১৯৮৩ সালের ২৩ অক্টোবর, উপজেলা দিবস হিসেবে পালিত হয় জাতীয় পার্টির উদ্যেগে।

৮ ডিসেম্বর, জাতীয় যুব দিবস।

৯ ডিসেম্বর, বেগম রোকেয়া দিবস পালিত হয়।

২০০৭ সালের ৩ জুলাই, বাংলাদেশ সরকার 'জন্মনিবন্ধন দিবস' হিসেবে পালন করে।

২০০৮ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর, প্রতিবছর জাতীয় আয়কর দিবস পালন করা হয়। দেড় কোটি লোকের বিবরণী দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে-জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান-মোহাম্মদ আবদুল মজিদ।

২০০৮ সালের ১৫ নভেম্বর, বাংলাদেশে 'প্রথম জাতীয় কৃষি দিবস' পালন করে।

২০০৯ সালের ১৭ মার্চ, বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনকে জাতীয় শিশু দিবস ঘোষণা করা হয়।

২০০৯ সালের ৬ অক্টোবর থেকে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত হয়।

২০০৯ সালের ১ নভেম্বর থেকে জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ দিবস পালিত হয়।

২০১০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে পিলখানা হত্যা দিবস পালন করা হবে।

২০১০ সালের ২ জুলাই, জন্মনিবন্ধন দিবস পালিত হয়।

২০১০ সালের ৯ আগষ্ট, জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস পালিত হয়।

২০১০ সালের ১৬ নভেম্বর, প্রথম আলো: বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল, জাতীয় ফুল শাপলা, জাতীয় মাছ ইলিশ, জাতীয় পাখি দোয়েল, জাতীয় প্রাণী রয়েল বেঙ্গল টাইগার। আছে জাতীয় উদ্যানও। কিন্তু স্বাধীনতার ৩৯ বছরেও আমাদের কোনো জাতীয় বৃক্ষ ছিল না। এখন ১৫-১১-২০১০ তারিখ থেকে জাতীয় বৃক্ষ আমগাছ।

১ ডিসেম্বর, মুক্তিযোদ্ধা দিবস পালন করা হয়।

৭ ফেব্রুয়ারি, ইশারা ভাষা দিবস পালনের দাবি।

২০১১ সালের ১৫ অক্টোবর, ৬৪ জেলায় গ্রামীণ নারী দিবস উদযাপন।

২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি, যুব দিবস পালিত করা হয়।

পয়লা অগ্রাহায়ণ নবান্ন উৎসব পালিত হয়।

১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত হয়।

২০১২ সালের ১০ জুলাই, জাতীয় মূসক দিবস পালিত হয়।

১৯ জানুয়ারি, জাতীয় শিক্ষক দিবস।

২ মার্চ, জাতীয় পতাকা দিবস।

১৭ মার্চ, শিশু দিবস।

১৭ এপ্রিল, মুজিবনগর দিবস।

৩ জুলাই, জাতীয় জন্ম নিবন্ধন দিবস।

১৫ আগস্ট, জাতীয় শোক দিবস।

৭ নভেম্বর, জাতীয় সংহতি ও বিপস্নব দিবস।

২১ নভেম্বর, সশস্ত্র বাহিনী দিবস।

১ ডিসেম্বর, মুক্তিযোদ্ধা দিবস।

১ অগ্রহায়ণ, জাতীয় কৃষি দিবস।

অন্যান্য দিবসসমূহ:

