৬৪৩ সালে, মৃত্যু-জানা নেই। তাঁর ছেলে-আহসান উল্লাহ খানের জন্ম-১৬৭১ সালে, মৃত্যু-জানা নেই। আহসান উল্লাহ খান ছিলেন মুর্শিদকুলিখানের সময়ে হুগলীর ফৌজদার। তাঁর ছেলে-আকা সাদেকের জন্ম-১৬৯৯ সালে, মৃত্যু-জানা নেই। (৩৮৬ বর্গমাইল এলাকা) বৃহত্তর কুমিল্লার বলদাখাল বা বলদাখাত পরগনার জমিদার ছিলেন। তাঁর ৩(তিন) ছেলে-(১) মির্যা ইব্রাহিম বেগ ওরফে মির্যা ভেলার জন্ম-১৭২৭ সালে, মৃত্যু-জানা নেই। তিনিও ৩৮৬ বর্গমাইল এলাকার জমিদার ছিলেন। (২) মির্যা আবুল হোসেন ওরফে আকানবী। (৩) মির্যা মোহাম্মদ জাফর। মির্যা মোহাম্মদ জাফর গংঙ্গামন্ডল পরগনার জমিদার ছিলেন। মির্যা ভেলার ৩(তিন) মেয়ে-(১) আযি-উন-নিসা খানমের জন্ম-১৭৫৫ সালে, মৃত্যু-জানা নেই। পতি মীর আশরাফ আলী খান-এর বাড়ি ইরানের সিরাজনগরে। আশরাফ আলী খানের জন্ম-১৭৪৮ সালে, মৃত্যু-১৮২৯ সালে। উনি জমিদার ছিলেন। (২) রওশন আরা খানম-পতি মির্যা মোহাম্মদ বাকের (পাটনা)। উনিও জমিদার ছিলেন। (৩) তৃতীয় কন্যার নাম জানা যায়নি। পতি-মির্যা হোসেন আলী। নিঃসন্তান ছিলেন। উনিও জমিদার ছিলেন। আযি-উন-নিসা খানমের দুই ছেলে-(১) খান বাহাদুর সৈয়দ আলী মেহেদি খানের (বড়ে খান) জন্ম-১৭৭৫ সালে, মৃত্যু-জানা নেই। (২) খান বাহাদুর সৈয়দ মেহেদি খান (ছোটে খান)। বড়ে খানের এক ছেলে-(১) সৈয়দ আসাদ-উদ-দীন হায়দর ওরফে আসাদ উল্লাহ খানের জন্ম-১৮০২ সালে, মৃত্যু-১৮৭০ সালে। তাঁর ৩(তিন) ছেলে-(১) সৈয়দ আহমদের (বড় সৈয়দ) জন্ম-১৮৩০ সালে, মৃত্যু-জানা নেই। (২) সৈয়দ মাহমুদের (মাঝলা সৈয়দ) জন্ম-১৮৩২ সালে, মৃত্যু-জানা নেই। (৩) নবাব সৈয়দ মোহাম্মদ খানের (নান্না সৈয়দ) জন্ম-১৮৩৫ সালে, মৃত্যু-১৯১৩ সালে। তাঁর ৫(পাঁচ) ছেলে ২(দুই) মেয়ে। তাঁদের নামগুলি-(১) সৈয়দ আলী আশরাফের জন্ম-১৮৭০ সালে, মৃত্যু-জানা নেই। (২) সৈয়দ আলী মেহেদির জন্ম-১৮৭৪ সালে, মৃত্যু-জানা নেই। (৩) সৈয়দ আলী আহসানের জন্ম-১৮৭৮ সালে, মৃত্যু-জানা নেই। (৪) কন্যা-পরি বাণু'র জন্ম-১৮৮২ সালে, মৃত্যু-জানা নেই-তাঁর পতি-শের-এ-বাংলা এ. কে. ফজলুল হকের জন্ম-২৬-১০-১৮৭৩ তারিখ, মৃত্যু-২৭-০৪-১৯৬২ তারিখ। (৫) দ্বিতীয় কন্যার (জন্ম-১৮৮৫ সালে, মৃত্যু-জানা যায়নি) নাম জানা যায়নি-পতি স্যার হাসান সরওয়ার্দি (জাতীয় নেতা স্যার হোসেন শহীদ সরওয়ার্দীর মামা)। (৬) ড. সৈয়দ হোসেনের জন্ম-১৮৮৮ সালে, মৃত্যু-১৯৬২/১৯৪৯ সালে (কায়রোতে)-পত্নী-বিজয় লক্ষী পন্ডিত। ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর ঢাকাইয়া ফুফা। (৭) সৈয়দ আলী আহমদের জন্ম-১৮৯২ সালে, মৃত্যু-জানা নেই। এ ব্যক্তি পুলিশের ডি.এস.পি. পদ থেকে অবসর নেন। তাঁর দুই ছেলে-(১) সৈয়দ সয়ুদ আহমদ ও (২) সৈয়দ হোসেন আহমদ। তাঁদের ১১তম বংশ লতিকা।
১৬২০ সালে নোয়াখালী জেলার বাবুপুরে ছিল মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একজন কবি আবদুল হাকিমের জন্ম এবং মৃত্যুবরণ-১৬৯০ সালে।
