খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত)হয়েছে=১,৩৩৪ জন জীবীত মানুষবিদেশ, ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য শহরসহ ভেলানগর
বড়বাড়ির লোক বাস করে-৫০২ জনের মধ্যে একমাত্র বিদেশে চাকুরী ও বসবাস করে ১৬৭
জন আর শহরে বাস করে-৩৩৫ জন৩৩২ জন বিবাহিত জীবীত মেয়ে এর মধ্যে বিবাহিত ১৩
জন মেয়ে স্বামীর বাড়ির পরিবর্তে বাবার বাড়িতে বাস করে জীবিত বিবাহিত মেয়েরা
স্বামীরবাড়িতে বাস করে-৩১৯ জনভেলানগর বড়বাড়ির প্রকৃত লোকসংখ্যা হলো-১,০১৫
জনশহর এবং বিদেশে বাস করে-৫০২ জন আর গ্রামে বাস করে-৫১৩ জনআমাদের
পূর্ব-পুরুষরা আসছে নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রাম হতে ভেলানগর গ্রামে এসে
বসতি স্থাপন করে-১৭৮০ খ্রিষ্টাব্দেনবীনগর থানার ইব্রাহিমপুর গ্রামে আসে আমাদের
পূর্ব-পুরুষরা কিশোরগঞ্জ জেলার জঙ্গলবাড়ি হতেকিশোরগঞ্জ জেলার জঙ্গলবাড়িতে আসছে
আমাদের পূর্ব-পুরুষরা ভারতের উত্তর প্রদেশ থেকেআমাদের পূর্ব-পুরুষরা
মঙ্গোলিয়া ও আফগানিস্থান থেকে এসে মিলিত হয়েছে ভারতের উত্তর প্রদেশেএর বেশী
আর কিছু জানার চেষ্টা করিনি বা জানিও না
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীরবাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে ভেলানগর বড়বাড়ির লোকসংখ্যা-২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের ৩১
মধ্যে (নিবন্ধকার)-এরডিসেম্বর, হিসেব অনুসারে জন্মগ্রহণ করে-২,০৯৫ জন (স্ত্রীসহ পুরুষ-মহিলা)
জানামতে লোকসংখ্যারমৃত্যুবরণ করেছে ২৩৬ বছরে-৬৭৭ জনএ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে জীবিত
দিক দিয়ে প্রথম হবেআছে-১,৪১৮ জন এবং ৭২ জন স্ত্রী তালাকপ্রাপ্ত, ৮ স্ত্রী চলে গেছেন=৮০ জন স্ত্রী বাদ
ভেলানগর বড়বাড়িরদিলে মোট লোকসংখ্রা=১,৩৩৮ জন২৩-১২-২০১৬ তারিখ পর্যন্ত ভেলানগর বড়বাড়ির
লোকসংখ্যা-১০-০৮-২০১৬৪০৪(চারিশত চার) জন পুরুষ বিয়ে করেছে এবং বিয়ে দিয়েছে ৪৭৭ জন মেয়েকে এর
তারিখ পর্যন্তমধ্যে মারা গেছে-১৪৬ জন বিবাহিত মেয়েবেঁচে আছে বিবাহিত ৩৩১ জন মেয়েআর
১৩ জন বিবাহিত মেয়ে স্বামীরবাড়ির পরিবর্তে বাবারবাড়িতে বাস করেপ্রকৃত লোক
সংখ্যা-১,০২০ জন এরমধ্যে ৫০৭ জন শহর ও বিদেশে বাস করে আর গ্রামে বাস করে ৫১৩
জনবাঞ্ছারামপুর থানার ১২৫টি গ্রামের মধ্যে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন
(আলমগীর)-এর জানামতে আর কোন বংশে এত লোক জন্মগ্রহণ করেনি এবং এত লোক আর
কোন বংশে বেঁচেও নেই এবং বাঞ্ছারামপুর থানায় আর দ্বিতীয়টি নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়ীর আবদুল্লাহ ডিপুটির তৃতীয় ছেলে
প্রথম সেনাবাহিনী কর্মকর্তাব্রিগেইডার (অবঃ) রেযাউনার জন্ম-১৯১৮ সালেউনি ১৯৪১ সালে কমিশন পান
(বৃটিশ আর্মীেত)
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীরফরদাবাদ গ্রামের গফুর দারোগার বড় ছেলে মেজর জেনারেল এম. এ. জলিল(বাচ্চু)
মধ্যে দ্বিতীয় সেনাবাহিনীউনি ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন এবং ১৯৮২ সালে
কর্মকর্তাপাকিস্তান সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করে পাকিস্তানে বসবাস করেনউনার
জন্ম-১৯৩৩ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমনগরিরচর গ্রামের অধিবাসী মেজর জেনারেল (অব.) শিকদার মোঃ
সর্বোচ্চ পদে সেনাবাহিনীরশাহাবুদ্দীন, পি.এস.সি.জি.উনার জন্ম-১৯৫০ সালে
কর্মকর্তা ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমবাঞ্ছারামপুর গ্রামের ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মুল্লুক হোসেনের
