‹ ভেলানগর গ্রামের ইতিহাস অংশ ১১৪ / ১১৫
জহর মিয়া, লেখক:ম্যাটিকুলেশন-১৯৩৯পরিচালক ছিলেনউনি কোরান শরীফ আরবী ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় অর্থসহ অনুবাদ করেছেন
সালেমহি-উদ-দীন সাহেব, যাকারিয়া ভাই ও ফজলুল করিম সাহেবের ভাতিজা লাগে
মরহুম অধ্যাপক আবদুল আযীজ খাঁ,ভেলানগর,উনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের অর্থনীতির শিক্ষক এবং কুমিল্লা বাডে৩র্ পরিচালক ছিলেনঅর্থনীতির
শিক্ষক ও লেখক:ম্যাট্রিকুলেশন ১৯৪০উপর এবং কুমিল্লা বার্ডের উপর কিছু বই আছে
সালে
অধ্যাপক ড. শচীন্দ্র চন্দ্রখানেপাড়া,উনি পশ্চিমবাংলার একটি সরকারী কলেঝে শিক্ষকতা করতেনউনার কিছু বই আছে এবং পত্রপত্রিকায়কলকাতায় আছেন
দেবনাথ, লেখক:ম্যাট্রিকুলেশন-১৯৪৪ সালেকিছু লেখালিখি করতেন
মরহুম মুস-লেহ-উদ-দীন আহম্মেদভেলানগর, ম্যাট্রিকুলেশন-১৯৪৭উনি বাংলাদেশ সরকারের সচিব ছিলেনমুস-লেহ-উদ-দ্দীন আহম্মেদ পত্রিকায় লেখালেখিমারা গেছেন
ওরফে মানিক মিয়া, সচিব ও লেখক:সালেকরতেনমহি-উ-দীন সাহেবের মেঝো ভাই মুস-লেহ-উদ-দ্দীন আহম্মেদ সাহেব
মরহুম অধ্যাপক ড. আবদুলপাড়াতুলি, ম্যাট্রিকুলেশন-১৯৫০উনি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেনকৃষি বিষয়ক কিছু বই আছেউনি জনাব ফজলুলমারা গেছেন
করিম, শিক্ষক ও লেখক:সালেকরিম সাহেবের ছোট ভাই
ডা. এ.কে.এম.ডি. আহসানরূপসদী, ম্যাট্রিকুলেশন-১৯৫২উনি চিকিৎসা বিজ্ঞানের কয়েকটি বই লিখেছেন এবং মানুষের স্বাস্থ্য বিষয়ক বইজীবিত আছেন
আলীলিখেছেন
জনাব মোঃ ইউনূস মিয়া, শিক্ষক ওকাঞ্চনপুর, ম্যাট্রিকুলেশন-১৯৫৯উনি শিক্ষকতা পেশা ছেড়ে দিয়ে-শিক্ষা র্বোডের কিছু বই অনুবাদের কাজ করতেনঢাকার টঙ্গীতে বস বাস
লেখক:সালেউনার কিছু বই আছে লেখাকরছে
অধ্যাপক মোঃ হুমায়ূন কবীর,নান্দরকান্দা,উনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের শিক্ষক ছিলেনউনার গণিতের ওপরঢাকার মগবাজার বসবাস
লেখক:দরিকান্দি-ম্যাট্রিকুলেশন-১৯৬১ সালেকিছু লেখা আছেকরছে
জনাব মোঃ ইউনূস, বি.এস-সি., শিক্ষক ও লেখক:রূপসদী, ম্যাট্রিকুলেশন-১৯৬১ সালেউনি শিক্ষক ছিলেনউনার মুক্তিযদ্ধের উপর একটি বই আছেনিজ গ্রামে বস বাস
করে
জনাব এম. জি. মহিউদ্দিন আহম্মেদ, ব্যাংকার ওভিটি-বিষারা, এস.এস.সি.-১৯৬৬ সালেতার লেখা অনেকগুলো বই আছে এবং তার লেখা পত্র-পত্রিকায়ওঢাকাতে বসবাস করছে
লেখক:বাহির হয়েছে
ড. মুখলেসুর রহমান, পরিচালক, বন বিভাগ, লেখককাঞ্চনপুর, এস.এস.সি.-১৯৬৯ সালেতার কিছু লেখা আছেতার বড় ভাই মোঃ ইউনুস ভাইশুনেছি ঢাকাতে বসবাস
করে
জনাব সাইদুর রহমান ওরফে সুজ্জু, সাংবাদিক ওরূপসদী, এস.এস.সি.-১৯৭১ সালেসে একজন সাংবাদিকসে সবসময়ই লেখালেখির কাজ করেঢাকাতে বসবাস করে
লেখক
জনাব মোঃ ফরিদ উদ্দিন, শিক্ষক ওরূপসদী, এস.এস.সি.-১৯৭৩ সালেসে একজন শিক্ষকসে দু'টি বই বাহির করেছেন এবং আরো কয়েকটি বই লিখিছেনরূপসদী গ্রামে বাস
লেখকবলে আমাকে সে বলেছেকরে
জনাব মোঃ গোলাম মোস্তফা,রূপসদী, এস.এস.সি.-১৯৭৩ সালেসে একজন সাংবাদিকসে সবসময়ই লেখালেখির কাজ করেঢাকাতে বসবাস করে
সাংবাদিক ও লেখক

