২০০৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর, আমাদের সময়: খেতাবপ্রাপ্ত ও যুদ্ধাহত ১৬১৯ জন মুক্তিযোদ্ধাকে সচিবালয়ে ঢোকার অস্থায়ী পাস দেয়া হচ্ছে-খেতাবপ্রাপ্ত-১৪৪ মুক্তিযোদ্ধাও ১৪৭৫ জন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মান জানাতে তাদেরকে সচিবালয়ে ঢোকার অস্থায়ী পাস দেয়া হচ্ছে।

২০০৯ সালের ১৯ অক্টোবর, প্রথম আলো: মুক্তিযোদ্ধা সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের চাকরির বয়সসীমা ৬২ বছর করা হচ্ছে। বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা ২,৬৫৯ জন। এরমধ্যে নিয়মিত চাকরিতে আছেন ২,৫৩৯ জন, আর এলপিআরে আছেন ১২০ জন। মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অবঃ এ. বি. তাজুল ইসলাম এ ব্যাপারে প্রথম আলোকে বলেন।

২০০৯ সালের ২০ অক্টোবর, প্রথম আলো: মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত। মুক্তিযোদ্ধাদের চাকরির বয়স দুই বছর বাড়ল। মুক্তিযোদ্ধারা ৫৯ বছর পর্যন্ত চাকরি করতে পারবেন।

২০০৯ সালের ১০ নভেম্বর, প্রথম আলো: ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ মিত্রবাহিনীর সদস্যদের স্মরণে স্মৃতি কমপেস্নক্স গড়ার দাবি। মিত্রবাহিনীর প্রায় ১১ হাজার সদস্য শহীদ হন। পঙ্গু হয়ে যান আরও ৪,০৮৬ জন।

২০০৯ সালের ১৪ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: অবসরের বয়সসীমা বাড়ল মুক্তিযোদ্ধা চাকরিজীবীদের। গণকর্মচারী অবসর আইন সংশোধনী অধ্যাদেশ জারি ১৪ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী সুবিধা পাচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে এলপিআরে আছেন এমন ৮৩৪ জন কর্মকর্তাও এই সুবিধা পাবেন। নতুন আইন অনুযায়ী, মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তােদর প্রত্যায়নপত্র নিতে হবে মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে। মুক্তিযোদ্ধা চাকরিজীবীদের অবসরের বয়সসীমা হবে ৫৯ বছর।

২০০৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কত? এ পর্যন্ত পাঁচটি তালিকা হয়েছে। জোট আমলের তালিকায় দুই লাখ নাম। এখন যাচাই-বাছাই চলছে। আরও ৫৫ হাজার আবেদন পড়েছে। বিগত বিএনপি সরকারের আমলে গেজেটে নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, এ রকম অন্তত ৬০ হাজার নামের ব্যাপারে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে।

২০০৯ সালের ২৬ ডিসেম্বর, আমাদের সময় পত্রিকার সংবাদ: দেশে ৬২ হাজার ৫শত ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা পাওয়া গেছে: মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব.) এ. বি. তাজুল ইসলাম।

২০১০ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: সংসদে প্রশ্নোত্তরে সনদপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা-জবাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী এ.বি.তাজুল ইসলাম জানান, গেজেট অনুযায়ী ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ২৯৩৯ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হয়েছেন। আর মন্ত্রণালয়ের গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধারসংখ্যা এক লাখ ৮৯ হাজার ৮৯৯ জন, মুক্তিবার্তা অনুযায়ী এক লাখ ৮৬ হাজার ৭৯০ জন এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ পর্যন্ত সনদপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা এক লাখ ৪৬ হাজার ৭২৬ জন।

২০১০ সালের ১৫ মার্চ, প্রথম আলো: সংসদে প্রশ্নোত্তরে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন উপজেলাওয়ারি রাজাকারদের নাম তালিকা করে টাঙানো হবে।

২০১০ সালের ১০ মে, প্রথম আলো: ভারতে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের নথিপত্র ধ্বংস করা হয়েছে।

