সরকারবাড়ির মরহুম এম.এ. মান্নান ওরফে কেনু মিয়া সরকার ও মিসেস আবু তারার তিন ছেলে: আবুল হালিম ওরফে শাহআলম ও মিসেস লামিসা, আবদুল কাদির ওরফে শাহানুর ও মিসেস জলি, আবদুস সালাম ওরফে শাহজামাল ও মিসেস আয়শা সিদ্দিকা, শাহআলমের দুই মেয়ে-সুমাইয়া ও তাকিয়া, শাহনুরের এক ছেলে এক মেয়ে-রবিউল ও সাদিয়া, শাহজামালের-এক ছেলে এক মেয়ে-ইমতিয়াজ ও নাফিজা, মোঃ হেলালউদ্দিন ও মিসেস হেলালউদ্দিন এরা সবাই লন্ডনে আছেন। মোঃ নজির আহমেদ ওরফে ছোট্ট মিয়া, মোঃ নরুল ইসলাম, মোঃ রুবেল, মোঃ রকিবউদ্দিন, মোঃ মোসলেম মিয়া ওরফে আবু মিয়া, মোঃ শেখ সাব, মোঃ কামাল মিয়া, মোঃ জয়নাল মিয়া, মোঃ আলামিন, মোঃ ফোরকান মিয়া, মোঃ মোমিন মিয়া, মোঃ সুমন মিয়া, মোঃ এতু মিয়া, মোঃ বাবুল মিয়া, মোঃ আবুল মিয়া, সজিব, মোঃ খবির হোসেন, মোঃ স্বপন মিয়া, মোঃ ডালিম মিয়া, মোঃ নাসির মিয়া, মোঃ হেলাল মিয়া, মোঃ ফারুক মিয়া, আবু তালেব, মোঃ মোসলেম, মোঃ মোশাররফ, মোঃ নাসিরউদ্দিন, মোঃ ফেরদৌস মিয়া, মোঃ কুদ্দুস মিয়া, মোঃ ইদ্রিস মিয়া, মোঃ মুক্ত মিয়া, মোঃ খোকন মিয়া, মোঃ ইব্রাহিম মিয়া, রুবেল, মোঃ সেন্টু মিয়া, মোঃ মদন মিয়া, মোঃ দুলাল মিয়া, মোঃ কালা মিয়া, মোঃ স্বপন মিয়া ওরফে মামুন, মোঃ আলাউদ্দিন, মোঃ রিপন মিয়া, মোঃ লিটন মিয়া, মোঃ বাবুল, মোঃ আবুল বাশার ওরফে ডালিম মিয়া, মোঃ শফিকুল ইসলাম, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ ইদ্রিস মিয়া, মোঃ মনির মিয়া, মোঃ ইসহাক মিয়া, মোঃ জাহাঙ্গীর, মোঃ সায়েদ হোসেন, মোঃ মেজবাউদ্দিন আহমেদ, মোঃ লায়ন মিয়া, মোঃ সেলিম মিয়া, মোঃ সুমন মিয়া, মোঃ নাসির মিয়া, মোঃ লালন, মোঃ জালাল, মোঃ মনির মিয়া, মোঃ লোকমান মিয়া, মোঃ স্বপন মিয়া, মোঃ উজ্জল মিয়া, মোঃ জাকির মামুন, মোঃ হেলালউদ্দিন, মোঃ ফারুক মিয়া, মোঃ বারু মিয়া, মোঃ আমির হোসেন, মোঃ নবীর হোসেন, মোঃ মজনু মিয়া, মোঃ দুলাল মিয়া, মোঃ নজরুল ইসলাম, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ আলমগীর ও মোঃ লিয়াকত আলী।

