| প্রথম পুলিশ বিভাগে | সার্ভিেস যোগদান করে অতিরিক্ত মহা পুলিশ পরিদর্শক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন এবং অবঃ |
| সর্বোচ্চ কর্মকর্তা ছিলেন | গ্রহণ করে-তিনি ১ অক্টোবর, ২০০১ খ্রিষ্টাব্দে (ব্রাহ্মণবাড়িয়া -৬ আসনে) জাতীয় |
| সংসদ-সদস্য নির্বািচত হয়েছেন | উনার জন্ম-১৯৩৮ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | দরিয়াদৌলত গ্রামের জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম (মোমেন), ১৫-০২-২০০৮ |
| (১৬-০২-২০০৮ তারিখের পর) একজনও | তারিখ থেকে এল.পি.আর.-এ চলে গেছেন এবং ১৫-০২-২০০৯ তারিখ থেকে |
| সচিব পদে বহাল নেই | তাঁর অবসর সময় |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিয়াদৌলত গ্রামের মরহুম মৌলভী গোলাম মোস্তফা খন্দকার-এর মেয়ে |
| কোন গ্রামের মহিলা ১৯৮৩ খ্রিষ্টাব্দে | মিসেস ছামেনা বেগম, যুগ্ম-সচিব (পর্যটন করপোের্রশন) |
| বি.সি.এস. পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয় |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ভেলানগর গ্রামের দক্ষিণপাড়ার অধীবাসী অধ্যাপক ও ভাষা বিশেষজ্ঞ |
| ভাষা বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিতি লাভ | মুহি-উদ-দীন আহমদ | উনার জন্ম-১৯২০ সালে,মৃত্যু-১৩-১২-১৯৯৬ তারিখ |
| করে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ভেলানগর গ্রামের উত্তরপাড়ার অধীবাসী বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক |
| অর্থনীতিবিদ হিসেবে পরিচিতি লাভ | আবদুল আজীজ খান | উনার জন্ম-১৯২০, মৃত্যু-১৭-০৭-১৯৮৩ তারিখ |
| করে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | বাখরনগর গ্রামের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক কাজী আম্বর আলী, |
| স্কুল শিক্ষক হিসেবে জাতীয় পুরস্কার | বি.এ., বি.এল., বি.টি. আলীগর | তিনি শিক্ষকতার জন্য পূর্ব-পকিস্তানের |
| পান | শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের জাতীয় পুরস্কার পান ও ২১ মরনোত্তর পদকও লাভ করেন |
| উনার জন্ম-১৯০৩ সালে, আজিমপুরে মৃত্যু-১২-১২-১৯৯৪ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | উলুকান্দি গ্রামের অধীবাসী অধ্যাপক নোমান, এম. এ. (ইংরেজী), ঢাকা |
| কলেজ শিক্ষক হিসেবে জাতীয় পুরস্কার | বিশ্ববিদ্যালয় | শিক্ষাবিদ নোমানকে ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তান সরকার |
| পান | শ্রেষ্ঠ ইংরেজী শিক্ষক হিসেবে খেতাব প্রদান করেন এবং তিনি ১৯৯৪ সালে |
| জাতীয় ২১ পদকও লাভ করেন | উনার জন্ম-১৯২৫ সালে, মৃত্যু-০৩-০৯-১৯৯৬ |
| তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | মরিচাকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মিজানুর রহমান-নবীনগর উচ্চ |
| কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে | বিদ্যালয় হতে ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ৭ম স্থান অধিকার |
| ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ৭ম স্থান | করেন | উনার জন্ম-১৮৯৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর, মৃত্যু-১৫-০৮-১৯৮১ |
| অধিকার | তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | কৃঞ্চনগর গ্রামের অধিবাসী ডা. মোঃ ইয়াকুব আলী ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে |
| কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে | উজানচর কে. এন. উচ্চ বিদ্যালয় হতে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৩তম স্থান |
| ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৩তম স্থান | অধিকার করেন | উনার জন্ম-১৯০৩ সালে, মৃত্যু-০৩-০২-২০০০ তারিখ |