২০১০ সালের ২৫ জুন, প্রথম আলো: ভোটার তালিকা: নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, মুক্তিবার্তার তালিকা বা গেজেট যাঁদের নাম আছে, তারা সবাই নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন। দুই তালিকা মিলিয়ে মোট ভোটারসংখ্যা এক লাখ ৬২ হাজার ৩৫৫ জন। ২২-০৭-২০১০ তারিখ আমাদের সময়: গেজেটে মুক্তিযোদ্ধা ১ লাখ ৯৮ হাজার ৯০৫ জন। ২০০৯-২০১০ অর্থবছরে ১ লাখ ২৫ হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধাকে এক হাজার পাঁচশত টাকা করে সম্মানী ভাতা প্রদান করা হয়েছে। আর ২০১০-২০১১ অর্থবছরে এ ভাতার পরিমাণ প্রতি মাসে ২ হাজার টাকা এবং সংখ্যা ১ লাখ ৫০ হাজারে উন্নীত করা হয়েছে।

২০১০ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: ১৫-০৯-২০১০ তারিখ সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব.) এ. বি. তাজুল ইসলামের কাছ থেকে প্রয়াত শেখ কামাল ও শেখ জামালের বড় বোন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর দুই ভাইয়ের মুক্তিযোদ্ধা সনদ গ্রহণ করেন। অপরদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে সাংসদ ফজলে নূর তাপস তাঁর বাবা শেখ ফজলুল হক মনির এবং শেখ জালাল উদ্দিন রুবেল তাঁর বাবা শেখ আবু নাসেরের মুক্তিযোদ্ধা সনদ গ্রহণ করেন। তাঁদের মৃত্যুর ৩৫ বছর ১ মাস পর এ সনদ গ্রহণ করেন।

২০১০ সালের ২৮ অক্টোবর, প্রথম আলোঃ অভিষেক ও শপথ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী। মুক্তিযোদ্ধাদের সচ্ছলতা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক সহযোগিতা দেয়া হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতাভোগীদের সংখ্যা এক লাখ থেকে বাড়িয়ে দেড় লাখ করা হয়েছে। সরকারি চাকরিজীবী মুক্তিযোদ্ধাদের চাকরির বয়স দুই বছর বাড়ানো হয়েছে। যুদ্ধাহত ও মুক্তিযোদ্ধা সাত হাজার ৮৩৮টি পরিবারের সদস্যদের জন্য রেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যুদ্ধাহত ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জন্য পরিত্যক্ত বাড়ি দেয়া হচ্ছে। চাকরি ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের কোটা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

২০১০ সালের ১৪ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: মুক্তিযুদ্ধের সময়ের ২০০টি বধ্যভূমি সংরক্ষণ ও সেখানে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মােণর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সারা দেশে এসব স্মৃতিস্তম্ভ নির্মােণ ব্যয় হবে প্রায় ১০০ কোটি টাকা।

২০১০ সালের ১৫ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কত। মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ছিল এক লাখ ৫৪ হাজারের কিছু বেশি। জোট সরকারের আমলে গঠিত জাতীয় কমিটির অনুমোদিত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ছিল দুই লাখ ১০ হাজার ৫৮১ জন।

২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বর, দৈনিক আমাদের সময়: আমাকে বেঁধে যুদ্ধাপরাধীরা আমার বোনকে ধর্ষণ করে-মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী-নিজস্ব প্রতিবেদকঃ একাত্তরে যুদ্ধাপরাধীরা আমাকে বেঁধে আমার সামনে আমার বোনকে ধর্ষণ করেছিল। তাই আমিও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারপ্রার্থী। বর্তমান সরকারও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রুত করতে বদ্ধপরিকর। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে গতকাল (৩০-১২-২০১১ তারিখ) প্রজন্ম একাত্তর আয়োজিত 'যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও বর্তমান প্রেক্ষাপট' শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এ. বি. এম. তাজুল ইসলাম এসব কথা বলেন।

২০১২ সালের ২৫ মার্চ, প্রথম আলো: শহীদ যোদ্ধাদের ৫৭১টি কবর সংরক্ষণ হচ্ছে।

২০১২ সালের ২৫ মার্চ, প্রথম আলো: ২,৯৪৮ জন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পরিবারকে ভাতা দেওয়ার দাবি।