বখ্‌সবাড়ির: মোঃ ইসমাইল মিয়া, মোঃ সোলায়মান মিয়া, আবদুল মতিন মিয়া, মোঃ গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, মোঃ মুসলেমউদ্দিন ওরফে বাবুল, মোঃ মহিউদ্দিন ওরফে মহি, মোঃ আবদুল্লাহ, মোঃ মানিক মিয়া, আবদুল খালেক মিয়া, আবুল হোসেন মিয়া, মোঃ জালাল মিয়া, মোঃ বিল্লাল হোসেন, মোঃ বুলবুল, আবদুল কাদির, মোঃ আলমগীর, মোঃ শাহীন মিয়া, মোঃ অলী মিয়া, মোঃ শ্যামল মিয়া, মোঃ সগির ইসলাম, মোঃ হান্নান মিয়া, মোঃ হানিফ, আবুল কুদ্দুস মিয়া, মোঃ গোলাম ফারুক, মোঃ অহিদ মিয়া, লাল চাঁন, মোঃ আজহারুল হক, মোঃ জাহাঙ্গীর ও মোঃ মহসীন।

হাঁজী বজলু ডিলারদেরবাড়িঃ মোঃ ইদ্রিস মিয়া, মরহুম মোঃ মুরশিদ মিয়া, মোঃ আলামিন, মোঃ ইব্রাহিম, মোঃ শ্যাম মিয়া, মোঃ ইকবাল-ইতালি, মোঃ মনিরুল ইসলাম, মোঃ কিবরিয়া, মোঃ মজিবুর রহমান, মোঃ হেলালউদ্দিন, মোঃ সজিব হোসেন ওরফে আখতার, মোঃ সমির হোসেন-লন্ডনে আছে, মোঃ আমির ও মোঃ জামির, আনারউদ্দিন মুন্সীবাড়ির-মোঃ মুজিবুর রহমান, মোঃ জুয়েল, মোহাম্মদ শামসুল হক, আবদুল বাতেন মিয়া ও মোঃ সবির মিয়া।

মেজবাউদ্দিনদেরবাড়ির: মোঃ রুকুবউদ্দিন, আবুল কাশেম, মোঃ শাহনেওয়াজ, শাহআলম, মোঃ বিল্লাল হোসেন, মোঃ কামরুল হাসান, মোঃ ফকরুল ওরফে রুবেল, মোঃ কামাল মিয়া, মোঃ আনোয়ার হোসেন, মোঃ মোশাররফ, মোঃ ছালে মুসা, মোঃ তাহের মিয়া, মোঃ দৌলত মিয়া ও মোঃ জয়নাল মিয়া।

মরহুম আফাজুদ্দিন খালিফাদেরবাড়ির: মোঃ মাইনউদ্দিন, মোঃ আলম ও মোঃ শাহজাহান।

গাজী-কালুরবাড়ির: রতন মিয়া, মোঃ স্বপন মিয়া, আবদুর রহমান ও আবদুল হক, মোঃ এরশাদ মিয়া, মোঃ ফারুক মিয়া, মোঃ শাহআলম ও মোঃ তাজুল ইসলাম।

ভোলারবাড়ির: মোঃ রুক্কু মিয়া, মোঃ আনারুল ও শাহআলম, মোঃ কাওসার, মোঃ ওসমান, মোঃ লোকমান ও মোঃ মহসিন, মোঃ জাকির হোসেন, আলী মিয়া ও মোঃ হাবিবুর রহমান।

ময়নাল মিয়ারবাড়ির: মোঃ ইসমাইল ও নাম জানা নেই।

ইমানদিরবাড়ি: বিদেশে কারা আছে আমার জানা নেই।

ডেংগুরবাড়ির: মহিউদ্দিন আহমেদ।

সূত্রধরদেরবাড়ির: শ্রী সঞ্জয় ও শ্রী উৎফল, শ্রী স্রীনিবাস চন্দ্র ও শ্রী শ্যামল চন্দ্র, শ্রী তাপস লাল, শ্রী শ্যামল, শ্রী ভোলা ও শ্রী স্বপন, শ্রী সমীরণ, শ্রী দিলীপ কুমার, শ্রী নেপাল কুমার ও শ্রী সুমন।

উত্তরপাড়া শুরু: নজিব আলী খলিফাবাড়ির: মোঃ জাহাঙ্গীর, মোঃ মনির মিয়া ও মোঃ সুজাত মিয়া।

ভূঁইয়াবাড়ি: মরহুম মোঃ সহিদ ভূঁইয়া, মোঃ রেজাউল করিম ও মোঃ সালাহউদ্দিন, মোঃ বাবুল মিয়া, আবদুর রহমান, মোঃ আতিকুর রহমান, মোঃ বাবুল মিয়া, মোঃ সেলিম মিয়া, মোঃ মিন্টু মিয়া ও মোঃ সেন্টু মিয়া, মোঃ সেলিম মিয়া, মোঃ রুবেল, মোঃ আলাউদ্দিন, মোঃ সোহাগ মিয়া ও মোঃ সমির মিয়া, মোঃ জাকির হোসেন, মোঃ আনোয়ার হোসেন ও মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মোঃ তাহের মিয়া, মোঃ জজ মিয়া, মোঃ আতাউর রহমান, মোঃ শাহআলম ওরফে আলম, মোঃ আতশ আলী, মোঃ শফিক আহম্মেদ, মোঃ ফারুক মিয়া, মোঃ অহিদ মিয়া ও মোঃ হযরত আলী, মোঃ সেলিম মিয়া ও মোঃ বোরহান মিয়া, মোঃ জাকির হোসেন, মোঃ মাসুদ মিয়া, মোঃ মাঈনউদ্দিন।

দেওয়ানবাড়ির: মোঃ সমীর দেওয়ান,,ফেরদৌসুর রহমান, পপন ও সজিব।

শিকদারবাড়ির: মোঃ আজিজুর রহমান, ইংল্যান্ডে লেখাপড়া করে, কিশোর শিকদার, আবেদ শিকদার ও আরেক ছেলে, মিসেস তাসলিমা আক্তার ওরফে বাবু, এম.এ. (অস্ট্রেলিয়া) ও মিসেস ফাতেমা জিন্নাত ওরফে মেরী, এম.এ.(সুইডেন), মোঃ তরু মিয়া, মোঃ কায়েশ ও আবু সায়েজ।

খাঁবাড়ির: মোঃ মহিউদ্দিন খান ও মোঃ মাইনউদ্দিন খান, মিসেস শিলু, রফিক ও মিসেস রফিক, পটু-কমপিউটার ইঞ্জিনিয়ার ও মিসেস টিনা, এম. এ., পারভেজ খান, পিয়স, এম. এ., মোঃ রানা খান, এম. এ., আমেরিকাতে, অনিক খান, ইংল্যান্ডে আছে, মোঃ ময়নাল খান, মোঃ নুরুল ইসলাম খান, মোঃ শফিকুল ইসলাম খান, মোঃ ফারুক খান, ফাহাত খান ওরফে বুলবুল, দ্বিপন খান, মাসুম খান, মোঃ আলামিন খান, মোঃ আলমগীর খান, অবিদ খান, আলী আহম্মদ খান, আলী আজম খান, হারুনুর রশীদ খান, মুসা খান, শাহীন খান ও বিল্লাল খান, শাহ আলম খান, ফেরদৌস খান ও শাহাদত খান।

হাঁজীবাড়ির: মোঃ নাসিরউদ্দিন,এইচ.এস-সি.,ইতালি ও মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ওরফে লিয়ন, মোঃ মফিজুর রহমান ওরফে তুহিন ও মিসেস রিয়া, জাপান, মিসেস হাসিনা আক্তার ওরফে রিয়া, মোঃ এনামুর রহমান ওরফে তপু, বি.কম. ও মিসেস পলি আক্তার, আমেরিকায়, মোঃ নজরুল ইসলাম ও মোঃ আফজাল হোসেন।