১০ জানুয়ারি, বঙ্গবন্ধু স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস।

২০ জানুয়ারি, শহীত আসাদ দিবস।

২৪ জানুয়ারি, গণঅভ্যুত্থান দিবস।

২৮ জানুয়ারি, সলঙ্গা দিবস।

১ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় কবিতা উৎসব দিবস।

২ ফেব্রুয়ারি, জনসংখ্যা দিবস।

২২ ফেব্রুয়ারি, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার দিবস।

২৮ ফেব্রুয়ারি, ডায়াবেটিক দিবস।

৭ মার্চ, ঐতিহাসিক ভাষণ দিবস।

১১ মার্চ, রাষ্ট্রভাষা দিবস।

২৩ মার্চ, ছয় দফা দিবস।

২৫ মার্চ, কালোরাত্রি দিবস।

৫ এপ্রিল, প্রতিবন্ধী দিবস।

১৬ মে, ফারাক্কা লং মার্চ দিবস।

২৮ মে, নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস।

২৩ জুন, পলাশী দিবস।

১ জুলাই, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস।

১১ আগস্ট, ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবস।

২৪ আগস্ট, নারী নির্যাতন দিবস(ইয়াসমিন হত্যার কালো দিবস)।

১৫ সেপ্টেম্বর, আয়কর দিবস।

২৪ সেপ্টেম্বর, মীনা দিবস।

৩০ সেপ্টেম্বর, কন্যা শিশু দিবস।

১৫ অক্টোবর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শোক দিবস।

৩ নভেম্বর, জেলহত্যা দিবস।

৪ নভেম্বর, সংবিধান দিবস।

১০ নভেম্বর, শহীদ নুর হোসেন দিবস।

১ ডিসেম্বর, জাতীয় যুব দিবস।

৬ ডিসেম্বর, স্বৈরাচার পতন দিবস।

৯ ডিসেম্বর, বেগম রোকেয়া দিবস।

১ বৈশাখ, বই উপহার দিবস।

১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় এ অঞ্চলে অবস্থিত এক হাজার ১৩০টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের শাখা নিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু হয়। মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার বিদেশি ব্যাংক ছাড়া পূর্ব পাকিস্তানে কার্যরত সব ব্যাংকই অধিগ্রহণ করে। এ পর্যােয় ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশবলে বাংলাদেশি মালিকানাধীন দুটি ব্যাংকসহ মোট ১২টি ব্যাংককে জাতীয়করণ করা হয়। এ ১২টি ব্যাংককে তখন বাংলাদেশ ব্যাংকস (জাতীয়করণ) আদেশ ১৯৭২ অনুযায়ী ছয়টি ব্যাংকে পূনর্গঠন করা হয় এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ঘোষণা করা হয়। ১৯৭২ সালে ৫০০(পাঁচশত) কোটি টাকা আমানত লইয়া দেশের ব্যাংকিং খাত যাত্রা শুরু করিয়াছিল, ০১-০২-২০০২ সালে আমানত প্রায় ৮৫,০০০(পঁচাশি হাজার) কোটি টাকা এবং যা গত (৩০-১২-২০০৬) ডিসেম্বর মাস শেষে ছিল-১,৭৬,০০০) কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত (২৩-০২-২০০৭) ফেব্রুয়ারি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে বিশেষায়িত ব্যাংক ছাড়া অন্যান্য ব্যাংকগুলোতে মোট আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে-১,৭৮,০০০(এক লাখ আটাত্তর হাজার) কোটি টাকা। ২০০৭ সালের ২৩ আগষ্ট, অর্থৈনতিক রিপোর্টার: খেলাপী ঋণের পরিমাণ ২২ হাজার ৩০২ কোটি টাকা। ৩০-১২-২০০৮ সালে ব্যাংকগুলোতে মোট আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে-২,২৯,০০০(দুই লাখ উনত্রিশ হাজার) কোটি টাকা। আর ঋণ দিয়েছেন ২,০৮,০০০(দুই লক্ষ আট হাজার) কোটি টাকা এবং স্বাধীনতার পর থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ৩২,০০০(বত্রিশ হাজার) কোটি টাকা সুদ-আসলে অবলোপন করেছেন। খেলাপি ঋণ কমে এখন ১০ শতাংশের নিচে। এতে দেশের ৪৮টি ব্যংকের তথ্য সন্নিবেশন করা হয়। ২০০৯ সালের সর্বেশষ পরিসংখ্যান অনুসারে, ডিসেম্বর শেষে ব্যাংক খাতে বিতরণ করা ব্যাংক ঋণের পরিমাণ দাড়িয়েছে দুই লাখ ৪৩ হাজার ৯৭৮ কোটি টাকা। খেলাপি ঋণের পরিমাণ হলো-২৪,৩৯৭.