উপদেষ্টা জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া, গ্রাম-দরিকান্দি, গবেষক ও সাবেক সচিব, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সরকার।

আহবায়ক, শতবর্ষে রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে কে-কী হয়েছেন, মো: জাকির হুসেন ওরফে আলমগীর, ডেপুটি রেজিস্ট্রার(অবসর), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। গ্রাম-ভেলানগর(বড়বাড়ি)।

সদস্য, জনাব মো: মুরশিদ কেরানী, ইউনিয়ন পরিষদ সচিব, গ্রাম-রূপসদী কান্দাপাড়া, রূপসদী উত্তরপাড়া।

সদস্য, জনাব দিলীপ কুমার বণিক, জিলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, গ্রাম-রূপসদী(খানেপাড়া), রূপসদী।

সদস্য-সচিব, জনাব আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, গ্রাম-ভেলানগর(হাঁজীবাড়ি)।

ফর্মা-৮২.১২৫, পেইজ সেট-আপ-৮/১১, লেফট-০.৫', রাইট-০.৫', টপ-০.৫' বটম-০.৫'। পাতা-৬৫৭, ওয়ার্ড-২,১৫,৮১৮, চরিত্র(নো পেসেস)-১১,৩৬,৯০০, চরিত্র(উইথ পেসেস)-১২,৯৫,৮৯৭, পেরাগ্রাফস-৭৫,০৬৪ ও লাইনস-৯২,৭৯৬টি।

আমার স্মৃতিতে ১২২ জন সহপাঠীর মধ্যে মারা গেছে ৪২ জন আর জীবিত আছে ৮০ জন(১৬-০৬-২০১৫ তারিখ পর্যন্ত)আমার সাথে যারা প্রাইমারীতে পড়া-লেখা করেছে তাঁদের নাম

।আগে, তারপর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে যারা পড়েছে তাঁদের নাম, তারপর আসবে যারা ৭ম শ্রেণী থেকে পড়েছে তাঁদের নাম, তারপর যারা ৯ম শ্রেণী থেকে পড়েছে তাঁদের।

।নাম, তারপর আরো কিছুসংখ্যক ম্যাট্রিকুলেশন ও এস. এস. সি. ফেল করার পর আমার সাথে ৯ম ও ১০ম শ্রেণীতে ভর্তি হয়ে এস. এস. সি. পরীক্ষা দিয়েছে তাঁদের নামগুলো নিম্নে।

