| কর্মরত সরকারি ডাক্তার | ১৪ জন |
| ডাক্তার অনুপাত মানুষ | ১:২১,০০০ জন |
| বে-সরকারি হাসপাতাল | ৪টি |
| ক্লিনিক কয়টি | ১টি |
| স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র | ১৪টি |
| পশু চিকিৎসা কেন্দ্র | ০১টি |
| পল্লী স্বাস্থ্য কেন্দ্র | ০২টি |
| মৎস্য খামার কয়টি | ৫০টি | আয়তন ৩৩ একর |
| পুকুর | ১,৩১৩টি |
| হ্যাচারী | নেই |
| পোনা উৎপাদন কেন্দ্র | ৬টি(নার্সারী) |
| বার্ষিক পোনা উৎপাদন ক্ষমতা | ৮৩,৫০,০০০টি |
| বার্ষিক মাছ উৎপাদন ক্ষমতা | ৬,৪৭০ ম্যাট্রিক টন |
| গবাদি পশু খামার | ০১টি |
| হাঁস-মুরগির খামার | ০৪টি |
| কৃতিম প্রজনন উপকেন্দ্র কয়টি | ১টি পয়েন্ট ৪টি |
| মুরগির খামার/ব্রয়লার | ৬৭টি |
| হাঁসের খামার(লেয়ার) | ২টি |
| দুগ্ধ খামার | ৪৭টি |
| ছাগলের খামার | ১০টি |
| গরুর খামার | নেই |
| গরুর সংখ্যা কত | ২২,১০২টি(২০১৫ সালে) |
| মহিষ | নেই |
| ছাগলের সংখ্যা | ১৫,৯৯০টি |
| ভেড়ার সংখ্যা | ১,৩৮২টি |
| মোরক-মুরগির সংখ্যা কত | ২,০৮,১০১টি |
| হাঁসের সংখ্যা | ৮৯,৮০০টি |
| জল মহাল কতটি | ২৪টি | জমি ৯৩৪ একর |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সক্ষম দম্পতির সংখ্যা | ৫৪,৫৫৪ জন |
| পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র | ১০টি |
| পাকা সড়ক | ১৩৭ কি. মি. |
| কাঁচা সড়ক | ২১৭ কি. মি. |
| আধা পাকা রোড | ৫ কিলোমিটার |
| ব্রীজ | ২০টি |
| কালভাট | ১৯৭টি |
| নৌপথ কত | ১৮২ কিলোমিটার |
| বাস/ট্রাক কয়টি | একটিও নেই |
| মাইক্রোবাস | ৫২টি |
| প্রাইভেট কার | ৪টি |
| ঠেলাগাড়ী কয়টি | ৭৮টি |
| টেম্পো কয়টি | একটিও নেই |
| রিকসা কয়টি | ১,৪৮৩টি |
| বাইসাইকেল কয়টি | ৭০০টি |
| মোটর সাইকেল কয়টি | ৬৫০টি |
| নসিমন কয়টি | ১৯৬টি |
| ভ্যান গাড়ি কয়টি | ১৬৮টি |
| পাওয়ার ট্রাকটর | ১০৫টি |
| দেশী নৌকা | ৬৭০টি |
| ইঞ্জিন নৌকা | ১০০টি |
| স্কুটার কয়টি | ৩২০টি |
| অটোবাইক | ৭৪০টি |
| লঞ্চ কয়টি | ১টি |
| সোনালী ব্যাংকের শাখা | ২টি |
| কৃষি ব্যাংকের শাখা | ৩টি |
| জনতা ব্যাংকের শাখা | ৩টি |
| অগ্রণী ব্যাংকের শাখা | ২টি |
| ইসলামী ব্যাংকের শাখা | ১টি |
| গ্রামীণ ব্যাংক | ১টি |
| ব্রাক ব্যাংক | ১টি |
| ডাচ বাংলা ব্যাংক | ১টি |
| ডাকবাংলো | ১টি |
| প্রাকৃতিক গ্যাস | ২টি |
| হাট-বাজার | ১১৯টি |
| সনাতন বাহন আছে | পাল্কি, গরু ও গোড়ার গাড়ি নেই |
| কলম তৈরীর কারখানা | ০১টি |
| বরফকল কয়টি | ০৬টি |
| ধানকল কয়টি আছে | ১৯৪টি |
| স্বর্ণকার কতজন আছে | ৬৬ জন |
| কামার কতজন আছে | ৩৫ জন |
| কাঠের কাজে কতজন | ৫৭৯ জন |
| সেলাই কাজে কয়জন | ৬৫৯ জন |
| মেলা কয়টি স্থানে হয় | ৩টি স্থানে | রূপসদী, বাঞ্ছারামপুর ও দরিয়াদৌলত |
| রূপসদী গ্রামে কয়টি মেলা হয় | ২টি | রূপসদী গ্রামের খানেপাড়াতে ১ম দিন একটি মেলা হয় এবং ২য় দিন |
| হয় রূপসদী গ্রামের দক্ষিণপাড়ার বাজারে |
| কমিউনিটি সেন্টার | ৮টি |
| মৌজার সংখ্যা | ৭৪টি |
| সরকারি অফিসের সংখ্যা | ৩০টি |
| খাস জমির পরিমাণ | ৬২৪ একর |
