মোমেনউনার জন্ম-১৯৩০ সালে, মৃত্যু-০৭-০৩-১৯৯০ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম ব্যক্তি ঢাকাফরদবাদ গ্রামের অধিবাসী (বর্তমান ধানমন্ডি, ভূতেরগুলির বাসিন্দা)
শহরের আজিমপুর ইউনিয়ন পরিষদেরআলহাজ্জ মোঃ ইউনুস মিঞাউনার জন্ম-১৯০১ সালে, মৃত্যু-২৭-১১-১৯৭৭
চেয়ারম্যান ছিলেনতারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম পন্ডিত আবদুল হাকিম ও মরহুমা মিসেস
সর্বপ্রথম ঢাকা শহরে বইয়েরআমেনা বেগমের পুত্রদ্বয় জনাব মোঃ ইদন মিঞা ও মরহুম মোঃ মিদন
লাইব্রেরী কাদের ছিলমিঞা-তারা উভয়ে ১৯৪৭ সাল থেকে ঢাকার ইসলামপুরে সিটি পাবলিসার
নামে লাইব্রেরী দিয়েছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেভেলানগর গ্রামের আবদুল মান্নান (কেনু মিঞা), ১৯৬৪ সালে লন্ডন চলে
সর্বপ্রথম সবচেয়ে দামী বিল্ডিংযানগ্রামের বাড়ীতে উনার ছেলেরা ভেলানগর সরকারবাড়ীতে দুই কোটি
গ্রামের বাড়ীতে কে তৈরী করেনটাকার উপরে খরচ করে বিদেশী মডেলে একটি দ্বোতালা বিল্ডিং তৈরী
করেছে-২০০৪ খ্রিষ্টাব্দেউনার জন্ম-১৯২২, মৃত্যু-১৭-১০-২০০১ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে২০০৪ সালে রূপসদী গ্রামের সরকারবাড়ীর সাথে তিনতলা (৭,০০০ হাজার)
সর্বপ্রথম সবচেয়ে বড় হসপিটাল প্রথমবর্গফুট আয়তনের মাহবুবুর রহমান মেমোরিয়াল হসপিটাল প্রতিষ্ঠিত হয়
কোন গ্রামে প্রতিষ্ঠিত করেনপ্রতিষ্ঠাতা হলেন-জনাব মোঃ মজিবুর রহমান, মোঃ শফিকুর রহমান, মো:
আতিকুর রহমান ও অন্যান্য ভাইয়েরা মিলিতভাবে বাবার নামে এ হসপিটাল
প্রতিষ্ঠা করেন
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে প্রথম কোনরূপসদী গ্রামের(উত্তরপাড়ার) অধিবাসী জনাব মোঃ
গ্রামের বাসিন্দা-১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দেহারুন-অর-রশীদ(খলিফা), পিতা-মোঃ আবু মিঞা, গ্রাম-রূপসদী,
''চায়না ইন মাই মাইন্ড'' পুরস্কারেপোঃ-রূপসদী, বাঞ্ছারামপুর, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বিভাগ-চট্টগ্রাম,
ভূষিত হয়বাংলাদেশ''চায়না ইন মাই মাইন্ড'' রচনা কমপিটিশনে ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে
তাকে রেডিও বেইজিং, বেইজিং টুরিযম এডমিনিস্ট্রেশন, সাটিফিকেট কার্ড
ফর এ্যাসে কমপিটিশন-১৯৮৮ ''চায়না ইন মাই মাইন্ড'' পুরস্কারে ভূষিত
করে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় খাদ্য উৎপাদনব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় খাদ্য উৎপাদন হয়-৭,৮৮,৪২২ মে. টন
কত টন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় প্রতি বর্গমাইলে২,৪৯০(দুই হাজার চারিশত নব্বই) জন প্রতি বর্গমাইলে বাস করে
বাস
বাংলাদেশে প্রতি বর্গমাইলে বাস করে২,৯৬৬(দুই হাজার নয়শত সিষট্টি) জন প্রতি বর্গমাইলে বাস করে
পৃথিবীতে প্রতি বর্গমাইলে কতজন১২৯ জন১১-৭-২০১৬ তারিখ পৃথিবীর লোকসংখ্যা ছিল-৭৩৫ কোটি
লোক বাস করেএরমধ্যে বাঙ্গালী বা বাংলা ভাষায় কথা বলে প্রায়-২৯ কোটি লোক
পৃথিবীর লোকসংখ্যার ২৫.৩৪ ভাগের ১ ভাগ হলো বাঙ্গালী বা বাংলা
ভাষায় কথা বলেলোকসংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীর ৫ম স্থানে হলো
বাংলা ভাষা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আয়তন১২০৫ বর্গমাইল বা ১৯২৭ বর্গ কি.মি.
