২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি, পরীক্ষা শুরু ১০টি বোর্ড থেকে এস.এস.সি. ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে-১৪ লক্ষ ২৬ হাজার ৯২৩ জন ছাত্র-ছাত্রী।
২০১৫ সালের ৩০ মে, এস.এস.সি. ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে-পাশের হার ৮৬.৭২ ভাগ। মোট পাস করেছে-১২,৩৭,৪২৮ জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে-৯৩,৬৩১ জন। ছাত্ররা পাস করেছে-৮৭.১৬ ভাগ আর ছাত্রীরা পাস করেছে-৮৬.২৮ ভাগ। সবচেয়ে বেশি রাজশাহী বোর্ড-৯৪.৯৭ ভাগ এবং সবচেয়ে কম পাসের হার-সিলেট বোর্ড-৮১.৮২ ভাগ। দাখিলে পাসের হার-৯০.২০ ভাগ আর ভোকেশনালে পাসের হার-৮৩.০১ ভাগ।
২০১৫ সালের ২৩ জুন, প্রথম আলো : ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে একাদশ ও সমমান কোর্সে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থী-১১ লাখ ৫৬ হাজার শিক্ষার্থী আবেদন করেছে।
২০১৫ সালের ১৫ জানুয়ারি, প্রথম আলো : জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন : উপবৃত্তির সুবিধাভোগীর সংখ্যা-৭৮ লাখ ৭০ হাজার ১২৯ জনে উন্নীত করা হয়েছে বা ৪০% ভাগ। এর সঙ্গে ৯৬টি দারিদ্রপীড়িত উপজেলার ২৯ লাখ।
২০১৫ সালের ১ এপ্রিল, পরীক্ষা শুরু হবে-১০টি বোর্ড থেকে এইচ.এস-সি. ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে-১০ লক্ষ ৬১ হাজার ৬১৪ জন ছাত্র-ছাত্রী। মোট দুই হাজার ৩৫২টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ২০১৪ সাল থেকে এবার ৬৭ হাজার ৪৯০ জন কম পরীক্ষার্থী।
২০১৫ সালের ১০ আগস্ট, বাংলাদেশ প্রতিদিন : ০৯-০৮-২০১৫ তারিখ এইচ.এস-সি. ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। ১০টি শিক্ষাবোর্ডে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে-১০ লক্ষ ৬১ হাজার ৬১৪ জন ছাত্র-ছাত্রী। ৬৯.৬০% পাস। পাস করেছে-৭ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭২ জন ছাত্র-ছাত্রী। ২০১৫ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছে-৪২ হাজার ৮৯৪ জন। এইচ.এস-সি.তে পাস করেছেন-৫ লাখ ৭৭ হাজার ৮৭ জন এবং এইচ.এস-সি.তে জিপিএ-৫ পেয়েছেন-৩৪,৭২১ জন। বিজ্ঞানে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৬,৫৫৬ জন।
২০১৫ সালের ২১ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০১৩ সালের ডিগ্রি (পাস) ও র্সাটিফিকেট কোর্স পরীক্ষার ফল আজ সোমবার ২১-০৯-২০১৫ তারিখ প্রকাশ করা হবে। ১,৬৮১টি কলেজের মোট ৫ লাখ ৩২ হাজার ৭৯ জন পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেন।
২০১৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো : ডিগ্রি (পাস) পরীক্ষায় পাস ৭১ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এবার ডিগ্রির চুড়ান্ত পরীক্ষায় ১ লাখ ৫১ হাজার ৫৭৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৩৫৭ জন। এর মধ্যে প্রথম বিভাগ-৮ হাজার ৭৫১ জন, দ্বিতীয় বিভাগ-৮২ হাজার ১৮ জন এবং তৃতীয় বিভাগ-১৭ হাজার ৪৪০ জন, পাস ডিগ্রী-১৪৮ জন।
২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি, প্রথম আলো: সংবাদ সম্মেলনে বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল-২৮ লাখ ৩৯ হাজার ২৩৮ জন। এদের মধ্যে পাস করেন-২৭ লাখ ৯৭ হাজার ২৭৪ জন। এদের মধ্যে ১২ লাখ ৭৭ হাজার ১৪৬ জন ছাত্র এবং ১৫ লাখ ২০ হাজার ১২৮ জন ছাত্রী। গড় পাসের হার ৯৮ দশমিক ৫২ শতাংশ।
আবার জেএসসিতে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল-১৯ লাখ ২৯ হাজার ৯৯ জন। এর মধ্যে পাস করেছে-১৭ লাখ ৮০ হাজার ৭৭০ জন। গড় পাসের হার ৯২ দশমিক ৩১ শতাংশ।
