| না জানা বংশ বা বাড়ী আছে বাঞ্ছারামপুর |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে গ্রামে এবং |
| ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের এবং বিদেশ | বিদেশ ও শহরসহ পরিবারের সংখ্যা হলো ৮০(আশি হাজার)টি |
| ও শহরসহ পরিবারের সংখ্যা কত |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে পরিবারের |
| ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে | সংখ্যা হলো ৬০(ষাট হাজার) |
| উপজেলার কয়টি পরিবার শহর ও | ২০(বিশ হাজার)টি পরিবার বাস করে |
| বিদেশে বাস করে |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে ২০(বিশ |
| কয়টি কৃষক পরিবার | হাজার) কৃষক পরিবার আছে |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে ২,০০০(দুই |
| কয়টি নির্মাণ শ্রমিক পরিবার আছে | হাজার) নির্মাণ শ্রমিক পরিবার আছে |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে ২,০০০(দুই |
| কয়টি রিকসা শ্রমিক পরিবার আছে | হাজার) রিকসা, সিএনজি,অটো ও মাইক্রো শ্রমিক পরিবার আছে |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে ১,২০০(এক |
| কয়টি মৎস্যজীবি পরিবার আছে | হাজার দুইশত) মৎস্যজীবি পরিবার আছে |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রাম-শহর ও বিদেশসহ |
| কয়টি চাকরিজীবি পরিবার আছে | ২০(বিশ) হাজার চাকরিজীবি পরিবার আছে |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রাম-শহর ও বিদেশসহ |
| কয়টি ব্যবসায়ী পরিবার আছে | ১০(দশ) হাজার ব্যবসায়ী পরিবার আছে |
| ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের ২০,০০০(বিশ |
| কয়টি পরিবার বিদেশী টাকার উপর | হাজার)টি পরিবার বিদেশী টাকার উপর নির্ভরশীল আছে |
| নির্ভরশীল |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে শতকরা ৭০ |
| কত লোক অপুষ্টিতে | ভাগ লোক অপুষ্টিতে ভোগে |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে শতকরা ৭০ |
| কতভাগ লোক দারিদ্রসীমার নীচে বাস | ভাগ লোক দারিদ্রসীমার নীচে বাস করে | সরকারী হিসেব অনুসারে যারা |
| গ্রামে বাস করে তাদের প্রতিজনের মাসিক আয়-৬০০/-টাকা এবং যারা |
| শহরে বাস করে তাদের মধ্যে প্রতিজনের মাসিক আয়-৯০০/-টাকা খরচ করে |
| তারাও দারিদ্রসীমার নীচে বাস করে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় কতজন মানুষ | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং যারা |
| অনাহারে রাত কাটায় | শহরে বাস করে তাদেরসহ ২০(বিশ) হাজার মানুষ অনাহারে রাত কাটায় |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক ডায়াবেটিক রোগে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৫ ভাগ |
| আক্রান্ত | মানুষ ডায়াবেটিক রোগে আক্রান্ত |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক উচ্চ রক্তচাপের শিকার | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ১৫ ভাগ |
| মানুষ |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক নিম্ন রক্তচাপের শিকার | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ২৫ ভাগ |
| মানুষ |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক আয়োডিন সমস্যায় | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ০৫ ভাগ |
| ভূগছে | মানুষ আয়োডিন সমস্যায় ভূগছে |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক মাদকাসক্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৩ ভাগ |
| মানুষ |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক প্রতিবন্ধী | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৪ ভাগ |
| মানুষ |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক গলগন্ড রোগে ভুগছে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৫ ভাগ |
| মানুষ |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক এ্যাজমা রোগী | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৫ ভাগ |
| মানুষ |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ ৫ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশু | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাঁদেরসহ শতকরা ১০ ভাগ (৫ |
| কোন না কোন অর্থৈনতিক কর্মকান্ডে | থেকে ১৫) বছর বয়সী শিশু কোন না কোন অর্থৈনতিক কর্মকান্ডে জড়িত |
| জড়িত রয়েছে | আছে |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক আশ্রয়হীন | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ১০ ভাগ |
| মানুষ |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক ধনুষ্টঙ্কারে মারা যায় | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ০.৫ ভাগ |