২০১২ সালের ২৬ জুন, প্রথম আলো: হাবিবুর রহমান মোল্লার প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এ. বি. তাজুল ইসলাম বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা গেজেট আকারে সরকারের কাছে সংরক্ষিত আছে। কিন্তু রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধীদের তালিকা সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি। খুলনায় রাজাকারদের যে সদর ছিল, সেখান থেকে পাওয়া তালিকা থেকে ৩০ হাজারের বেশি রাজাকার সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়।

২০১২ সালের ১৪ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: মুক্তিযোদ্ধাদের তথ্যভান্ডার উদ্বোধনের অপেক্ষায়। এক লাখ ৭৩ হাজার মুক্তিযোদ্ধার নাম ওয়েবসাইটে থাকবে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইটে এক লাখ ৭৬ হাজার ৪৩ জন মুক্তিযোদ্ধার নাম প্রকাশ করতে যাচ্ছে। এই তথ্যভান্ডার (ডেটাবেইস) উদ্বোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সময় চাওয়া হয়েছে। মহা বিজয় দিবসের আগে বা পরে যেকোনো দিন এটি উদ্বোধন করা হবে।

২০১২ সালের ১৪ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: বিজয়ের মাসে হরতালকারীরা দেশদ্রোহী: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন(অব.) এ.বি. তাজুল ইসলাস বলেছেন, যারা বিজয়ের মাসে হরতাল-অবরোধ কর্মসূচি দেয়; তারা দেশদ্রোহী। তাঁরা মুক্তযুদ্ধের বিজয়ে বিশ্বাস করে না। তিনি বেগম খালেদা জিয়ার নাম উল্লেখ না করে বলেন, ১৫ আগস্ট জাতির জনকের হত্যার দিন একজন নেত্রী জন্মদিন পালন করেন এবং বিজয় দিবসে হরতালের কর্মসূচি দেন।

২০১২ সালের ১৫ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: সরকার পরিবর্তন হলেই বেড়ে যায় মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা! স্বীকৃত মুক্তিযোদ্ধা দুই লাখ চার হাজার ৮০০ জন। নতুন আবেদন আছে আরও এক লাখ ৪০ হাজার।

২০১৩ সালের ১৪ জানুয়ারি, প্রথম আলো: মুক্তিযোদ্ধাদের খসড়া তালিকা প্রকাশ, চূড়ান্ত তালিকা এপ্রিলে। সরকার এক লাখ ৭৭ হাজার মুক্তিযোদ্ধার খসড়া তালিকার ডেটাবেইস তৈরি করেছে। এ তালিকা আগামী ৩০ মার্চ পর্যন্ত সংশোধন করা যাবে। এপ্রিল মাসে চূড়ান্ত ডেটাবেইস প্রকাশ করা হবে।

২০১৩ সালের ১২ মার্চ, প্রথম আলো: অনেক পত্র-পত্রিকা ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৭০ হাজার, ৮০ হাজার, এক লাখ ২০ হাজার, দেড় লাখ বলে উল্লেখ করা হয়। এ পর্যন্ত দুই লাখ চার হাজার ৮০০ জন মুক্তিযোদ্ধার নাম গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে। আর এক লাখ ৪০ হাজার জন তালিকায় নাম অন্তর্ভুিক্তর জন্য আবেদন করেছেন। নতুন আবেদনের বেশির ভাগই প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা। যাচাই-বাচাই করলে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা তিন লাখের মধ্যে থাকবে।

২০১৪ সালের ৯ মে, প্রথম আলো: ক্রেস্টের স্বর্ণের ১২ আনাই মিছে! সাবেক প্রতিমন্ত্রী দুই সচিবসহ ১৩ জন দায়ী। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন। দুই সরবরাহকারীর একজন সাবেক প্রতিমন্ত্রী তাজুল ইসলামের ভাগনে। তিনি সরবরাহ করেছেন ৬০টি ক্রেস্ট।

২০১৪ সালের ১০ মে, প্রথম আলো: সাত কোটি টাকা আত্মসাৎ। মুক্তিযুদ্ধের সম্মাননা স্মারক হিসেবে ৩৪৪টি ক্রেস্টে স্বর্ণ ও রুপা না দিয়ে মোট সাত কোটি তিন লাখ ৪৬ হাজার ২৮০ টাকা আত্মসাত করা হয়েছে। সম্মাননা ক্রেস্টের কাঠেও জালিয়াতি। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রি এ.বি. তাজুল ইসলাম, সাবেক সচিব মিজানুর রহমান এবং বর্তমান সচিব কে.এইচ. মাসুদ সিদ্দিককে দায়ী করেছে তদন্ত কমিটি।