৮০ কোটি টাকা। ১১-০৩-২০১০ সালের হিসেব অনুযায়ী-দেশে(ডেসটিনি পত্রিকা ৩১-১২-২০০৯ তারিখ পর্যন্ত) ৩৮ বছরে এক লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগ হয়েছে এবং যৌথ বিনিয়োগ হয়েছে ৫৭৪২৫৫ দশমিক ৭০৫ মিলিয়ন টাকা বা ৫৭,৪২৫ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। সর্বেশষ ২০১০ সালের মার্চ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রস্ত্তত ঋণ ও প্রভিশনিং প্রতিবেদনে এ তথ্য মিলেছে। মার্চ পর্যন্ত দেশের ব্যাংকগুলো দুই লাখ ৫০ হাজার ৬১০ কোটি টাকার ঋণ ভিতরণ করে। ২০২০ সালের মধ্যে ১০০ কোটি মানুষের কাছে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেয়ার পরিকল্পনা বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ১১টি টেকসই ব্যাংকের সমন্বয়ে গঠিত ব্যাংকগুলোর জোট 'গেস্নাবাল এলায়েন্স ফর ব্যাংকিং অন ভ্যালুজ'র (জিএবিভি)র দ্বিতীয় সম্মেলন শেষ হয়েছে। ০৭-০৪-২০১০ তারিখ পর্যন্ত বকেয়া ঋণ ২ লাখ ১৬ হাজার ২৪৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা। ২০০১ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ১ কোটি ও তদুধ্র্ব পরিমাণ ঋণ খেলাপিদের মোট ৬৯৩টি ঋণ হিসাবের বিপরীতে ৩ হাজার ৬৪৪ কোটি ৮০ লাখ টাকার সুদ মওকুফ করা হয়েছে। যা তাঁদের মোট ঋণের ১.৬৯ শতাংশ। তবে এ সময় কোনো মূল ঋণ পরিশোধ করা হয়নি। ২০০৮ সালের ২৫ জানুয়ারির তথ্য-বিদেশী ব্যাংকসহ বাংলাদেশে ব্যাংকের সংখ্যা ৫৪টি। ২০১০ সালের জুন শেষে মোট ঋণের পরিমাণ ছিল দুই লাখ ৬৯ হাজার ৫২৫ কোটি ৫১ লাখ টাকা। (১৭-০৮-২০১১ তারিখর প্রথম আলোর রিপোর্ট ) ২০১১ সালের জুন শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ হয়েছে ২৪ হাজার ৩৮৪ কোটি নয় লাখ টাকা। তবে এ সময় মোট ঋণের পরিমাণ হয়েছে ৩ লাখ ৪১ হাজার ৬২০ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। খেলাপি ঋণ শতকরা হিসেবে ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ। ২০১২ সালের ৫ এপ্রিল, প্রথম আলোর তথ্য অনুসারে-বাংলাদেশে ব্যাংকের সংখ্যা-৫০টি আর পাকিস্তানে ব্যাংকের সংখ্যা-৪৫টি। বাংলাদেশে ব্যাংকের শাখার সংখ্যা-৭,৭০০(সাত হাজার সাতশত) আর পাকিস্তানে ব্যাংকের শাখার সংখ্যা-৮,৩৪৩(আট হাজার তিনশত তেতাল্লিশ)।

১৯৭২ সালে ৫০ কোটি টাকার মূলধন নিয়ে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়। ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদের সদস্যসংখ্যা ১১ জন এবং ২০০৭ সালে ১০৫০টি শাখা ছিল।

১৯৭২ সালে ২০০ কোটি টাকার মূলধন নিয়ে বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়। ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদের সদস্যসংখ্যা ৯ জন এবং শাখা আছে ১৫টি।

১৯৭২ সাল থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বীমা কোম্পানি রাষ্ট্রায়াত্ত করা হয়।

