| গ্রাম-ভেলানগর(বড়বাড়ি), পোঃ-রূপসদী, উপজেলা-বাঞ্ছারামপুর, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বাংলাদেশ | সময়-১৩-০৭-২০০৫ |
।খ্রিষ্টাব্দ থেকে লেখা শুরু করেছি:।
| রাজধানী শহর থেকে দূরত্ব | ৫৫ কিলোমিটার, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার |
| জেলা সদর থেকে দূরত্ব | ৩৩ কিলোমিটার, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার |
| সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন | সলিমাবাদ ইউনিয়ন |
| সলিমাবাদ ইউনিয়নে গ্রাম কয়টি | ১৬টি |
| সবচেয়ে বড় গ্রাম কোনটি | রূপসদী গ্রাম |
| সবচেয়ে ছোট গ্রাম কোনটি | মঙ্গলকান্দী গ্রাম |
| ১২৫টি গ্রামের মধ্যে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১২৫টি গ্রামের মধ্যে ২টি করে একই নামের ১৪টি গ্রাম |
| একই নামের ২টি করে | আছে-যেমনঃ-ইমামনগর-ইমামনগর, বাহেরচর (বাড়াইলচর)-বাহেরচর, |
| কয়টি গ্রাম আছে | ডোমরাকান্দি-ডোমরাকান্দি, উলুকান্দি-উলুকান্দি, কানাইনগর-কানাইনগর, |
| কৃঞ্চনগর-কৃঞ্চনগর, ও কলাকান্দি-কলাকান্দি |
| ১২৫টি গ্রামের মধ্যে একই নামের ২টি | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১২৫টি গ্রামের মধ্যে আরো ৮টি গ্রামের নাম |
| করে ৮টি গ্রামের মধ্যে ৪টির আগে | দেয়া হলো-যেমন-ভেলানগর-দরিভেলানগর, কদমতলি-নতুন কদমতলি, |
| কিছু যোগ করে নাম একই আছে | বাঞ্ছারামপুর-দরি বাঞ্ছারামপুর ও মরিচাকান্দি-চরমরিচাকান্দি |
| ১২৪ গ্রামের মধ্যে মিরপুর, ফতেপুর, শরীফপুর, কাঞ্চনপুর ও বাঞ্ছারামপুর | ৩২টি গ্রামের নাম পুর নামের |
| এবং পুর নামের কয়টি গ্রাম আছে | গ্রাম আছে |
| বাঞ্ছারামপুর | ৮০ বর্গমাইল বা ১৮৬.৬৬ বর্গ কিলোমিটার | ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ১৫.০৫ ভাগের ১ ভাগ |
| উপজেলার মোট | যায়গা বাঞ্ছারামপুর উপজেলা পেয়েছে, মানুষের তুলনায় জায়গা পাওয়া উচিত ছিল-৮.৪৫ |
| আয়তন | ভাগের ১ ভাগ | বাংলাদেশের ৪৭.৫০ ভাগের ১ ভাগ জায়গা পেয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা এবং |
| বাংলাদেশের ৭১৬ ভাগের ১ ভাগ জায়গা পেয়েছে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা, আর বাংলাদেশ |
| পেয়েছে পৃথিবীর ৯৯৫ ভাগের ১ ভাগ জায়গা, পৃথিবীর ৪৩ ভাগের ১ ভাগ মানুষ |
| বাংলাদেশের, বাংলাদেশের ৫৬ ভাগের ১ ভাগ মানুষ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া |
| জেলার ৮.৫৭ ভাগের ১ ভাগ মানুষ বাঞ্ছারামপুর উপজেলার, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ৫০ ভাগের |
| ১ ভাগ মানুষ ভেলানগর গ্রামে বাস করে এবং ভেলানগর গ্রামের ৭ ভাগের ১ ভাগ মানুষ |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোন স্থানেই | ১৭৪০ খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোন গ্রামেই জনবসতি গড়ে |
| ১৭৪০ খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে জনবসতি গড়ে | উঠেনি | ২৭৫ বছরের মধ্যে আমাদের উপজেলায় জনবসতি গড়ে উঠে |
| উঠেনি | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোন গ্রামেই ১১তম পুরুষের উপরে পরিবার পাওয়া |
| আঠার শতকে লোক ছিল | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার গ্রামগুলিতে ১,০০০(এক হাজার) মানুষ |
| আঠার শতকে কতজন মরে | ৫ থেকে ৬ ভাগ লোক মারা যায় |
| উনিশ শতকে কতজন ছিল | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার গ্রামগুলিতে ৩০,৭৫০ জন |
| উনিশ শতকে মারা যান | প্রায় ১,৬০৫ জন |