২০১৪ সালের ২৮ মে, প্রথম আলো: তিন হাজার মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিল হচ্ছে।

২০১৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো : চার সচিবের মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিলের নথিতে সই। আরও ২৩৬৭ জনের মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিল।

১৯৭১ সাল থেকে এ যাবত যারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সেনাপ্রধান নিযুক্ত হয়েছেন তাঁদের মধ্যে ছিলেন:

ক্রমিকনামমেয়াদকাল
জেনারেল এম. এ. জি. ওসমানী(কমান্ডারইন-চীফ)১৯৭১-১৯৭২
কর্ণেল এম. এ. রব১৯৭১ সালের জুলাই-এপ্রিল, ১৯৭২
মেজর জেনারেল সফিউল্লাহএপ্রিল, ১৯৭২-আগস্ট, ১৯৭৫
লে. জেনারেল জিয়াউর রহমানআগস্ট, ১৯৭৫-নভেম্বর, ১৯৭৫
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালেদ মোশাররফ৩ নভেম্বর, ১৯৭৫-৭ নভেম্বর, ১৯৭৫
লে. জেনারেল জিয়াউর রহমান৭ নভেম্বর, ১৯৭৫-ডিসেম্বর, ১৯৭৮
লে. জেনারেল এইচ.এম. এরশাদডিসেম্বর, ১৯৭৮-অক্টোবর, ১৯৮৬
লে. জেনারেল আতিকুর রহমান১ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৬-নভেম্বর, ১৯৯০
লে. জেনারেল নূর উদ্দিন খাননভেম্বর, ১৯৯০ থেকে ১৯৯৪
লে. জেনারেল আবু সালেহ মুহাম্মদ নাসিম১৯৯৪ থেকে ১৯৯৬
লে. জেনারেল মাহবুবুর রহমান১৯৯৬ থেকে ২৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
জেনারেল মুস্তাফিজুর রহমান২৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৭-২৪ ডিসেম্বর,২০০০
লে. জেনারেল হারুণ-উর-রশিদ২৪ ডিসেম্বর,২০০০-১৬ জুন, ২০০২
লে. জেনারেল হাসান মশহুদ চৌধুরী১৬ জুন, ২০০২-১৫ জুন, ২০০৫
জেনারেল মউন উ আহমেদ১৫ জুন, ২০০৫-১৫ জুন, ২০০৯
জেনারেল মোহাম্মদ আব্দুল মুবীন চৌধুরী১৫ জুন, ২০০৯-২৫ জুন, ২০১২
জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়া২৬-০৬-২০১২ থেকে ২৫-০৬-২০১৫
জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক২৫-০৬-২০১৫ থেকে

২০০৫ সালের ১১ জুন, ইনকিলাব পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার: ইতিহাস সৃষ্টি করতে যাচ্ছেন মেজর জেনারেল মইন ইউ আহমেদ। মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন বাংলাদেশে স্থাপিত বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমী থেকে কমিশন প্রাপ্ত প্রথম কর্মকর্তা হিসাবে তিনি সেনাবাহিনী প্রধানের পদ অলংকৃত করেছেন। যেদিন করবেন সেদিন থেকে তিনি লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে পদোন্নতিও পাচ্ছেন। এ যাবত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যে ক'জন সেনাপ্রধান নিযুক্ত হয়েছেন তাদের সকলেই ছিলেন পাকিস্তান মিলিটারী একাডেমী-কাকুল থেকে পাক সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। জেনারেল মইনের নিয়োগ নিঃসন্দেহে সেই ধারাবাহিকতার অবসান ঘটিয়ে নতুন ধারা সৃষ্টি করেছে। শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমী'র যুগ। বলা যায় বিএমএ থেকে কমিশন প্রাপ্ত সকল অফিসারের জন্যই এটি একটি বড় ঘটনা।

১৯৭১ সালে সরকারি অধ্যাদেশের মাধ্যমে রাজাকার বাহিনী গঠিত হয়। গোলাম আযমের বিরুদ্ধে জেরায় মাহবুবউদ্দিন।

১৯৭১ সালের ১৫ মে, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী রাজাকার বাহিনী গঠিত হয়।

