প্রথম পুলিশ বিভাগেসার্ভিেস যোগদান করে অতিরিক্ত মহা পুলিশ পরিদর্শক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন এবং অবঃ
সর্বোচ্চ কর্মকর্তা ছিলেনগ্রহণ করে-তিনি ১ অক্টোবর, ২০০১ খ্রিষ্টাব্দে (ব্রাহ্মণবাড়িয়া -৬ আসনে) জাতীয়
সংসদ-সদস্য নির্বািচত হয়েছেনউনার জন্ম-১৯৩৮ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদরিয়াদৌলত গ্রামের জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম (মোমেন), ১৫-০২-২০০৮
(১৬-০২-২০০৮ তারিখের পর) একজনওতারিখ থেকে এল.পি.আর.-এ চলে গেছেন এবং ১৫-০২-২০০৯ তারিখ থেকে
সচিব পদে বহাল নেইতাঁর অবসর সময়
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিয়াদৌলত গ্রামের মরহুম মৌলভী গোলাম মোস্তফা খন্দকার-এর মেয়ে
কোন গ্রামের মহিলা ১৯৮৩ খ্রিষ্টাব্দেমিসেস ছামেনা বেগম, যুগ্ম-সচিব (পর্যটন করপোের্রশন)
বি.সি.এস. পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমভেলানগর গ্রামের দক্ষিণপাড়ার অধীবাসী অধ্যাপক ও ভাষা বিশেষজ্ঞ
ভাষা বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিতি লাভমুহি-উদ-দীন আহমদউনার জন্ম-১৯২০ সালে,মৃত্যু-১৩-১২-১৯৯৬ তারিখ
করে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমভেলানগর গ্রামের উত্তরপাড়ার অধীবাসী বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক
অর্থনীতিবিদ হিসেবে পরিচিতি লাভআবদুল আজীজ খানউনার জন্ম-১৯২০, মৃত্যু-১৭-০৭-১৯৮৩ তারিখ
করে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমবাখরনগর গ্রামের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক কাজী আম্বর আলী,
স্কুল শিক্ষক হিসেবে জাতীয় পুরস্কারবি.এ., বি.এল., বি.টি. আলীগরতিনি শিক্ষকতার জন্য পূর্ব-পকিস্তানের
পানশ্রেষ্ঠ শিক্ষকের জাতীয় পুরস্কার পান ও ২১ মরনোত্তর পদকও লাভ করেন
উনার জন্ম-১৯০৩ সালে, আজিমপুরে মৃত্যু-১২-১২-১৯৯৪ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমউলুকান্দি গ্রামের অধীবাসী অধ্যাপক নোমান, এম. এ. (ইংরেজী), ঢাকা
কলেজ শিক্ষক হিসেবে জাতীয় পুরস্কারবিশ্ববিদ্যালয়শিক্ষাবিদ নোমানকে ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তান সরকার
পানশ্রেষ্ঠ ইংরেজী শিক্ষক হিসেবে খেতাব প্রদান করেন এবং তিনি ১৯৯৪ সালে
জাতীয় ২১ পদকও লাভ করেনউনার জন্ম-১৯২৫ সালে, মৃত্যু-০৩-০৯-১৯৯৬
তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমমরিচাকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মিজানুর রহমান-নবীনগর উচ্চ
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনেবিদ্যালয় হতে ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ৭ম স্থান অধিকার
ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ৭ম স্থানকরেনউনার জন্ম-১৮৯৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর, মৃত্যু-১৫-০৮-১৯৮১
অধিকারতারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেকৃঞ্চনগর গ্রামের অধিবাসী ডা. মোঃ ইয়াকুব আলী ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনেউজানচর কে. এন. উচ্চ বিদ্যালয় হতে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৩তম স্থান
ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৩তম স্থানঅধিকার করেনউনার জন্ম-১৯০৩ সালে, মৃত্যু-০৩-০২-২০০০ তারিখ
অধিকার
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ১০মদরিকান্দি গ্রামের জনাব আ.কা.মো. যাকারিয়া-১৯৪১ সালে ঢাকা কলেজ
স্থান (ঢাকা বোর্ডে)হতে আই.এ. পরীক্ষায় ১১তম স্থান অধিকার করেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেভেলানগর গ্রামের অধীবাসী অধ্যাপক ডক্টর মোয়াজ্জেম-উল-হক (মামুন),
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১ম১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ হতে আই. এ. পরীক্ষায় ১ম
স্থান অধিকারস্থান অধিকার করেন এবং একই ব্যক্তি ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৯৪৩
খ্রিষ্টাব্দে ৪র্থ স্থান অধিকার করেনউনার জন্ম-১৯২৫ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমভেলানগর গ্রামের অধীবাসী অধ্যাপক ডক্টর মোয়াজ্জেম-উল-হক (মামুন)
