আইনজীবি-হিসেবে ভেলানগর গ্রামের খাঁবাড়ির মরহুম এডভোকেট ইউনুস খান, আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন ও এডভোকেট আজাদ খান, এম.এ. এল.এল.বি., এডভোকেট মোঃ হুমায়ূন কবির, এম. এ. এল.এল.বি., আইন ব্যবসায় নিয়োজিত ছিল মরহুম এডভোকেট শাহ আলম, আইন পেশায় নিয়োজিত মোঃ নূর আলম, এম. কম., সি.এ. ইন্টারমেডিয়েট এবং ইনকাম টেক্স প্রেকটিশনার ইত্যাদি।

ভেলানগর বড়বাড়ির এ. কে. এম. আবদুল হাকিম, সি. এ., জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে চাকুরি শেষ করে-মার্কিন যুক্তরাষ্টের নিউইয়র্ক শহরে বসবাস করছেন,.মোঃ মজিবুর রহমান(মোয়াজ্জেম), এম.এস-সি.(রসায়ন), জেনারেল ম্যানেজার(অব.), মোঃ শাহাদৎ হোসেন(জাহাঙ্গীর), এম.এস-সি.(পরিসংখ্যান), পরিচালক(অব.), ওয়াটার ডেভলাপমেন্ট বোর্ড, এ. বি. সিদ্দিকুর রহমান(মানিক), উপ-রেজিস্ট্রার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, মোঃ মাসুদুর রহমান, বি.এস-সি.(কেমিস্ট), ড. সেফকাত রহমান(দিপু) ইত্যাদি।

চিকিৎসা বিজ্ঞানে ভেলানগর গ্রামের দেওয়ানবাড়ির সুন্দর আলীর মেঝো ছেলে গ্রুপ ক্যাপ্টেন ডা. নিজাম উদ্দিন ওরফে মাযহারুল হক(অব.), এম.বি.বি.এস., বজু মাস্টারের নাতনি ডা. ভিখারুন্নেছা, এম.বি.বি.এস., বক্ষ ব্যাধি হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন, ডা. তানিম, এম.বি.বি.এস., সরকারী চাকুরীজীবী, ডা. তুষাড়(বাবু), এম.বি.বি.এস., সরকার চাকুরীজীবী, ডা. নাহিদ শিকদার, এম.বি.বি.এস., ডা. সানজীদা রহমান, এম.বি.বি.এস. ও ডা. তানজীনা রহমান, এম.বি.বি.এস., ডা. তিথি, এম.বি.বি.এস., ইত্যাদি।

ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ভেলানগর গ্রামের ইব্রাহিম মাস্টারেরবাড়ির মঙ্গল ব্যাপারীর বড় ছেলে মুহাম্মদ ইউনুস, বি.এস-সি. ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে চাকুরি করে অবসর জীবন-যাপন করছেন, মোঃ মাজেদুর রহমান, বি.এস-সি. ইঞ্জিনিয়ার, তাপস, বি.এস-সি. ইঞ্জিনিয়ার, দুবাই থাকে, ড. জাবেদ আহমদ ওরফে তুফা, কমপিউটার ইঞ্জিনিয়ার, সিজার, বি.এস-সি, ইঞ্জিনিয়ার, আমেরিকায় থাকে, মোঃ শমিরুজ্জামান ওরফে মিশর, বি.এস-সি. কমপিউটার ইঞ্জিনিয়ার, যুক্তরাজ্যে বসবাস করে, মোঃ এনামুল হক খন্দকার, ডিপেস্নামা ইঞ্জিনিয়ার, এ.বি. সিদ্দিক(মন্টু), ডিপেস্নামা ইঞ্জিনিয়ার, মোঃ আবদুল হক(হক সাব), ডিপেস্নামা ইঞ্জিনিয়ার, মোঃ নাসিরউদ্দিন আহমেদ ওরফে শামীম, ডিপেস্নামা ইঞ্জিনিয়ার, মোঃ শমিরুজ্জামান(শমির), বি.এস-সি. ইঞ্জিনিয়ার(কমপিউপার), লন্ডলে চাকুরী করে, মোঃ শামীম হোসেন ওরফে আহসান উল্লাহ, বি.এস-সি. ইঞ্জিনিয়ার ইন টেকনোলজী, মোঃ মুজাম্মেল হক, কমপিউটার ইঞ্জিনিয়ার, বাবু খান, বি.এস-সি. ইঞ্জিনিয়ার, দিপু খান-টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার, মোঃ সুরিত, ডিপেস্নামা ইঞ্জিনিয়ার, ইত্যাদি।

ব্যাংকার-অবসরপ্রাপ্ত শ্রী ভূবেন্দ্র সূত্রধর(সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার), আনোয়ার হোসেন ওরফে মানিক খান(এ .জি.এম.), আবুল কাশেম(অব.), সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার, মোঃ শফিকুল ইসলাম ওরফে মাক্কু (সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার), ড. জুনায়েদ আহমদ ওরফে বেম্বি, বিশ্বব্যাংক, মোঃ হুমায়ূন কবির, এ.জি.এম., মোঃ মানিক মিয়া, প্রিন্সিপাল অফিসার, জনতা ব্যাংক, আবদুল মইন শিকদার, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার, আরিফ, এম.বি.এ. বেসরকারী ব্যাংক, শাহানুর-এম.বি.এ., আই.সি.সি., ব্যাংকে চাকুরী, মোঃ রুহুল আমীন (আলাউল), সিনিয়র অফিসার(ব্যাংক), নাইয়ূম শিকদার, সিনিয়র অফিসার(ব্যাংক), মোঃ টিপু, এম.এস-সি.(পরিসংখ্যান), প্রিন্সিপাল অফিসার, মোঃ আহমেদুল কবীর ওরফে মেহেদী, সিনিয়র অফিসার, মোঃ গিয়াসউদ্দিন, সোরাব খান ও মিসেস সোরাব খান, এম. এ., লিপু, এম.এ., ইত্যাদি।

ভেলানগর গ্রামের ব্যাপারীদের নাম: মরহুম মোঃ জহিরউদ্দিন ব্যাপারী-জন্ম-১৭৯৭ সালে, মরহুম মোসলেম ব্যাপারী-জন্ম-১৮২৯ সালে, মরহুম শাদত ব্যাপারী-১৮৬০ সালে, মরহুম আহাম্মদ আলী ব্যাপারী-জন্ম-১৮৬০ সালে, মরহুম ইয়াসিন ব্যাপারী-জন্ম-১৮৬৩ সালে, মরহুম আশ্রাবউদ্দিন ওরফে আছির ব্যাপারী-জন্ম-১৮৬৬ সালে, মরহুম জমিরউদ্দিন ব্যাপারী-জন্ম-১৮৬৯ সালে, মরহুম কলিমউদ্দিন ব্যাপারী-জন্ম-১৮৭১ সালে, মরহুম আবসারউদ্দিন ব্যাপারী-জন্ম-১৮৬৭ সালে, মরহুম মির্জা তালেব আলী ব্যাপারী-জন্ম-১৯০২ সালে, মরহুম নাকু ব্যাপারী-জন্ম-১৯১০ সালে, মরহুম মনতাজ ব্যাপারী-জন্ম-১৯১৪ সালে, মরহুম বজলুর রহমান ওরফে ভোলা ব্যাপারী-১৯১৪ সালে, মরহুম আবদুল হালিম ওরফে মঙ্গল ব্যাপারী-জন্ম-১৯১৫ সালে, মরহুম সুরুজ মোল্লা-জন্ম-১৯১৫ সালে, মরহুম মাজু ব্যাপারী-জন্ম-১৯১৫ সালে, মরহুম মনজুর ব্যাপারী-১৯১৮ সালে, মরহুম মোঃ জহর ব্যাপারী-১৯২০ সালে, মরহুম মালু ব্যপারী-জন্ম-১৯২৫ সালে, মরহুম সিদ্দিক ব্যাপারী-জন্ম-১৯২৯ সালে, মালেক ব্যাপারী-জন্ম-১৯৩২ সালে, মরহুম তারু ব্যাপারী-জন্ম-১৯৩৩ সালে, মোঃ কারন ব্যাপারী-জন্ম-১৯৪৮ সালে, মরহুম মাহফুজ ব্যাপারী-জন্ম-১৯৪৯ সালে, মোঃ ইদ্রিস ব্যাপারী-জন্ম-১৯৫০ সালে, ইত্যাদি।