| মানুষ |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক ধুমপানের কারণে মারা | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ১০ ভাগ |
| যায় | মানুষ |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক মৃগী রোগী | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ০.৫ ভাগ |
| মানুষ |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক কুষ্ঠ রোগী | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ০.৫ ভাগ |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোক নদী-নালা | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি |
| ও পুকুরের পানি ব্যবহার করে | গ্রামের মধ্যে শতকরা ১০ ভাগ মানুষ |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| প্রতিজন লোক কি পরিমাণ জ্বালানি | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ প্রতিজন মানুষ ৭০ |
| ব্যবহার করে | কেজি জ্বালানি ব্যবহার করে |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক উপযুক্ত স্বাস্থ্য সেবার | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৮০ ভাগ |
| সুযোগ পাচ্ছে না | মানুষ |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক এম. বি. বি. এস. | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ২০ ভাগ |
| ডাক্তারের চিকিৎসা নিতে পারে | মানুষ এম.বি.বি.এস. ডাক্তারের চিকিৎসা নিতে পারে |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| যাবতীয় কাজের কতভাগ মহিলারা করে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৬৩ ভাগ কাজ |
| করে মহিলারা |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| যাবতীয় কাজের কতভাগ পুরুষরা করে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৩৭ ভাগ কাজ |
| করে পুরুষরা |
| ২০১৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কতভাগ | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| লোক বিভিন্ন রোগের কারণে কানে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ১০ ভাগ |
| কম শোনে | লোক কানে কম শোনে |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক যক্ষায় আক্রান্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৩০ ভাগ |
| মানুষ যক্ষায় আক্রান্ত |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং |
| কতভাগ লোক মানসিক রোগী | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ প্রাপ্তবয়স্কদের ১৬ |
| শতাংশ মানসিক রোগী | জরিফের ফলাফলে বলা হচ্ছে ১৯ শতাংশ নারী এবং |
| ১৩ শতাংশ পুরুষ |
| ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর |
| পর্যন্ত ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম ও ৮ম | উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ ৮ম পুরুষ শিক্ষিত পরিবার ৫টি পরিবার | ৭ম |
| পুরুষ শিক্ষিত কয়টি | পুরুষ শিক্ষিত পরিবার ১৩টি পরিবার ও ৬ষ্ঠ পুরুষ শিক্ষিত পরিবার ৩৭টি পাওয়া গেছে |
| পরিবার | এবং ৫ম পুরুষ শিক্ষিত পরিবার মাত্র ৪৯টি পাওয়া গেছে |
| বাঞ্ছারামপুর ডিগ্রি কলেজ-এর প্রথম | বাঞ্ছারামপুর ডিগ্রি কলেজের প্রথম নির্বািচত ছাত্র-সংগঠনের প্রথম নির্বাচনে |
| নির্বািচত ছাত্র-সংগঠনের ভি. পি. | (১৯৮৬ খ্রিষ্টাব্দে) প্রথম নির্বািচত ভি. পি. হলেন এ. কে. এম. মুসা |
| কে | মুসার জন্ম-১৫-০৩-১৯৬০ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে প্রথম | দুর্গারামপুর গ্রামের শিল্পপতি জনাব আহমেদ আকবর সোবহান (শাহ আলম) |
| মহিলা মহাবিদ্যালয়টি কার নামে | সাহেবের মায়ের নামে (মোসাম্মৎ উল্মে কুলসুম মহিলা মহাবিদ্যালয়)টি |
| হবে | প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কথা |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার পূর্ব-উত্তর, পূর্ব ও দক্ষিণ সীমানা তিতাস নদীদ্বারা বেষ্টিত এবং |
| নদী ও নদীদ্বারা | মেঘনা নদীদ্বারা এ থানার পশ্চিম-উত্তর ও পশ্চিম দিক পর্যন্ত |
| সীমারেখা |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোন গ্রামে ভাটরাজারা বাস করতো | নান্দরা গ্রামের উঁচু ভূমিতে ভাটরাজারা বাস |
| করতো |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার | আকানগর, বলদাখাল পরগনার জমিদার আকা সাদেকের নামে আকানগর গ্রামের নামকরণ |
| প্রথম গ্রাম কোনটি | করা হয় | আকা সাদেক তুর্কি মুসলমান ছিলেন | আকা সাদেক বলদাখাল বা বরদাখাত |
| পরগনার জমিদার ছিলেন | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সমগ্র অঞ্চল, নবীনগর উপজেলার সমগ্র |
| অঞ্চল, মুরাদনগর উপজেলার সমগ্র অঞ্চল এবং দেবীদ্বার উপজেলার আংশিক নিয়ে বলদাখাল |
| পরগনা গঠিত ছিল | এ পরগনার আয়তন হলো ৩৮৬ বর্গমাইল | আকা সাদেক হলো আকা |
| বাকেরের নাতির ঘরের ছেলে | আকা বাকেরের নামে নিজে ঢাকাতে বাকরখানী রুটির |