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতিমামুনের পরিচয় হলো বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম প্রফেসর মোহাম্মদ
বিভাগের অধ্যাপক ছিলেনসানাউল্লাহর ছেলে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেবাহেরচর গ্রামের অধিবাসী অধ্যাপক ড. মোঃ তাহেরুল ইসলাম, ১৯৫০
পূর্ব-বাংলা বোর্ডে ১৬তম স্থানসালে উজানচর কে. এন. উচ্চ বিদ্যালয় হতে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৬তম
অধিকার করেনস্থান অধিকার করেনউনার জন্ম-১৯৩১ সালে, মৃত্যু-০২-০৭-১৯৯৩ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেরূপসদী-খানেপাড়ার অধিবাসী অধ্যাপক ড. অমরেশ চন্দ্র দাস, ১৯৫৭ সালে
পূর্ব-পাকিস্তান বোর্ডে ৮ম স্থানরূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয় হতে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ৮ম স্থান
অধিকার করেনঅধিকার করেনতিনি হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক
ছিলেনউনার জন্ম-১৯৩৯ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী প্রকৌশলী মোঃ মমিনুল হক (খোকন),
কুমিল্লা বোর্ডে ৩য় স্থান অধিকার১৯৬৩ সালে সিলেট সরকারী স্কুল হতে এস.এস.সি. পরীক্ষায় ৩য় স্থান
করেনঅধিকার করেনউনার জন্ম-১৯৪৫ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেরূপসদী গ্রামের উত্তরপাড়ার মোঃ ফরিদউদ্দিন আহমেদ, ১৯৭৩ সালে রূপসদী
কুমিল্লা বোর্ডে ১৮তম স্থান অধিকারবৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয় হতে এস.এস.সি. পরীক্ষায় মেধা তালিকায় ১৮তম
করেনস্থান অধিকার করেতাঁর জন্ম-১৯৫৫ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদশদনা গ্রামের শাফিউন নাহিন শিমুল, ১৯৯৬ সালে বাঞ্ছারামপুর এস. এম.
কুমিল্লা বোর্ডে ১ম স্থান অধিকারপাইলট উচ্চ বিদ্যালয় হতে এস.এস.সি. পরীক্ষায় মেধা তালিকায় প্রথম স্থান
করেন (সমাজবিজ্ঞান বিভাগে)অধিকার করেতার জন্ম-১৯৭৮ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেবাখরনগর গ্রামের অধিবাসী জনাব আবু সাঈদ মুহাম্মদ শহীদতিনি ১৯৬০
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার ছিলেনসালে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন১৯৬৬ সালে এম.এস. করেন এবং
আমেরিকা ম্যানচেষ্টার থেকে ডাবল ফেলোশীপ লাভ করেনউনার জন্ম-১৯৩৭
সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্বভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব খোশাল দিওয়ানউনি বলদাখাল বা
প্রথম সরকারী কর্মকর্তাবরদাখাতের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ছিলেনউনার জন্ম-১৭৬৫ সালে,
মৃত্যু-০৫-০১-১৮৪৪ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্বভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব খোশাল দিওয়ানের ছোট ভাই মুন্সেফ
প্রথম বিচার বিভাগে ছিলেনহোসাইন-উদ-দীন মুনশিউনার জন্ম-১৭৮৫ সালে, মৃত্যু-১৮৫৭ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্বভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়িতেখোশাল দিওয়ান স্কুলটি প্রতিষ্ঠা
প্রথম কোন গ্রামে পারিবারিক স্কুলকরেন
প্রতিষ্ঠিত
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্বরূপসদী গ্রামের অধিবাসী দারোগা আমির-উদ-দীনঢাকার বাদামতলিতে
প্রথম পুলিশ বিভাগে ছিলেনতাঁর নির্মিত পাঁকা মসজিদ ও মাদ্রাসা আছে এবং তিনি প্রচুর অর্থের
মালিক ছিলেনউনার জন্ম-১৭৮৯ সালে, মৃত্যু-১৮৬২ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথমরূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীনের বাড়ির মসজিদটিবর্তমানে
পাঁকা মসজিদ কোনটিখান সাহেব মৌঃ তুজাম্মেল আলী ওরফে মোঘল মিঞা (সাব-বাড়ি)
হিসেবে পরিচিতি লাভ করে
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথমরূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীনের বাড়িটিকে সাব-বাড়ি বলা
সাব-বাড়ী কোনটিহয়
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথমখাল্লা গ্রামের দারোগা নযম-উদ-দীন সাহেবের নামানুসারেই (খাল্লা
দারোগা বাড়ী কোনটিদারোগা বাড়ির) নামকরণ করা হয়
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথমভেলানগর গ্রামের দিওয়ানবাড়ির আবদুল্লাহ ডিপুটির বড় ছেলে ড.