ইব্রাহিম মাস্টারেরবাড়ি: মোঃ সজিব মিয়া, মোঃ সামিউল বাসেদ ও মোঃ সামিউল বসির, মোঃ যাকারিয়া, মোঃ হাসান বসির ও মোঃ সালাহউদ্দিন, মোঃ মোমেন মিয়া ও মোঃ রাজিব, মোঃ ইমাম, মোঃ খোকা মিয়া, জাপান, মোঃ আনু মিয়া ও মোঃ মনির মিয়া, মোঃ জহিরুল হক ও মোঃ শাহাদত হোসেন, মোঃ কামরুল হাসান ও মোঃ রুবেল মিয়া, আবদুল বাক্কী, মোঃ সাদেক মিয়া, মোঃ জহিরুল ইসলাম, মোঃ শাহজামাল, আবুল হাসনাত ওরফে সোহান, আবদুল্লাহ-আল-মোমেন, মোঃ শামীম ও মোঃ শাহীন, মোঃ নুরুল আমিন ও মোঃ নূর আহাদ, মোঃ সিদ্দিক মিয়া ওরফে রাসেল, মোঃ কামাল মিয়া, আবু বাক্কার, মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মোঃ শরিফুল ইসলাম, মোঃ খায়রুল মিয়া, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ ইয়াকুব মিয়া, মোঃ জুলহাস মিয়া, মোঃ সিয়াম, মোঃ কামাল হোসেন, মোঃ মিলন মিয়া, মোঃ মাহবুব আলম ওরফে জুরজি ও যাজারিয়া আলম, সুমন মিয়া, মোঃ মাফুজ ওরফে সন্টু ও মোঃ নান্টু মিয়া, মোঃ সুমন মিয়া, মোঃ খয়েরউদ্দিন, মোঃ সুহেল।

মুনশিবাড়ি: মোঃ রমিজুল হক, মোঃ মাখন মিয়া, মোঃ মাসুদ মিয়া, মোঃ নাসির মিয়া, মোঃ দুলাল মিয়া, মোঃ আনোয়ার হোসেন, মোঃ পলাশ,,মোঃ রুবেল, কেটু, মোঃ মাক্কু মিয়া, মোঃ রিপন মিয়া, মোঃ শাহজামাল, আবদুস সাত্তার, আবদুল কাদির, মোঃ কবির মিয়া, মোঃ আমির হোসেন, মোঃ ইয়ার হোসেন, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ কালা মিয়া।

মাজু মুনশিরবাড়ি, মোল্লাবাড়ি ও খনকারবাড়ির: পারভেজ হোসেন ও মোঃ শরিফুল ইসলাম, মোঃ রেন্টু মিয়া, মোঃ মাহফুজ মিয়া ও আবু বাক্কার সিদ্দিক, সেন্টু মিয়া, ধন মিয়া, অবিদ মিয়া ও মোঃ জাহের মিয়া, মোঃ আলমগীর, মাইনউদ্দিন, মোঃ আলাল, সুবুজ মিয়া, গোলাম মোস্তফা ও সাইফুল ইসলাম, সুক্কর আলী, আবুল কাসেম(গ্রীস), মোঃ হেলাল মিয়া ও ওমর আলী, রজব আলী ও মিসেস নাসিমা, মাতু মিয়া, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, স্বপন মিয়া, মোঃ জালাল, মোঃ জামাল, মোঃ উজ্জল, আবদুল কাইয়ূম ও মোঃ কামরুল, মরহুম হোসেন মোল্লা, মোঃ হাশেম মোল্লা, বাবুল মোল্লা, মোঃ আখতার(জাপান), মোঃ হাবিবুল্লাহ, মোঃ শফিউল্লাহ, মোঃ জলিল মিয়া, বাচ্চু মিয়া, মোঃ ইব্রাহিম খলিলউল্লাহ, মোঃ বায়েস(ইতালি), মোঃ সাইফুল(ইতালী), মোঃ জাহাঙ্গীর মিয়া, মোঃ এমরান মিয়া, মোঃ মানিক মিয়া, মোঃ কামাল মিয়া, মোঃ সাদেক মিয়া, মোঃ শফিকুল ইসলাম, মোঃ হেলাল মিয়া, মোঃ নাসির, মোঃ সেলিম ও মোঃ জসীম, মোঃ আলমগীর, মোঃ কাওসার, মোঃ শাহীন মিয়া, মোঃ রিপন মিয়া ও মোঃ আনোয়ারুল হক ওরফে শিপন, মোঃ জালালউদ্দিন ও মোঃ আলাল মিয়া, রাজীব মিয়া, সজিব মিয়া, মোঃ নজরুল ইসলাম, মোঃ মোজাম্মেল হক, মোঃ শাহজালাল ও মোঃ সাইফুল ইসলাম, আবু কালাম, আলহাজ আবদুল হামিদ, মোঃ মহিউদ্দিন আহমেদ(জাপান), জানু বেগম(অস্ট্রেলিয়া), মোঃ আনিস ও মোঃ সুমন, মোঃ মানিক ও মোঃ তফাজ্জল, আলী আহাম্মদ, নওয়াব আলী, মোঃ মোসলেম মিয়া, মোঃ মহিউদ্দিন ও মোঃ শাহাবুদ্দীন, মোঃ শাহাআলম, মোঃ নিজামউদ্দিন ও আবু বকর মিয়া, মোঃ শফিকুজ্জামান ওরফে মদন, মোঃ সোহেল মিয়া, মোঃ আমির হোসেন ও মাঃ জামির হোসেন, মোঃ সজিব মিয়া, মোঃ ফোরকান মিয়া ও মোঃ সুজ্জু মিয়া, আবদুল আজিজ, মোঃ কাওসার, আবদুল মানিক মিয়া, মঙ্গল মিয়া ও মোঃ ইউসুফ আলী, মোঃ মুজিবুর রহমান, আবদুল কাদির, মোঃ সাহেদ মিয়া, মোঃ লালন, শামীম, জাবেদ, শরীফ ও মোঃ মোঃ কাইয়ূম, মোঃ ইব্রাহিম, মোঃ ইসমাইল ও মোঃ ইসহাক, আবদুল কাদির ও মোশাররফ মাওলানা, মোঃ মেহের আলী ও বায়েস মিয়া, কবির মিয়া ও মোঃ মোমেন মিয়া, নূর মোহাম্মদ(লন্ডন), মোঃ ফারুক মিয়া, আবদুল আজীজ ও মোঃ গিয়াসউদ্দিন, আবদুল বাতেন, মোঃ কামরুল হাসান, মোঃ সাইদুজ্জামান ও মোঃ খায়রুজ্জামান ওরফে উজ্জল, মোঃ আশ্রাফুল আলম, আবুল কাশেম, আমির হামজাল ও হাসান, মোঃ শাহাবুদ্দিন, আলামিন, আবদুল আউয়াল, আবুল কাশেম ও মোঃ জামাল মিয়া, আবু কালাম, আবদুল মোমেন ও সৌরভ হোসেন ইত্যাদি।