বাংলাদেশের আয়তন কত৫৭,৩২১(সাতান্ন হাজার তিনশত একুশ) বর্গমাইলএক লক্ষ সাতচল্লিশ হাজার
পাঁচশত বর্গিকলোমিটার
মানুষের বাসযোগ্য পৃথিবীর আয়তন৫,৭০,১৭,০০০(পাঁচ কোটি সত্তর লক্ষ সতের হাজার) বর্গমাইলমানুষের
কতবসবাস উপযোগী যায়গা
সাগর, জল ও স্থলসহ১৯,৫২,৫০,৮০০(উনিশ কোটি বায়ান্ন লক্ষ পঁঞ্চাশ হাজার আটশত) বর্গমাইলএরমধ্যে
পৃথিবীর আয়তন কত২১টি ছোট-বড় সাগরের আয়তন হলো-১৩,৮২,৩৩,৮০০(তের কোটি বিরাশি লক্ষ তেত্রিশ
হাজার আটশত) বর্গমাইল
পৃথিবী থেকে বাংলাদেশ,পৃথিবীর কাছ থেকে বাংলাদেশ যায়গা পেয়েছে-৯৯৫ ভাগের ১ ভাগ যায়গা, মানুষের
বাংলাদেশ থেকেতুলনায় পৃথিবীর কাছ থেকে বাংলাদেশ জায়গা-জমি পাওয়া উচিত ছিল-১৩,২৫,৯৭৭(তের
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ওলক্ষ পঁচিশ হাজার নয়শত সাতাত্তর) বর্গমাইলকিন্তু জায়গা-জমি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাপেয়েছে-৫৭,২৯৫(সাতান্ন হাজার দুইশত পঁচানব্বই) বর্গমাইলবাংলাদেশ থেকে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জায়গা-জমি পেয়েছে-৪৭.৫৫ ভাগের ১ ভাগ জায়গা-জমি, মানুষের
তুলনায় বাংলাদেশ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জায়গা-জমি পেয়েছে কিছু বেশী
বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন২০১৬ সালে ৫.৫(সাড়ে পাঁচ কোটি) টন
২০১২ সালে বিশ্বে খাদ্য উৎপাদন হয়প্রায়-২২৫(দুইশত পঁচিশ কোটি) টন
২০১২ সালে বিশ্বে খাদ্য মজুদ ছিলপ্রায় ৪০ কোটি টন
পৃথিবীর খাদ্যের কতগুণ হয়৬৫ ভাগের ১ ভাগ খাদ্য উৎপাদন হয় বাংলাদেশেপৃথিবীর ৪৩ ভাগের ১
বাংলাদেশেভাগ মানুষ বাস করে বাংলাদেশে
পৃথিবীর লোকসংখ্যার আনুপাতিকবাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন হতো-৫(পাঁচ) কোটি টনআধুনিক পদ্ধতিতে
হারে খাদ্য উৎপাদন করতে পারলেচাষ করলে (ফাওয়ের হিসেব অনূযায়ী) বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন
হবে-২৪(চব্বিশ) কোটি টন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহকুমার নাম পরিবর্তন করে১৯৮৪ খ্রিষ্টাব্দে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহকুমার নাম পরিবর্তন করে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নাম করণ করা হয় কবেব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নামকরণ করা হয়
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলারমোঃ জাকির হুসেন ওরফে আলমগীর, ডেপুটি রেজিস্ট্রার(অবসর), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
কারো নিকট কোন নতুনগ্রাম-ভেলানগর (বড়বাড়ি), পোঃ-রূপসদী, উপজেলা-বাঞ্ছারামপুর,
তথ্য জানা থাকলে-জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বিভাগ-চট্টগ্রাম, দেশ-বাংলাদেশমোবাঃ-০১৭১৬৬৫৪৮৪৪