জেডিসিতে পরীক্ষার্থী ছিল-৩ লাখ ৪৩ হাজার ১৯০ জন। পাস করেছে-৩ লাখ ১৭ হাজার ৩১২ জন। গড় পাসের হার ৯৫ দশমিক ১৩ শতাংশ।
২০১৬ সালের ২০ এপ্রিল, প্রথম আলো: প্রাথমিক বৃত্তি পেল প্রায় সাড়ে ৮২ হাজার শিক্ষার্থী।
২০১৬ সালের ২৬ জানুয়ারি, প্রথম আলো: আগামী ১ ফেব্রুয়ারি, শুরু এস.এস.সি. পরীক্ষা। এবার ৩ হাজার ২০৩টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হবে। মোট পরীক্ষার্থী ১৬ লাখ ৫১ হাজার ৫২৩ জন পরীক্ষার্থী। এবার এস.এস.সি.তে ছাত্রীসংখ্যা ১৯ হাজার ২৬০ জন বেশি। এ ছাড়া বিজ্ঞানে গত বছরের চেয়ে ৫৬ হাজার ২৮৬ জন বেড়েছে। ্এবার বিজ্ঞানে পরীক্ষার্থী ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৯১৭ জন।
২০১৬ সালের ১২ মে,(১১-০৫-২০১৬) প্রথম আলো: এস.এস.সি. পরীক্ষা পাসের হার ৮৮.৭০ ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৬,৭৬৯ জন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবার মাদ্রাসা, কারিগরিসহ ১০টি বোর্ডে গড় পাসের হার ৮৮.২৯ ভাগ। মোট পাসের সংখ্যা-১৪,৫৮,১৩০ জন। ১০টি বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৯ হাজার ৭৬১ জন। গতবার পেয়েছিল ১ লাখ ১১ হাজার ৯০১ জন। এর মধ্যে মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন-১২,৯৯২ জন। ৮টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার এসএসসিতে পরীক্ষা দিয়েছিল-১৩ লাখ ২৮৪ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৫৩ হাজার ৩৬৩ জন।নস
২০১৬ সালের ৬ মার্চ, প্রথম আলো: ২০১৪ সালের ডিগ্রি পাস ও র্সাটিফিকেট কোর্স পরীক্ষা ২০১৬ সালের ৬ মার্চ শুরু। মোট পরীক্ষার্থী ৩ লাখ ৬৯ হাজার ১৭২ জন পরীক্ষার্থী ১ হাজার ৬৭৮টি কলেজের ৬৮৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা নিচ্ছেন।
২০১৬ সালের ১ এপ্রিল, প্রথম আলো: এইচ.এস-সি. ও সমমানের পরীক্ষা শুরু রোববার(০৩-০৪-২০১৬ তারিখ ৮টি সাধারণ বোর্ড এবং মাদ্রাসা ও কারিগরিসহ মোট ১০টি শিক্ষা বোর্ড থেকে ১২ লাখ ১৮ হাজার ৬২৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে।
২০১৬ সালের ১৭ মে, প্রথম আলো: আজ শুরু মাস্টার্স শেষ পর্ব পরীক্ষায় ১৩১টি কলেজের ১১৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ৯৬ হাজার ৫৬২ জন। ৩১টি বিষয়ে পরীক্ষা দিবে।
১৯৭২ সাল থেকে ২০১৫ সালের কিছু তথ্য দেয়া হলো :
১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ঢাকায় আসেন ১০-০১-১৯৭২ তারিখ এবং রেসকোর্স ময়দানে ভাষণ দেন। তিনি ১২ জানুয়ারি, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে অধিষ্ঠান।
১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি, বাংলাদেশে প্রেসিডেন্ট র্কতৃক অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন। এই ঘোষণা অনুযায়ী একটি গণপরিষদ গঠিত হয়।
১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি, বাংলাদেশের অস্থায়ী সংবিধান জারি। গণপরিষদ গঠিত।
১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি, বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকে সাবেক পূর্ব পাকিস্তান গভর্নর হাউজের নামকরণ করা হয় 'বঙ্গভবন'। বঙ্গভবনের জমির পরিমাণ ৪৭ একর।
১৯৭২ সালের ২৪ জানুয়ারি, সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি, বিশিষ্ট চলচিত্রকার ও কথাশিল্পী জহির রায়হানের অন্তর্ধান দিবস। এ দিনে বড় ভাই শহীদুল্লাহ কায়সারের খোঁজে বের হন। এরপর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