সর্বোচ্চ পদে নৌবাহিনীর(জন্ম-১৯০১ সালে, মৃত্যু-০৭-১২-১৯৯৫ সালে) পুত্র রিয়ার এডমিরাল
কর্মকর্তা ছিলেন:(অবঃ) আমির আহমেদ মোস্তফাতিনি বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী প্রধান
ছিলেনউনার জন্ম-১৯৩৮ সালে
এ থানার মধ্যে প্রথম বিমানবাহিনীবাঞ্ছারামপুর থানার ফরদাবাদ গ্রামের অধিবাসী উইং কমান্ডার (অবঃ)
কর্মকর্তানেহাল ফজলে বাকীউনার জন্ম-১৯১৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৩ সালের
আগস্ট মাসে মারা গেছেন
এ থানার মধ্যে প্রথম সর্বোচ্চভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়ির মরহুম সুন্দর মিঞা দিওয়ানের ছেলে
বিমানবাহিনী কর্মকর্তা ছিলেনগ্রুপ ক্যাপটেন (অব.) ডা. নিজাম উদ-দীন (মাজহারুল হক)উনার
জন্ম-১৯৪০ সালে
এ থানার মধ্যে সর্বোচ্চ পদেবাঞ্ছারামপুর থানার দুর্গাপুর গ্রামের গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোঃ এমদাদ মিঞা,
বিমানবাহিনী কর্মকর্তা আছেনবাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে কর্মরত ০২-১০-২০০৬ তারিখ পর্যন্ত
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদশদনা গ্রামের অধিবাসী সার্জেন্ট মোঃ রফিকুল ইসলাম, বীর প্রতীক
বীর প্রতীক উপাধি পানবাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে চাকুরী করা অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ
করায় তাঁকে বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমমরিচাকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মিজানুর রহমান-এর তৃতীয় ছেলে জনাব
সি. এ. পাশ লোকটিমোঃ ইকবাল হোসেন (ইকবাল মামা)উনার জন্ম-১৯৩৮ সালেবর্তমানে
তিনি কানাডাতে বসবাসরত
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয়ভেলানগর বড়বাড়ির জনাব এ.কে.এম. আবদুল হাকিম (হাকিম ভাই)উনার
সি. এ. পাশ লোকটিজন্ম-১৯৩৯ সালেবর্তমানে তিনি নিউইয়ের্ক বসবাসরত
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমফরদাবাদ গ্রামের জনাব নেহাল ফজলে বাকী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে
এম.এস-সি. পাশ লোকটি১৯৪১ সালে বি. এস-সি. (সম্মান) ও আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে
১৯৪২ সালে এম.এস-সি.তে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করেন ১৯৪৩
সালেউনি স্বর্ণপদক বিজয়ী ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিয়াদৌলত গ্রামের জনাব আবদুল মোমেন, ডি. জি. এম. (অব.),
এম. কম. পাশ লোকটিবাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক১৯৫৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.কম.
পাশ করেনউনার জন্ম-১৯৩৩ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমপাইকারচর গ্রামের সরকার মোঃ আবদুস সোবহান ও সোনারামপুর
এম. বি. এ. পাশ লোক ২টির নামগ্রামের জনাব মোঃ নাজমুল আলমওরা দু'জন একই বছরে বি.এস-সি.,
এম.বি.এ. পাশ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট
থেকে ১৯৭২ সালেউভয়ে ব্যাংকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দে বাঁশগাড়ি গ্রামের মরহুম আবুল খায়ের আহমেদ, লন্ডনে
পররাষ্ট্র বিভাগে ছিলেনপাকিস্তান দূতাবাসে ৩য় সচিব হিসেবে কর্মরত থাকা অবস্থায় চাকুরি
ছেড়ে দিয়ে লন্ডনে বসবাস করেন
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম পররাষ্ট্রভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব মুসলেহ উদ-দীন আহমেদ, সচিব (অব.)