| নিট কৃষি জমির পরিমাণ | ৪৬,২৮৫ একর, ১০০(একশত) শতকে ১(এক) একর, ২৫০(দুইশত পঞ্চাশ) শতকে |
| ১(এক) হেক্টর, ৬৪০(ছয়শত চল্লিশ) একরে ১(এক) বর্গমাইল |
| আবাদি জমি | ৩২,৪০০ একর |
| অনাবাদি জমির পরিমাণ | ১৩,৮৮৫ একর |
| নদী | ৭,৪৩৩ একর |
| এক ফসলা জমির পরিমাণ | ১০,৩২২ একর |
| দুই ফসলা জমির পরিমাণ | ১৪,৭৪৫ একর |
| তিন ফসলা জমির পরিমাণ | ৪,৪২৩ একর |
| সেচকৃত জমির পরিমাণ | ২৩,৮৫৩ একর |
| পোল্ট্রি ফার্ম | ১২৬টি |
| কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র | ০১টি |
| সমবায় সমিতি(কে.এস.এম.) | ২৩৯টি |
| মহিলা সমবায় সমিতি | ৪৬টি |
| তাঁতী সমবায় সমিতি | ১২১টি ছিল-এখন কতটি আছে জানা নেই |
| সমবায় সমিতি মোট | ৪৮৫টি |
| মৎস্য সমবায় সমিতি | ২৭টি |
| তাঁতি সমবায় সমিতি | ৬৯টি |
| ক্ষুদ্র ঋণ/বহুমুখী সমবায় সমিতি | ৭৯টি |
| আদর্শ সমবায় সমিতি | ৪টি |
| সঞ্চায়ন সমবায় সমিতি | ৫টি |
| কৃষক সমবায় সমিতি | ১৭৩টি |
| বিত্তহীন সমবায় সমিতি | ৪১টি |
| ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি | ৯৯৯টি |
| মসজিদের সংখ্যা | ৫২৮টি |
| মন্দিরের সংখ্যা কত | ০৮টি |
| মোরের সংখ্যা কয়টি | ০৩টি |
| বড় মাযার কয়টি | ০১টি | মাসিন্নগর বাজারে অবস্থিত |
| মাযারের সংখ্যা কয়টি | ২০১টি |
| এতিমখানা কয়টি | ০৮টি |
| ভোকেশনাল ট্রেনিং ইন্সটিটিউট কয়টি | ০১টি |
| সঙ্গীত বিদ্যালয় কয়টি | ০২টি |
| সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কয়টি | ০২টি |
| টাইপ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র | ০১টি |
| সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও পাবলিক লাইব্রেরী | ০১টি |
| রেজিষ্ট্রার্ড ক্লাব কয়টি | ১টি |
| প্রেসক্লাব কয়টি | ১টি |
| ভূমিহীন পরিবারের সংখ্যা | ২৫,০০০টি |
| পুলিশ অনুমোদিত পদের সংখ্যা কত | ৪৩ জন | আর কর্মরত আছে-৪১ জন |
| বাঞ্ছারামপুর থানার এল.এস.ডি. গোডাউন ধারণ | ১,০০০ মেট্রিক টন |
| ক্ষমতা |
| ২০০৫ সালের তুলনায় ২০০৬ সালে ধনীদের সম্পদের | ১১ ভাগ |
| পরিমাণ বেড়েছে: |
| ০ | ২০১৬ সালে বিশ্বে সম্পদ আছে | ২৫৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের |
| পৃথিবীর তিন ভাগের এক ভাগ সম্পদ | যুক্তরাষ্ট্রের-৮৫ ট্রিলিয়ন ডলার | কানাডাসহ উত্তর |
| আমেরিকার একজনের ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৭৮ ডলারের |
| সম্পদ আছে |
| ৎ | ইউরোপের একজনের গড়ে কত সম্পদের মালিক: | ১ লাখ ২৫ হাজার সম্পদের মালিক |
| ২০১৬ সালে জাপানের সম্পদ আছে | ২৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের |
| ২০১৬ সালে চীনের সম্পদ আছে | প্রতি চীনার ২২ হাজার | ২৩ ট্রিলিয়ন ৩৯ হাজার ৩০০ কোটি মার্কিন |
| ৮৬৪ ডলারের সম্পদ | ডলারের |
| ২০১৬ সালে ভারতের সম্পদ আছে | একজন ভারতীয় ৩ | ৩ ট্রিলিয়ন ৯ হাজার ৯০০ কোটি মার্কিন ডলারের |
| হাজার ৮৩৫ সম্পদ |
| ২০১৬ সালে বাংলাদেশের সম্পদ আছে | ২৫,৮০০(পঁচিশ হাজার আটশত) কোটি ডলারের |