ভেলানগর গ্রামের হাঁজীদের নাম: মরহুম হাঁজী মাহমুদ-জন্ম-১৮৩৭ সালে, মরহুম হাঁজী জৈইনউদ্দিন-জন্ম-১৮৪৫ সালে, মরহুম মোঃ ইয়াসিন হাঁজীর-জন্ম-১৮৪৭ সালে, মরহুম হাঁজী মুনশি মোঃ সংশর-উদ-দীন-জন্ম-১৮৫৮ সালে, মরহুম হাঁজী মোঃ চাঁন ওরফে চাঁন্দো হাঁজীর-জন্ম-১৮৬০ সালে, মরহুম মুনশি মোঃ আসকর আলীর জন্ম-১৮৬২ সালে, মরহুম হাঁজী হেদায়েতউল্লাহর-জন্ম-১৮৬৪ সালে, মরহুম হাঁজী মোহরুদ্দী-জন্ম-১৮৬৫ সালে, মরহুম হাঁজী আমিনউদ্দিনের জন্ম-১৮৭০ সালে, মরহুম হাঁজী জমিরউদ্দিন-জন্ম-১৮৭৫ সালে, মরহুম হাঁজী আমিনউদ্দিন-জন্ম-১৮৭৫ সালে, মরহুম হাঁজী আক্রাম আলী ভূঁইয়ার জন্ম-১৮৮১ সালে, হাঁজী মরহুম আবদুল মজিদ-জন্ম-১৮৮৫ সালে, মরহুম হাঁজী রেসত আলীর-জন্ম-১৮৮৬ সালে, মরহুম হাঁজী রেসমত আলীর-জন্ম-১৮৯০ সালে, মরহুম হাঁজী আবদুর কাদির-জন্ম-১৮৯০ সালে, মরহুম হাঁজী আবদুস সোবহান ওরফে পুইক্কা হাঁজীর-জন্ম-১৮৯০ সালে, মরহুম হাঁজী মোঃ ছন্দু মুনশি, মরহুম হাঁজী তাঁজউদ্দিন-জন্ম-১৮৯২ সালে, মরহুম হাঁজী মহব্বত আলীর-জন্ম-১৮৯২ সালে, মরহুম হাঁজী মুনশি মোঃ ছন্দু মিয়ার-জন্ম-১৮৯২ সালে, মরহুম হাঁজী আবদুল আজীজ(চৌধুরী হাঁজী)-জন্ম-১৮৯৩ সালে, মরহুম হাঁজী তাঁজউদ্দিনের জন্ম-১৮৯৪ সালে, মরহুম হাঁজী কফিলউদ্দিন-জন্ম-১৮৯৫ সালে, মরহুম হাঁজী হাসন আলীর-জন্ম-১৮৯৬ সালে, মরহুম মঙ্গল হাঁজীর জন্ম,-১৯০৩ সালে, মরহুম মোঃ মনিরউদ্দিন ওরফে মালি হাঁজীর-জন্ম-১৯০৪ সালে, মরহুম হাঁজী সুভেদ আলী খান-জন্ম-১৯০৫ সালে ও স্ত্রী-মরহুমা মিসেস সুভেদ আলী-জন্ম-১৯১৫ সালে, মরহুম হাঁজী কালু সওদাগরের-জন্ম-১৯০৭ সালে, মরহুম হাঁজী আবদুল খালেক-জন্ম-১৯১০ সালে, হাঁজী এ. এফ. এম.এ. মালিক ওরফে মালেক-জন্ম-১৯১৫ সালে ও স্ত্রী-হাঁজী মিসেস সুফিয়া বেগম-জন্ম-১৯২৭ সালে, হাঁজী মরহুম আবদুল হালিম ওরফে মঙ্গল ব্যাপারীর জন্ম-১৯১৫ সালে, হাঁজী মরহুম মোঃ জহিরুল হক ওরফে জহর মিয়ার জন্ম-১৯২০ সালে, মরহুম কবির খানের মা (হাঁজী)-জন্ম-১৯২০ সালে, হাঁজী মোঃ বজলুর রহমান ওরফে বজলু ডিলারের-জন্ম-১৯২৪ সালের ডিসেম্বর, মরহুম হাঁজী আবু মুসা খানের মা(হাঁজী)-জন্ম-১৯২৪ সালে, সরকার হাঁজী নান্নু মেম্বার-জন্ম-১৯২৯ সালে, মরহুম হাঁজী সহিদ ভূইয়া-জন্ম-১৯৩০ সালে, হাঁজী মোঃ হামদু মিয়া-জন্ম-১৯৩০ সালে, মরহুম আবদুল আজীজ খানের স্ত্রী(হাঁজী)-জন্ম-১৯৩০ সালে, হাঁজী আবদুর রাজ্জাক মেম্বারের জন্ম-১৯৩৭ সালে, হাঁজী আবদুল হাকিম-জন্ম-১৯৩৭ সালে, হাঁজী মিসেস সুফিয়া বেগম-জন্ম-১৯৩৮ সালে, হাঁজী এ. কে. এম. আবদুল হাকিম-জন্ম-১৯৩৯ সালে ও স্ত্রী-হাঁজী মিসেস জানু বেগম-জন্ম-১৯৪৮ সালে, হাঁজী লিল মিয়া-জন্ম-১৯৪০ সালে, হাঁজী মোঃ এরশাদুর রহমান-জন্ম-১৯৪১ সালে ও স্ত্রী-হাঁজী মিসেস নুরুন নাহার বেগম-১৯৪৯ সালে, মরহুম হাঁজী মোঃ সুলতান মিয়া-জন্ম-১৯৪৩ সালে, হাঁজী মোঃ বজলু মাস্টারের জন্ম-১৯৪৩ সালে, হাঁজী মিসেস আনোয়ারা বেগম জন্ম-১৯৪০ সালে ও মিসেস ফুলেমা বেগম-জন্ম-১৯৪০ সালে, হাঁজী মোঃ সুরুজ মেম্বারের জন্ম-১৯৪৫ সালে, হাঁজী মোঃ মজিবুর রহমান ওরফে মোয়াজ্জেম-জন্ম-১৯৪৭ সালে, হাঁজী মোঃ নুরুল ইসলাম ওরফে শিশু-জন্ম-১৯৪৭ সালে, হাঁজী বাদল খান-জন্ম-১৯৪৮ সালে, হাঁজী মোঃ বাচ্চু মোল্লা-জন্ম-১৯৪৮ সালে, হাঁজী মোঃ সজ্জু মিয়া-জন্ম-১৯৪৯ সালে, হাঁজী এ. বি. সিদ্দিকুর রহমান-জন্ম-১৯৪৯ সালে ও স্ত্রী-মিসেস মিনু আরা বেগম-জন্ম-১৯৫৯ সালে, হাঁজী বাবুল খান-জন্ম-১৯৫০ সালে,হাঁজী মোঃ ফিরোজ মিয়া-জন্ম-১৯৫২ সালে ও হাঁজী মোঃ মাহফুজ মিয়া-জন্ম-১৯৫৪ সালে, হাঁজী মোঃ হোসেন খান-জন্ম-১৯৫৩ সালে ও মোঃ কাশেম খানের স্ত্রী(হাঁজী)-জন্ম-১৯৫৪ সালে, হাঁজী মোঃ মাসুদুর রহমান-জন্ম-১৯৫৩ সালে ও হাঁজী মোঃ মাজেদুর রহমান ওরফে মোতাহার-জন্ম-১৯৫৫ সালে, হাঁজী আবু মুসা খান-জন্ম-১৯৫৬ সালে, হাঁজী আবদুস সালাম-জন্ম-১৯৫৭ সালে, হাঁজী মোঃ গোলাম মোস্তফা মেম্বারের-জন্ম-১৯৬০ সালে, হাঁজী,মোঃ ফেরদৌস মেম্বার-জন্ম-১৯৬০ সালে, হাঁজী স্বপন দেওয়ান-জন্ম-১৯৭০ সালে ইত্যাদি। ভেলানগর গ্রামের মধ্যে ৭২ জন হাঁজীর নাম পেয়েছি এর মধ্যে জীবিত আছে ৩৫ জন হাঁজী।