বিভাগে সর্বোচ্চ পদে ছিলেনউনি ফরাসী দেশে ইকোনমিক মিনিষ্টার এবং পরে রাষ্ট্রদূত ছিলেন
থানাবাসীর মধ্যে আরো একজনভেলানগর বড়বাড়ির অধিবাসী মালিক মোঃ শাহনূর (শ্যামল), স্পেনে
পররাষ্ট্র বিভাগে ছিলেনবাংলাদেশের অর্থৈনতিক মিনিষ্টার (যুগ্ম-সচিবের পদ মর্যাদা সম্পন্ন) পদে
নিয়োজিত ছিলেনতাঁর জন্ম-১৯৫৪ সালে
এ থানার কৃষি বিভাগেদূর্গারামপুর গ্রামের ড. আবদুল আলীম, পিতা-মরহুম মুনশি আমিনউদ্দিনকৃষি
সর্বোচ্চ পদে ছিলেনবিজ্ঞানে তিনি বাঙ্গালী মুসলমানের মধ্যে বাংলাদেশে কৃষি বিজ্ঞানে প্রথম ডক্টরেটউনার
জন্ম-১৯১৩ সালের ১ অক্টোবর, দূর্গারামপুর গ্রামের ড. আবদুল আলীম,
মৃত্যু-০৯-০৭-২০১১ তারিখ বেলা ১২.২৩ মিনেটের সময় হাসপাতালে
এ থানার কৃষি বিজ্ঞানেপাড়াতলি গ্রামের অধিবাসী অধ্যাপক ড. আবদুল করিম(তিতু মিয়া), ময়মনসিংহ কৃষি
আরো একজন পন্ডিতবিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করা অবস্থায় (উনার জন্ম-১৯২৯ সালে, মৃত্যু-১৯৭৫ সালের ২৪
ছিলেনডিসেম্বর) লিভার সিরোসিস রোগে আক্রান্ত হয়ে অকালে মৃত্যুবরণ করেন
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম উচ্চবাখরনগর গ্রামের অধিবাসী জনাব আবদুল হামিদ, বি.এস-সি., বি.টি.
বিদ্যালয়ের বি. এস-সি. শিক্ষক(ই.পি.ই.এস.)উনার জন্ম-১৯০৩ সালে, মৃত্যু-জানা নেই
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম পশু বিভাগেউলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী আল-হাজ্জ ডা. আবদুল আউয়াল, চাকুরি
সর্বোচ্চ পদে ছিলেনথেকে অবসর গ্রহণ করেন ১৯৬৭ সালেউনার জন্ম-১৯০৬ সালে,
মৃত্যু-২৪-০৩-১৯৮৩ তারিখ
থানাবাসীর মধ্যে প্রথমবাঁশগাড়ি গ্রামের অধিবাসী ডা. আলী আজগর ১৯৪৮ সালে বাঙ্গালীর মায়ের ভাষা
ভাষা সৈনিক-এর নামবাংলাকে রক্ষা আন্দোলনের একজন প্রত্যক্ষ সৈনিক ছিলেনতিনি ১৯৪৮ সালে ঢাকা
কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী ছিলেনউনার জন্ম-১৯২৫ সালে
থানাবাসীর মধ্যে প্রথমবাঁশগাড়ি গ্রামের অধিবাসী ডা. আলী আজগর-এর স্ত্রী বেগম দিলবরেন্নেসাবেগম
মহিলাদের মধ্যে এম. এ.,দিলবরেন্নেসা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সাহসী সৈনিক ছিলেনউনার জন্ম-১৯৩৩,
এল. এলবি.মৃত্যু-০২-১১-১৯৯৫ তারিখ
এ থানাবাসীর মধ্যেমানিকপুর গ্রামের অধিবাসী জনাব এম. এ. জাহেরতিনি আন্তর্জািতক খ্যাতি অর্জণ
প্রথম ভূতত্ত বিভাগেকরেছেন এবং বিশ্ব বিজ্ঞান সংস্থা তাঁকে সম্মাণিত করেছেন তাঁর আবিস্কৃত একটি নতুন
সর্বোচ্চ পদে ছিলেনমিনারেলকে জাহেরাইট নামকরণ করেসারা বিশ্বের মধ্যে তিনিই একমাত্র মুসলিম ও দক্ষিণ
এশিয়ার একমাত্র ব্যক্তিত্ত্ব যার নামে একটি মিনারেলের নামকরণ করা হয়েছেউনার
জন্ম-১৯৩২ সালে
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম আইনদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ড. এ. ডবিস্নও. এম. আবদুল হকউনার
বিষয়ের ওপর ডক্টরেটজন্ম-১৯৩১ সালে
এ থানাবাসীর মধ্যেউলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী অধ্যাপক ডক্টর এ. এইচ. এম. হাবিবুর রহমান, ১৯৫৩ সালে