।উপস্থাপন করা হলো:।

১। মো: জাকির হুসেন ওরফে আলমগীর-ভেলানগর, (২) মরহুম আলী আহম্মদ ওরফে ফোরণ-রূপসদী(উত্তরপাড়া), (৩) শ্রী রাখাল চন্দ্র দেবনাথ ওরফে বীরেন্দ্র-রূপসদী(খানেপাড়া)-চলে গেছেন কলকাতা, (৪) শ্রী সুভাস চন্দ্র ঘোষ-রূপসদী খানেপাড়া, (৫) পরলোকগত শ্রী লাবন্য কুমার ভৌমিক-রূপসদী খানেপাড়া, (৬) শ্রী হরিমোহন দাস(পিষন)-বালুয়াকান্দি, (৭) শ্রী দিলীপ কুমার সাহা-রূপসদী খানেপাড়া-কলকাতা চলে গেছেন, (৮) পরলোকগত শ্রী ননী গোপাল সাহা-রূপসদী খানেপাড়া, (৯) প্রদীপ কুমার দেবনাথ(অব.)-রূপসদী খানেপাড়া, (১০) প্রতিভা রানী দাস-রূপসদী খানেপাড়া-কলকাতা চলে গেছেন, (১১) মরহুমা হেনা আক্তার-রূপসদী উত্তরপাড়া, (১২) জানানারা বেগম ওরফে জানু-রূপসদী উত্তরপাড়া, (১৩) জোহরা বেগম-দরিকান্দি, (১৪) মরহুম মোঃ ইদ্রিস মিয়া-রূপসদী কান্দাপাড়া, (১৫) মরহুম মোঃ ইউনুস মিয়া-রূপসদী কান্দাপাড়া, (১৬) মোঃ আবদুল বাকি-কুড়াখাল, (১৭) বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আবদুল মতিন ওরফে অরুণ-রূপসদী উত্তরপাড়া, (১৮) মরহুম মোহাম্মদ হোসেন-রূপসদী উত্তরপাড়া, (১৯) অনারারী ক্যাপ্টেন(অব.) বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইদ্রিস মিয়া-রূপসদী উত্তরপাড়া, (২০) মরহুম মোঃ খলিলউল্লাহ ওরফে নওরোজ-শাহপুর, (২১) সার্জেন্ট মোঃ জাকারিয়া ওরফে মানিক-খাল্লা, (২২) শ্রী নেপাল চন্দ্র দেব নাথ-ধনপতিখোলা, (২৩) বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. জি. মহিউদ্দিন আহমেদ-ভিটিবিশারা, (২৪) মরহুম মোঃ নিজামউদ্দিন-দরি-ভেলানগর, (২৫) মোঃ জুনায়েদ-ভিটিবিশারা, (২৬) মরহুম মোঃ মতিউর রহমান ওরফে নসু-মধ্যনগর, (২৭) মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নুরুল ইসলাম ওরফে নুরু-মধ্যনগর, ৪২তম মৃত্যু-১৬-০৬-২০১৫ তারিখ (২৮) মোঃ শফিকুল ইসলাম ওরফে রওশন-মধ্যনগর, (২৯) মরহুম আবদুছ ছাত্তার-মধ্যনগর, (৩০) মোঃ আজিজুল ইসলাম-মধ্যনগর, (৩১) মোঃ হুমায়ূন কবির ওরফে ওমর-মধ্যনগর, (৩২) মোঃ ফজলুল হক মোল্লা-ভেলানগর, (৩৩) মোঃ নূরুল ইসলাম ওরফে শিশু-ভেলানগর, (৩৪) মোঃ ফজলুল হক ওরফে ফজলু-ভেলানগর, (৩৫) মরহুম মির্জা মোঃ শাজাহান-ভেলানগর, (৩৬) মোঃ আজিজুল হক খান ওরফে শিশু-ভেলানগর, (৩৭) মোঃ জাহাঙ্গীর-রূপসদী, (৩৮) পরলোকগত শ্রী অরুণ চন্দ্র ভৌমিক-রূপসদী, (৩৯) শ্রী রায়ধন দেব-রূপসদী, (৪০) মরহুম আবদুল খালেক-রূপসদী, (৪১) আবদুল মোতালেব-রূপসদী-দক্ষিণপাড়া, (৪২) মরহুম মোঃ শফিকুল ইসলাম ওরফে সহিদ-রুপসদী, (৪৩) মোঃ নূরুল ইসলাম ওরফে নূরু-রূপসদী, (৪৪) আবদুর রাজ্জাক ওরফে পল্লব-রূপসদী, (৪৫) শ্রী জহর লাল ভৌমিক-রূপসদী-পশ্চিমবাংলার নদিয়া চলে গেছেন, (৪৬) মোঃ সিরাজুল ইসলাম ওরফে শিরন-রূপসদী, (৪৭) মোঃ আবদুল হাকিম ওরফে মাক্কু-রূপসদী, (৪৮) মরহুম মোঃ আবদুল বাকি-রূপসদী, (৪৯) বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন(অব.) বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন(অব.) এ. বি. তাজুল ইসলাম ওরফে তরু-পাড়াতলী, (৫০) বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবদুল করিম চৌধুরী-পাড়াতলী, (৫১) বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শাজাহান হোসেন চৌধুরী-পাড়াতলী, (৫২) মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান-পাড়াতলী, (৫৩) মরহুম মোঃ ফটিক মিয়া-পাড়াতলী, (৫৪) মোঃ হাবিবুর রহমা(দুলু)-পাড়াতলী, (৫৫) মরহুম বেনজীর আহমেদ-পাড়াতলী, (৫৬) মোঃ রফিকুল ইসলাম(রফিক)-পাড়াতলী, (৫৭) মোঃ ফজলুল করিম ওরফে শিশু-পাড়াতলী, (৫৮) মোঃ বোরহানউদ্দিন আহমেদ-ডোমরাকান্দি, (৫৯) মোঃ মজিবুর রহমান ওরফে মানিক-ফতেপুর, (৬০) মোঃ নূরুল ইসলাম ওরফে নূরু-ফতেপুর, (৬১) আবদুল মতিন-বাহাদুরপুর, (৬২) মরহুম মোঃ জহিরুল হক ওরফে মোহন-বাহাদুরপুর(২২-০১-২০১৫) (৬৩) বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোঃ রফিকুল হায়দার ওরফে খোরশেদ-মিরপুর, (৬৪) সালাউদ্দিন আহমেদ-মিরপুর, (৬৫) বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ফজলে আলী খান ওরফে দারু-মিরপুর, (৬৬) বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মুসলেউদ্দিন সরকার ওরফে মোসলেম-মিরপুর, (৬৭) মরহুম মোঃ আবুল কালাম-মিরপুর, (৬৮) শ্রী চন্দ্র মোহন দাস-মিরপুর, (৬৯) মোঃ আবদুল বাতেন ওরফে মেহের-কাঞ্চনপুর, (৭০) মোঃ হুমায়ূন কবির ওরফে বাচ্চু-কাঞ্চনপুর, (৭১) মোঃ জহিরুল হক ওরফে জাহাঙ্গীর-দরিকান্দি, (৭২) বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সায়েদুল ইসলাম-দরিকান্দি, (৭৩) মোঃ কাজল-দরিকান্দি, (৭৪) বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোহাম্মদ হোসেন-দরিকান্দি, (৭৫) মরহুম মোঃ ওয়াজেদ আলী-দরিকান্দি, (৭৬) মরহুম মোঃ কবির হোসেন-দরিকান্দি, (৭৭) মোঃ গোলাম মোস্তফা চৌধুরী-দরিকান্দি,(৭৮) মোঃ মোজ্জামেল হক ওরফে সহিদ-দরিকান্দি,(৭৯) মরহুম মোঃ খবিরউদ্দিন ওরফে শাহজাহান-তেঁজখালী, (৮০) মোঃ এনায়েত করিম ওরফে আলমগীর-খাল্লা, (৮১) মরহুম মোঃ নজরুল ইসলাম ওরফে