১৯৭২ সালে পাকিস্তান আমলের চারটি ব্যাংককে রাষ্ট্রয়ীকরণ করা হয়। ব্যাংকগুলোর নাম (১) ন্যাশনাল ব্যাংক লি.-এর বাংলা নাম হলো-সোনালী ব্যাংক লি. (২) ইউনাইটেড কমার্সিয়াল ব্যাংক লি.-এর নাম হলো-জনতা ব্যাংক লি. (৩) ইস্র্টান কমার্সিয়াল ব্যাংক লি.-এর নাম হলো-রূপালী ব্যাংক লি. ও (৪) হাবিব ব্যাংক লি.-এর নাম হলো-পূবালী ব্যাংক লি.।

১৯৯৪ সালের ১ নভেম্বর-বাংলাদেশে বার্ষিক ১১.৫ শতাংশ হারে বৈদেশিক ঋণ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

১৯৯৭ সালের ২১ মার্চ, বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্ণেরর বক্তব্য: ১৫৬(একশত ছাপ্পান্ন) ব্যক্তির নিকট ব্যাংক ঋণ-৫(পাঁচ) হাজার কোটি টাকা।

১৯৯৭ সালের ২১ জুলাই'র তথ্যানুযায়ী: বাংলাদেশে গত ১৬-বছরে ব্যাংক ঋণের সুদ মওকুফ ৪,৭১৭(চার হাজার সাতশত সতর) কোটি টাকা। ধনীদের স্বার্থে ঋণের সুদ মওফুফ করেছে। কৃষকের কৃষি ঋণের সুদ কোনদিনও মওকুফ করেনি, কারণ তারা যে গরীব মানুষ। এ সমাজে গরীবের স্বার্থে কোন কিছুইত হবেনা।

১৯৯৭ সালের ২৩ এপ্রিলের হিসেব-গত ২১-বছরে রাষ্ট্রায়াত্ত্ব লোকসানী শিল্পে যোগান দিতে হয়েছে ৪২(বিয়াল্লিশ) হাজার কোটি টাকা। এ টাকা কোথা থেকে আনা হয়েছে তা'বলা হয়নি, কৃষি থেকে এনে শিল্পে ভর্তুিক দেয়া হয়েছে।

১৯৯৮ সালের ৫ জানুয়ারির তথ্যানুযায়ী: বাংলাদেশে ৪৩-জন ব্যাংক পরিচালক ২০০ (দুইশত) কোটি টাকার ঋণ খেলাপী।

১৯৯৮ সালের ২০ মার্চ, প্রেসিডেন্ট বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ বলেন-বাংলাদেশে ঋণখেলাপী ও দুর্নীিতবাজদের সমাজে বয়কট করতে হবে। কিন্তু তিনি জেনেশুনেও ঋণখেলাপী ও দুনীর্তিবাজ সমাজের প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

১৯৯৮ সালের ২ এপিলের তথ্য-বাংলাদেশে চামড়া খাতে খেলাপী ঋণের পরিমাণ ৭(সাত হাজার) কোটি টাকা।

১৯৯৮ সালের ২৯ নভেবর, উন্নয়ন বাজেটের এক ষষ্ঠাংশ ব্যয় হচ্ছে বিদেশী ঋণ পরিশোধে।

১৯৯৮ সালে জাতীয় সংসদে বক্তব্য-দেশে ২,১১৭(দুই হাজার একশত সতের) জন ঋণ খেলাপীর তালিকা প্রকাশ। তাদের নাম পত্রিকায় দেয়া হয়েছিল। এখানে নাম দেয়া গেলনা। ১৯৯৮ সালের তথ্য-২০০২ সালের মধ্যে বাংলাদেশে মাছের উৎপাদন-২০.৭৫(বিশ লক্ষ পঁচাত্তর হাজার) টনে উন্নীত করার কর্মসূচী। বাস্তবে তা কার্যকরী হয়নি বরং আগের চেয়ে মাছের উৎপাদন কম।

১৯৯৮ সালের ২৫ জুলাইয়ের তথ্য-বাংলাদেশে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রায় ১,৫০২(এক হাজার পাঁচশত দুই) কোটি ডলার।

১৯৯৯ সালের ৩ জানুঃ-বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতকে ৮৭টি পরিবার জিম্মি করে রেখেছে।

১৯৯৯ সালের ১৫ জানুয়ারির খবর: ব্যাংকগুলিতে শ্রেণীবিন্যাসকৃত ঋণের পরিমাণ ২.১(দুই লক্ষ দশ হাজার) কোটি টাকা।