টেলিফোন নাম্বারে আমাকে জানানোর জন্য আপনাদেরকে বিনীত অনুরোধ করছি
আমাদের গ্রামে এমন কোন শিল্প এখনও গড়ে উঠেনি যে বেকারত্ত্ব দূর হবেআমাদের গ্রামের বেকারত্ত্ব ও
দারিদ্র দূর করতে হলে বিরাট আকারে পুঁজি বিনিয়োগ করতে হবে, এ পুঁজি আমাদের গ্রামের লোকদের
কাছে নেইএ সমস্যার সমাধান করতে হলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বেকারত্ত্ব ও দারিদ্র দূর করতে হবে-নতুবা
ভেলানগর গ্রামের সমস্যার সমাধান হবে নাবাঞ্ছারামপুর উপজেলার লোকদের নিকট এ পুঁজি নেই, বেকারত্ত্ব
ও দারিদ্র দূর করার মততা'হলে কথার অর্থটা কি দাঁড়ালো-বাংলাদেশের বেকারত্ত্ব ও দারিদ্র দূর করতে
হবে আগে; নতুবা ভেলানগর বা বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বেকারত্ত্ব ও দারিদ্র দূর হবে নাবাংলাদেশের
বেকারত্ত্ব ও দারিদ্র দূর করতে হলে বিরাট আকারে পুঁজি বিনিয়োগ করতে হবে, এ পুঁজি পৃথিবীর কোন
দেশ আজকে আমাদের দেবে নাযেমন পাকিস্তানের ২৪ বছর ৪ মাস ৩ দিনে আমাদের বেকারত্ত্ব ও দারিদ্র
দূর হয়নিবাংলাদেশের ৪৩ বছর বয়সেও আমাদের বেকারত্ত্ব ও দারিদ্র একটুও দূর হয়নি বরং আরো সমস্যা
বেড়েছেআমাদের বিদেশী ঋণ-২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে ৬,০০০(ছয় হাজার) কোটি ডলারডলার
হিসেবে প্রতিজনের মাথাপিছু ঋণ ৩৫৩ ডলার বা বাংলাদেশী টাকায় প্রতিজনের মাথাপিছু
ঋণ-২৮,২৩৫/-টাকাঋণ ও সুদসহ ছিল ২৮,২৩৫/-টাকাবিদেশী ঋণে গত ৪৪(চুয়াল্লিশ) বছরে আমাদের
পর্বত প্রমাণ সমস্যা বেড়েছেবর্তমানে আমাদের মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ-১৩ হাজার একশত ৬০ টাকা
বিদেশিরা আমাদের কাছে পাওনা আছেএ সমস্যার সমাধানের একমাত্র পথ হলো নিজের পায়ে দাড়িয়ে নিজের
সমস্যা সমাধান করা-যেমন আমদের পুঁজি আকাশ থেকে আসবে না বা বিদেশীরা কেউ দিবে নাআমাদের
যে পুঁজি আছে-সেটা কাজে লাগানোযেমন প্রথম শর্ত হলো-সম্পদের অপচয় বন্ধ করতে হবে-অপচয় বলতে
বোঝায় প্রাইভেট কার, প্রাসাদের মত বাসা-বাড়ি, বিদেশ ভ্রমণ, বিদেশী সিগারেট, মদ, বিয়ে-জন্ম দিনে
লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ না করা, এয়ার-কুলার, এয়ার-কন্ডিশনার, বিলাসী জীবন-যাপন না করা (যতদিন না
আমাদের দেশের প্রতিটি মানুষের মাথাপিছু আয় ১০,০০০ হাজার ডলার না হয়-ততদিন পর্যন্ত আমাদের
অপেক্ষা করতে হবে)এ ভাবে আমাদের পুঁজির বিকাশ করতে হবে-নতুবা আমাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার
বাংলাদেশের ১৭(সতের) কোটি লোকসংখ্যা থেকে বেড়ে আগামী ২০৫০ সালে বাংলাদশের লোকসংখ্যা
হবে-২০(বিশ) বা ২১(একুশ) কোটি এবং ২১০০ সালে বাংলাদেশের লোকসংখ্যা বেড়ে হবে-২২(বাইশ) কোটি