ব্যাবসা-বাণিজ্যে খুব কম লোকই আছে ভেলানগর গ্রামে: খানেপাড়ার-মরহুম বনমালী ঘোষ, বড়বাড়ির দুধু মিয়া-সুতার ব্যবসা করতেন, মরহুম বিপিন ঘোষ, মরহুম মোঃ সাফিজউদ্দিন খান, ম্যাট্রিকুলেশন, মরহুম মোঃ ফিরোজ মিয়া, মরহুম বিনোদ ঘোষ, মরহুম মোঃ সুরুজ মিয়া, মরহুম আবদুল মান্নান ওরফে কেনু মিয়া, মরহুম মোঃ মেজবাউদ্দিন আহমেদ ওরফে মতি মিয়া, এম. এ., প্রেস লাইনের ব্যবসা করতেন। মরহুম আবদুর রশিদ, ম্যাট্রিকুলেশন, বইয়ের ব্যবসা, মরহুম কেরানী, ম্যাট্রিকুলেশন, মরহুম আবদুল মান্নান, ঢাকাতে ব্যবসা, আবদুর রাজ্জাক মেম্বার, শিকদারবাড়ির মোঃ হুমায়ূন শিকদার, ব্যবসা করতেন, খাঁবাড়ির কাশেম খান ইলেকট্রিক লাইনের ব্যবসা করে তার ভাই হোসেন-ফার্নিচারের ব্যবসা করে, এম.এস. খান ওরফে মন্টু খাঁন, বাদল খান ও বাবুল খান ব্যবসা, সাজু খান, ব্যবসা, মরহুম মোঃ সহিদ মিয়া ও মোঃ রফিকুল ইসলাম(রহিস) ইলেকট্রিক লাইনের ব্যবসা করে, মরহুম মির্জা মোঃ মিজান মিয়া, মোঃ আলম মিয়া, মোঃ আমান মিয়া, বকুল শিকদার, গোলাব শিকদার, অরুণ শিকদার ও আরিফ শিকদার ব্যবসা করে, মোঃ কামাল ওরফে সাক্কু মিয়া, ঠিকাধারী, মোঃ সায়েদ আলী ওরফে ইকবাল, ঠিকাধারী, মরহুম মির্জা শওকত আলী, আবদুল হক-ঠিকাধারী করে, মোঃ জিয়াউল হক(মুকুল)-গার্মেন্টস লাইনের ব্যবসা, গোলাম মহিউদ্দিন, ঢাকার মতিঝিলে কেমিকেলস-এর ব্যবসা করে, আবদু রৌফ সাহেবের-চার ছেলে-মোঃ কামাল, ইকবাল, কাইয়ূম ও মাসুম, পারভেজ, রানা খান, মোঃ আজিজুল হক, আলী আযম, মোঃ সাহেদ আলী-বিদেশী কাপড়ের ব্যবসা, মোঃ শমীর দেওয়ান ও ফেরদৌস দেওয়ান, হাই সুজ্জু-ডলার-পাউন্ড ও রিয়েলের ব্যবসা, মোঃ শাহজাহান ফকির ও মোঃ সালাহউদ্দিন আহমেদ, রড-সিমেন্টের ব্যবসা করে, আবদুস সালাম ও শাহজাহান, আলী আহাম্মদ, মোঃ কামাল মিয়া, মোঃ জাকির হোসেন, মোঃ সামায়ূন কবীর, মোঃ আফলাতুন কবীর, শ্রী রঞ্জিত কুমার ঘোষ, ঔষধের ব্যবসা, আবদুল মোমেন, মোঃ বিল্লাল হোসেন, আলী আজম, মোঃ সোহাগ ও মোঃ শফিকুল ইসলাম, সাজ্জাত হোসেন, সজিব হোসেন ও সৌরভ হোসেন। কিছু লোক আদম-ব্যাবসা করে এবং গ্রামের বাজারে কিছু লোক দোকানদারী ব্যবসা করে। কিছু ছেলেরা গ্রামে এবং শহরে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা করে আমার তাদের নাম জানা নেই।