১৬৭০ সালে মিডেলইষ্ট-এ শেখ আবদুল আউয়ালের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। (শেখ আবদুল আউয়াল ধর্ম প্রচার করার জন্য ১৪০০ সালের দিকে বাংলাদেশের চট্টগ্রামে আসে এবং পরে টুঙ্গিপাড়ায় বাঙ্গালী মহিলাকে বিয়ে করে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে। এখন মানে ১৬-০৫-২০১৫ তারিখ ফেসবুকে দেখি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর বংশ লটিকা দিয়েছে এখানে তাঁর পূর্বপুরুষ শেখ আবদুল আউয়ালের জন্ম দিয়েছে-১৪৬৫ খ্রিষ্টাব্দে। যদি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৮ম পুরুষ হয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ হয়, তা'হলে শেখ আবদুল আউয়ালের জন্ম ১৬৭০ সালের পূর্বে কোন মতেই হবে না। একটি বইয়ে ১৪০০ সালের সময়ে শেখ আবদুল আউয়াল বাংলাদেশের চট্টগ্রামে আসে ধর্ম প্রচারের জন্য এবং সেখান থেকে টুঙ্গিপাড়ায় বাঙ্গালী মহিলাকে বিয়ে করে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু এসব তথ্য দেয়া আছে) আণুমানিক ১৭২০ সালে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর দাদা শেখ আব্দুল হামিদের দাদার দাদার জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। আণুমানিক ১৭৫৫ সালে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর বাবার দাদার দাদার জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। আণুমানিক ১৭৯০ সালে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর দাদার দাদার জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। আণুমানিক ১৮২০ সালে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর বাবার দাদার জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। আণুমানিক ১৮৫৫ সালে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর দাদা শেখ আব্দুল হামিদের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। ১৮৮৭ সালে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর পিতা শেখ লুৎফর রহমানের জন্ম, ঢাকায় মৃত্যু-১৯৭৪ সালে। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ, টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম, মৃত্যু-১৫-০৮-১৯৭৫ তারিখ। ১৯৪৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর, টুঙ্গিপাড়ায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্ম। ১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই, ঢাকায় মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একমাত্র পুত্র ও বিশিষ্ট কমপিউটার বিজ্ঞানী সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্ম।
১৭১০ সালে মতান্তরে ১৭১২ সালে বর্তমান ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া থানার শমসের গাজী নিজ-কুঞ্জরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন, মৃত্যু-জানা নেই। শমসের গাজী ১৭৪৮-৬০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে ত্রিপুরার রৌশনাবাদ এলাকার স্বাধীন নরপতি ছিলেন।
