আবার বিগত ১০০(একশত) বছরে উৎপাদন বেড়েছে ১৭ গুণ। আর গত ১০০(একশত) বছরে জনসংখ্যা বেড়েছে ৪ গুণেরও কম। গত ১৯০১ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্তকে বলা হয়েছে। তা'হলে পর্বত চুড়ান্ত উৎপাদন কোথায় যায়? হাতে গোনা কতিপয় মানব সন্তানের কাছেই কি? ওদের দ্বারাই চিরকাল সমস্ত উৎপাদন নিয়ন্ত্রিত হবে? এযাবৎকালের ইতিহাসই শ্রেণী সংগ্রামের ইতিহাস? আদিম সাম্যবাদী সমাজ ছাড়া। আদিম সাম্যবাদী সমাজে শোষণ ছিল না। দুনিয়ার সব মানুষের সমৃদ্ধি আর যৌথ আবেগ/প্রেম/স্নেহ/মায়া মমতার সামাজিক বিকাশ কি কোন দিনই হবেনা?

শ্রমজীবী মানুষ বুর্জোয়া সমাজব্যবস্থার পরিবর্তন করতে পারলেই হবে।

যে বিজ্ঞানের বদৌলতে এ অসহনীয় বৈষম্য তা কতটা বিজ্ঞানসম্মত আর কতটা আধিপত্যবাদ? এ আধিপত্যবাদ অধিকাংশ রাষ্ট্রকে করেছে গেস্নাবাল নাচের পুতুল। তা'হলে কি রাষ্ট্র নামক এ কাঠামো ভাঙ্গার প্রয়োজন নেই? এ বিদ্যমান রাষ্ট্রটি, আর্থ-সামাজিক রাজনৈতিক পদ্ধতি আধুনিক বিজ্ঞান সম্মত বিকাশের নিশ্চয়তা দেয় কতটুকু?

আবার বলা হচ্ছে বিজ্ঞান হলো বিশেষ জ্ঞান। বিজ্ঞান কাকে বলে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা গবেষণালব্ধ জ্ঞানকে বিজ্ঞান বলে। আর এ বিশেষ জ্ঞানের অনুশীলন হল সামাজিক গঠনাবলী ও প্রাকৃতিক নিয়মাবলীতে সু-সংগঠিত যুক্তি আর পর্যেবক্ষণের স্বচ্ছ কর্ম দ্বারা। তা'হলে কি সব জ্ঞানই বিজ্ঞান নয়? আমরা কোনটি জ্ঞান আর কোনটি বিশেষ জ্ঞান হিসেবে গ্রহণ করব? সুতরাং স্পষ্ট বলা যায় বিজ্ঞান আর সমাজের সাধারণ মানুষের মাঝে অবস্থান করে না। পাশাপাশি সমাজ আর প্রকৃতি পর্যেবক্ষণলব্ধ যুক্তি চর্চার অধিকারও চলে যায় ঐ বিশেষ মানুষের নিয়ন্ত্রণে। অথচ মানুষের ইতিহাস পর্যােলাচনা করলে আমরা জানি-সংগ্রহশীল কিংবা শিকার ভিত্তিক সমাজের যৌথ প্রয়াসের মধ্যে দিয়ে তাদের জীবন-যাপন অগ্রসরতা পেয়েছিল। সম্পূর্ণ বৈষয়িক ও প্রাকৃতিক ব্যবস্থাবলীর উপর গড়ে উঠছে তাদের শ্রমক্ষেত্র ও চিন্তার পদ্ধতি। অরণ্যচারী গুহাবাসী মানুষ তার অর্জিত অভিজ্ঞতাকে ক্রমান্বয়ে সঞ্চারিত করেছে নিরন্তন গোষ্ঠীলব্ধ প্রতিরোধী শক্তির অনন্যতায়। তা'হলে মানব-সমাজ বিকাশের কোন পর্যােয় অর্জিত সেই গোষ্ঠীবদ্ধ সার্বজনিন জ্ঞান খন্ড খন্ড বিশেষ জ্ঞানে রূপ নিল? ইতিহাসের গতি পথে কখন তা মানুষের চিন্তা জগতে এসেছে? কিংবা মানুষ অর্থৈনতিকভাবে খন্ড খন্ড শ্রেণীতে ভাগ হয়ে যাওয়ার কারণেই কি বিশেষ জ্ঞান হিসেবে বিজ্ঞান বিশেষ শ্রেণীর ক্ষমতার কৌশল উপকরণে পরিণত হয়নি? আজকের পাশ্চাত্য দর্শন কিভাবে কখন আধিপত্যবাদী চরিত্রের হয়ে উঠল? আমাদের বাংলা অঞ্চলে কি কোন বিজ্ঞান দর্শন, জিজ্ঞাসা ছিল না? আমাদের বিজ্ঞান দর্শন আজ কোথায়? জিজ্ঞাসাগুলো কেন হারিয়ে গেল? আসলে আমাদের জিজ্ঞাসাগুলোই বা নিয়ন্ত্রণ করে কারা? আমাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থায় বিজ্ঞান ছিল না? বিজ্ঞান কি শুধু গবেষণাগারের ব্যাপার? এটা কি কেবল ধনীদের বিলাসের বস্তু বা অস্তিত্ব? শ্রমজীবী মানুষের কি কোন উপকারে আসে? মানবতার বিকাশে এ বিজ্ঞান কতটুকু সহায়ক?