ভেলানগর গ্রামের যারা সওদাগর ছিলেন বা আছেন: মরহুম ওয়ালী সওদাগর, মরহুম কালু সওদাগর, মরহুম ইয়ার হোসেন সওদাগর, মরহুম মোঃ রফিকুল ইসলাম সওদাগর, মরহুম আবদুল মোমেন সওদাগর, এবং আমির হোসেন ওরফে রহিস সওদাগর বাজারে দোকানদারী করেন ইত্যাদি।

কবি ও লেখক: আমাদের গ্রামে না থাকারই মত। ভেলানগর গ্রামের মরহুম মুহি-উদ-দীন আহমেদ(জহর মিয়া) ইসলাম ধর্মের উপর একখানা অতি মূল্যবান গবেষণামূলক গ্রন্থ রচনা করেছেন এবং তা আন্তর্জাির্তক খ্যাতি অর্জন করেছে। তিনি কোরান শরীফের তর্জমাও করেছিলেন। কিন্তু তা প্রকাশ করে যেতে পারেননি। তাঁর মেঝো ভাই মরহুম মুসলে-উদ-দীন আহমেদও লেখালেখি করতেন। এ প্রবন্ধের এ অংশ শেষ করার আগে প্রবন্ধকারকে নিরুপায় হয়ে ও অতিশয় সংকোচের সঙ্গে নিজের ঢাক নিজেকেই বাজাতে হচ্ছে। প্রবন্ধকার এ পর্যন্ত ১২ খানা গ্রন্থ রচনা ও অনুবাদ করেছেন। লেখক হিসেবে আমার নামও আসতে পারে গ্রামের লিস্টে যেমন: আমার প্রথম বইয়ের নাম-(১) ভেলানগর বড়বাড়ির বংশ পরিচিতি(১৭৮০-২০০৩) ও দেশ-বিদেশের তথ্য (২) আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির বংশ পরিচিতি ও চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন(১৮০৬-২০০৬) (৩) বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তথ্যাবলী-(১৭৪০-২০১৩) (৪) আমার দেখা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়(১৯৬৮-২০০৮) (৫) ভেলানগর বড়বাড়ির বংশ পরিচিতি(১৭৮০-২০১০) (৬) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯২১-২০১৩ আমার দেখা ১৯৬৮ থেকে (৭) বিশ্ব ও দেশ-বিদেশের তথ্য (৮) বাংলাদেশের কিছু কিছু ঘটনা ও তথ্য (৯) দেশ-বিদেশের স্মরণীয় কিছু লোকের নাম জন্ম ও মৃত্যু (১০) ভেলানগর গ্রামের ইতিহাস(১৭৪০-২০১৩), (১১) ব্রিটিশ, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের আমলে এ দেশে কয়টি মাদ্রাসা, স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে নাম, সন ও তারিখসহ একটি বই রচনা করেছি ও (১২) এ পৃথিবীর আমার চেনা-জানা মানুষ, আরও চারটি বইয়ের কাছ চলছে যেমনঃ (১৩) বিশ্ব ও দেশ-বিদেশের তথ্য: (দ্বিতীয় পার্ট) (১৪) খেয়া পত্রিকার কিছু লেখার সংকলন, (১৫) আমার দেখা ঢাকা শহর ও (১৬) মোঃ জাকির হুসেন ওরফে আলমগীরের আত্মজীবনী। এ বইগুলোর কাজ চলছে। আমার জানা নেই এ গ্রামের মানুষ আর কে কে লেখালেখি করে, ইত্যাদি।