নান্নু-খাল্লা, (৮২) মরহুম মোঃ মোসলেম আবদুল্লাহ-দরিকান্দি খেকে খাল্লা, (৮৩) মরহুম মোঃ হুমায়ূন কবির-ভিটিবিশারা, (৮৪) পরলোকগত শ্রী শান্তি ভূষণ দেব-ভিটিবিশারা, (৮৫) শ্রী কান্দি ভূষণ দেব-ভিটিবিশারা, (৮৬) মোঃ নূরুল ইসলাম ওরফে শিশু-ভিটিবিশারা, (৮৭) মোঃ সানাউল্লাহ-ভিটিবিশারা, (৮৮) মোঃ সহিদউল্লাহ-ভিটিবিশারা, (৮৯) মরহুম মোঃ বজলুর রহমান ওরফে বজলু-ফরদাবাদ, (৯০) মরহুম আবদুল আউয়াল-ফরদাবাদ, (৯১) মোঃ মাসুম-ফরদাবাদ, (৯২) মোঃ একরাম হোসেন-ফরদাবাদ, (৯৩) বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মাফুজুর রহমান ওরফে মাহফুজ-গকুলনগর, (৯৪) মরহুম মোঃ সিদ্দিকুর রহমান-গকুলনগর, (৯৫) মরহুম মোঃ জাকিরুল আলম-নান্দাইল, ময়মনসিং, (৯৬) মরহুম আবুল কাশেম-কালাইনগর, (৯৭) মোহাম্মদ সহিদ-কালাইনগর, (৯৮) মোঃ রেজাই রাব্বানী ওরফে হিটলার-আশ্রাফবাদ, (৯৯) বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হুমায়ূন কবির-আশ্রাফবাদ, (১০০) শ্রী কার্তিক ভূষন দে-পাঁচকিত্তা, মুরাদনগর, (১০১) শ্রী গোপাল চন্দ্র সূত্রধর-মাঝিয়ারা, (১০২) মরহুম মোঃ খলিলুর রহমান ওরফে খোয়াজ আলী-হোগলাকান্দা, (১০৩) বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবু জাহের ওরফে চাঁন মিঞা-শাহপুর, (১০৪) মোঃ ফরিদউদ্দিন আহমেদ-কালাইপাইরা বা মোহাম্মদপুর, (১০৫) মোঃ আনোয়ার হোসেন-রূপসদী মধ্যপাড়া, (১০৬) মরহুম মোঃ অহিদুজ্জামান-বাহাদূরপুর, (১০৭) মোঃ রেজাউল করিম ওরফে তাহের-ফরদাবাদ, (১০৮) মোঃ গোলাম সারোয়ার ওরফে বাকি-ভিটিবিশারা, (১০৯) মোঃ তরু মিয়া-দরিকান্দি, (১১০) মরহুম মোঃ শওকত আলী-দরিকান্দি, (১১১) মোঃ তোতা মিঞা-দরিকান্দি, (১১২) আলহাজ আবদুল মালেক-পাড়াতলী, (১১৩) আবদুল অদুদ-রূপসদী, (১১৪) আবদুল অদুদ-গকুলনগর, (১১৫) মোঃ নজরুল ইসলাম-রূপসদী কান্দাপাড়া, (১১৬) মোঃ ইসমাইল ওরফে মধু-পাড়াতলী, (১১৭) বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সহিদুল হক-মিরপুর, (১১৮) মরহুম মোঃ সুলতান আহমেদ ওরফে ফটিক-মিরপুর, (১১৯) মোঃ মতিউর রহমান-মিরপুর, (১২০) ক্যাপ্টেন(অব.) মরহুম মো: শাজাহান-নারায়নপুর, হোমনা, (১২১) মরহুম মোঃ শাহ আলম শিকদার-ভেলানগর, সে ফতেপুর স্কুলের ছাত্র ছিল-এস.এস.সি পরীক্ষার পূর্বে আমার সাথে কোচিং করে এবং ফতেপুর স্কুল থেকে এ.এস.সি. পরীক্ষা দেয়। ও (১২২) মোঃ শামসুজ্জামান ওরফে ঝান্টু-ভিটিবিশারা, সে নবীনগর স্কুলের ছাত্র ছিল-এস.এস.সি. পরীক্ষার পূর্বে আমার সাথে কোচিং করে এবং নবীনগর স্কুল থেকে এস.এস.সি পরীক্ষা দেয়।