১৯৭২ সালের ৩১ জানুয়ারি, মুজিব বাহিনী অস্র সমর্পণ করে।
১৯৭২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, রক্ষীবাহিনী কার্যক্রম শুরু করলে আইন করা হয় ঐ বছরের ৮ মার্চ অর্থাৎ এক বছর ৭ দিন পরে ১৯৭৪ সালে যে আইন করা হয় তার ৩-নম্বর ধারায় বলা হয়েছে যে, রক্ষীবাহিনীর যাবতীয় কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কোন মামলা বা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবেনা। রক্ষী বাহিনী কমপক্ষে ৪০(চল্লিশ) হাজার রাজনৈতিক নেতা-কর্মীেক হত্যা করেছে। তাকে দায়মুক্তি দেয়া হয়। ২০০৩ সালের ১৩ মার্চ, ইত্তেফাক পত্রিকার সংবাদ: আইনমন্ত্রী-ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, আওয়ামীলীগই রক্ষীবাহিনীর কার্যক্রমকে ১৯৭৪ সালে দায়মুক্তি দিয়েছিলেন।
১৯৭২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি, স্বাধীন বাংলাদেশে ত্রাণ ও পুনর্বাসনের মধ্য দিয়ে কার্যক্রম শুরু করেছিল বেসরকারি সংস্থা র্বযাক।
১৯৭২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি, ফ্রান্স স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
১৯৭২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি প্রতিষ্ঠি হয়। পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের রাজনৈতিক, ভূমি ও সাংস্কৃতিক অধিকারসহ শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৭২ সালে সাবেক সাংসদ প্রয়াত মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার নেতৃত্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭২ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠা হয়।
১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাসে, মুন্সীগঞ্জ পৌরসভা স্থাপিত হয়।
১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৫ সালের আগষ্ট পর্যন্ত ২৫ থেকে ২৭ হাজার বিপস্নবী ও বিরোধী দলের লোকজনকে হত্যা করা হয়। এ তথ্যটা মাসিক খেয়া পত্রিকা থেকে নেয়া এবং অনেকের মুখেই শোনা কথা। ২০০০ সালের ১৯ এপ্রিল, বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেন-১৯৭২ সাল হ'তে ১৯৭৫ সালের ১৪ আগষ্ট পর্যন্ত আওয়ামী লীগ যে হাজার হাজার মানুষ হত্যা করেছে তার বিচার করতে হবে। এ কথার অর্থও ফাঁকা কথা।
১৯৭২ সালের ১০ মার্চ, পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে বাঙ্গালী অফিসারদের নিরস্ত্রীকরণ শুরু।
১৯৭২ সালের ১২ মার্চ, বঙ্গবন্ধুর অনুরোধে ভারতীয় মিত্র বাহিনী বাংলাদেশ ত্যাগ করে। ঢাকা স্টেডিয়ামে ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিদায়ী কুচকাওয়াজ।
১৯৭২ সালের ১৫ মার্চ, বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় সৈন্য প্রত্যাহার শুরু।
১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ, বাংলাদেশ-ভারত ২৫ বছর মেয়াদী মৈত্রী ও সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর।
১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ, পেট্রোবাংলা প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭২ সালের ১৯ এপ্রিল, বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্য পদ লাভ করে।
১৯৭২ সালের ১৯ এপ্রিল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষক লীগ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
১৯৭২ সালের ১২ জুন, ফাইটার কারাতে ক্লাবের জন্ম হয় কক্সবাজার জেলায়-এর প্রতিষ্ঠাতা ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম।