| বিশ শতকে কতজন জন্ম হয় | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার গ্রামগুলিতে ৫,৬০,৯৫০ জন |
| বিশ শতকে মারা যান | প্রায় ২০,২০০ জন |
| ২০০০ সালে কত লোক জীবীত ছিল | গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ ৫,০০,৭৫০ জন |
| ২০১৫ সালে বেড়ে কত লোকসংখ্যা হয়েছে | গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ ৬,৪৫,৫০০ জন |
| জন্ম-মৃত্যুসহ ৩১-১২-২০১৫ সাল পর্যন্ত বাঞ্ছারামপুর | প্রায়-৬,৪৫,৫০০ জন |
| ৩১-১২-২০১৫ সাল পর্যন্ত মারা যান | ১,৭৫,৫০০ জন |
| ২০১৫ সালে শহর ও বিদেশসহ জীবিত | প্রায়-৪,৭০,০০০(চার লক্ষ সত্তর হাজার) জন |
| পুরুষ কতজন | প্রায়-২,৩৬,০০০(দুই লক্ষ ছয়ত্রিশ হাজার) জন |
| মহিলা কতজন | প্রায়-২,৩৪,০০০(দুই লক্ষ চৌত্রিশ হাজার) জন |
| পুরুষ ও মহিলার অনুপাত | পুরুষ-৫১ ভাগ ও মহিলা-৪৯ ভাগ |
| নারী-পুরুষের বৈষম্য কেমন | বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় নারী-পুরুষের বৈষম্য ব্যাপক |
| কতজন লোক শহর ও বিদেশে বাস করে | প্রায় ১,৫০,০০০(এক লক্ষ পঁঞ্চাশ হাজার) জন |
| কতভাগ লোক শহর ও বিদেশে বাস করে | প্রায় ৪৬.৮৭ ভাগ লোক |
| শহরে কতজন বাস করে | ১,২০,০০০ জন মানুষ |
| শহরে কতভাগ মানুষ | ৩৮ ভাগ মানুষ |
| উপজেলায় ও গ্রামে বাস করে কতজন | ৩,২০,০০০(তিন লক্ষ বিশ হাজার) জন বা ৫৩.১৩ ভাগ লোক |
| গ্রামে বাস করে কত ভাগ | প্রায় ৬৮ ভাগ লোক |
| বিদেশে বাস করে কতজন বা কতভাগ | ৩০,০০০(ত্রিশ হাজার বা শতকরা ৯.৩৭ ভাগ লোক |
| হিন্দু কতভাগ লোক | ১৪,৭৮৯ জন বা ৫.০৪% |
| উপজাতি পরিবার কয়টি | ৩৩টি পরিবার আছে |
| ২০০১ খ্রিষ্টাব্দে ভোটার-এর সংখ্যা | ১,৭৭,৮৯৭(এক লক্ষ সাতাত্তর হাজার আটশত সাতানব্বই) জন |
| ২০০৬ সালে ভোটার করেছিল | ২,২৩,৮০৩ জন |
| ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দে সেনাবাহিনীর সহায়তায় ভোটার হয়েছে | ১,৫৮,৮৮২ জন | শতকরা ২৯ শতাংশ ভোটার কমেছে |
| ২৬-১১-২০১৩ তারিখ বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় ভোটার | ১,৯৩,৪২১ জন | শতকরা ১৮ শতাংশ ভোটার বেড়েছে |
| ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনে | ১,৭৮,১৪৯ জন | নবীনগরের আংশিক-সলিমগঞ্জ ও বরিকান্দি ইউনিয়নসহ |
| ২৬-১১-২০১৩ তারিখ ভোটার ছিল | ২,১৫,৬৪৪ জন | নবীনগরের আংশিক-সলিমগঞ্জ ও বরিকান্দি ইউনিয়নসহ |
| জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উপজেলায় | ৭৩টি ভোট কেন্দ্র আছে |
| ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ নং আসনে কয়টি | ৮৫টি কেন্দ্র আছে |
| উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কয়টি ভোট | ৭৩টি ভোট কেন্দ্র আছে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলা পৌরসভায় | বাংলাদেশে পৌরসভা আছে-৩২৪টি | এরমধ্যে বাঞ্ছারামপুর ৩১৭নং পৌরসভা |
| পরিণত হয়: | প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ০৫-০৬-২০১৩ তারিখ |
| ইষ্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির আমলে একটি | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যনগর গ্রামের তিতাস নদীর পারে স্থাপিত |
| নীল কুঠি তৈরী করা হয়েছিল কোন | হয়েছিল একটি নীল কুঠি |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে প্রথম | ১৯০০ খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে কোন গ্রামেই বিল্ডিং তৈরী হয়নি | ১৯০২ খ্রিষ্টাব্দে |
| বিল্ডিং তৈরী হয় কবে | উজানচর ভগবান সাহাদের বিল্ডিংই আমাদের উপজেলার প্রথম বিল্ডিং | এরপর |
| ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে রূপসদী খানেপাড়ার তীর্থবাসীর |
| বাঞ্ছারামপুর | বাঞ্ছারামপুর গ্রামের জনাব শুকুর মাহমুদ ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে নিজ বাড়িতে বিল্ডিং তৈরী করেন |
| উপজেলার | জনাব শুকুর মাহমুদ (উনার জন্ম-১৮৫০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে) হলো জনাব |
| মুসলমানের মধ্যে | আবদুল গণি মিঞার পিতা | জনাব আবদুল গণি মিঞা (উনার জন্ম-১৮৮০ খ্রিষ্টাব্দে, |
| প্রথম বিল্ডিং তৈরী | মৃত্যু-০৯-০৪-১৯৬৫ তারিখ) হলো জনাব মোঃ নূরুল ইসলাম (তারা মিঞার) পিতা | জনাব |
| হয় কবে | মোঃ নূরুল ইসলাম (উনার জন্ম-১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-০৩-০১-২০০০ তারিখ) হলো জনাব |
| এ. কে. এম. মুসার পিতা | এ.কে.এম. মুসা (মুসার জন্ম-১৫-০৩-১৯৬০ তারিখ) |
| হলো-সোয়েব-এর পিতা, সোয়েব-এর জন্ম-২১-০৮-১৯৯০ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার | দরিকান্দি গ্রামের জনাব ওয়াজুদ্দিন ব্যাপারী ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দে নিজ বাড়ীতে বিল্ডিং |
| মুসলমানের মধ্যে দ্বিতীয় | তৈরী করেন | উনার ছেলের নাম মৌলভী সুলতান মিঞা | উনার ছেলেদের |
| বিল্ডিং কার | নামগুলি-মোহাম্মদ হোসেন, আবদুল আজিজ (মহসিন) সিরাজ ও মৌলভী ভাই |
| এ থানার প্রথম চকবাজার | উজানচর বাজারটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৯০ খ্রিষ্টাব্দে |
| এ থানার দ্বিতীয় চকবাজার | বালুয়াকান্দি বাজারটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯০০ খ্রিষ্টাব্দে |
| এ থানার তৃতীয় চকবাজার | সোনারামপুর বাজারটি |
| এ থানার ৪র্থ চকবাজারটি | ১৯২৬ সালে জীবনগঞ্জ চক বাজারটি প্রতিষ্ঠিত হয় |
| শিক্ষিত লোক কাকে বলে | যে ব্যক্তি লিখতে-পড়তে পারে, তাকে আমরা শিক্ষিত বলি |
| শিক্ষার হার কতভাগ | শতকরা ৩০ ভাগ |
| স্বাক্ষরতার হার কতভাগ | শতকরা ৬০ ভাগ |
| ২০১৪ সালে বাংলাদেশের লোকসংখ্যা কত | ১৬.১৫(ষোল কোটি পনের |
| ২০১৪ সালে বাংলাদেশের সরকারি এবং বেসরকারি প্রাইমারী স্কুলগুলোতে কতজন | ২,০০,০০,০০০ (দুই |
| ছাত্র-ছাত্রী লেখাপড়া করে | কোটি) প্রায় |
| ২০১৪ সালে বাংলাদেশের কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোতে কতজন ছাত্র-ছাত্রী লেখাপড়া করে | ১,০০,০০,০০০ প্রায় (এক |
| ২০১৪ সালে প্রাইমারী ও কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোতে লেখাপড়া করে মোট কতজন | =৩,০০,০০,০০০ (তিন |
| ১৭(সতের) কোটি মানুষের দেশে কতভাগ ছেলেমেয়ে প্রাইমারী ও কিন্ডারগার্টেন | শতকরা ১৭.৬৫ ভাগ |
| স্কুলগুলোতে লেখাপড়া করে | ছেলে-মেয়ে |
| ২০১৪ সালে ইউনিসেফ ও ইউনেসকোর রির্পোট অনুযায়ী বাংলাদেশে কতজন বা কতভাগ | ৫৬,০০,০০০ লক্ষ বা ৩.২৯ |
| ছেলেমেয়ে স্কুলে যেতে পারেনা | ভাগ |
| ২০১৪ সালে বাংলাদেশের লোকসংখ্যার ৫৩৩.৩৩ ভাগের এক ভাগ লোক বাঞ্ছারামপুর | ৩,০০,০০০(তিন লক্ষ) |
| উপজেলায় বাস করে এবং সংখ্যায় কতজন | মানুষ |
| ২০১৪ সালে বাঞ্ছারামপুরে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কয়টি | ১৩১টি |
| ২০১৪ সালে বাঞ্ছারামপুরে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কয়টি | ০৪টি |
| কিন্ডারগার্টেন স্কুল কয়টি | ৫৩টি |
| ফাজিল মাদ্রাসা কয়টি | একটিও নেই |
| কামিল মাদ্রাসা কয়টি | একটিও নেই |
| ২০১৪ সালে বাঞ্ছারামপুরে সরকারি প্রাইমারী স্কুলগুলোতে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা কত | ৪৫(পঁয়তাল্লিশ) হাজার |
