মহিলা হিসেবে সিনেমা ও টি. ভি.মোঃ মফিজুল ইসলাম (মুনশি মিঞা) (উনার জন্ম-৩০-০৬-১৯১৯ তারিখ,
শিল্পী ছিলেনমৃত্যু-১০-০৫-২০০৭ তারিখ)-এর দ্বিতীয় কন্যা হামিদা বাণু ওরফে ডলি
জহুরের জন্ম-১০-০৭-১৯৫২ তারিখ
দরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসীউনার সাথে গত ২০-০৪-২০০৭ তারিখ বিকেল ৫ ঘটিকার সময় দেখা করি এবং
অবসরপ্রাপ্ত ডিপুটি পোষ্টমাষ্টারআমার লিখা ''আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির বংশ পরিচিতি ও চৌধুরী
জেনারেল মোঃ মফিজুল ইসলাম(মুনশিশামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন''(১৮০৬-২০০৬)-এর একটি কপি দেই
মিঞা)-এর বাসায় গত ২০-০৪-২০০৭এবং আরো বলি যে-চাঁচা আমি বাঞ্ছারামপুর থানার তথ্যাবলী সম্বলিত
তারিখ গিয়েছিলাম আমি মোঃ জাকিরএকটি বই রচনা করেছিআগামী জুলাই মাসের মধ্যে বইটি ছাপানো হবে
হুসেন (আলমগীর)উনার দ্বিতীয় কন্যাউনি আমাকে সাথে সাথে বলে যে, আমাকে একটি কপি দিবেআমিও উনার
হামিদা বাণু ওরফে ডলি জহুরের জন্মসাথে সাথে বলি যে-আমি আপনাকে এ বইয়ের একটি কপি ছাপানোর সাথে
তারিখ জানার জন্যসাথে দিয়ে যাবমোঃ মফিজুল ইসলাম (উনার জন্ম-৩০-০৬-১৯১৯
খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১০-০৫-২০০৭ তারিখ)-এর দ্বিতীয় কন্যা হামিদা বাণু
ওরফে ডলি জহুরের জন্ম-১০-০৭-১৯৫২ তারিখএ তথ্যগুলো নিয়ে উনার বাসা
থেকে বিদায় নিয়ে আসতে চাই-কিন্তু উনি আমাকে বিদায় দিতে চায়নি
এবং বারবার আমাকে কি খাবে, কি খাবে বলতে থাকে এবং উনার ঘরের
হাউস-কিপারকে বারবার খাবার দেয়ার জন্য আদেশ-নির্দেশ দিয়েছে এবং
আমাকে অনেক প্রকার খাবার খাইয়েছেঐদিন রাত্রি ৭.৫০মিনিটে উনার
কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আসি এবং কথা দিয়ে আসি যে আবার আসব
বাঞ্ছারামপুর থানার তথ্যাবলীর বইটি নিয়ে১০-০৫-২০০৭ তারিখ সকাল
১১.৩০ মিনিটের সময় মুহিতের টেলিফোন পাই যে-দরিয়াদৌলতের মফিজুল
ইসলাম সাহেব মারা গেছেন সকাল ১০ঘটিকার সময়হ্যাঁ আজ(১০-০৫-২০০৭
তারিখ) আমি আসব উনার জানাযায় উনার মৃত্যু তারিখ বাঞ্ছারামপুর
থানার তথ্যাবলীতে দেয়ার জন্যআমি উনাকে ভুলতে পারব না-আমার
বারবার উনার কথা মনে হয়উনি সরল প্রকৃতির মানুষ ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মহিলাদেরমরিচাকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম এ. টি. এম. সরফুজ্জামান (আবু
মধ্যে প্রথম টি. ভি. তে জনসংখ্যাতাহের)-এর কন্যা পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের পরিচালক মিসেস লুৎফে
বিষয়ক অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় কেতাহেরা১৯৮২ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত জনসংখ্যা বিষয়ক অনুষ্ঠান
উপস্থাপনায় ছিলেনমিসেস লুৎফে তাহেরার জন্ম-১৯৫০ সাল
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমভেলানগর গ্রামের অধিবাসী মরহুম মহি-উদ-দীন আহমেদ (জহর মিঞার)
রেডিও এবং টি.ভি.তে কারা ইংরেজীছেলে জনাব শামীম আহমেদ ও তার ছোট ভাই জনাব নাফিজ ইমতিয়াজ
সংবাদ পাঠকশামীমের জন্ম-১৯৪৯ সালে এবং নাফিজের জন্ম-১৯৫৩ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমমরিচাকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম মোঃ মিজানুর রহমানের বড় ছেলে
সাংবাদিক হলেনজনাব মাহবুব জামাল জাহেদী (বুলু মামা)তিনি পাকিস্তান ডন