| অধিকার |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ১০ম | দরিকান্দি গ্রামের জনাব আ.কা.মো. যাকারিয়া-১৯৪১ সালে ঢাকা কলেজ |
| স্থান (ঢাকা বোর্ডে) | হতে আই.এ. পরীক্ষায় ১১তম স্থান অধিকার করেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | ভেলানগর গ্রামের অধীবাসী অধ্যাপক ডক্টর মোয়াজ্জেম-উল-হক (মামুন), |
| কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১ম | ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ হতে আই. এ. পরীক্ষায় ১ম |
| স্থান অধিকার | স্থান অধিকার করেন এবং একই ব্যক্তি ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৯৪৩ |
| খ্রিষ্টাব্দে ৪র্থ স্থান অধিকার করেন | উনার জন্ম-১৯২৫ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ভেলানগর গ্রামের অধীবাসী অধ্যাপক ডক্টর মোয়াজ্জেম-উল-হক (মামুন) |
| হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি | মামুনের পরিচয় হলো বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম প্রফেসর মোহাম্মদ |
| বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন | সানাউল্লাহর ছেলে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | বাহেরচর গ্রামের অধিবাসী অধ্যাপক ড. মোঃ তাহেরুল ইসলাম, ১৯৫০ |
| পূর্ব-বাংলা বোর্ডে ১৬তম স্থান | সালে উজানচর কে. এন. উচ্চ বিদ্যালয় হতে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৬তম |
| অধিকার করেন | স্থান অধিকার করেন | উনার জন্ম-১৯৩১ সালে, মৃত্যু-০২-০৭-১৯৯৩ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | রূপসদী-খানেপাড়ার অধিবাসী অধ্যাপক ড. অমরেশ চন্দ্র দাস, ১৯৫৭ সালে |
| পূর্ব-পাকিস্তান বোর্ডে ৮ম স্থান | রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয় হতে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ৮ম স্থান |
| অধিকার করেন | অধিকার করেন | তিনি হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক |
| ছিলেন | উনার জন্ম-১৯৩৯ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | দরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী প্রকৌশলী মোঃ মমিনুল হক (খোকন), |
| কুমিল্লা বোর্ডে ৩য় স্থান অধিকার | ১৯৬৩ সালে সিলেট সরকারী স্কুল হতে এস.এস.সি. পরীক্ষায় ৩য় স্থান |
| করেন | অধিকার করেন | উনার জন্ম-১৯৪৫ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | রূপসদী গ্রামের উত্তরপাড়ার মোঃ ফরিদউদ্দিন আহমেদ, ১৯৭৩ সালে রূপসদী |
| কুমিল্লা বোর্ডে ১৮তম স্থান অধিকার | বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয় হতে এস.এস.সি. পরীক্ষায় মেধা তালিকায় ১৮তম |
| করেন | স্থান অধিকার করে | তাঁর জন্ম-১৯৫৫ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | দশদনা গ্রামের শাফিউন নাহিন শিমুল, ১৯৯৬ সালে বাঞ্ছারামপুর এস. এম. |
| কুমিল্লা বোর্ডে ১ম স্থান অধিকার | পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় হতে এস.এস.সি. পরীক্ষায় মেধা তালিকায় প্রথম স্থান |
| করেন (সমাজবিজ্ঞান বিভাগে) | অধিকার করে | তার জন্ম-১৯৭৮ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | বাখরনগর গ্রামের অধিবাসী জনাব আবু সাঈদ মুহাম্মদ শহীদ | তিনি ১৯৬০ |
| টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন | সালে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন | ১৯৬৬ সালে এম.এস. করেন এবং |
| আমেরিকা ম্যানচেষ্টার থেকে ডাবল ফেলোশীপ লাভ করেন | উনার জন্ম-১৯৩৭ |
| সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্ব | ভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব খোশাল দিওয়ান | উনি বলদাখাল বা |
| প্রথম সরকারী কর্মকর্তা | বরদাখাতের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ছিলেন | উনার জন্ম-১৭৬৫ সালে, |
| মৃত্যু-০৫-০১-১৮৪৪ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্ব | ভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব খোশাল দিওয়ানের ছোট ভাই মুন্সেফ |
| প্রথম বিচার বিভাগে ছিলেন | হোসাইন-উদ-দীন মুনশি | উনার জন্ম-১৭৮৫ সালে, মৃত্যু-১৮৫৭ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্ব | ভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়িতে | খোশাল দিওয়ান স্কুলটি প্রতিষ্ঠা |
| প্রথম কোন গ্রামে পারিবারিক স্কুল | করেন |
| প্রতিষ্ঠিত |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্ব | রূপসদী গ্রামের অধিবাসী দারোগা আমির-উদ-দীন | ঢাকার বাদামতলিতে |
| প্রথম পুলিশ বিভাগে ছিলেন | তাঁর নির্মিত পাঁকা মসজিদ ও মাদ্রাসা আছে এবং তিনি প্রচুর অর্থের |
| মালিক ছিলেন | উনার জন্ম-১৭৮৯ সালে, মৃত্যু-১৮৬২ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম | রূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীনের বাড়ির মসজিদটি | বর্তমানে |
| পাঁকা মসজিদ কোনটি | খান সাহেব মৌঃ তুজাম্মেল আলী ওরফে মোঘল মিঞা (সাব-বাড়ি) |
| হিসেবে পরিচিতি লাভ করে |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম | রূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীনের বাড়িটিকে সাব-বাড়ি বলা |
| সাব-বাড়ী কোনটি | হয় |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম | খাল্লা গ্রামের দারোগা নযম-উদ-দীন সাহেবের নামানুসারেই (খাল্লা |
| দারোগা বাড়ী কোনটি | দারোগা বাড়ির) নামকরণ করা হয় |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম | ভেলানগর গ্রামের দিওয়ানবাড়ির আবদুল্লাহ ডিপুটির বড় ছেলে ড. |
| শিক্ষা বিভাগে সর্বোচ্চ পদে ছিলেন | মাহমুদ | উনি ডি.পি.আই. হয়েছিলেন (পশ্চিমবাংলা, ভারত) | ১৯৪৭ সালে |
| দেশ-বিভাগের পর ভারতেই থেকে যান | উনার জন্ম-১৯১২ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম | ভেলানগর গ্রামের দিওয়ানবাড়ির আবদুল্লাহ ডিপুটির দ্বিতীয় ছেলে |
| পুলিশ বিভাগে সর্বোচ্চ পদে ছিলেন | মোহাম্মদ মাসুদ (গেদু মিঞা) | উনি আই.জি.পি. হয়েছিলেন |
| (পশ্চিমবাংলা, ভারত) এবং ১৯৪৭ সালে দেশ-বিভাগের পর ভারতেই থেকে |
| যান | উনার জন্ম-১৯১৪ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম | রূপসদী গ্রামের অধিবাসী ও ঢাকা শহরের বাদামতলিতে বসবাসকারী |
| স্থানীয় জমিদার ছিলেন | দারোগা আমির-উদ-দীন |
| ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর | ভেলানগর বড়বাড়ির মুনশি মুহাম্মদ হায়দর আলী | উনার জন্ম-১৮৫৮ সালের |
| থানার মধ্যে সর্ব প্রথম নায়েব ছিলেন | ৩১ ডিসেম্বর, মৃত্যু-৩০-০৬-১৯২৫ তারিখ | হায়দর আলী হলো নিবন্ধকার |
| মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর দাদা |
| ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর), ভেলানগর বড়বাড়ির বংশ পরিচিতি ও |
| বাঞ্ছারামপুর থানার | দেশ-বিদেশের তথ্য-বইয়ের জন্য নয় | ১৭৮০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ২০০২ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ভেলানগর |
| মধ্যে প্রথম ব্যক্তি | বড়বাড়ির বংশ পরিচিতি (১০ম পুরুষের বাস ভেলানগর গ্রামে) এ ধরণের কাজ |