২০০৯ সালের ৭ মে, প্রথম আলো: হত্যা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ-৬৬ 'রাজাকারের' বিরুদ্ধে মামলা।

২০০৯ সালের ১২ মে, প্রথম আলো: 'যুদ্ধাপরাধী' ঘোষণার দাবিতে মামলা। গোলাম আযম, নিজামী, সাকা চৌধুরীসহ ৩৬ জনকে আগামী ২০ জুলাই আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

২০০৯ সালের ১২ মে, প্রথম আলো: একাত্তরে হত্যাহজ্ঞের অভিযোগ-সাত জেলায় ১১৬ 'রাজাকারের' বিরুদ্ধে মামলা।

২০০৯ সালের ১৩ মে, প্রথম আলো: একাত্তরে হত্যা ও ধর্ষেণর অভিযোগ-নাটোর, বাগেরহাট ও কিশোরগঞ্জে ৩৯ 'রাজাকারের' বিরুদ্ধে মামলা।

২০১০ সালের ২৬ মার্চ, প্রথম আলো: যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়া শুরু। স্বাধীনতার ৩৯তম বার্ষিকীতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ। ট্রাইব্যুনাল, আইনজীবী প্যানেল ও তদন্ত সংস্থা গঠন।

২০১০ সালের ২৬ মার্চ, প্রথম আলো: বেশির ভাগ জামায়াতের, দুজন বিএনপির। যুদ্ধাপরাধী হিসেবে প্রাথমিকভাবে ২৫ জনের বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছে কয়েকটি গোয়েন্দা সংস্থা। সরকারের গঠিত তদন্ত কমিটিকে সহায়তা করতেই মাসখানেক ধরে গোয়েন্দারা ওই সন্দেহভাজনদের অপরাধের ব্যাপারে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের কাজ করছেন বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছেন।

২০১০ সালের ৩ এপ্রিল, প্রথম আলো: মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার। তথ্য-উপাত্ত পেশ, তালিকায় নিজামী মুজাহিদ, সাকাসহ ১৭৭৫ জন।

২০১০ সালের ২০ মে, প্রথম আলো: মানবতাবিরোধী অপরাধ। তদন্ত কার্যক্রম শুরু চুকনগর থেকে। ডুমুরিয়া-উপজেলা (খুলনা) প্রতিনিধি।

২০১১ সালের ৪ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য গঠিত আন্তর্জািতক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে এর কার্যক্রম অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানিয়েছে বিএনপি।

২০১২ সালের ১২ জানুয়ারি, দৈনিক জনকন্ঠ: ট্রাইব্যুনালের ঐতিহাসিক আদেশ-গোলাম আযম গ্রেফতার।

২০১২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর, দৈনিক জনকন্ঠ: ১৯৭৩ সালের ৩১ অক্টোবর, পর্যন্ত এই অধ্যাদেশ বলে অভিযুক্ত করা হয়েছিল ৩৭,৪৭১ জনকে। মামলা নিষ্পত্তি হয়েছিল ২,৮৪৮ জনের। দন্ডপ্রাপ্ত হয়েছিল ৭৫২ জন।

১৯৭২ সালের ৫ জানুয়ারি, বাংলাদেশ বিমানের যাত্রা শুরু হয় এবং প্রথম আভ্যন্তরীণ ফ্লাইট ঢাকা-চট্টগ্রাম।

১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশ বিমান সংস্থা গঠিত হয় এবং বাংলাদেম বিমানের প্রথম ফ্লাইট ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে যাত্রা করে। ১৯৭৩ সালে ৮টি বিমান ছিল, ২০০৭ সালে বিমানের সংখ্যা হলো ১০টি।

১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি, ব্রিটেনসহ দশটি দেশ বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদান করে।

১৯৭২ সালের ৫ মার্চ, বাংলাদেশ বিমানের আন্তর্জািতক ফ্লাইট শুরু হয় ঢাকা-লন্ডন-ঢাকা।

১৯৯৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশে প্রথম বেসরকারি বিমান সংস্থার যাত্রী বহন শুরু।

২০০১ সালের ৩ জুন, অর্থনীতি সমিতির বাজেট সেমিনারের বক্তব্য: মিগ কেনা না হলে ২০ শতাংশ ফসল বেশি উৎপাদন করা যেত।