কাঞ্চনপুর থেকে আসছে যারা তাদের মধ্যে বিদেশ আছে: আমির হোসেন, রফি মিয়া ও আবদুল মতিন মিয়া, আবু মুসা, মোহাম্মদ স্বপন মিয়া, মোঃ সিপারুল।

ভেলানগর গ্রামের বাসিন্দা যাঁরা ব্রিটিশ পিরিয়ডে কলকাতা শহরে চাকরি করতেন তাঁদের নামগুলো: যেমন বড়বাড়ির: মরহুম মৌলভী আবদুস সোবহান ওরফে সোন্ধা মাস্টার, মরহুম এ. এফ. এম. এ. মালিক ওরফে মালেক, মরহুম জজ মিয়া। সরকারবাড়ির: মরহুম আবদুর রাজ্জাক দারোগা, মরহুম মোঃ ফিরোজ দারোগা। দেওয়ানবাড়ির: দেওয়ান মোঃ সুন্দর আলী ও মরহুম মোঃ ফিরোজ মিয়া দেওয়ান, মরহুম ড. মাহমুদ ও মরহুম মোঃ মাসুদ ওরফে গেদু মিয়া। খাঁবাড়ির: মরহুম মোঃ ইউনুস খান, মরহুম মোঃ সাফিজউদ্দিন খান। ইব্রাহিম মাস্টারের বাড়ির: মরহুম আবদুল সামাদ মিয়া। এদেরকে ছাড়া আর কারা কলকাতা শহরে চাকরি বা ব্যবসা বানিজ্য করত ১৯৪৭ সালের পূর্বে আমার জানা নেই। এদের মধ্যে দেওয়ানবাড়ির মরহুম মোঃ ফিরোজ মিয়া দেওয়ান, মরহুম ড. মাহমুদ ও মরহুম মোঃ মাসুদ ওরফে গেদু মিয়া, কলকাতা থেকে এরা তিনজন আসেনি পাকিস্তানে। কলকাতা শহর ভারতবর্ষের পশ্চিমবাংলায়। ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান রাষ্ট্র স্বাধীন হয়। আর সবাই চলে আসছে পূর্ব বাংলার রাজধানী ঢাকা শহরে। তখনও পূর্ব বাংলা নাম ছিল। পূর্ব বাংলার নাম বদল করে নাম রাখা হয় পূর্ব পাকিস্তান ১৯৫৬ সালে। পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী করা হয় ঢাকা। পশ্চিম পাকিস্তানের রাজধানী হয় করাচি। আর পূর্ব পাকিস্তান + পশ্চিম পাকিস্তান=পাকিস্তান। আর পাকিস্তানের রাজধানী প্রথম করা হয় ''করাচি'' তারপর আবার করা হয় ''লাহোর'' এবং শেষমেষ পাকিস্তানের রাজধানী করা হয় "ইসলামাবাদ"।