| ভেলানগর বড়বাড়ির বংশ | বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে আর কে করেছেন আমার জানা নেই | ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের ৩১ |
| পরিচিতি ও | আগষ্ট তথ্য অনুসারে, এ পর্যন্ত ভেলানগর বড়বাড়ির বংশে জন্ম হয়েছে-২,০৯৯ জন, |
| দেশ-বিদেশের তথ্যের | মৃত্যুবরণ করেছে-৬৮০ জন এবং জীবিত আছে-১,৪১৯ জন | বিদেশ, ঢাকা এবং দেশের |
| লেখক (১৭৮০ থেকে ২০০২ | অন্যান্য শহরসহ ভেলানগর বড়বাড়ির লোক বাস করে-৫০২ জনের মধ্যে একমাত্র বিদেশে |
| খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত) | চাকুরী ও বসবাস করে ১৬৫ জন এবং তালাকপ্রাপ্ত ও চলে গেছেন মোট স্ত্রীর সংখ্যা |
| হলো-৮৯ জন | জীবিত বিবাহিত মেয়েরা স্বামীরবাড়িতে বাস করে-২৬৬ জন, বিবাহিত ১৫ |
| জন মেয়ে স্বামীর বাড়ির পরিবর্তে বাবার বাড়িতে বাস করে এবং গ্রামে বাস করে-৫৬২ |
| জন | ভেলানগর বড়বাড়ির প্রকৃত লোকসংখ্যা হলো-১,০৬৪ জন | আমাদের পূর্ব-পুরুষরা |
| আসছে নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রাম হতে ভেলানগর গ্রামে এসে বসতি স্থাপন |
| করে-১৭৮০ খ্রিষ্টাব্দে | নবীনগর থানার ইব্রাহিমপুর গ্রামে আসে আমাদের |
| পূর্ব-পুরুষরা কিশোরগঞ্জ জেলার জঙ্গলবাড়ি হতে | কিশোরগঞ্জ জেলার জঙ্গলবাড়িতে আসছে |
| আমাদের পূর্ব-পুরুষরা ভারতের উত্তর প্রদেশ থেকে | আমাদের পূর্ব-পুরুষরা |
| মঙ্গোলিয়া ও আফগানিস্থান থেকে এসে মিলিত হয়েছে ভারতের উত্তর প্রদেশে | এর বেশী |
| আর কিছু জানার চেষ্টা করিনি বা জানিও না |
| ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর | ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে ভেলানগর বড়বাড়ির |
| থানাবাসীর মধ্যে (নিবন্ধকার)-এর | লোকসংখ্যা-২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের ৩১ আগষ্ট হিসেব অনুসারে জন্মগ্রহণ |
| জানামতে লোকসংখ্যার দিক দিয়ে | করে-২,০৯৯ জন (স্ত্রীসহ পুরুষ-মহিলা) | আর মারা গেছে-৬৮০ জন | এ |
| প্রথম হবে ভেলানগর বড়বাড়ির | পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে জীবিত আছে-১,৪১৯ জন | ৮২ জন স্ত্রী |
| লোকসংখ্যা-৩১-০৮-২০১৬ তারিখ | তালাকপ্রাপ্ত, ৭ স্ত্রী চলে গেছেন এবং ২৬৬ জন জীবীত মেয়ে স্বামীরবাড়ি |
| পর্যন্ত | প্রকৃত লোক সংখ্যা-১,০৬৪ জন এরমধ্যে ৫০২ জন শহর ও বিদেশে বাস করে |
| আর গ্রামে বাস করে ৫৬২ জন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | ভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়ীর আবদুল্লাহ ডিপুটির তৃতীয় ছেলে |
| প্রথম সেনাবাহিনী কর্মকর্তা | ব্রিগেইডার (অবঃ) রেযা | উনার জন্ম-১৯১৮ সালে | উনি ১৯৪১ সালে কমিশন পান |
| (বৃটিশ আর্মীেত) |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | বাঞ্ছারামপুর গ্রামের ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মুল্লুক হোসেনের |
| সর্বোচ্চ পদে নৌবাহিনীর | (জন্ম-১৯০১ সালে, মৃত্যু-০৭-১২-১৯৯৫ সালে) পুত্র রিয়ার এডমিরাল |
| কর্মকর্তা ছিলেন: | (অবঃ) আমির আহমেদ মোস্তফা | তিনি বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী প্রধান |
| ছিলেন | উনার জন্ম-১৯৩৮ সালে |
| এ থানার মধ্যে প্রথম বিমানবাহিনী | বাঞ্ছারামপুর থানার ফরদাবাদ গ্রামের অধিবাসী উইং কমান্ডার (অবঃ) |
| কর্মকর্তা | নেহাল ফজলে বাকী | উনার জন্ম-১৯১৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৩ সালের |
| আগস্ট মাসে মারা গেছেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দশদনা গ্রামের অধিবাসী সার্জেন্ট মোঃ রফিকুল ইসলাম, বীর প্রতীক |
| বীর প্রতীক উপাধি পান | বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে চাকুরী করা অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ |
| করায় তাঁকে বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয় |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | মরিচাকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মিজানুর রহমান-এর তৃতীয় ছেলে জনাব |
| সি. এ. পাশ লোকটি | মোঃ ইকবাল হোসেন (ইকবাল মামা) | উনার জন্ম-১৯৩৮ সালে | বর্তমানে |
| তিনি কানাডাতে বসবাসরত |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম পররাষ্ট্র | ভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব মুসলেহ উদ-দীন আহমেদ, সচিব (অব.) |
| বিভাগে সর্বোচ্চ পদে ছিলেন | উনি ফরাসী দেশে ইকোনমিক মিনিষ্টার এবং পরে রাষ্ট্রদূত ছিলেন |
| এ থানার কৃষি বিভাগে | দূর্গারামপুর গ্রামের ড. আবদুল আলীম, পিতা-মরহুম মুনশি আমিনউদ্দিন | কৃষি |
| সর্বোচ্চ পদে ছিলেন | বিজ্ঞানে তিনি বাঙ্গালী মুসলমানের মধ্যে বাংলাদেশে কৃষি বিজ্ঞানে প্রথম ডক্টরেট | উনার |
| জন্ম-১৯১৩ সালের ১ অক্টোবর, দূর্গারামপুর গ্রামের ড. আবদুল আলীম, |
| মৃত্যু-০৯-০৭-২০১১ তারিখ বেলা ১২.২৩ মিনেটের সময় হাসপাতালে |
| এ থানার কৃষি বিজ্ঞানে | পাড়াতলি গ্রামের অধিবাসী অধ্যাপক ড. আবদুল করিম(তিতু মিয়া), ময়মনসিংহ কৃষি |
| আরো একজন পন্ডিত | বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করা অবস্থায় (উনার জন্ম-১৯২৯ সালে, মৃত্যু-১৯৭৫ সালের ২৪ |
| ছিলেন | ডিসেম্বর) লিভার সিরোসিস রোগে আক্রান্ত হয়ে অকালে মৃত্যুবরণ করেন |
| থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | বাঁশগাড়ি গ্রামের অধিবাসী ডা. আলী আজগর ১৯৪৮ সালে বাঙ্গালীর মায়ের ভাষা |
| ভাষা সৈনিক-এর নাম | বাংলাকে রক্ষা আন্দোলনের একজন প্রত্যক্ষ সৈনিক ছিলেন | তিনি ১৯৪৮ সালে ঢাকা |
| কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী ছিলেন | উনার জন্ম-১৯২৫ সালে |
| থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | বাঁশগাড়ি গ্রামের অধিবাসী ডা. আলী আজগর-এর স্ত্রী বেগম দিলবরেন্নেসা | বেগম |
| মহিলাদের মধ্যে এম. এ., | দিলবরেন্নেসা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সাহসী সৈনিক ছিলেন | উনার জন্ম-১৯৩৩, |
| এল. এলবি. | মৃত্যু-০২-১১-১৯৯৫ তারিখ |
| এ থানাবাসীর মধ্যে | মানিকপুর গ্রামের অধিবাসী জনাব এম. এ. জাহের | তিনি আন্তর্জািতক খ্যাতি অর্জণ |
| প্রথম ভূতত্ত বিভাগে | করেছেন এবং বিশ্ব বিজ্ঞান সংস্থা তাঁকে সম্মাণিত করেছেন তাঁর আবিস্কৃত একটি নতুন |
| সর্বোচ্চ পদে ছিলেন | মিনারেলকে জাহেরাইট নামকরণ করে | সারা বিশ্বের মধ্যে তিনিই একমাত্র মুসলিম ও দক্ষিণ |
| এশিয়ার একমাত্র ব্যক্তিত্ত্ব যার নামে একটি মিনারেলের নামকরণ করা হয়েছে | উনার |
| জন্ম-১৯৩২ সালে |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম আইন | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ড. এ. ডবিস্নও. এম. আবদুল হক | উনার |
| বিষয়ের ওপর ডক্টরেট | জন্ম-১৯৩১ সালে |
| এ থানাবাসীর মধ্যে | উলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী অধ্যাপক ডক্টর এ. এইচ. এম. হাবিবুর রহমান, ১৯৫৩ সালে |
| প্রথম ব্যক্তি যিনি | সলিমগঞ্জ স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেন | তিনি ১৯৫৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় |
| সুদীর্ঘকাল অধ্যাপক | হতে এম.কম. পাশ করেন এবং উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়েই রিডার পদে যোগদান করেন ৩ |
| হিসেবে ঢাকা | ফেব্রুয়ারি, ১৯৭০ সালে | উনি ১৯৭৮ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত লাভ করেন | সুদীর্ঘ |