মো: জাকির হুসেন ওরফে আলমগীর, ডেপুটি রেজিস্ট্রার(অব.), ঢাকা বিশ্ববিদালয়। গ্রাম-ভেলানগর(বড়বাড়ি)।

ওয়ার্ড কাউন্ট-পরিসংখ্যান-পাতা-৬৮৬, ওয়ার্ড-২,২২,০৫১, চরিত্র(নো পেসেস)-১১,৭০,১৭৯, চরিত্র(উইথ পেসেস)-১৩,৩৫,১৮৬, পেরাগ্রাফস-৭৬,৩৯০ ও লাইনস-৯৪,৬৩১টি। ফর্মা-৮৫.৭৫।

আমার চাওয়া পাওয়া-

আমি যা ভাবি তা' করতে পারি না, যা করি তা' ভাবি না। প্রতিদিন বিবেকের সাথে লড়াই করতে করতে হেরে যাই। প্রতিদিন এভাবে বিবেকের সাথে হারতে থাকলে আমার কি কোন সত্ত্বা থাকে? আমার কাছে একটা জিনিষ স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, একটা সমাজব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে মানুষের চিন্তা-চেতনা বা চরিত্র গড়ে উঠে। আর যারা চাকুরী করে তাঁদের অধিকাংশেরই বিবেক বলতে কিছুই থাকে না। তার উপরওয়ালা যা বলে তা করতে হয় প্রতি মুহূর্তে-এর বাইরে কিছু করতে চাইলে তার চাকুরী থাকে না বা প্রমোশন হবে না। তার ওপরের বস যদি তাকে ভাল বলে তাহলে সে ভাল নতুবা ভাল না। এ সমাজে কাজের বিচার হয় না, বিচার হয় তার বসের কতটুকো মন রক্ষা করতে পারলো। বাংলাদেশের শ্রমজীবী মানুষ কেউ কাকে বিশ্বাস করে না। পুঁজিবাদী সমাজে বিশ্বাস বলতে কিছু নেই। কাজ দিয়ে বিচার করতে হয়। একবার একটা লোক যদি বিশ্বাস ভঙ্গ করে ফেলে, তাকে আর বিশ্বাস করা যায় না। অনেকে বাধ্য হয় বিশ্বাস ভঙ্গ করতে। তা'প্রমাণ করতে পারলে তাকে ক্ষমা করা যায়, একবার কি দু'বার, তিনবারের মাথায় নয়। আমি যা করতে চাই তা'করতে পারলে আমার স্বাধীনতা আছে বা আমি স্বাধীন মানুষ। কিন্তু আমার কাজ এমন হবে না যা অপরের জন্য ক্ষতিকর হয়। আমি পৃথিবীতে দ্বিতীয়বার আর আসবো না।

চাকুরী করা চাকর খাটার সমান। কেউ বড় চাকর, কেউ ছোট চাকর। আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ যা বলে তা করে না, আর যা করে তা'বলে না। আমিও আমার জীবনের সাথে আপস করে করে এ পর্যন্ত এসেছি। এভাবে চলতে থাকলে আমার দ্বারা এ পৃথিবীতে কিছু হবে বলে মনে হয় না। আর কিছু করতে হলে প্রথমে লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। যার শত্রু নেই তার কোন মিত্রও নেই। যার শত্রু আছে তার মিত্রও আছে। সমাজে সৎ এবং অসতের লড়াই চলে। আর জোর যার মুল্লুক তার। সরকার নির্ধািরত বেতন কাঠামোর সুযোগ-সুবিধার মধ্যে সৎভাবে চাকুরী করলে সম্পদের মালিক হওয়া যায় না। আমাদের দেশে সৎভাবে সম্পদের মালিক হওয়া কঠিন কাজ। সমাজের কিছু মানুষের লক্ষ্য একই, কিভাবে সম্পদের মালিক হওয়া যায়। কিভাবে ভবিষ্যৎ সুন্দর করা যায়। সমাজে অবৈধভাবে সম্পদের মালিক হওয়ার জন্য জোর প্রতিযোগিতা চলছে। সম্পদের মালিক হতে হলে ক্ষমতার অধিকারী হতে হবে। রাজনৈতিক ক্ষমতার অধিকারী হলে সহজে সম্পদের মালিক হওয়া যায়। আমাদের দেশের শতকরা ৯৫ ভাগ মানুষ গরীব ও শোষিত। তাদের কিছু করার ক্ষমতা নেই। আমাদের দেশের কিছু লোকের নিকট সম্পদ জমা হচ্ছে। আর সমগ্র দেশের মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষার গ্যারান্টি নেই। যে সম্পদ মানুষের উন্নয়নের কাজে লাগানো হয়না-সে সম্পদ দেশে অপচয় বাড়ায় এবং সাধারণ মানুষের জীবন-মানের অবনতি ঘটায়। এদেশে কিছু মানুষের ভোগবিলাসের সীমাপরিসীমা নেই। আর অন্যদিকে শতকরা ৯৫ ভাগ মানুষ চরম দুঃখ দারিদ্রের মধ্যে বসবাস করছে। তাদের ভবিষ্যত বলতে কিছু নেই। এক মানুষ আরেক মানুষের উন্নতিতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। সমাজে বৈধভাবে সম্পদের মালিক হওয়া যায় না। শ্রমজীবী মানুষ নিজেকে চালাক মনে করে। আসলে আমাদের সমাজের বেশীর ভাগ মানুষই বোকা। কিন্তু দেশের বেশীরভাগ মানুষকে সব সময়ের জন্য বোকা রাখা যাবে না। আমার বিশ্বাস এক সময় দেশের ৯৫ ভাগ মানুষ জেগে উঠবে।