| নাম প্রবর্তন করেন |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার | ভেলানগর, মির্যা ইব্রাহিম বেগ ওরফে মির্যা ভেলার নামে ভেলানগর গ্রামের নামকরণ |
| দ্বিতীয় গ্রাম কোনটি | করা হয় | মির্যা ভেলা হলো আকা সাদেকের বড় পুত্র | মির্যা ভেলাও বলদাখাল পরগনার |
| জমিদার ছিলেন | মির্যা ভেলা হলেন আকা বাকেরের নাতির ঘরের নাতি | মির্যা ভেলার |
| নাতিনের ঘরের নাতিন জামাই হলেন শের-এ-বাংলা এ.কে.ফজলুল হক ও হাসান শহীদ |
| সরওয়ার্দী | শের-এ-বাংলা এ.কে.ফজলুল হক ও হাসান শহীদ সরওয়ার্দীর শ্যালক ড. |
| সৈয়দ হোসেন | ড. সৈয়দ হোসেন হলো ভারতবর্ষের এক সময়ের দৈনিক ইংরেজী পত্রিকার |
| প্রখ্যাত সাংবাদিক | ড. সৈয়দ হোসেন-এর আরেকটি পরিচয় হলো পন্ডিত মতিলাল |
| নেহরুর মেয়ে বিজয় লক্ষী পন্ডিতকে বিয়ে করেছিলেন ১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে এলাহাবাদ শহরে |
| মুসলমান শরীয়তমতে ৫ জন স্বাক্ষীর মাধ্যমে মাওলানা শওকত আলীর নেতৃত্বে | এ বিজয় |
| লক্ষী পন্ডিত(এর জন্ম-১৯০০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দে) হলেন পন্ডিত জওহর লাল |
| নেহরুর বোন | ড. সৈয়দ হোসেন মিসেস ইন্দিরা গান্ধীর ঢাকাইয়া ফুফা ছিলেন | ড. |
| সৈয়দ হোসেন-এর জন্ম-১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দে, কায়রোতে মৃত্যু-১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে বা ১৯৪৯ |
| সালে কোনটা সঠিক আমার জানা নেই | কায়রোতে ড. সৈয়দ হোসেন স্বাধীন ভারতের |
| প্রথম রাষ্ট্রদূত ছিলেন |
| তৃতীয় গ্রাম কোনটি | দরিভেলানগর |
| ৪র্থ গ্রাম কোনটি | মধ্যনগর |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে | ফরদাবাদ গ্রামটি | দৈর্ঘ প্রায় ৪(চার) মাইল | ফরদাবাদ গ্রামটি উত্তর দিকে |
| সবচেয়ে লম্বা গ্রাম কোনটি | গকুলনগর গ্রামের সাথে এবং দক্ষিণমূখী হয়ে গ্রামটি আবার তিতাস নদীর পাড় |
| ঘেসে পশ্চিমদিকে জুনারচর গ্রামের সাথে মিলেছে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের |
| সবচেয়ে কম লম্বা গ্রাম | ডোমরাকান্দি গ্রামের উত্তর-পশ্চিম পাশ্র্বের ''মঙ্গলকান্দী'' গ্রামটি |
| কোনটি |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে রুপসদী গ্রামে |
| বেশী লোক কোন গ্রামে বাস | প্রায় ১৫,০০০(পনের হাজার) লোক বাস করে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের |
| মধ্যে সবচেয়ে কম লোক | ডোমরাকান্দি গ্রামের উত্তর-পশ্চিম পাশ্র্বের ''মঙ্গলকান্দি'' গ্রামে কম লোক বাস করে |
| কোন গ্রামে বাস | প্রায় ১৫০(একশত পঞ্চাশ) জন |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার | প্রায় ৩২টি মসজিদ আছে ফরদাবাদ গ্রামে | এ তথ্য ২৬-১২-২০০৭ তারিখ | ১২-১০-২০১২ |
| কোন গ্রামে সবচেয়ে | তারিখের তথ্য হল ৪০টি মসজিদ আছে-আবদুল হামিদ |
| বেশি মসজিদ |
| কোন গ্রামে সবচেয়ে বড় | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার রূপসদী গ্রামের সুবিশাল বারিয়াদরের বিল |
| বিলটির অবস্থান |
| কোন গ্রামে সবচেয়ে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার দরিকান্দি গ্রামের ইমামনগরের আড়াইল্যার বিলটি সবচেয়ে |
| ছোট বিলটির অবস্থান | ছোট বিল হিসেবে পরিচিতি লাভ করে | বিলটির আয়তন ১০ বিঘা |
| উপজেলার প্রথম মাষ্টার | দরিকান্দি গ্রামের কাজী লাল মিঞা মাষ্টার | উনার জন্ম-১৮৭০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯২৭ |
| মুসলমানের মধ্যে | খ্রিষ্টাব্দে |
| উপজেলার দ্বিতীয় মাষ্টার | ভেলানগর গ্রামের মোহাম্মদ ইব্রাহিম মাষ্টার | উনার জন্ম-১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দে, |
| মুসলমানের মধ্যে | মৃত্যু-১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দে |
| উপজেলার মধ্যে প্রথম | দরিকান্দি গ্রামের জনাব নৈমদ্দিন পন্ডিত | উনার জন্ম-১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা |
| পন্ডিত ছিলেন | নেই | ঢাকার নবাব বাড়ীতে থেকে লেখাপড়া করেছে এবং নিজের চোখে সিপাই বিপস্নব |
| দেখেছে বলেছে, জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার বাবা জনাব এমদাদ আলী |
| মিঞার নিকট | এমদাদ আলীর জন্ম-১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২৫-১০-১৯৬৫ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মুসলমানের মধ্যে | দুর্গারামপুর গ্রামের মুন্সি মোঃ আমিনুদ্দিন | উনার জন্ম-১৮৭১ |
| প্রথম দলিল লেখক | খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯... | বাঞ্ছারামপুর গ্রামের আরো একজন হলেন মুন্সি |
| হাসান আলী |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে | দরিকান্দি গ্রামের মরহুম নওয়াব আলী মৌলভী সাহেবের বড় ছেলে মরহুম কাজী মধু |