১৯২০ সালে বেঙ্গল ভিলেজ সেলফ গভর্নেমন্ট অ্যাক্ট পাশ করা হলে ইউনিয়ন পঞ্চায়েত প্রথা বিলোপ করে ইউনিয়ন বোর্ড করা হয়: ১৯২০ সালে ৪নং ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়ন বোর্ড-এর প্রেসিডেন্ট মরহুম যোগেন্দ কুমার দত্ত(বাড়ি-ছয়ফুল্লাকান্দি)। তখন ভেলানগর বড়বাড়ির মরহুম আফতাব উদ্দীন মেম্বার (মেম্বার ও রেন্ট কালেক্টর ছিলেন)। ১৯৫৭ সালে ইউনিয়ন বোর্ড-এর শেষ নির্বচন হয়-প্রেসিডেন্ট। ১৯৫৯ সালে ইউনিয়ন বোর্ডের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় "ইউনিয়ন কাউনসিল"। ১৯৫৯ সালে ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়ন কাউনসিলকে ভেঙ্গে দুটি করা হয় এবং নাম রাখা হয় (১) ছয়ফুল্লাকান্দি পশ্চিম ও (২) ছয়ফুল্লাকান্দি পূর্ব। তারপর ১৯৬০ সালের নির্বাচনে ১০(দশ) জন বি.ডি. মেম্বার নির্বািচত হয়। ১৯৬০ সালের নির্বাচনে পাড়াতুলীর মৌলভী লাল মিয়া সাব ছয়ফুল্লাকান্দি পশ্চিম ইউনিয়ন কাউনসিলের চেয়ারম্যান নির্বািচত হন। ১৯৬০ সালে ভেলানগর গ্রামের উত্তরপাড়ার খাঁবাড়ির মরহুম মোঃ তাহের খান, বি. ডি. মেম্বার নির্বািচত হন ও দক্ষিণপাড়ার মরহুম মোঃ মকবুল খলিফা। ১৯৬৪ সালে উত্তরপাড়ার মরহুম জুলফু ডাক্তার, বি. ডি. মেম্বার নির্বািচত হন ও দক্ষিণপাড়ার মরহুম মোঃ আযহারুল হক ওরফে নসু মিয়া প্রথমে বি. ডি. মেম্বার নির্বািচত হন এবং পড়ে বি.ডি. মেম্বারদের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বািচত হন। তারপর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধুর সরকার ইউনিয়ন কাউনসিলের নাম পরিবর্তন করে নাম রাখেন ইউনিয়ন পরিষদ। ১৯৭৩ সাল থেকে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন জনগণের ভোটে সরাসরি হয়, তারপর ১৯৭৭ সালে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হয়, তারপর ১৯৮৩ ও ১৯৮৪ সালে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হয়, তারপর ১৯৮৮ সালে ইউনিয়ন পরিষদের ন্‌ির্বাচন হয়, তারপর ১৯৯২ সালে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হয়, তারপর ১৯৯৭ সালে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হয়, তারপর ২০০৪ সালে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হয় ও ২০১১ সালে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হয়-৮ম বার। যাঁরা স্বাধীনতার পর আমাদের গ্রামে মেম্বার পদে নির্বািচত হয়েছিলেন বা আছেন। তাঁদের নামগুলো: মরহুম মকবুল খলিফা, আবুল হাশেম, মরহুম মোঃ মালু ব্যাপারী, মরহুম শ্রী নাগর মাস্টার, মোঃ কালন মেম্বার, মরহুম মোঃ ফুল মিয়া, মোঃ আনারুল হক, মোঃ সালাহউদ্দিন আহমেদ, মরহুম মোঃ কবির খান, আবদুর রাজ্জাক মেম্বার, মোঃ সুরুজ মেম্বার, আবদুল হাকিম ভূইয়া, মরহুম মোঃ কাজল মেম্বার, আবদুল আজিজ মেম্বার, মোঃ মোস্তফা মেম্বার ওরফে মিকসেদ, ডাক্তার বাবুল মেম্বার, মোঃ সুরুজ মেম্বার ও মোঃ ফেরদৌস খান।