| সম্পদ আছে |
| ২০১৬ সালে ১ শতাংশ ধনীর কাছে | বিশ্বের ৫১ শতাংশ সম্পদ রয়েছে |
| বিশ্বের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী যুক্তরাষ্ট্রে কতভাগ আছে | ৫ দশমিক ১ শতাংশ |
| অন্যদিকে ভারতে বিশ্বের কতভাগ কর্মক্ষম জনপোষ্ঠী বাস | ১৬ দশমিক ৭ শতাংশ | বিশ্বের মাত্র ১ দশমিক ২ |
| করে | শতাংশ সম্পদের মালিক |
| বিশ্ব মন্দার পরও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ | বাড়ার প্রবণতা চলছেই |
| আবার জাপানের সম্পদ ও বেড়েই চলছে | জাপানের সম্পদও বাড়ছে |
| ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ইংল্যান্ড বেড় হয়ে যাওয়ায় | ইংল্যান্ডের সম্পদ দেড় ট্রিলিয়ন কমেছে |
| কারণে |
| অঞ্চলভিত্তিক হওয়াতে সবচেয়ে বেশি | সম্পদ বেড়েছে উত্তর আমেরিকার |
| সবচেয়ে গরিব কোন মহাদেশ | আফ্রিকা মহাদেশ |
| অন্যদিকে নিচের থাকা ৫০ শতাংশ | মানুষের সম্পদ দিন দিন কমছে |
| নিচের দিকের ৫০ শতাংশ মানুষের | বিশ্ব সম্পদের দশমিক ২ শতাংশ |
| ২০১০ সালেও নিচের ৫০ শতাংশের | বিশ্ব সম্পদের ১ দশমিক ৬ শতাংশ ছিল |
| ২০৫০ সালে পৃথিবীর মানুষ বেড়ে হবে: | ৯৩০(নয়শত ত্রিশ) কোটি বা ১০০০ কোটি |
| ২০৮৩ সালে পৃথিবীর লোকসংখ্যা বেড়ে | হবে ১,০০০(এক হাজার কোটি) |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোথায় গ্যাস | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাখরনগর ও ফেরাইজ্জাকান্দি গ্রামে |
| পাওয়া যায় |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোথায় গ্যাস | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাখরনগর গ্রামে |
| ফিল্ডটি প্রতিষ্ঠিত হয় |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় প্রতি | ৩,৭৫০(তিন হাজার সাতশত পঁঞ্চাশ) জন প্রতি বর্গমাইলে বাস করে |
| বর্গমাইলে বাস করে |
| ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় প্রতি বর্গমাইলে | ২,৪৯০(দুই হাজার চারিশত নব্বই) জন প্রতি বর্গমাইলে বাস করে |
| বাস |
| বাংলাদেশে প্রতি বর্গমাইলে বাস করে | ২,৯৬৭(দুই হাজার নয়শত সাষট্টি) জন প্রতি বর্গমাইলে বাস করে |
| পৃথিবীতে প্রতি বর্গমাইলে কতজন | ১৩০ জন | ৩০-১২-২০১৬ তারিখ পৃথিবীর লোকসংখ্যা ছিল-৭৩৯ কোটি |
| লোক বাস করে | এরমধ্যে বাঙ্গালী বা বাংলা ভাষায় কথা বলে প্রায়-২৯ কোটি লোক |
| পৃথিবীর লোকসংখ্যার ২৫ ভাগের ১ ভাগ হলো বাঙ্গালী বা বাংলা ভাষায় |
| কথা বলে | লোকসংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীর ৫ম স্থানে হলো বাংলা |
| ভাষা |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আয়তন কত | ৮০ বর্গমাইল বা ১৮৬.৬৬ বর্গ কি.মি. |
| ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আয়তন | ১২০৫ বর্গমাইল বা ১৯২৭ বর্গ কি.মি. |
| বাংলাদেশের আয়তন কত | ৫৭,২৯৫(সাতান্ন হাজার দুইশত পঁচানব্বই) বর্গমাইল | এক লক্ষ সাতচল্লিশ |
| হাজার বর্গিকলোমিটার |
| মানুষের বাসযোগ্য পৃথিবীর আয়তন | ৫,৭০,১৭,০০০(পাঁচ কোটি সত্তর লক্ষ সতের হাজার) বর্গমাইল | মানুষের |