পত্রিকাসহ আরও বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেনউনার জন্ম-১৯২৭ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমমধ্যনগর গ্রামের অধিবাসী সাধক পুরুষ শাহ রাহাত আলীর মাজার
মাজারটি কারমাসিন্নগর বজারে প্রতিষ্ঠিত হয় ০২-০৮-১৯৪৬ তারিখউনার জন্ম-১৮৭৬
সালে, মৃত্যু-০২-০৮-১৯৪৬ তারিখ
কালাইনগর গ্রামের অধিবাসী মরহুমবাঞ্ছারামপুর থানার কালাইনগর গ্রামের অধিবাসী মরহুম মৌঃ কলিমউদ্দিনের
দয়াল গনিশাহ-এর মাজারটি কোথায়পুত্র মরহুম দয়াল গনিশাহের মাজারটি নবীনগর থানার বড়িকান্দি গ্রামে
অবস্থিতদয়াল গনিশাহ, মরহুম হযরত রাহাত আলী শাহ (র.)'র ভক্ত ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমউজানচর গ্রামের অধিবাসী পরলোকগত শ্রী রাজেন্দ্র চন্দ্র সাহা ফুটবল
নামকরা খেলাধুলায়খেলোয়ার ছিলেনউনার জন্ম-১৯০২ সালে, মৃত্যু-জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদুর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট আবদুল সোবহান সাহেবের
পাকিস্তান জাতীয় হকিদলের নামকরাপুত্র জনাব আবদুস সাদেক (মোঃ শাহজাহান)উনার জন্ম-১৯৪২ সালে
খেলোয়ার
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেশরিফপুর গ্রামের মরহুম তোতা মিঞা মাষ্টারের বড় ছেলে-মরহুম এ. কে.
বাংলাদেশ জাতীয় হকিদলের নামকরাগোলাম কিবরিয়ার বড় ছেলে সিয়াম-এ-নূর (সাবেক বাংলাদেশ জাতীয় হকি
খেলোয়ারখেলোয়ার ছিলেন ১৯৯৪ থেকে ২০০০ পর্যন্ত)সিয়ামের জন্ম-০২-১১-১৯৭০
তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমশরিফপুর গ্রামের মরহুম তোতা মিঞা মাষ্টারের বড় ছেলে-মরহুম এ. কে.
ক্রিকেট কোচ, মেট্রো ক্রিকেটগোলাম কিবরিয়ার ছোট ছেলে তেনজাম-এ-নূর (ঝিলাম)ঝিলামের
একাডেমীজন্ম-২৮-০৪-১৯৭২ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমমানিকপুর গ্রামের অধিবাসী জনাব আবদুল মতিন-এর দ্বিতীয় ছেলে জনাব
জাতীয় টিমের ক্রিকেট খেলোয়ারমোহাম্মদ আশরাফুল-এর জন্ম-১৯৮৪ সালের ৭ জুলাই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমমধ্যনগর গ্রামের অধিবাসী বকুল মোস্তফা (মোস্তফা জব্বারের স্ত্রী বকুল
কমপিউটার জগতের বিখ্যাত ব্যবসায়ীমোস্তফা) আনন্দ কমপিউটার-এর মালিকতার জন্ম-১৯৫১ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমকালিকাপুর গ্রামের অধিবাসী অধ্যাপক আবদুর রহমানইউনাইটেড প্রেসের
মুদ্রণ ব্যবসায়ী ছিলেনমালিক ছিলেনউনার জন্ম-১৯১৮, মৃত্যু-১৯-১২-১৯৯৩ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মহিউদ্দিন আহমেদউনি ১৯৬৩
মুদ্রণ ব্যবসায় আছেনসাল থেকে আদর্শ ছাপাখানার মালিকজন্ম-১৯২৭ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব মেসবাহ-উদ-দীন আহমেদ (মতি মিঞা)
মুদ্রণ ব্যবসায় ছিলেনউনি ১৯৬৫ সাল থেকে প্রেসিডেন্সী প্রেসের মালিক ছিলেনউনার জন্ম-১৯৩১
সালে, মৃত্যু-২৩-১২-১৯৯৫ তারিখ
১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ১০ এপ্রিল, ভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব
প্রথম বাঞ্ছারামপুর থানার পাকিস্তানী পতাকাটিমেজবাহ উদ-দীন আহমেদ (মতি মিঞার) নেতৃত্বে বাঞ্ছারামপুর
কার নেতৃত্বে নামানো হয় এবং বাংলাদেশেরথানার পাকিস্তানী পতাকাটি নামানো হয় এবং বাংলাদেশের
পতাকাটি উড়ানো হয়পতাকাটি উড়ানো হয়
১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ ডিসেম্বর, ঢাকাতে পাক-বাহিনী আত্মসমর্পণ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ ডিসেম্বর, বাঞ্ছারামপুর
করেন কিন্তু বাঞ্ছারামপুর থানার পাক-বাহিনী আত্মসমর্পণ করেন কতথানার পাক-বাহিনী আত্মসমর্পণ করে
তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ডক্টর এ. কে. এম. হাই সিঙ্গাপুরে অবস্থিত
কোন কেমিষ্টজাপানী আলফা টেকনো গ্রুপ অব চেম্বার-এর পরিচালকতিনি সুপার
গ্লো নামক আটার ফর্মুলা উদ্ভাবক
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমফরদাবাদ গ্রামের অধিবাসী পদার্থিবজ্ঞানী নূরুন নবী খন্দকার আমেরিকায়
কোন পদার্থিবজ্ঞানী নাসাতে চাকুরী(ঘঅঝঅ)তে চাকুরী করতেন
করতেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমধারিয়ারচর গ্রামের অধিবাসী ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সামাদ সাহেবের পুত্র
কোন ব্যক্তি ক্লাসিক গাইড ও ক্লাসিকপ্রাক্তন ছাত্র নেতা সাঈদ আহমেদ (বাবু), ১৯৮৬ সাল থেকে ক্লাসিক গাইড
কোচিং সেন্টারের মালিকও ক্লাসিক কোচিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা মালিকবাবুর জন্ম-১৯৫৮ সালে
১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীনতা সংগ্রামেরফরদাবাদ গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মুখলেসুর রহমানের (এফ.এফ.)
সময় বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেকমান্ডার ছিলেনমুক্তিবাহিীর ক্যাম্পটি রূপসদী গ্রামের খানেপাড়ার
প্রথম মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ছিলেননয়াবাড়ীতে ছিলমুখলেসুর রহমানের জন্ম-১৯৪৭ সালে
১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীনতা সংগ্রামেরদরিকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মনিরুল হক (বি.এল.এফ.)-এর কমান্ডার
সময় বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেছিলেনমুক্তিবাহিনীর ২য় ক্যাম্পটি ছিল দরিকান্দি গ্রামের মরহুম মোঃ
দ্বিতীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ছিলেনমোজাম্মেল হক (অদু মিঞা), সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্যের বাড়ীতে
মনিরুল হকের জন্ম-১৯৪৭ সালে
১৯২০ সালে বেঙ্গল ভিলেজ সেলফবাঞ্ছারামপুর থানার সর্বেমাট ৭টি ইউনিয়ন বোর্ড ছিল যথা:-(১)
গর্ভণমেন্ট অ্যাক্ট পাশ করা হলেদরিয়াদৌলত (২) তেঁজখালী (৩) বাঞ্ছারামপুর (৪) ছয়ফুল্লাকান্দি (৫)
ইউনিয়ন পঞ্চায়েত প্রথা বিলোপ করেরূপসদী (৬) উজানচর ও (৭) সলিমাবাদএ ইউনিয়নগুলোতে প্রথম যারা
ইউনিয়ন বোর্ড গঠন করা হয়ঃপ্রেসিডেন্ট ছিলেন তাঁদের নামগুলি নিম্নে উপস্থাপন করা হলো:
১নং দরিয়াদৌলত ইউনিয়ন বোর্ড-এর১৯২০ সালে মাওলানা খন্দকার রেজওয়ান আলী (দরিয়াদৌলত)
প্রেসিডেন্ট ছিলেন
২নং তেঁজখালী ইউনিয়ন বোর্ড-এর১৯২০ সালে মহিম চন্দ্র ঘোষ (তেঁজখালী)
প্রেসিডেন্ট ছিলেন
৩নং বাঞ্ছারামপুর ইউনিয়ন বোর্ড-এর১৯২০ সালে শচিন্দ্র বাবু (বাঞ্ছারামপুর)
প্রেসিডেন্ট ছিলেন
৪নং ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়ন১৯২০ সালে যোগেন্দ কুমার দত্ত (ছয়ফুল্লাকান্দি)
বোর্ড-এর প্রেসিডেন্ট ছিলেন
৫নং রূপসদী ইউনিয়ন বোর্ড-এর১৯২০ সালে খান সাহেব মৌঃ তুজাম্মেল আলী ওরফে মোঘল মিঞা
প্রেসিডেন্ট ছিলেন(রূপসদী)
৬নং উজানচর ইউনিয়ন বোর্ড-এর১৯২০ সালে স্বরুপ নন্দ সাহা (সরিষারচর)
প্রেসিডেন্ট ছিলেন
৭নং সলিমাবাদ ইউনিয়ন বোর্ড-এর১৯২০ সালে রমিজউদ্দিন মুন্সি (হায়দরন্নগর)
প্রেসিডেন্ট ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট এ. কে. এম. জহিরুল হক (লিল
রাজনীতিবিদ ছিলেনমিঞা)তিনিই এ থানার প্রথম নির্বািচত প্রতিনিধি এবং ১৯৫৪ সালে