প্রথম ব্যক্তি যিনিসলিমগঞ্জ স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেনতিনি ১৯৫৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
সুদীর্ঘকাল অধ্যাপকহতে এম.কম. পাশ করেন এবং উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়েই রিডার পদে যোগদান করেন ৩
হিসেবে ঢাকাফেব্রুয়ারি, ১৯৭০ সালেউনি ১৯৭৮ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত লাভ করেনসুদীর্ঘ
বিশ্ববিদ্যালয়ে২৮-বছর যাবত অধ্যাপক হিসেবে চাকুরী করে গত ৩০-০৬-২০০৬ তারিখ অবসর-এ যান এবং
চাকুরী করে অবসরেসংখ্যাতিরিক্ত হিসেবে আরও ৫ বছর অধ্যাপনার সুযোগ পেয়েছেনবাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর
যান-মধ্যে আর কেউ এখন পর্যন্ত(৩০-০৬-২০১১ তারিখ) মানে ৩৩ বছর পর্যন্ত অধ্যাপক হিসেবে
এত বছর অধ্যাপনা করেননিতিনি বাংলাদেশের মধ্যে প্রথম ইন্ডাজষ্ট্রিয়াল ফিন্ন্যাসে ডক্টরেট
ডিগ্রি করেনউনার জন্ম-১৯৩৫ সালে
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ব্যক্তিউলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোহাম্মদ মোহাদ্দেস, মহা-পরিচালক
বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ক্যাডারপদে কর্মরত ছিলেনউনার জন্ম-১৯৪৪ সালে
সার্ভিেস সর্বোচ্চ পদে ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে এবংপূর্বহাটী গ্রামের অধিবাসী ডাক্তার আনসার আলীতিনি বৃহত্তর কুমিল্লা
বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার মধ্যেও প্রথমজেলার প্রথম মুসলমান এম.বি. (বর্তমান এম. বি. বি.এস.-এর সমান)
চিকিৎসক ছিলেনউনার জন্ম-১৮৯২ সালে, মৃত্যু-১০-১২-১৯৭১ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয়দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ডা. এ. এম. মোশতাকুল হকতিনি চিকিৎসা
চিকিৎসক ছিলেনবিভাগের সর্বোচ্চ পরিচালকের পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেনউনার
জন্ম-১৯১৮ সালে, মৃত্যু-২২-০১-১৯৯৪ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমরূপসদী গ্রামের অধিবাসী খান বাহাদুর তুজাম্মেল আলী (মোঘল মিঞার)
বক্ষব্যাধি চিকিৎসক ছিলেনছোট ছেলে ডা. এ. কে. এম. ডি. আহসান আলী (অরুণ)উনার
জন্ম-১৯৩৩ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমপূর্বহাটী গ্রামের অধিবাসী মরহুম ক্যাপটেন ডা. আবদুল গফুর-এর বড়
লিভার ডিজিজের ওপর বিশেযজ্ঞছেলে ডা. আহম্মদ নূরুল আলম, এম.বি.বি.এস.(ঢাকা), লিভার ডিজিজের
চিকিৎসকওপর পি.এইচ.ডি. করেছে লন্ডন কিং কলেজ হসপিটাল থেকে ১৯৭৬ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদূর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম এডভোকেট আবদুল লতিফ সাহেবের
র্সবোচ্চ পদে মহিলা চিকিৎসককন্যা প্রফেসর ডা. নাজমুন নাহার, এফ.আর.সি.এস., শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিকান্দি গ্রামের জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া ভাইয়ের