২০৪৫ সালে পৃথিবীর লোকসংখ্যা বেড়ে হবে-৯০০ কোটি আর ২০৮৩ সালে পৃথিবীর লোকসংখ্যা হবে ১,০০০
কোটি

।আমার স্মৃতিতে ১২২ জন স্কুল সহপাঠীর মধ্যে মারা গেছে ৪২ জন আর জীবিত আছে ৮০ জন(১৬-০৬-২০১৫ তারিখ।

পর্যন্ত)আমার সাথে যারা প্রাইমারীতে পড়া-লেখা করেছে তাঁদের নাম আগে, তারপর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে

।যারা পড়েছে তাঁদের নাম, তারপর আসবে যারা ৭ম শ্রেণী থেকে পড়েছে তাঁদের নাম, তারপর যারা ৯ম শ্রেণী থেকে।

।পড়েছে তাঁদের নাম, তারপর আরো কিছুসংখ্যক ম্যাট্রিকুলেশন ও এস. এস. সি. ফেল করার পর আমার সাথে ৯ম ও ১০ম।

।শ্রেণীতে ভর্তি হয়ে এস. এস. সি. পরীক্ষা দিয়েছে তাঁদের নামগুলো নিম্নে উপস্থাপন করা হলো:।

১। মো: জাকির হুসেন(আলমগীর)-ভেলানগর, (২) মরহুম আলী আহম্মদ(ফোরন)-রূপসদী(উত্তরপাড়া), (৩) শ্রী রাখাল চন্দ্র দেবনাথ(বীরেন্দ্র)-রূপসদী(খানেপাড়া)-চলে গেছেন কলকাতা, (৪) শ্রী সুভাস চন্দ্র ঘোষ-রূপসদী খানেপাড়া, (৫) পরলোকগত শ্রী লাবন্য কুমার ভৌমিক-রূপসদী খানেপাড়া, (৬) শ্রী হরিমোহন দাস(পিষন)-বালুয়াকান্দি, (৭) শ্রী দিলীপ কুমার সাহা-রূপসদী খানেপাড়া-কলকাতা চলে গেছেন, (৮) পরলোকগত শ্রী ননী গোপাল সাহা-রূপসদী খানেপাড়া, (৯) প্রদীপ কুমার দেবনাথ(অব.)-খানেপাড়া, রূপসদী; (১০) প্রতিভা রানী দাস- খানেপাড়া, রূপসদী-কলকাতা চলে গেছেন, (১১) মরহুমা মিসেস হেনা আক্তার-রূপসদী উত্তরপাড়া, (১২) মিসেস জানানারা বেগম(জানু)-রূপসদী উত্তরপাড়া, (১৩) মিসেস জোহরা বেগম-দরিকান্দি, (১৪) মরহুম মোঃ ইদ্রিস মিয়া-রূপসদী কান্দাপাড়া, (১৫) মরহুম মোঃ ইউনুস মিয়া-রূপসদী কান্দাপাড়া, (১৬) মোঃ আবদুল বাকি-কুড়াখাল, (১৭) বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আবদুল মতিন(অরুণ)-রূপসদী উত্তরপাড়া, (১৮) মরহুম মোহাম্মদ হোসেন-রূপসদী উত্তরপাড়া, (১৯) অনারারী ক্যাপ্টেন(অব.) বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইদ্রিস মিয়া-রূপসদী উত্তরপাড়া, (২০) মরহুম মোঃ খলিলউল্লাহ(নওরোজ)-শাহপুর, (২১) সার্জেন্ট মোঃ জাকারিয়া(মানিক)-খাল্লা, (২২) শ্রী নেপাল চন্দ্র দেব নাথ-ধনপতিখোলা(ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে চলেে গেছেন), (২৩) বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. জি. মহিউদ্দিন আহমেদ-ভিটিবিশারা, (২৪) মরহুম মোঃ নিজামউদ্দিন-দরি-ভেলানগর, (২৫) মোঃ জুনায়েদ-ভিটিবিশারা, (২৬) মরহুম মোঃ মতিউর রহমান(নসু)-মধ্যনগর, (২৭) মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নুরুল ইসলাম(নুরু)-মধ্যনগর, ৪২তম মৃত্যু-১৬-০৬-২০১৫ তারিখ (২৮) মোঃ শফিকুল ইসলাম(রওশন)-মধ্যনগর, (২৯) মরহুম আবদুছ ছাত্তার-মধ্যনগর, (৩০) মোঃ আজিজুল ইসলাম-মধ্যনগর, (৩১) মোঃ হুমায়ূন কবির(ওমর)-মধ্যনগর, (৩২) মোঃ ফজলুল হক মোল্লা-ভেলানগর, (৩৩) মোঃ নূরুল ইসলাম(শিশু)-ভেলানগর, (৩৪) মোঃ ফজলুল হক(ফজলু)-ভেলানগর, (৩৫) মরহুম মির্জা মোঃ শাজাহান-ভেলানগর, (৩৬) মোঃ আজিজুল হক খান(শিশু)-ভেলানগর, (৩৭) মোঃ জাহাঙ্গীর-রূপসদী, (৩৮) পরলোকগত শ্রী অরুণ চন্দ্র ভৌমিক-রূপসদী, (৩৯) শ্রী রায়ধন দেব-রূপসদী, (৪০) মরহুম আবদুল খালেক-রূপসদী, (৪১) আবদুল মোতালেব-রূপসদী সরকারবাড়ি-দক্ষিণপাড়া, (৪২) মরহুম মোঃ শফিকুল ইসলাম(সহিদ)-রুপসদী, (৪৩) মোঃ নূরুল ইসলাম(নূরু)-রূপসদী, (৪৪) আবদুর রাজ্জাক(পল্লব)-রূপসদী, (৪৫) শ্রী জহর লাল ভৌমিক-রূপসদী-পশ্চিমবাংলার নদিয়া জেলাতে চলে গেছেন, (৪৬) মোঃ সিরাজুল ইসলাম(শিরন)-রূপসদী, (৪৭) মোঃ আবদুল হাকিম(মাক্কু)-রূপসদী(মধ্যপাড়া), (৪৮) মরহুম মোঃ আবদুল বাকি-রূপসদী, (৪৯) বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন(অব.) এ. বি. তাজুল ইসলাম(তরু)-পাড়াতলী, (৫০) বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবদুল করিম চৌধুরী-পাড়াতলী, (৫১) বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শাজাহান হোসেন চৌধুরী-পাড়াতলী, (৫২) মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান-পাড়াতলী, (৫৩) মরহুম মোঃ ফটিক মিয়া-পাড়াতলী, (৫৪) মোঃ হাবিবুর রহমা(দুলু)-পাড়াতলী, (৫৫) মরহুম বেনজীর আহমেদ-পাড়াতলী, (৫৬) মোঃ রফিকুল ইসলাম(রফিক)-পাড়াতলী, (৫৭) মোঃ ফজলুল করিম(শিশু)-পাড়াতলী, (৫৮) মোঃ বোরহানউদ্দিন আহমেদ-ডোমরাকান্দি, (৫৯) মোঃ মজিবুর রহমান(মানিক)-ফতেপুর, (৬০) মোঃ নূরুল ইসলাম(নূরু)-ফতেপুর, (৬১) আবদুল মতিন মাষ্টার-বাহাদুরপুর, (৬২) মরহুম মোঃ জহিরুল হক(মোহন)-বাহাদুরপুর(২২-০১-২০১৫) (৬৩) বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোঃ রফিকুল হায়দার(খোরশেদ)-মিরপুর, (৬৪) সালাউদ্দিন আহমেদ-মিরপুর, (৬৫) বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ফজলে আলী খান(দারু)-মিরপুর, (৬৬) বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মুসলেউদ্দিন সরকার(মোসলেম)-মিরপুর, (৬৭) মরহুম মোঃ আবুল কালাম-মিরপুর, (৬৮) শ্রী চন্দ্র মোহন দাস-মিরপুর, (৬৯) মোঃ আবদুল বাতেন(মেহের)-কাঞ্চনপুর, (৭০) মোঃ হুমায়ূন কবির(বাচ্চু)-কাঞ্চনপুর, (৭১) মোঃ জহিরুল হক(জাহাঙ্গীর)-দরিকান্দি, (৭২) বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সায়েদুল ইসলাম-দরিকান্দি, (৭৩) মোঃ কাজল-দরিকান্দি, (৭৪) বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোহাম্মদ হোসেন-দরিকান্দি, (৭৫) মরহুম মোঃ ওয়াজেদ আলী-দরিকান্দি, (৭৬) মরহুম মোঃ কবির হোসেন-দরিকান্দি, (৭৭) মোঃ গোলাম মোস্তফা চৌধুরী-দরিকান্দি,(৭৮) মোঃ মোজ্জামেল হক(সহিদ)-দরিকান্দি, (৭৯) মরহুম মোঃ খবিরউদ্দিন(শাহজাহান)-তেঁজখালী, (৮০) মোঃ এনায়েত করিম(আলমগীর)-খাল্লা, (৮১) মরহুম মোঃ নজরুল ইসলাম(নান্নু)-খাল্লা, (৮২) মরহুম মোঃ মোসলেম আবদুল্লাহ-দরিকান্দি খেকে খাল্লা, (৮৩) মরহুম মোঃ হুমায়ূন কবির-ভিটিবিশারা, (৮৪) পরলোকগত শ্রী শান্তি ভূষণ দেব-ভিটিবিশারা, (৮৫) শ্রী কান্দি ভূষণ দেব-ভিটিবিশারা, (৮৬) মোঃ নূরুল ইসলাম(শিশু)-ভিটিবিশারা, (৮৭) মোঃ সানাউল্লাহ-ভিটিবিশারা, (৮৮) মোঃ সহিদউল্লাহ-ভিটিবিশারা, (৮৯) মরহুম মোঃ বজলুর রহমান(বজলু)-ফরদাবাদ, (৯০) মরহুম আবদুল আউয়াল-ফরদাবাদ, (৯১) মোঃ মাসুম-ফরদাবাদ, (৯২) মোঃ একরাম হোসেন-ফরদাবাদ, (৯৩) বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মাফুজুর রহমান(মাহফুজ)-গকুলনগর, (৯৪) মরহুম মোঃ সিদ্দিকুর রহমান-গকুলনগর, (৯৫) মরহুম মোঃ জাকিরুল আলম-নান্দাইল, ময়মনসিংহ, (৯৬) মরহুম আবুল কাশেম-কালাইনগর, (৯৭) মোহাম্মদ সহিদ-কালাইনগর, (৯৮) মোঃ রেজাই রাব্বানী(হিটলার)-আশ্রাফবাদ, (৯৯) বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হুমায়ূন কবির-আশ্রাফবাদ, (১০০) শ্রী কার্তিক ভূষন দে-পাঁচকিত্তা, মুরাদনগর, (১০১) শ্রী গোপাল চন্দ্র সূত্রধর-মাঝিয়ারা, (১০২) মরহুম মোঃ খলিলুর রহমান(খোয়াজ আলী)-হোগলাকান্দা, (১০৩) বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবু জাহের(চাঁন মিঞা)-শাহপুর, (১০৪) মোঃ ফরিদউদ্দিন আহমেদ-কালাইপাইরা বা মোহাম্মদপুর(মুরাদনগর), (১০৫) মোঃ আনোয়ার হোসেন-রূপসদী মধ্যপাড়া, (১০৬) মরহুম মোঃ অহিদুজ্জামান-বাহাদূরপুর, (১০৭) মোঃ রেজাউল করিম(তাহের)-ফরদাবাদ, (১০৮) মোঃ গোলাম সারোয়ার(বাকী)-ভিটিবিশারা, (১০৯) মোঃ তরু মিয়া-দরিকান্দি, (১১০) মরহুম মোঃ শওকত আলী-দরিকান্দি, (১১১) মোঃ তোতা মিঞা-দরিকান্দি, (১১২) আলহাজ আবদুল মালেক-পাড়াতলী, (১১৩) আবদুল অদুদ-রূপসদী(দক্ষিণপাড়া), (১১৪) আবদুল অদুদ-গকুলনগর, (১১৫) মোঃ নজরুল ইসলাম-রূপসদী কান্দাপাড়া, (১১৬) মোঃ ইসমাইল(মধু)-পাড়াতলী, (১১৭) বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সহিদুল হক-মিরপুর, (১১৮) মরহুম মোঃ সুলতান আহমেদ(ফটিক)-মিরপুর, (১১৯) মোঃ মতিউর রহমান-মিরপুর, (১২০) ক্যাপ্টেন(অব.) মরহুম মো: শাজাহান-নারায়নপুর(হোমনা), (১২১) মরহুম মোঃ শাহ আলম শিকদার-ভেলানগর, সে ফতেপুর স্কুলের ছাত্র ছিল-এস.এস.সি পরীক্ষার পূর্বে আমার সাথে কোচিং করে এবং ফতেপুর স্কুল থেকে এস.এস.সি. পরীক্ষা দেয়। ও (১২২) মোঃ শামসুজ্জামান(ঝান্টু)-ভিটিবিশারা, সে নবীনগর স্কুলের ছাত্র ছিল-এস.এস.সি. পরীক্ষার পূর্বে আমার সাথে কোচিং করে এবং নবীনগর স্কুল থেকে এস.এস.সি পরীক্ষা দেয়।