আসুন এ প্রশ্ন উত্থাপন করি আমাদের শ্রমের মধ্যে, আমাদের চিন্তার মধ্যে। আমাদের যৌথ আর সামাজিক বিশেস্নষণে সমৃদ্ধ হউক আমার/আপনার বিজ্ঞান চিন্তা। বিকশিত হউক মানবিক সাম্যের এসব দ্বান্দ্বিক প্রশ্নোত্তরের রূপায়ন আমাদের মাঝে বিজ্ঞান চেতনা বাড়িয়ে তোলে। বস্তুর প্রতিনিয়ত বিকাশ হচ্ছে। সমাজের নিয়ম হলো উৎপাদন এবং পুনঃউৎপাদন। চিরন্তন বলে কিছুই নেই। সব কিছুই পরিবর্তনশীল। আমাদের দেশের সম্পদের অপচয়, সমাজের সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, দুর্নীিত, স্বজনপ্রীতি, অব্যবস্থা এবং অনৈতিক কাজ বন্ধ করতে হবে নতুবা ততদিন বাংলাদেশের বেকারত্ব ও দারিদ্র দূর হবে না। বেকারত্ব ও দারিদ্র দূর করতে হলে-সম্পদের অপচয় রোধ, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, দুর্নীিত, স্বজনপ্রীতি, অব্যবস্থা ও অনৈতিক কাজ বন্ধ করতে হবে নতুবা বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। প্রকৃত উন্নয়ন মানে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষার গ্যারান্টি সবার জন্য করতে হবে। তখনই বাংলাদেশ হবে প্রকৃতপক্ষে ''সোনার বাংলা''। নতুবা সবই কথার কথা ও ফাঁকাবুলি ছাড়া আর কিছু নয়।

মোঃ জাকির হুসেন ওরফে আলমগীর, ডেপুটি রেজিস্ট্রার(অবসর), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। গ্রাম-ভেলানগর(বড়বাড়ি)।

ভেলানগর গ্রামের ইতিহাস

ভেলানগর বড়বাড়ির বংশ পরিচিতি:

(১৭৮০-২০১৩)