১৯৯৯ সালের ৩০ জুনের রিপোর্টানুযায়ী: ১,৪৮০ কোটি ডলার বৈদেশিক ঋণের প্রেক্ষিতে ১৯৯৯-২০০০ অর্থবছরে বার্ষিক ঋণ পরিশোধের পরিমাণ ৭৭.৩০(সাতাত্তর কোটি ত্রিশ লক্ষ) ডলার। প্রতি অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করতে হয়।

১৯৯৯ সালের ১২ জুলাই, ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: রাজনৈতিক দল যেমন মাস্তান ছাড়া চলে না, তেমনি ঋণ খেলাপী ছাড়াও চলে না-প্রেসিডেন্ট বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ।

১৯৯৯ সালের ৬ ডিসেম্বর-গরীব মানুষ ঋণ খেলাপী নয় বরং বিত্ত্ববানরাই ঋণ খেলাপী।

২০০০ সালের ১১ জানুয়ারি-বাংলাদেশে মোট খেলাপী ঋণের পরিমাণ ২৪,০২৭.৬ (চব্বিশ হাজার সাতাশ কোটি ষাট লক্ষ) টাকা। যাহা মোট ঋণের ৩৯.৭০ শতাংশ। ২০০০ সালের ৩০ জুন-দেশের ব্যাংকিং খাতের ৬১,১৪৫(একষট্টি হাজার একশত পয়তাল্লিশ) কোটি টাকা ঋণের মধ্যে ২৪,২৭৪(চব্বিশ হাজার দুইশত চুয়াত্তর) কোটি টাকা ঋণ খেলাপী। শীর্ষ ৩০ খেলাপীর কাছে পাওনা ১১ হাজার কোটি টাকা। দেশকে খেলাপী ঋণের অভিশাপ থেকে মুক্ত করার উদ্যোগ।

২০০০ সালের ২৪ এপ্রিল-বিশ্বব্যাংকের দৃষ্টিতে বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম দুর্নীিতগ্রস্থ দেশ। তবু তারা বাংলাদেশকে ঋণ দেয়, আমরা যেমন মুরগীকে খাবার খাইয়ে তাজা করি তার মাংস খাওয়ার জন্য-তেমনি বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে ঋণ দেয় রক্ত চোষার জন্য। একগুণ দেয় ১০(দশ) গুণ নিয়ে নেয়, অসম বিনিময়ের মাধ্যমে।

২০০০ সালের ৮ মে'র তথ্যঃ হাউজ বিল্ডিং কপোের্রশন গৃহ-নির্মাণ ঋণ মঞ্জুরী বাবদ দেশের ৬২ হাজার লোককে মোট ২,৩৬০(দুই হাজার তিনশত ষাট কোটি) টাকা মঞ্জুরী দিয়েছে। এর ফলে ১.৩১(এক লক্ষ একত্রিশ হাজার) বাড়ি নির্মাণ হয়েছে। এ ঋণগ্রহীতাগণের মধ্যে ঋণ পরিশোধ করেছেন ১৬-হাজার ও ঋণ খেলাপী হয়েছেন ১১-হাজার লোক।

২০০০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর, সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন: ১৯৮০ সাল পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণ তামাদি হিসেবে গণ্য করার সুপারিশ। ধনীদের স্বার্থে এ প্রস্তাব পাশ করার জন্য বলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপর বলবে যে, ১৯৯০ সাল পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণ তামাদি করার প্রস্তাব আসবে। তারপর বলবে যে, ২০০০ সাল পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণ তামাদি করার জন্য প্রেসার দিবে এবং তা পাশ করিয়ে নিবে। কারণ হিসেবে বলবে যে, বিংশ শতাব্দীর যত ঋণ আছে তা'কু ঋণ। তামাদি করে ২১(একুশ) শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে আমরা তৈরী। ২০০০ সালের ২৪ নভেম্বর: বাংলাদেশে ঋণ খেলাপী ১২,৮৩৮(বার হাজার আটশত আটত্রিশ) জন।