শিক্ষা বিভাগে সর্বোচ্চ পদে ছিলেনমাহমুদউনি ডি.পি.আই. হয়েছিলেন (পশ্চিমবাংলা, ভারত)১৯৪৭ সালে
দেশ-বিভাগের পর ভারতেই থেকে যানউনার জন্ম-১৯১২ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথমভেলানগর গ্রামের দিওয়ানবাড়ির আবদুল্লাহ ডিপুটির দ্বিতীয় ছেলে
পুলিশ বিভাগে সর্বোচ্চ পদে ছিলেনমোহাম্মদ মাসুদ (গেদু মিঞা)উনি আই.জি.পি. হয়েছিলেন
(পশ্চিমবাংলা, ভারত) এবং ১৯৪৭ সালে দেশ-বিভাগের পর ভারতেই থেকে
যানউনার জন্ম-১৯১৪ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথমরূপসদী গ্রামের অধিবাসী ও ঢাকা শহরের বাদামতলিতে বসবাসকারী
স্থানীয় জমিদার ছিলেনদারোগা আমির-উদ-দীন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুরভেলানগর বড়বাড়ির মুনশি মুহাম্মদ হায়দর আলীউনার জন্ম-১৮৫৮ সালের
থানার মধ্যে সর্ব প্রথম নায়েব ছিলেন৩১ ডিসেম্বর, মৃত্যু-৩০-০৬-১৯২৫ তারিখহায়দর আলী হলো নিবন্ধকার
মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর দাদা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলারনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর), ভেলানগর বড়বাড়ির বংশ পরিচিতি ও
বাঞ্ছারামপুর থানারদেশ-বিদেশের তথ্য-বইয়ের জন্য নয়১৭৮০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ২০০২ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ভেলানগর
মধ্যে প্রথম ব্যক্তিবড়বাড়ির বংশ পরিচিতি (১০ম পুরুষের বাস ভেলানগর গ্রামে) এ ধরণের কাজ
ভেলানগর বড়বাড়ির বংশবাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে আর কে করেছেন আমার জানা নেই২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের ৩১
পরিচিতি ওআগষ্ট তথ্য অনুসারে, এ পর্যন্ত ভেলানগর বড়বাড়ির বংশে জন্ম হয়েছে-২,০৯৯ জন,
দেশ-বিদেশের তথ্যেরমৃত্যুবরণ করেছে-৬৮০ জন এবং জীবিত আছে-১,৪১৯ জনবিদেশ, ঢাকা এবং দেশের
লেখক (১৭৮০ থেকে ২০০২অন্যান্য শহরসহ ভেলানগর বড়বাড়ির লোক বাস করে-৫০২ জনের মধ্যে একমাত্র বিদেশে
খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত)চাকুরী ও বসবাস করে ১৬৫ জন এবং তালাকপ্রাপ্ত ও চলে গেছেন মোট স্ত্রীর সংখ্যা
হলো-৮৯ জনজীবিত বিবাহিত মেয়েরা স্বামীরবাড়িতে বাস করে-২৬৬ জন, বিবাহিত ১৫
জন মেয়ে স্বামীর বাড়ির পরিবর্তে বাবার বাড়িতে বাস করে এবং গ্রামে বাস করে-৫৬২
জনভেলানগর বড়বাড়ির প্রকৃত লোকসংখ্যা হলো-১,০৬৪ জনআমাদের পূর্ব-পুরুষরা
আসছে নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রাম হতে ভেলানগর গ্রামে এসে বসতি স্থাপন
করে-১৭৮০ খ্রিষ্টাব্দেনবীনগর থানার ইব্রাহিমপুর গ্রামে আসে আমাদের
পূর্ব-পুরুষরা কিশোরগঞ্জ জেলার জঙ্গলবাড়ি হতেকিশোরগঞ্জ জেলার জঙ্গলবাড়িতে আসছে