।এ বংশের প্রথম কিছু শিক্ষিত ব্যক্তিদের নামের তালিকা নিম্নে দেয়া হলো:।

আমার দাদার দাদা জহির-উদ-দীন ব্যাপারী খোশাল দিওয়ানের পারিবারিক স্কুলে লেখাপড়া করেছেনআমার বাবার দাদা ও বাবার দাদার ভাই মরহুম মুনশি মোঃ আসব আলী
এবং মরহুম মুনশি মোঃ ইউসুফ আলীমরহুম মুনশি মুহাম্মদ হায়দর আলী (ঢাকার নবাববাড়িতে থেকে ঢাকার কলেজিয়েট স্কুল থেকে-৮ম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া
করেছিলেন)-উনি আমার দাদামরহুম মুনশি মোঃ শংসর উদ-দীন হাঁজী-উনি আমার দাদার চাঁচাত ভাইমরহুম মুনশি আবদুল গণি, মরহুম মুনশি মোহাম্মদ ইয়াকুব আলী ও
মরহুম মুনশি মোঃ আফতাবউদ্দিন(মেম্বার), মরহুম মুনশি মোঃ লাল মিঞা ও মরহুম আবদুল সামাদ মুনশি উনারা আমার দাদার চাঁচাত ভাইমরহুম মুনশি মোঃ জিন্নত আলী
(কান্দু মিঞা), নবীনগর উচ্চ বিদ্যালয় হতে ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দে ম্যাট্রিকুলেশ ফেল করেছেন-উনি আমার বড় চাঁচামরহুম মুনশি মোঃ খোয়াজ আলী, মরহুম মুনশি মোঃ ছন্দু
হাঁজী, মরহুম মুনশি মোঃ বিলাত আলী ও মরহুম মুনশি মোঃ সিরাজুল ইসলাম-উনারা আমার দাদার চাঁচাত ভাইমরহুম মুনশি মোঃ আব্বাস আলী, মরহুম মুনশি মোঃ
কিতাব আলী, মরহুম মুনশি মোঃ আবদুল খালেক আমীন-উনারা আমার বাবার চাঁচাত ভাইমরহুম মৌলভী আবদুল লতিফ (সব্দর মৌলভী)-উনি আমার দাদার চাঁচাত ভাই
মরহুম মুনশি আবদুর রাজ্জাক (নিয়াজ আলী চাঁচা)-উনি আমার বাবার চাঁচাত ভাইমরহুম মৌলভী আবদুস সোবহান (সোন্ধা মাষ্টার)-উনি আমার বাবামরহুম মুনশি মোঃ
দুদু মিঞা, মরহুম মুনশি মোঃ কেরামত আলী (কারী চাঁচা), মরহুম মুনশি মোঃ শ্যাম মিঞা, মরহুম মুনশি মোঃ আফজালুর রহমান (জজ মিঞা), মরহুম এ. এফ. এম. এ.
মালিক (মালেক চাঁচা), মরহুম মুনশি মোঃ নোয়াজ আলী, মরহুম আবদুল মান্নান (মনেক চাঁচা), মরহুম মোঃ আজহারুল হক (নসু মিঞা), মরহুম মোঃ জীবন মোল্লা, মরহুম
মোঃ কাঞ্চন মিঞা (কাঞ্চন কাকা), মরহুম মোঃ আবদুল বাতেন মিঞা, মরহুম মোঃ আবদুল বাতেন (জারু মিঞা), মরহুম আবদুল আলীম, মরহুম মোঃ মিজানুর রহমান, মরহুম
মোঃ জুরু মাষ্টার, মোঃ সহিদুর রহমান (সোনা মিঞা), মরহুম মোঃ রহিস মিঞা, মোঃ ফারুক মাষ্টার, এ. কে. এম. আবদুল হাকিম, মরহুম ডা. আবদুল জলিল-আরো
অনেকের নাম এখানে দেয়া গেল না
আমার দাদার চাঁচাত ভাই মরহুম মৌলভী আবদুল লতিফ ওরফে সবদর মৌঃ আমাদের বংশের প্রথম ম্যাট্রিকুলেশন
আমার বাবা মরহুম মৌলভী আবদুস সোবহান মাস্টার ওরফে সোন্ধা মাস্টার দ্বিতীয় র্সাটিফিকেটধারী এবং প্রথম বি. এ. ফেল
আমার বাবার চাঁচতো চাঁচাত ভাই মরহুম এ. এফ. এম. এ. মালিক (মালেক চাঁচা) তৃতীয় র্সাটিফিকেটধারী এবং দ্বিতীয় বি. এ. ফেল এ বংশের
এ বংশের প্রথম র্গযাজুয়েট এ. কে. এম. আবদুল হাকিম বি. কম., সি. এ.
এ বংশের শেষ ম্যাট্রিকুলেশন পাশ দু'জনের নাম এখানে উল্লেখ করা হলোঃ-(ক) মরহুম আবদুল আলীম এবং (খ) মরহুম মোঃ মিজানুর রহমান
এ বংশের প্রথম এস.এস.সি. পাশ আমি মোঃ জাকির হুসেন(আলমগীর)
এ বংশের প্রথম পোষ্ট-র্গযাজুয়েট জনাব মোঃ শাহাদৎ হোসেন(জাহাঙ্গীর)
এ বংশের দ্বিতীয় পোষ্ট-র্গযাজুয়েট জনাব মালিক মোঃ শাহনূর(শ্যামল)
এ বংশের তৃতীয় পোষ্ট-র্গযাজুয়েট জনাব মোঃ আবদুল কাইয়ূম
এ বংশের প্রথম বি.এস-সি. ইঞ্জিনিয়ার জনাব সিজার এবং দ্বিতীয় জনাব মোঃ শমিরুজ্জামান (মিশর)
এ বংশের প্রথম ডিপেস্নামা-ইন-ইঞ্জিয়ার জনাব আবদুল হক (হক সাব) এবং ২য় মোঃ নাসিরউদ্দিন আহমদ (শামীম)
এ বংশের প্রথম বি. এড. পাশ জনাব মোঃ বাহাউদ্দিন আহমেদ (রতন)