| কত | বসবাস উপযোগী যায়গা |
| সাগর, জল ও স্থলসহ | ১৯,৫২,৫০,৮০০(উনিশ কোটি বায়ান্ন লক্ষ পঁঞ্চাশ হাজার আটশত) বর্গমাইল | এরমধ্যে |
| পৃথিবীর আয়তন কত | ২১টি ছোট-বড় সাগরের আয়তন হলো-১৩,৮২,৩৩,৮০০(তের কোটি বিরাশি লক্ষ তেত্রিশ |
| হাজার আটশত) বর্গমাইল |
| পৃথিবী থেকে বাংলাদেশ, | পৃথিবীর কাছ থেকে বাংলাদেশ যায়গা পেয়েছে-৯৯৫ ভাগের ১ ভাগ যায়গা, মানুষের |
| বাংলাদেশ থেকে | তুলনায় পৃথিবীর কাছ থেকে বাংলাদেশ জায়গা-জমি পাওয়া উচিত ছিল-১৩,২৫,৯৭৭(তের |
| ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ও | লক্ষ পঁচিশ হাজার নয়শত সাতাত্তর) বর্গমাইল | কিন্তু জায়গা-জমি |
| ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে | পেয়েছে-৫৭,২৯৫(সাতান্ন হাজার দুইশত পঁচানব্বই) বর্গমাইল | বাংলাদেশ থেকে |
| বাঞ্ছারামপুর | বি-বাড়িয়া জেলা জায়গা-জমি পেয়েছে-৪৭.৫৫ ভাগের ১ ভাগ জায়গা-জমি, মানুষের |
| উপজেলা-কতটুকু যায়গা | তুলনায় বাংলাদেশ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জায়গা-জমি পেয়েছে কিছু বেশী |
| পেয়েছে তার হিসেব দেয়া | ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা জায়গা-জমি পেয়েছে-১৫.০৫ ভাগের ১ |
| হলো: | ভাগ জায়গা-জমি (৮০ বর্গমাইল) জায়গা-জমি মানুষের তুলনায় জায়গা-জমি পাওয়া |
| উচিত ছিল-১৪২ বর্গমাইল |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় | বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় বাস করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৮ দশমিক ৫৭ ভাগের ১ ভাগ |
| ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার, | মানুষ, বাংলাদেশের ৫৩৮ ভাগের ১ ভাগ মানুষ এবং পৃথিবীর ২৪,৩৩৩ ভাগের ১ ভাগ |
| বাংলাদেশের এবং | মানুষ | ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় বাস করে বাংলাদেশের-৫৪ দশমিক ৬৭ ভাগের ১ ভাগ |
| পৃথিবীর কতভাগ লোক | মানুষ এবং পৃথিবীর-২,৪৩৩ ভাগের ১ ভাগ মানুষ | বাংলাদেশে বাস করে পৃথিবীর-৪৩ |
| বাস করে | ভাগের ১ ভাগ মানুষ |
| বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন | ২০১৬ সালে ৩ কোটি ৯০ লক্ষ টন |
| ২০১৬ সালে বিশ্বে খাদ্য উৎপাদন হয় | প্রায়-২৩০(দুইশত ত্রিশ কোটি) টন |
| ২০১৫ সালে বিশ্বে খাদ্য মজুদ ছিল | প্রায় ৪৩ কোটি টন |
| পৃথিবীর খাদ্যের কতগুণ হয় | ৫৯ ভাগের ১ ভাগ খাদ্য উৎপাদন হয় বাংলাদেশে | পৃথিবীর ৪৩ ভাগের ১ |
| বাংলাদেশে | ভাগ মানুষ বাস করে বাংলাদেশে |
| পৃথিবীর লোকসংখ্যার আনুপাতিক | বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন-৫(পাঁচ) কোটি টন | আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ |
| হারে খাদ্য উৎপাদন করতে পারলে | করলে (ফাওয়ের হিসেব অনূযায়ী) বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন |
| হবে-২৪(চব্বিশ) কোটি টন |
| ২০১৪ সালে বিশ্ব | ২০১৪ সালে বিশ্বের মোট উৎপাদন হয়েছিল-১১৪(একশত চৌদ্ধ) ট্রিলিয়ন ডলার | ২০১৫ সালে |