আমাদের পূর্ব-পুরুষরা ভারতের উত্তর প্রদেশ থেকেআমাদের পূর্ব-পুরুষরা
মঙ্গোলিয়া ও আফগানিস্থান থেকে এসে মিলিত হয়েছে ভারতের উত্তর প্রদেশেএর বেশী
আর কিছু জানার চেষ্টা করিনি বা জানিও না
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুরব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে ভেলানগর বড়বাড়ির
থানাবাসীর মধ্যে (নিবন্ধকার)-এরলোকসংখ্যা-২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের ৩১ আগষ্ট হিসেব অনুসারে জন্মগ্রহণ
জানামতে লোকসংখ্যার দিক দিয়েকরে-২,০৯৯ জন (স্ত্রীসহ পুরুষ-মহিলা)আর মারা গেছে-৬৮০ জন
প্রথম হবে ভেলানগর বড়বাড়িরপর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে জীবিত আছে-১,৪১৯ জন৮২ জন স্ত্রী
লোকসংখ্যা-৩১-০৮-২০১৬ তারিখতালাকপ্রাপ্ত, ৭ স্ত্রী চলে গেছেন এবং ২৬৬ জন জীবীত মেয়ে স্বামীরবাড়ি
পর্যন্তপ্রকৃত লোক সংখ্যা-১,০৬৪ জন এরমধ্যে ৫০২ জন শহর ও বিদেশে বাস করে
আর গ্রামে বাস করে ৫৬২ জন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়ীর আবদুল্লাহ ডিপুটির তৃতীয় ছেলে
প্রথম সেনাবাহিনী কর্মকর্তাব্রিগেইডার (অবঃ) রেযাউনার জন্ম-১৯১৮ সালেউনি ১৯৪১ সালে কমিশন পান
(বৃটিশ আর্মীেত)
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমবাঞ্ছারামপুর গ্রামের ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মুল্লুক হোসেনের
সর্বোচ্চ পদে নৌবাহিনীর(জন্ম-১৯০১ সালে, মৃত্যু-০৭-১২-১৯৯৫ সালে) পুত্র রিয়ার এডমিরাল
কর্মকর্তা ছিলেন:(অবঃ) আমির আহমেদ মোস্তফাতিনি বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী প্রধান
ছিলেনউনার জন্ম-১৯৩৮ সালে
এ থানার মধ্যে প্রথম বিমানবাহিনীবাঞ্ছারামপুর থানার ফরদাবাদ গ্রামের অধিবাসী উইং কমান্ডার (অবঃ)
কর্মকর্তানেহাল ফজলে বাকীউনার জন্ম-১৯১৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৩ সালের
আগস্ট মাসে মারা গেছেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদশদনা গ্রামের অধিবাসী সার্জেন্ট মোঃ রফিকুল ইসলাম, বীর প্রতীক
বীর প্রতীক উপাধি পানবাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে চাকুরী করা অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ
করায় তাঁকে বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমমরিচাকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মিজানুর রহমান-এর তৃতীয় ছেলে জনাব
সি. এ. পাশ লোকটিমোঃ ইকবাল হোসেন (ইকবাল মামা)উনার জন্ম-১৯৩৮ সালেবর্তমানে
তিনি কানাডাতে বসবাসরত
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম পররাষ্ট্রভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব মুসলেহ উদ-দীন আহমেদ, সচিব (অব.)