।এ বংশের প্রথম মেয়েদের মধ্যে পড়া-লেখা জানে তাদের নামের তালিকা নিম্নে দেয়া হলো:।

আমার বড়বোন আয়েশা আক্তার(দুলু) প্রথম ম্যাট্রিকুলেশন
মালেক চাঁচার মেয়ে নাছিমা আক্তার
এ বংশের প্রথম এস.এস.সি. ও এইচ. এস. সি. পাশ মালেক চাঁচার মেয়ে পুতুল
এ বংশের প্রথম পোষ্ট-র্গযাজুয়েট মালেক চাঁচার মেয়ে কুমকুমএ বংশের আরো মেয়েরা বর্তমানে বড় বড় ডিগ্রীধারী হয়েছে তাদের নাম এখানে দেয়া গেল না

।এ বংশের বউদের মধ্যে প্রথম পড়া-লেখা জানে এবং পোষ্ট-র্গযাজুয়েট কয়েকজনের নাম:।

আমার মা মরহুমা চৌধুরী শামসুন নাহার বেগম প্রথম শিক্ষিত
মিসেস সুফিয়া বেগম, স্বামী-মরহুম এ.এফ.এম.এ. মালিক(মালেক চাঁচা)
এ বংশের প্রথম পোষ্ট-র্গযাজুয়েট জানু বেগম, এম. এস-সি. গণিত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, স্বামী-এ. কে. এম. আবদুল হাকিম
এ বংশের দ্বিতীয় পোষ্ট-র্গযাজুয়েট তৌফিকা ইয়াছমিন, এম.এ.বাংলা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়স্বামী-মোঃ শাহাদৎ হোসেন (জাহাঙ্গীর)
এ বংশের তৃতীয় পোষ্ট-র্গযাজুয়েট মাহমুদা আলম, এম. এ. ইংরেজী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়স্বামী-মালিক মোঃ শাহনুর (শ্যামল)

।এ বংশের যারা শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত ছিলেন বা আছেন:।

মরহুম মৌলভী আবদুল লতিফ ওরফে সবদর মৌঃ
মরহুম মৌলভী আবদুছ সোবহান ওরফে সোন্ধা মাষ্টার
জনাব মোঃ ফারুক ওরফে অবিদ মাষ্টার(অবসর)
জনাব মোঃ বাহাউদ্দিন আহমদ(রতন)
জনাব মোঃ রফিকুল ইসলাম(ফুল মিঞা)
মিসেস জুমু বেগম, শিক্ষকতা প্রাইমারী উচ্চ বিদ্যালয়
জনাব মোঃ বিল্লাল হোসেন
জনাব মোঃ বাহাউদ্দিন আহমদ(কাজল), বি. এ., বি. এড.
জনাব মোঃ কাওছারউদ্দিন
সানিয়া আক্তার (জুয়েল), রূপসদী সরকারী প্রাইমারী বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে
জনাব মোঃ সাইদুজ্জামান (সাইদ), বি.কম.
তাছলিমা আক্তার, বি.এস.এস.(সম্মান) রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পড়া অবস্থায় প্রাইমারীতে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন

।এ বংশের অফিসারদের নামের তালিকা নিম্নে পেশ করা হলো:।

জনাব এ. কে. এম. আবদুল হাকিম, বি.কম., সি.এ.
মিসেস জানু বেগম, এম.এস-সি.-স্বামী- এ. কে. এম. আবদুল হাকিম
জনাব মোঃ শাহাদৎ হোসেন(জাহাঙ্গীর), এম.এস-সি.(পরিসংখ্যান),ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
মিসেস তৌফিকা ইয়াসমিন, এম.এ. স্বামী-মোঃ শাহাদৎ হোসেন (জাহাঙ্গীর)
মরহুম এ. এফ. এম. এ. মালিক (মালেক), ৩০-০৬-১৯৮১ সাল হতে অবসর
জনাব মালিক মোঃ শাহনুর (শ্যামল), এম.এস.এস.(অর্থনীতি), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
মিসেস মাহবুবা আলম, এম. এ. স্বামী-মালিক মোঃ শাহনুর(শ্যামল)
জনাব মোঃ শাহ আলম (দুলাল), এম.এ.
মরহুম আবদুল আলীম, ম্যাট্রিকুলেশন
জনাব মোঃ মিজানুর রহমান, ম্যাট্রিকুলেশন
জনাব এ. বি. সিদ্দিকুর রহমান, বি.এস-সি.
জনাব মোঃ জাকির হুসেন(আলমগীর), এইস.এস.সি.
মিসেস ফিরোজা বেগম (মিনু), এম. এ. লাইব্রেরী সায়েন্স
মিসেস সৈয়দা শামসুন নাহার বেগম
জনাব মোঃ ইকবাল হোসেন, সি. এ. ইন্টারমেডিয়েট
জনাব নূর-এ আলম, সি. এ. ইন্টারমেডিয়েট
মিসেস রাণুমা আফরোজ রাণু
নুর মোহাম্মদ (দবির), বি. কম.
জনাব মোঃ শমিরুজ্জামান (শমির), বি.এস-সি.ইঞ্জিনিয়ার, কমপিউটার বিভাগ
মিসেস জিন্নাতুন নাহার, এম.এস-সি.
জনাব মোঃ জয়নাল আবেদীন (মুকুল), এম. এ.
মিসেস সুলতানা পারভিন (লিপি), এম. কম.
সিজার, বি.এস-সি. ইঞ্জিনিয়ার
মেজর মোঃ ফয়জুর রহমান (শিপু)
হুমায়ারা ছিদ্দিকা (নিপা), বি.কম.(সম্মান) এম.বি.এ., প্রভাষক, ঢাকা সিটি কলেজ
জনাব মোঃ রুহুল আমীন (আলাউল), বিবিএ ও এমবিএ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়জনতা ব্যাংকের অফিসার
জনাব মোঃ রিপন মিঞা, এম.কম., জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
মিসেস মুনিয়া, এম. এ. চাকুরী
মিসেস লামিয়া, এম. কম. চাকুরী
প্রভাষক মোঃ কামরুজ্জামান (টিটু), এম.কম., বি.এস.টি.আই.

।আমাদের বংশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বি. ডি. আর. এ. চাকুরীতে যোগদান করেছেন যারা তাদের নামগুলো নিম্নে দেয়া হলো:।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে আমাদের বাড়ীর মরহুম আবদুল মান্নান ভাই
আবদুল মোমেন (মামুন) এরা সৈনিক হিসাবে চাকুরী করেছে
এম. এ. জাহের, বি. ডি. আর. এ. চাকুরী করে
আবদুল মোমেন, বাংলাদেশ নৌ-বাহিনীতে চাকুরী করে
মেজর মোঃ ফয়জুর রহমান (শিপু), বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

। এ বংশের প্রথম চাকুরীজীবিদের নাম:।

মরহুম মুনশি মুহাম্মদ হায়দর আলী, নায়েব ছিলেন
মুনশি মোঃ জিন্নত আলী (কান্দু মিঞা), নায়েব ছিলেনতাঁরা পিতা-পুত্র সম্পর্ক