১৯৭২ সালে র্বযাক স্থাপিত হয়।
১৯৭২ সালের ৩ জুলাই, বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংকের সদস্য পদ লাভ করে।
১৯৭২ সালের ১৩ মে, নগর গবেষণা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠা হয়।
১৯৭২ সালের ২৪ মে, বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়। রাষ্ট্রীয়ভাবে তাঁকে জাতীয় কবির স্বীকৃতি দান।
১৯৭২ সালের ১০ আগষ্ট, ঢাকা নাট্যচক্রের প্রতিষ্ঠা লাভ।
১৯৭২ সালে আওয়ামী লীগ সরকার শিল্পকারখানা রাষ্ট্রীয়করণ করে এবং ১৯৭৮ সালে জিয়াউর রহমানের সরকার ব্যক্তি মালিকানায় আবার শিল্পকারখানা ছাড়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
১৯৭২ সালের ২ জুলাই, ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ও পাকিস্তানের জুলফিকার আলী ভুট্টো সিমলা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
১৯৭২ সালে বাংলাদেশে প্রথম এক টাকার কাগজী মুদ্রার প্রচলন শুরু হয়। তারও বেশ পরে চালু হয় দুই টাকার নোট।
১৯৭২ সালের ১২ জুলাই, সেনাকল্যাণ সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭২ সালে বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭২ সালের ১৮ অক্টোবর, বাংলাদেশ ইউনেস্কো সদস্য পদ লাভ করে।
১৯৭২ সালের ৩১ অক্টোবর, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)-এর প্রতিষ্ঠা লাভ।
১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান জাতীয় সংসদে গৃহীত হয় এবং ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর, থেকে কার্যক্রম শুরু।
১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর, বাংলাদেশ সংবিধান দিবস পালিত হয়।
১৯৭২ সালের ৬ নভেম্বর, বাংলাদেশে ১ম জাতীয় সমবায় দিবস পালন করা হয়। প্রতিবছর নভেম্বর মাসের প্রথম শনিবার জাতীয়ভাবে পালিত হয় এ দিবসটি। ২০০৯ সালের ৭ নভেম্বর, প্রথম আলো: দেশে বর্তমানে ১ লক্ষ ৬৩ হাজার সমবায় সমিতি, ৮৫ লক্ষ ব্যক্তি সদস্য এবং প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা কার্যকর মূলধন আছে। তারপর থেকে ১৯ নভেম্বর, ২০১১ তারিখ ৪০তম সমবায় দিবসের উদ্ভোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-বাংলাদেশে ১ লাখ ৭৭ হাজার সমবায় সমিতির সদস্য সংখ্যা হচ্ছে-৯০ লাখ। ২০০৯ সালের ৭ নভেম্বর, প্রথম আলো: দেশে বর্তমানে ১ লক্ষ ৬৩ হাজার সমবায় সমিতি, ৮৫ লক্ষ ব্যক্তি সদস্য এবং প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা কার্যকর মূলধন আছে।
১৯৭২ সালের ৯ নভেম্বর, বাংলাদেশ গ্যাটের সদস্য পদ লাভ করে।
১৯৭২ সালের ১১ নভেম্বর, বাংলাদেশ আওয়ামী যুব লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর, সাভারে 'জাতীয় স্মৃতিসৌধের' ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন।
১৯৭২ সালে বাংলাদেশে যেখানে ১১(এগার) হাজার নাবিক ছিল, ২০০১ সালের ৪ সেপ্টেম্বর, সেখানে ২,৬০০(দুই হাজার ছয়শত) নাবিক আছে।
১৯৭২ সালে বাংলাদেশ মহিলা সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭২ সালে নিউমার্কেট ও তৎসংলগ্ন এলাকার ৬০ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে সর্বপ্রথম ইউসেপ কার্যক্রম শুরু করেন। ১৯৮৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর, ইউসেপ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা লিন্ডসে এল্যান চেননীর মৃত্যু।
১৯৭২-৭৩ অর্থবছরে এ দেশের ২৫ ধরনের পণ্য বিশ্বের ৬৮টি দেশে রপ্তানি হতো, ২০০৯-২০১০ অর্থবছরে ১৭৬টি পণ্য রপ্তানি হয়েছে ২১৭টি দেশে। যদিও বেশি রপ্তানি হয় তৈরি পোশাক। পণ্যের বাজার বড় হতে পারে ভারত, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা।