বিভাগে সর্বোচ্চ পদে ছিলেনউনি ফরাসী দেশে ইকোনমিক মিনিষ্টার এবং পরে রাষ্ট্রদূত ছিলেন
এ থানার কৃষি বিভাগেদূর্গারামপুর গ্রামের ড. আবদুল আলীম, পিতা-মরহুম মুনশি আমিনউদ্দিনকৃষি
সর্বোচ্চ পদে ছিলেনবিজ্ঞানে তিনি বাঙ্গালী মুসলমানের মধ্যে বাংলাদেশে কৃষি বিজ্ঞানে প্রথম ডক্টরেটউনার
জন্ম-১৯১৩ সালের ১ অক্টোবর, দূর্গারামপুর গ্রামের ড. আবদুল আলীম,
মৃত্যু-০৯-০৭-২০১১ তারিখ বেলা ১২.২৩ মিনেটের সময় হাসপাতালে
এ থানার কৃষি বিজ্ঞানেপাড়াতলি গ্রামের অধিবাসী অধ্যাপক ড. আবদুল করিম(তিতু মিয়া), ময়মনসিংহ কৃষি
আরো একজন পন্ডিতবিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করা অবস্থায় (উনার জন্ম-১৯২৯ সালে, মৃত্যু-১৯৭৫ সালের ২৪
ছিলেনডিসেম্বর) লিভার সিরোসিস রোগে আক্রান্ত হয়ে অকালে মৃত্যুবরণ করেন
থানাবাসীর মধ্যে প্রথমবাঁশগাড়ি গ্রামের অধিবাসী ডা. আলী আজগর ১৯৪৮ সালে বাঙ্গালীর মায়ের ভাষা
ভাষা সৈনিক-এর নামবাংলাকে রক্ষা আন্দোলনের একজন প্রত্যক্ষ সৈনিক ছিলেনতিনি ১৯৪৮ সালে ঢাকা
কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী ছিলেনউনার জন্ম-১৯২৫ সালে
থানাবাসীর মধ্যে প্রথমবাঁশগাড়ি গ্রামের অধিবাসী ডা. আলী আজগর-এর স্ত্রী বেগম দিলবরেন্নেসাবেগম
মহিলাদের মধ্যে এম. এ.,দিলবরেন্নেসা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সাহসী সৈনিক ছিলেনউনার জন্ম-১৯৩৩,
এল. এলবি.মৃত্যু-০২-১১-১৯৯৫ তারিখ
এ থানাবাসীর মধ্যেমানিকপুর গ্রামের অধিবাসী জনাব এম. এ. জাহেরতিনি আন্তর্জািতক খ্যাতি অর্জণ
প্রথম ভূতত্ত বিভাগেকরেছেন এবং বিশ্ব বিজ্ঞান সংস্থা তাঁকে সম্মাণিত করেছেন তাঁর আবিস্কৃত একটি নতুন
সর্বোচ্চ পদে ছিলেনমিনারেলকে জাহেরাইট নামকরণ করেসারা বিশ্বের মধ্যে তিনিই একমাত্র মুসলিম ও দক্ষিণ
এশিয়ার একমাত্র ব্যক্তিত্ত্ব যার নামে একটি মিনারেলের নামকরণ করা হয়েছেউনার
জন্ম-১৯৩২ সালে
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম আইনদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ড. এ. ডবিস্নও. এম. আবদুল হকউনার
বিষয়ের ওপর ডক্টরেটজন্ম-১৯৩১ সালে
এ থানাবাসীর মধ্যেউলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী অধ্যাপক ডক্টর এ. এইচ. এম. হাবিবুর রহমান, ১৯৫৩ সালে
প্রথম ব্যক্তি যিনিসলিমগঞ্জ স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেনতিনি ১৯৫৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
সুদীর্ঘকাল অধ্যাপকহতে এম.কম. পাশ করেন এবং উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়েই রিডার পদে যোগদান করেন ৩
হিসেবে ঢাকাফেব্রুয়ারি, ১৯৭০ সালেউনি ১৯৭৮ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত লাভ করেনসুদীর্ঘ