| উৎপাদন ছিল কত | বিশ্বের মোট জিডিপি হয়েছিল-১১৭.৭৬২ ট্রিলিয়ন ডলার এবং ২০১৫ সালে প্রবৃদ্ধি ছিল-৩ |
| ট্রিলিয়ন ডলার | দশমিক ৩ শতাংশ | তাই বিশ্ব মোট জিডিপি-১১৭.৭৬২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার | ২০১৬ সালে |
| বিশ্ব প্রবৃদ্ধি হয়েছে-২.৩ শতাংশ | ২০১৬ সালে বিশ্বের মোট জিডিপি বা মো উৎপাদন |
| হয়েছে-১২০.৪৭ ট্রিলিয়ন ডলার |
| বিশ্ব প্রবৃদ্ধি কত | আইএমএফের মতে, ২০১৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৩ দশমিক ১ শতাংশ, গত |
| হবে তা দেয়া | জুলাইয়ে সংস্থাটি একই ধরনের পূর্বাভাস দিয়েছিল | ২০১৬ সালে বিশ্ব প্রবৃদ্ধি হয়েছে-২ |
| আছে | দশমিক ৩ শতাংশ | তবে আগামী বছর গড় প্রবৃদ্ধি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে ২ দশমিক ৭ শতাংশ হবে |
| বলে মনে করছে আইএমএফ | আগামী দুবছর ২০১৮ এবং ২০১৯ সালে প্রবৃদ্ধি কিছুটা বাড়বে ২ |
| দশমিক ৯ শতাংশ | তবে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের গড় প্রবৃদ্ধি ১ দশমিক ৬ শতাংশ হতে পারে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সমগ্র ভূমি কি | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সমগ্র ভূমি মেঘনা পস্নাবন ভূমি নামে পরিচিতি |
| নামে পরিচিতি |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সমগ্র ভূমি | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সমগ্র ভূমি বর্ষাকালে পানির নিচে চলে যায় এবং |
| বর্ষাকালে কি রুপ ধারণ করে- | পানির উপরে থাকে শুধু যেখানে মাটি ভরাট করে কৃত্রিম উপায়ে উঁচু |
| ভূমি সৃষ্টি করে বাড়িঘর নির্মাণ করা হয়েছে |
| ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় তাঁতের সংখ্যা ছিল | ১৬(ষোল) হাজার |
| ২০১২ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর-এ এসে বাঞ্ছারামপুর উপজেলাতে তাঁতের সংখ্যা | ৫০০(পাঁচশত) |
| হলো কত |
| বাঞ্ছারামপুর থানার | বাঞ্ছারামপুর থানা প্রতিষ্ঠা হয় ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দে | ১৮৮৯ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর পুলিশ ফাঁড়ি |
| প্রতিষ্ঠাকাল | নাম ছিল তার পূর্বে ১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দে মরিচাকান্দি পুলিশ ফাঁড়ি নাম ছিল | এ পুলিশ |
| ফাঁড়িগুলি যখন ছিল তখন গৌরিপুর থানা প্রতিষ্ঠিত হয়-১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দে এবং নবীনগর-এর |
| নামে থানার নামকরণ করা হয় ১৮৭৮ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানার নাম পরিবর্তন করে | ১৯৮৩ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর থানার নাম পরিবর্তন করে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নাম করণ হয় কবে | ''বাঞ্ছারামপুর উপজেলা'' নামকরণ করা হয় |
| ২০০৪ সালের ২৫ | আজ থেকে আগামী দুই বছরের মধ্যে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রত্যেক গ্রামে আপনারা গাড়ী |