১৭৩০ সালে তুরস্কে মুন্সেফ নাসির-উদ-দীন মুনশির জন্ম, মৃত্যু-১৮০০ সালে। ঢাকার সোনারগাঁও-এ কবর। নাসির-উদ-দীস মুনশি ঢাকার নায়েব-ই-নাযিম-এর মুনশি ছিল। তিনি তাঁর সাত ছেলেকে যুগোপযোগী শিক্ষাদান করেন। তাঁর বড় ছেলে শমশির-উদ-দীন মুনশি ও তাঁর ছোট ভাই বাহরাম মুনশি ফারসি ভাষায় ব্যুৎপত্তি লাভ করেন এবং ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীনে মুন্সেফের চাকুরী লাভ করেন। কালক্রমে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার বলদাখালের জমিদার মির আশরাফ আলী খান সাহেবের সঙ্গে তাঁর সখ্যতা হয়। মির সাহেব কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলায় তাঁকে একটি বড় তালুক, ২২ দ্রোণ(৩৫২ বিঘা) লাখেরাজ ভূমি ও দিঘিরপাড় গ্রামে অবস্থিত ২৮৮ বিঘা আয়তনের দিঘির অর্ধেকটা এবং বসত বাড়ির জন্য প্রচুর জমি দান করলে শমশের-উদ-দীন মুনশি দিঘীরপাড় গ্রামে এসে বসতি স্থাপন করেন। তাঁর আর দুই ভাই কেরানিগঞ্জ উপজেলার কলাতিয়া গ্রামে বসতি স্থাপন করেন। কলাতিয়া মিঞা বাড়ির অধিবাসীগণ তাঁদের বংশধর এবং প্রথম বাংলাদেশের জাতীয় অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাকের পূর্ব-পুরুষগণ। নাসির-উদ-দীন মুনশির বাকি তিন পুত্রের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির বংশ পরিচিতি ও চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন (১৮০৬-২০০৬) আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া সাহেবের একটি লেখা থেকে উল্লেখ করলাম। নাসির-উদ-দীস মুনশি হলো আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া সাহেবের বাবা ইমদাদ আলী মিঞার দাদার দাদা। উনি আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া সাহেবের পূর্ব পুরুষ। আবুল কালাম যাকারিয়ার পূর্বপুরুষ তুরস্ক থেকে এদেশে এসেছিলেন। তাঁর উধ্র্বতন দশম পুরুষ নাসিরউদ্দিন মুনশি ছিলেন ঢাকার নায়েবে নাজিম-এর খাস মুনশি বা প্রইভেট সেক্রেটারী। তাঁর ছেলে শমশের উদ্দিন মুনশি ছিলেন মুন্সেফ। এক পর্যােয় চাকরি ছেড়ে দিয়ে কুমিল্লার বলদাখালের জমিদারি ক্রয় করে পরিণত হন জমিদারে। ১৮৪৫ সালে তাঁর দাদার বাবার সময়ে জমিদারি নিলাম হয়ে যায়। বিজয় দিবস সংখ্যা-১৩-১২-২০১২ তারিখের সপ্তাহের বাংলাদেশ সাপ্তাহিক। ঐতিহাসিক, প্রত্নতত্ত্ববিদ, পুঁথি-সাহিত্য বিশারদ, অনুবাদক সাহিত্যিক, মধ্যযুগের ইতিহাস চিন্তাবিদ, ক্রীড়া সংগঠক-বহুমাত্রিক আ. ক. ম. যাকারিয়ার সাক্ষাৎকার। ১৭৫৯ সালে তুরস্কে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানার দীঘিরপাড় গ্রামের জমিদার শমসের-উদ-দীন মুনশির জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। ১৭৮৮ সালে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানার দীঘিরপাড় গ্রামে মুনশি ফসিহ-উদ-দীন মিঞার জন্ম, মৃত্যু-১৮৫৯ সালে। ১৮১৭ সালে দিঘীরপাড় গ্রামে মুনশি গোলাম রসুল মিঞার জন্ম, বি-বাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার ভেলানগর দিওয়ানবাড়িতে মৃত্যু-১৮৭৩ সালে।