ভেলানগরের পশ্চিম-দক্ষিণে ছিল মান্দালিয়া বিল। ভেলানগর গ্রামের লাগ পশ্চিমে আছে ছয়ফুল্লাকান্দির বিল। গ্রামের লাগ পূবে আছে ভেলানগরের পূবের বিল। ভেলানগর গ্রামে নবীনগর উপজেলা থেকে অনেক পরিবার আসছে, মুরাদনগর উপজেলা থেকে কিছু পরিবার আসছে, নরসিংদী ও রায়পুরা উপজেলা থেকে আসছে এবং সোনারগাঁ উপজেলা থেকেও আসছে ভেলানগর গ্রামে এসে তারা বসতি স্থাপন করেছে। এখনো অনেক পরিবার শহর ও বিদেশে পারি দিচ্ছে। আমাদের গ্রামের লোকসংখ্যা মৃত ও জীবিতসহ-১২,৯৬৩ জন। মারা গেছেন-৩,৫০৩ জন, জীবত লোকসংখ্যা-৯,৪৬০ জন এবং জীবিত বিবাহিত মেয়েরা স্বামীরবাড়িতে-১,৮৯৮ জন। গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ প্রকৃত লোকসংখ্যা-৭,৫৬২ জন এবং গ্রামের ৩,০৫০ জন মানুষ শহর ও বিদেশে বসবাস করে এবং এরমধ্যে বিদেশে বাস করে ৬৫০ জন। ৩,০৫০ জন বিয়োগ করলে ৪,৫১২ জন এবং প্রকৃতপক্ষে ভেলানগর গ্রামে বাস করে ৪,৫১২ জন। আমার মনে হয় ভেলানগর গ্রামের উত্তরপাড়ার প্রায় সাড়েতিনশত মানুষের নাম বাদ পড়ে গেছে এবং দক্ষিণপাড়ার একশত মানুষের নাম বাদ পড়ে গেছে। অনেককে অনেক প্রশ্ন করেছি তবুও তারা আমাকে সঠিক উত্তর দিতে পারেনি। ঐতিহাসিকরা রাজা-রানী ও সেনাপতির ইতিহাস লেখে। আমি এর ব্যাতিক্রম। আমি লিখেছি গণমানুষের ইতিহাস। আমি প্রায় আড়াই বছর চেষ্টা করে একটি গণমানুষের ইতিহাস তৈরি করেছি। এ ইতিহাস একদিন গণমানুষের কাজে লাগবে। আমার চেষ্টা একদিন সফল হবেই। উনি ভেলানগর গ্রামে বাস করে এবং গ্রামে বসবাসরতদের মধ্যে চৌধুরী অজির ছেলে হাঁজী মোঃ বজলুর রহমান ওরফে বজলু ডিলার। উনার জন্ম-১৯২৪ সালের ডিসেম্বর, উনার বয়স হবে প্রায় ৮৮ বছর (৩১-০৩-২০১৩ তারিখ)। আরেকজনের নাম না বললেই নয় তিনি হলেন ভেলানগর বড়বাড়ির জনাব আবদুল আউয়াল ওরফে সুদন মিয়া-জন্ম-১৯২৫ সালের নভেম্বরে। উনার বয়স ৮৭ চলে। গ্রাম ও শহর মিলে বয়সের দিক দিয়ে তিনি দ্বিতীয় স্থানে আছে। এ গ্রামে আর কারো বয়স এদের চেয়ে বেশি আছে কিনা, তা আমার জানা নেই।