চর্মেরাগ বিশেষজ্ঞ মহিলা চিকিৎসকদ্বিতীয় মেয়ে মিসেস ডা. যাকিয়া মাহফুজা হাসানতার জন্ম-১৯৫১ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমপূর্বহাটী গ্রামের ডা. ক্যাপ্টেন আ. গফুরউনি বৃটিশ আর্মিেত চাকুরী
এল.এম.এফ. চিকিৎসক ছিলেনকরতেনউনার জন্ম-১৯০১ সালে, মৃত্যু-১৯৪৫ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয়কৃঞ্চনগর গ্রামের অধিবাসী ডা. ইয়াকুব আলী, ১৯২৩ সালে ম্যাট্রিকুলেশন
এল.এম.এফ. চিকিৎসক ছিলেনপরীক্ষায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৩তম স্থান অধিকার করেন এবং ১৯৩০
সালে এল.এম.এফ. পাশ করেনউনার জন্ম-১৯০৩, মৃত্যু-০৩-০২-২০০০
তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিভেলানগর গ্রামের অধিবাসী ডা. নাসিরউদ্দিনউনার জন্ম-১৮৯৮ সালে,
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ছিলেনমৃত্যু-১০-০২-১৯৬২ তারিখবাসার ঠিকানাঃ-৩৭, আল আমিন রোড,
কাঠালবাগান, গ্রীণ রোড, ঢাকা১৯১৯ সালের ম্যাট্রিকুলেশন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমউজানচর গ্রামের অধিবাসী নোয়াব আলী কবিরাজউনার জন্ম-১৮৯৫ সালে,
কবিরাজ চিকিৎসক ছিলেনমৃত্যু-১৯৮০ সালেনোয়াব আলী কবিরাজ হলো খোশকান্দি গ্রামের
অধিবাসী আবদুল মজিদ মাষ্টারের শ্বশুরমজিদ মাষ্টারের জন্ম-১৯১২ সালে,
মৃত্যু-০৫-০৬-১৯৮১ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিয়াদেীলত গ্রামের অজী বাড়ির অধিবাসী মোহাম্মদ জারু হেকিমউনার
হেকিমী চিকিৎসক ছিলেনজন্ম-১৯০০ সালে, মৃত্যু-জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমভেলানগর গ্রামের রুপ মিয়া খলিফার বাবা আফাজুদ্দিন খলিফউনার
খলিফা (কাপড় সেলাই) ছিলেনজন্ম-১৮৮০ সালে মৃত্যু-১৯৪৯ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে খলিফাভেলানগর গ্রামের অধিবাসী মোঃ আফাজউদ্দিন খলিফাউনার জন্ম-১৮৮২
(কাপড় সেলাই) ছিলেনসালে, মারা গেছেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী মোঃ মইজউদ্দিন আমীনউনার জন্ম-১৮৮৫
আমিন (জমি মাপার) ছিলেনসালে, মৃত্যু-জানা নেইউনার ছেলের নাম জনাব আবদুল মান্নান, কাষ্টম
অফিসার ছিলেনউনার জন্ম-১৯১৪ সালে, মৃত্যু-১৯৮৫ সালেউনার মেয়ের
স্বামী হলো ভূমি প্রতিমন্ত্রী উকিল আবদুস সাত্তার ভূইয়া
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবিতদেরনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা মতে বাঞ্ছারামপুর
মধ্যে সবচেয়ে উঁচু লোকটি কোনথানার পূর্বহাটি গ্রামের মধ্যপাড়ার জনাব আদম আলীর ছেলে মোহাম্মদ
গ্রামেরবিল্লাল হোসেনতার উচ্চতা ৬(ছয়) ফুট ২(দুই) ইঞ্চিতারমত উচ্চতা
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবিতদের মধ্যে আর দ্বিতীয়টি আছে বলে
আমার জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবিতদেরনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা মতে বাঞ্ছারামপুর
মধ্যে দ্বিতীয় উঁচু লোকটি কোনথানার দরিকান্দি গ্রামের পুস্তুক পাবলিশার্স মোহাম্মদ শাহজাহান