| জানুয়ারি, | নিয়ে যেতে পারবেন | এ কথার সাথে আমি মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর) একমত নই এ কারণে |
| বাঞ্ছারামপুর | যে, উনি জনাব এম. এ. খালেক, পি.এস.সি. বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রত্যেক গ্রামে গাড়ী |
| উপজেলা কল্যাণ | নিয়ে যাওয়ার মত রাস্তা তৈরী করতে পারবেন না | তিনি আরো বলেছেন যে, আগামী দুই |
| সমিতির বার্ষিক | বছরের মধ্যে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রত্যেক গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে এবং এও বলেছে |
| সাধারণ সভায় | যে, বাংলাদেশে ৫০% গ্রামে বিদ্যুৎ আছে | আর বর্তমানে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ৮০% |
| মাননীয় সংসদ সদস্য | গ্রামে বিদ্যুত আছে | আমার কথা হলো যে, এ অঙ্গীকারও তিনি পালন করতে পারবে না-মানে |
| জনাব এম. এ. | সবাইকে বিদ্যুৎ দিতে পারবে না | যদিও তিনি বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সব গ্রামে বিদ্যুত |
| খালেক, পি. এস. | লাইন সরবরাহ করেও থাকে তা'হলেও সকল গ্রামের সবাইকে বিদ্যুত দিতে পারবে না | এখনও |
| সি. তাঁর ভাষণে | বাংলাদেশের ৫০% গ্রামের সবাই বিদ্যুৎ পায় না | বাংলাদশের ৩৫% লোক বিদ্যুৎ সুবিধা |
| বলেন যে: | পেয়ে থাকে তাও আবার নিয়মিত না | বাংলাদেশের মধ্যে নিয়মিত শতকরা বড়জোর ২০% লোক |
| নিয়মিত বিদ্যুৎ সুবিধা পায় |
| ২০০৪ সালের ২৫ | মিরপুর গ্রামে ৫০০ বেডের হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করবে | এ কথা বলায় অনেকে হাততালি |
| জানুয়ারি, বাঞ্ছারামপুর | দিয়েছে | এ কথার সাথে আমি মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর) একমত নই এ কারণে যে, |
| উপজেলা কল্যাণ সমিতির | উনি ড. রওশন আলম গ্রামে ৫০০ বেডের হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করবে না, কারণ |
| বার্ষিক সাধারণ সভায় | পুঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্থায় মিরপুরের মত গ্রামে এ হাসপাতাল চলবে না | এ সমাজ |
| মিরপুর গ্রামের ড. রওশন | ব্যবস্থায় কেউ কোন প্রতিষ্ঠান মুনাফার বাহিরে প্রতিষ্ঠা করে না | ড. রওশন আলম |
| আলম বলেন যে, | ফাঁকা বক্তব্য দিয়েছে সমিতির সভায় | এখনো পর্যন্ত মিরপুরে ৫০০ বেডের বা ৫০ |
| বেডের হাসপাতালও করতে পারে নাই(৩০-১২-২০১৫ তারিখ পর্যন্ত প্রায় ১২ বছর পরও |
| হাসপাতাল করতে পারে নাই) |
| ২০১০ সালের ২৩ | কড়ইতলা ঘাটে ফেরিত ব্যাপার নয়-অল্প কিছু দিনের মধ্যে হয়ে যাবে এবং আগামীতে মেঘনা |
| জানুয়ারি, | নদীর ওপর একটি ব্রিজ হবে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার লোকেরা মেঘনা নদীর ওপর ব্রিজ |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলা | দিয়ে ঢাকাতে যাতায়াত করবে | এ কথার সাথে আমি মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর) একমত |
| কল্যাণ সমিতির | নই এ কারণে যে, উনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপটেন (অব.) এ. বি. তাজুল ইসলাম |