| ২০১৪ সালে বাঞ্ছারামপুরে বেসরকারি প্রাইমারী স্কুলগুলোতে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা কত | ১,০০০(এক হাজার) |
| ২০১৪ সালে কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোতে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা কত | ২,২০০(দুই হাজার |
| ২০১৪ সালে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সরকারি ও বেসরকারি প্রাইমারী ও ন্ডিারগার্টেন | =৪৮,২০০(আট-চল্লিশ |
| স্কুলগুলোতে মোট কতজন ছাত্র-ছাত্রী | হাজার দুইশত) ছাত্র-ছাত্রী |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ ছেলে-মেয়ে প্রাইমারী ও কিন্ডারগার্টেন স্কুলে | শতকরা ১৩.৭৭ ভাগ |
| উপজেলার কতজন ছেলে-মেয়ে প্রাইমারী স্কুলে যেতে পারে না | ১১,৫২৩ জন |
| উপজেলার কতভাগ ছেলে-মেয়ে প্রাইমারী স্কুলে যেতে পারে না | ৩.২৯ ভাগ |
| বাংলাদেশের লোকসংখ্যার হিসাবে ৫৩৮.৩৩ ভাগ লোক বাঞ্ছারামপুরের | ৫২,৯১০ জন বা শতকরা |
| গ্রামগুলোতে বাস করে | সে হিসাবে বাঞ্ছারামপুরে প্রাইমারী ও কিন্র্ডাগাটেন স্কুলে | ১৫.১৫ ভাগ ছাত্র-ছাত্রী |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় বাংলাদেশের জাতীয় গড় থেকে কম | ১.৩৮ ভাগ ছেলে-মেয়ে লেখাপড়া কম করে |
| এ থানায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক প্রতিষ্ঠান কয়টি | ৩৮টি (১টি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, স্কুল, কলেজ ও |
| এ থানায় প্রথম উচ্চ | উজানচর কে. এন. উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দের ২ ফেব্রুয়ারি | এ |
| বিদ্যালয় কোনটি | | বিদ্যালয় থেকে ৩টি ব্যাচ (১৯০৭, ১৯০৮, ও ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত) এন্ট্রান্স পরীক্ষা দেয় |
| তারপর ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা শুরু | এ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময় |
| বাঞ্ছারামপুর থানার জন্ম হয়নি | বাঞ্ছারামপুর থানার জন্ম হয়েছে ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দে | ১৯১০ |
| খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে বাঞ্ছারামপুর পুলিশ ফাঁড়ি নাম ছিল | ১৮৮৯ সালে ছিল বাঞ্ছারামপুর |
| পুলিশ ফাঁড়ি তারপর ১৮৫৮ সালে মরিচাকান্দি পুলিশ ফাঁড়ি | কিন্তু আমার গবেষণায় ধরা |
| পড়েছে যে, ব্রিটিশ ভারতে এন্ট্রান্স পরীক্ষা ছিল ১৯০৯ সাল পর্যন্ত | ১৯১০ সাল থেকে |
| ম্যাট্রিক পরীক্ষা শুরু হয়-আর পাকিস্তানের আমলে শেষ ম্যাট্রিক পরীক্ষা হয় ১৯৬২ সাল |
| পর্যন্ত-আর ১৯৬৩ সাল থেকে এস.এস.সি. পরীক্ষা শুরু হয় এবং এখনো চলছে |
| এ থানার দ্বিতীয় উচ্চ বিদ্যালয় | রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দের ১ |
| কোনটি | জানুয়ারি | এ স্কুল থেকে ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা |
| এ থানার তৃতীয় উচ্চ বিদ্যালয় | দরিয়াদৌলত আবদুল গণি উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৩৪ খ্রিষ্টাব্দের |
| এ থানার ৪র্থ উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | মরিচাকান্দি ডি. টি. একাডেমীর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দের ১ এপ্রিল |
| এ থানার ৫ম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | ধারিয়ারচর উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি |
| এ থানার ৬ষ্ঠ উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | বাঞ্ছারামপুর এস.এম. উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দের ১ |
| এ থানার ৭ম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | দরিকান্দি-বাড্ডা আসমতেরন্নেসা উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৬৩ |
| এ থানার ৮তম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | খাল্লা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি |
| এ থানার ৯ম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | কলাকান্দি এইচ. কে. আসমাতুন্নেসা উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৬৯ |
| এ থানার ১০ম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | তেঁজখালী উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৬৭ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি |
| এ থানার ১১ম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | বাঞ্ছারামপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭০ |
| খ্রিষ্টাব্দের ১ ফেব্রুয়ারি |
| এ উপজেলার প্রথম কলেজ | বাঞ্ছারামপুর ডিগ্রী কলেজ |
| এ থানার ১২তম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | ছয়ফুল্লাকান্দি শাহ রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৩ |
| এ থানার ১৩তম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | ফরদাবাদ মাদ্রাসা আকবর আল উলম আলীম মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৬ |
| এ উপজেলার ১৪তম প্রতিষ্ঠান কোনটি | ১৯৭৯ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি, প্রতিষ্ঠিত বাখরনগর ইসলামিয়া দারুল |
| এ উপজেলার ১৫তম প্রতিষ্ঠান | ১৯৮১ সালের ১ জানুয়ারি, বাঞ্ছারামপুর সোবানিয়া ইসলামিয়া আলীম |
| এ উপজেলার ১৬তম প্রতিষ্ঠান | ১৯৮৭ সালের ১ জানুয়ারি, ফরদাবাদ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় |
| এ উপজেলার দ্বিতীয় কলেজ | ১৯৮৭ সালের ১০ এপ্রিল, জীবনগঞ্জ বাজার তাজুল ইসলাম আর্দশ কলেজ |
| এ উপজেলার ১৭তম প্রতিষ্ঠান | ১৯৯০ সালের ১ জানুয়ারি, দরিকান্দি গোলাম আকবর মিলকী দাখিল |
| এ উপজেলার ১৮তম প্রতিষ্ঠান | ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি, রাধানগর কালিকাপুর রহমানিয়া দাখিল |
| এ উপজেলার তৃতীয় কলেজ | ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি, ফরদাবাদ ড. রওশন আলম কলেজ |
| এ উপজেলার ৪র্থ কলেজ | ১৯৯৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর, ছয়ফুল্লাকান্দি শাহ রাহাত আলী কলেজ |
| এ উপজেলার ১৯তম প্রতিষ্ঠান | ১৯৯৬ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর, রূপসদী জামিদা মনসুর আলী উচ্চ বিদ্যালয় |
| এ থানার ২০তম উচ্চ বিদ্যালয় | ১৯৯৬ সালের ১ অক্টোবর, বাহেরচর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় |
| এ উপজেলার ২১তম প্রতিষ্ঠান কোনটি | ১৯৯৭ সালের ১ জানুয়ারি, রূপসদী আলীম মাদ্রাসা |
| এ উপজেলার ২২তম প্রতিষ্ঠান কোনটি | ১৯৯৮ সালের ১ জানুয়ারি, সলিমাবাদ আদর্শ জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয় |
| এ উপজেলার ২৩তম প্রতিষ্ঠান কোনটি | ১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারি, বুরবুরিয়া আদর্শ জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয় |
| এ উপজেলার ২৪তম প্রতিষ্ঠান কোনটি | ১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারি, আশ্রাববাদ জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয় |