।এ বংশের নিজ জেলার বাহিরে যেয়ে যারা চাকুরী করেছেন তাঁদের নাম ক্রমানুসারে দেয়া গেল:।

মরহুম মৌলভী আবদুল লতিফ ওরফে শব্দর মৌলভী ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করে বরিশাল জেলা শহরে মাদ্রাসায় শিক্ষকতা শুরু করেন-তারপর নিজ উপজেলার নিজ গ্রামের পূর্ব পাশ্র্বে
খাল্লা গ্রামের মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেনশেষ জীবনে রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে অবসর নেয়ার পর ০৩-০৫-১৯৮৩ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন
মরহুম মুনশি আবদুল খালেক আমীন, সার্ভেয়ার হিসেবে বগুরা জেলাতে চাকুরী করেন
মরহুম মৌলভী আবদুস সোবহান মাষ্টার প্রথম জীবনে সরকারী চাকুরী করেন (ফুড ইন্সপেকটর) হিসেবেকলকাতা থেকে ১৯৪৭ সালের পর ঢাকাতে চাকুরীতে যোগদান করেননি
রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করা অবস্থায় ১৫-০৫-১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দে মিড ফোর্ড হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন
মরহুম এ.এফ.এম.এ. মালিক (মালেক), কলকাতা শহরে প্রথম জীবনে চাকুরী করেন এবং পাকিস্তান হওয়ার পর কুমিল্লা শহরে তারপর ১৯৫২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকুরী
জীবন শুরু করেন এবং শাখা অফিসার হিসেবে ৩০-০৬-১৯৮১ তারিখ অবসর নিয়ে ৫নং কাঠালবাগান, ধানমন্ডিতে অবসর জীবন-যাপন করা অবস্থায় ১৫-১০-২০০৮ তারিখ মারা গেছেন
প্রথম পুলিশ বিভাগে চাকুরী করেন মরহুম মোঃ আফজালুর রহমান (জজ চাঁচা)
মরহুম মোঃ আজহারুল হক (নসু মিঞা), প্রথম জীবনে চাকুরী করেন
জনাব আবদুল বাতেন (জারু মিঞা), চাকুরী থেকে অবসর অবস্থায় মারা গেছেন
জনাব আবদুল আলীম, চাকুরী থেকে অবসর নেয়ার পর মৃত্যুবরণ করেন
জনাব মোঃ মিজানুর রহমান, চাকুরী থেকে অবসর নেয়ার পর মারা গেছেন
জনাব এ. কে. এম. আবদুল হাকিম, বি.কম. সি.এ., চাকুরী থেকে অবঃ নিয়ে বর্তমানে নিউইয়ের্ক বসবাস করছেন
জনাব আবদুল মান্নান, চাকুরী থেকে অবসর নেয়ার পর মৃত্যুবরণ করেন
জনাব মোঃ মালু মিঞা, চাকুরী থেকে অবসর নেয়ার পর মৃত্যুবরণ করেন

।এ বংশের ক্রমানুসারে যারা অভিনয়ের সাথে জড়িত আছে তাদের নাম:।

জনাব মোঃ শাহ আলম (দুলাল), মঞ্চ ও বিটিভিতে অভিনয় করে এবং সে আরণ্যক নাট্যগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে
মরহুম মোঃ মিজানুর রহমান-এর ছেলে মরহুম মোঃ আমিমূল এহসান (দিপু) মঞ্চ ও টেলিভিশনের শিল্পী ছিলেন এবং সেও আরণ্যক নাট্যগোষ্ঠীর সহিত ছিল

।রাজনীতির সাথে জড়িত বা সরাসরি রাজনীতি করে এমন লোকের সংখ্যা কম:।

মোঃ শাহাদত হোসেন (জাহাঙ্গীর), প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ বিপস্নবী ছাত্র ইউনিয়ন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা
এ.বি. সিদ্দিকুর রহমান (মানিক), বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সমর্থক
তমাল ফেরদৌস (সাচ্ছু), ভাসানী ন্যাপের সাথে জড়িত ছিল ও বর্তমানে আওয়ামী