১৯৭৩ সালের ২৬ জানুয়ারি, 'আরণ্যক নাট্য গোষ্ঠী' প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষিবিদদের ১ম শ্রেণীর পদমর্যাদার ঐতিহাসিক ঘোষণা। তাই ১৩ ফেব্রুয়ারি, কৃষিবিদ দিবস পালিত হয়।
১৯৭৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশ আণবিক শক্তি কমিশন গঠিত হয়।
১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ, প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং সংসদের ১ নম্বর আসন পঞ্চগড় জেলায়।
১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল, বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু।
১৯৭৩ সালের ১৩ এপ্রিল, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭৩ সালে ৩৬ হাজার ১৬৫টি বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তখন এক লাখ ৫৫ হাজার ২৩ জন শিক্ষক ছিলেন। আবার পরবর্তী সময়ে আরও ১ হাজার ৫০৭টি বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়। মোট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জাতীয়করণের সংখ্যা-৩৭,৬৭২টি ছিল।
১৯৭৩ সালে কবি দাউদ হায়দারকে গ্রেফতার করা হয়। ১৯৭৪ এর ২০ মে, সন্ধ্যায় তাকে জেল থেকে মুক্তি দেয়া হয়। অর্থাৎ ২১ মে, কলকাতায় কবি দাউদ হায়দারকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
১৯৭৩ সালের ৭ মে, বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়।
১৯৭৩ সালের ১৪ মে, ঢাকার পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় মওলানা ভাসানী খাদ্য, বস্ত্র ও অন্যান্য দ্রব্যের মূল্যহ্রাস এবং দমননীতি বন্ধ করার জন্য আমরণ অনশন করার সিদ্ধান্ত নেন।
১৯৭৩ সালের ১৪ জুলাই, জাতীয় সংসদে বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম সংশোধনী বিল পাস।
১৯৭৩ সালের ৩০ জুলাই, ঢাকা থিয়েটারের জন্ম।
১৯৭৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশ ন্যামের সদস্য পদ লাভ করে।
১৯৭৪ সালে হোটেলটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই দিন-রাত সমানে চলছে। এক দিনের জন্যও হোটেলটি কেউ বন্ধ পায়নি। হোটেলটি মূলত রেলওয়ের জায়গায় প্রতিষ্ঠিত। জায়গাটির লিজ গ্রহীতা আবদুর রহীম। এখনো হোটেলের সাইনবোর্ডে তাঁর নাম লেখা। পরবর্তী সময়ে আবদুর রহিম ঘরটি ভাড়া দেন স্থানীয় দোমনাকে। সেই দোমনাই এখন হোটেলের পরিচালক। ঈশ্বরদী ঐতিহ্যের শহর। ঈশ্বরদী লিচুর শহর। ঈশ্বরদী বেনারসিপল্লির জন্য বিখ্যাত। সঙ্গে ঈশ্বরদী বিখ্যাত হোটেল তৃপ্তির জন্য। সুতরাং ঈশ্বরদী বেড়াতে এলে লালন শাহ সেতু, হার্ডিজ ব্রিজ, মেরিনপাড়া, পদ্মপাড়ের সাড়াঘাট, পাকশী স্টেশনের পাশাপাশি স্টেশন রোডের কাছের তৃপ্তি হোটেলে একবার হলেও ঢুঁ মারতে হবে। তৃপ্তি হোটেলের একটিমাত্র পথ, কিন্তু সেখানে কোনো দরজা নেই, কোনো ঝাঁপও নেই যে হোটেলটি বন্ধ করা যাবে। তার অর্থ হোটেলটি দিন-রাত সমানে খোলা থাকে, সঙ্গে চলে খাবার বিক্রি। লোক আসছে-যাচ্ছে, কর্মচারী পরিবর্তন হচ্ছে। কিন্তু হোটেলটি বন্ধ হচ্ছে না, কখনো বন্ধ হয়নি। বিবিসি রেডিওতে তৃপ্তি হোটেল নিয়ে ফিচার হয়েছে। হানিফ সংকেত তাঁর টিভি ম্যাগাজিন 'ইত্যাদি'তে কখনো বন্ধ না হওয়ার রেকর্ডের জন্য তৃপ্তি হোটেল নিয়ে ফিচার করেছেন। (২০১২ সালের ৩০ এপ্রিল, প্রথম আলোতে তৃপ্তি হোটেল কখনো বন্ধ হয় না।)
১৯৭৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশ ও.আই.সি'র সদস্য পদ লাভ করে।