যুক্তফ্রন্ট সরকারের আমলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট এ. কে. এম. জহিরুল হক (লিল
মন্ত্রী ছিলেনমিঞা)১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট সরকারের আমলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মহিলাদেরদরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী মরহুম আবদুল মাবুদ (শফিক)-এর স্ত্রী
মধ্যে স্বাস্থ্য উপমন্ত্রী ছিলেনমিসেস ফাতেমা কবীরসংরক্ষিত মহিলা আসনে স্বাস্থ্য উপমন্ত্রী পদে
ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেপাড়াতুলি গ্রামের ক্যাপ্টেন (অব.) এ. বি. তাজুল ইসলাম (তরু/তাঁজ)
দ্বিতীয় ব্যক্তি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কতাঁর জন্ম-১৮ জুন, ১৯৪৬ সালে
প্রতিমন্ত্রী হলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমকাঞ্চনপুর গ্রামের অধিবাসী পন্ডিত মোঃ নূরুল ইসলামউনি কুমিল্লা
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিশহরে শিক্ষকতার পাশাপাশি আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন
ছিলেনস্বাধীনতা সংগ্রামের সময় তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত প্রসংশনীয় ও
মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে ছিলেন সরাসরি সম্পৃক্তউনার জন্ম-১৯১২ সালে,
মৃত্যু-০২-০৫-২০০২ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট আবদুল বাসেতউনি কুমিল্লা
বি.এন.পি.র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিশহরে আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেনউনার জন্ম-১৯২৯ সালে,
ছিলেনমৃত্যু-০৭-০১-১৯৮৮ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম১৯৫৩ সালে পূর্ব বাংলার মূখ্যমন্ত্রী জনাব নূরুল আমিন-এর একটি সভা
ছাত্র অবস্থায় এবং কলেজে শিক্ষকতাসোনারামপুর বাজারে অনুষ্ঠিত হওয়ার সময় দরিয়াদৌলত গ্রামের অধ্যাপক
করার সময় রাজনীতির সাথে জড়িতআবদুল মোমেন-এর নেতৃত্বে সভাটি পন্ডু করে দেয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে
ছিলেনহুলিয়া জারী করা হয়েছিলব্রাহ্মণবাড়িয়া কলেজের অধ্যাপক আবদুল
মোমেনউনার জন্ম-১৯৩০ সালে, মৃত্যু-০৭-০৩-১৯৯০ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানার ১ম প্রাদেশিক১৯৩৭ সালে বাঞ্ছারামপুর থানার প্রাদেশিক নির্বাচনে নির্বািচত
নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধিপ্রতিনিধি ছিলেন ঢাকার প্রখ্যাত খাজা মরহুম নওয়াবজাদা খাজা
ছিলেননছরউল্লাহতিনি বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম নির্বািচত প্রতিনিধি ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানার ২য় প্রাদেশিক১৯৪৬ সালে বাঞ্ছারামপুর থানার প্রাদেশিক নির্বাচনে নির্বািচত
নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধিপ্রতিনিধি ছিলেন নবীনগর থানার নাসিরাবাদ গ্রামের মরহুম আলী
ছিলেনআহাম্মদ খাঁনতিনি বাঞ্ছারামপুর থানার ২য় নির্বািচত প্রতিনিধি
বৃটিশ ভারতে দু'বার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়(১৯৩৭ সালে ও ১৯৪৬
সালে)উনার জন্ম-১৮৯২ সালে, মৃত্যু-১৯৬৬ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানার১৯৫৪ সালে বাঞ্ছারামপুর থানার প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে নির্বািচত
পাকিস্তান হওয়ার পর ১ম প্রাদেশিকপ্রতিনিধি দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম এডভোকেট এ. কে. এম.