সংস্কৃতি: এ গ্রামের ছেলে টেলিভিশনে ইংরেজীতে সংবাদ পাঠক হিসাবে যথেষ্ঠ সুনামের পরিচয় দিয়েছেন মরহুম মহি-উদ-দীন আহমেদ ওরফে জহর মিয়ার বড় ছেলে শামিম আহমেদ ও তাঁর ছোট ভাই ইমতিয়াজ আহমেদ(নাফিজ)। টেলিভিশন নাটক ও গ্রুপ থিয়েটার জগতে ভেলানগর বড়বাড়ির শাহ আলম (দুলাল) অভিনেতা ও নাট্যকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছেন। তিনি আরণ্যক নাট্য গোষ্ঠির সাথে সম্পৃক্ত। একজন উদীয়মান ও সম্ভাবনাময় শিল্পী ছিলেন বড়বাড়ির মরহুম মোঃ মিজানুর রহমানের ছেলে দীপু। এম. এ. পাস করে টেলিভিশনে নাটকে অংশ গ্রহণ করে। জন্ডিস রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন দীপু, এস. এ. টিভির সংবাদ পাঠক-মোঃ সালাউদ্দিন, ইত্যাদি।

সাংবাদিক: ভেলানগর গ্রামের ছেলে সংবাদ পাঠক আছে জনাব মো: সালাউদ্দীন ওরফে সাজু। ভেলানগর গ্রামের মোঃ ইয়াসিন(হাসান),২০০০ সালের এস.এস.সি. সাংবাদিক।

ধর্মীয় স্থাপনা: আমাদের গ্রামে ধর্মীয় স্থাপনা বেশী দিনের নয়। আমাদের গ্রামের পাকা মসজিদও বেশি দিনের নয়।

মাজার: হোমনা থানার বেলতলিতে আমাদের গ্রামের আজগর ফকিরের মাজার রয়েছে। মরহুম মোঃ সুরুজ মিয়া ওরফে সূর্যা ফকির, সরকারবাড়ির সেনু ফকির মারা গেছে দাউদকান্দি থানায়। সরকারবাড়িতে মাজার হয়েছে হানিফ ফকিরের, সরকার চাঁন মিয়া ফকির। বখ্‌সবাড়ির মরহুম মোঃ সুন্দর আলী ফকির, বড়বাড়ির আলি মিয়াদের ও বাচ্চু ফকিরের বাড়িতেও একটি করে মাজার আছে এবং আর কোনো বাড়িতে মাজার আছে কিনা আমার জানা নেই ইত্যাদি।

ক্রীড়া: ভেলানগর গ্রামের মরহুম সাফি খান ফুটবল খেলার এক নম্বর পেস্নয়ার ছিলেন ত্রিশের দশকে এবং বড়বাড়ির মোঃ সাহাদৎ হোসেন(জাহাঙ্গীর)ও ফুঠবল খেলার এক নম্বর পেস্নয়ার ছিলেন ষাটের দশকে। আর আমার জানা নেই কারা ফুটবল পেস্নয়ার ছিলেন বা আছেন ইত্যাদি।