২০০০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর-বিশ্ব ব্যাংকের ঋণ মওকুফ সুবিধা হ'তে বাংলাদেশ বঞ্চিত।

২০০০ সালের ২৯ মে, পি. আই. বি. এম সেমিনারের তথ্য: বাংলাদেশের ৪২ শতাংশ ঋণই দেয়া হয়েছে মতিঝিলে।

২০০০ সালের ৩১ মে, বেসরকারী ঋণের ৮০ শতাংশই দেয়া হয়েছে মন্ত্রী, এম. পি ও শ্রমিক নেতাদের তদবীরে।

২০০০ সালের ১৩ জুন-এনজিও ঋণের আওতায় কতজন? ৮৭(সাতাশি) লক্ষ লোক এ ঋণের সুবিধা নিচ্ছে।

২০০০ সালের ১৫ অক্টোবর: বিশ্বব্যাংক ও আই. এল. ও.-এর ঋণ মওকুফ তালিকায় ৪০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের নাম নেই।

২০০০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর-বাংলাদেশী জনগণের মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ ৬(ছয়) হাজার টাকা।

২০০০ সালের ৫ নভেম্বর-২৩টি ব্যাংকের পরিচালক হয়ে নিজ নিজ ব্যাংক হ'তে ১৪৩ জন পরিচালক মাত্র ৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে ৭৮০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছেন।

২০০০ সালের ১৯ নভেম্বর, বিশ্বব্যাংক সূত্রে-বাংলাদেশে ১৯৭২ সাল হ'তে গত ২৭-বছরে বৈদেশিক সহায়তা ও ঋণ মোট ৩,৪৮০(তিন হাজার চারিশত আশি) কোটি ডলার।

২০০০ সালের ১৮ ডিসেম্বর-বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়াত্ত্ব খাতে ৪টি ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি ৯৩০(নয়শত ত্রিশ) কোটি টাকা। প্রভিশন ঘাটতি ৪,০৪১(চার হাজার একচল্লিশ) কোটি টাকা। ঋণ আদায় মামলার পরিমাণ ৫৭,৪৩৫(সাতান্ন হাজার চারিশত পয়ত্রিশ)টি।

২০০১ সালের ২৪ মে, বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য: বাংলাদেশ সুদ-আসলসহ প্রতিবছর ৬৫ কোটি ডলার বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করছে; ২০১৭ সাল নাগাদ বছরে সুদ-আসলে পরিশোধের পরিমাণ দাঁড়াবে ১৫০(একশত পঞ্চাশ কোটি) ডলার।

২০০১ সালের ৪ সেপ্টেম্বরের রিপোর্ট: স্বাধীনতার প্রতিফলন ঘটে নাই। ফলে ২২(বাইশ) পরিবার হইয়াছে-২,২০০(দুই হাজার দুইশত) পরিবার, মাত্র ২,১৩৭ জনের কাছেই রহিয়াছে-১২(বার) হাজার কোটি টাকা খেলাপী ঋণ।

০৯-০১-২০০৩ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. ইউনুস বলেন যে, দেশে প্রায় ১(এক) কোটি পরিবার ক্ষুদ্র ঋণের সুবিধা পাচ্ছে।

২০০৩ সালের ২১ জুনের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: এন.জি.ও.'র ঋণ নিয়েছে ১ কোটি ৯ লাখ নারী ও ১৮ লাখ পুরুষ। বাংলাদেশে এনজিওর সংখ্যা-১,৬৭৫টি। এরমধ্যে প্রায় ৬৮০টি সারা দেশে প্রায় ১.২৭(এক কোটি সাতাশ লাখ) সদস্যের মধ্যে ১৮,৭৩৫ (আঠার হাজার সাতশত পয়ত্রিশ) কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করেছে। তাদের ঋণ আদায়ের হার শতকরা ৯৭.১৭ ভাগ। বাংলাদেশ রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট কমিটি(র্বযাক) গঠিত হয়-১৯৭২ সালে ত্রাণ ক্রার্যক্রমের জন্য। প্রশিকা ১৯৭৬ সাল থেকে বহুমূখী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আশা দেশে-১৯৯২ সাল থেকে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।