পরিষদের নির্বাচনে নির্বািচতজহিরুল হক (লিল মিঞা)উনার জন্ম-১৯৯৮ সালে, মৃত্যু-১৯৮৪ সালে
প্রতিনিধি ছিলেনউনি বাঞ্ছারামপুর থানার ৩য় নির্বািচত প্রতিনিধি ছিলেনউনি যুক্তফ্রন্ট
থেকে নির্বািচত এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানার ১ম১৯৬২ সালে বাঞ্ছারামপুর থানার (এম.এন.এ.) নির্বাচনে নির্বািচত
বি.ডি.(মেম্বারদের ভোটে)প্রতিনিধি ছিলেন মুরাদনগর থানার কামারচর গ্রামের অধিবাসী মরহুম
এম.এন.এ. নির্বাচনে নির্বািচতএডভোকেট মোঃ আজিজুর রহমানউনার জন্ম-১৯০৩ সালে, মৃত্যু-জানা
প্রতিনিধি ছিলেননেই
বাঞ্ছারামপুর থানার ২য় বি.১৯৬৪ সালে বাঞ্ছারামপুর থানার এম.এন.এ.) নির্বাচনে নির্বািচত
ডি.(মেম্বারদের ভোটে) এম.এন.এ.প্রতিনিধি ছিলেন মুরাদনগর থানার কামারচর গ্রামের অধিবাসী মরহুম
নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধিএডভোকেট মোঃ আজিজুর রহমান
ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর এবং নবীনগর থানার১৯৭০ সালে ৭ ডিেিসম্বর, বাঞ্ছারামপুর এবং নবীনগর থানার সাধারণ
এম.এন.এ. নির্বাচনে নির্বািচতনির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি(এম.এন.এ.) ছিলেন নবীনগর থানার
প্রতিনিধি ছিলেনঅধিবাসী বড়িকান্দি গ্রামের মরহুম এডভোকেট দেওয়ান আবুল আব্বাস
(বাচ্চু মিঞা)উনার জন্ম-১৯২৫ সালে, মৃত্যু-২০০৭ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানার প্রাদেশিক১৯৭০ সালে ৭ ডিসেম্বর, বাঞ্ছারামপুর থানার প্রাদেশিক পরিষদের
নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধিনির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি ছিলেন মরিচাকান্দি গ্রামের মরহুম
ছিলেনগোলাম মহিউদ্দিন আহমেদ(আফতাব ভাই)পাকিস্তান আমলে ৪(চার) বার
নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় (১৯৫৪, ১৯৬২, ১৯৬৪ ও ১৯৭০ সালে)উনার
জন্ম-১৯২৭ সালে, মৃত্যু-২৩-০৩-১৯৭৯ তারিখ
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর, বাংলাদেশ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ, জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি
স্বাধীন হওয়ার পর বাঞ্ছারামপুর(এম.পি.) ছিলেন দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ড. এ. ডবিস্নও. এম.
থানার ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দের ৭ মার্চ, ১মআবদুল হকড. হক বাংলাদেশের আমলে বাঞ্ছারামপুর থানার ১৯৭৩