২০১৩ সালের ২৩ মার্চ, প্রথম আলো: ডেসটিনির প্রতারণা ৫ হাজার ১১৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ। আত্মসাৎ করা অর্থের হদিস বের করতে পারেনি বাংলাদেশ ব্যাংক।

২০১৩ সালের ২৪ মার্চ, প্রথম আলো: ২৪ দিনে ৩১৯টি মন্দির বাড়ি-দোকানে হামলা। ৩২ জেলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর সহিংসতা। হামলা. ভাঙচুর অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ২৬ মামলা। গ্রেফতার ১৮৯ জন।

২০১৪ সালের ২৩ জুন, জনকন্ঠ পত্রিকা : লাখো কন্ঠে সোনার বাংলা। গিনেস রেকর্ড সনদ প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর গত ২৬ মার্চ, ২০১৪ তারিখ মহান স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় প্যারেড স্কোয়ারে সর্বািধক দুই লাখ ৫৪ হাজার ৬৮১ জন একসঙ্গে জাতীয় সঙ্গীত 'সোনার বাংলা' গেয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়েন।

২০১৩ সালের ২৭ মার্চ, প্রথম আলো: হরতালের বলি পরিবহন খাত। পাঁচ মাসে ৪০০ বাস-ট্রাকে আগুন, ৩০০০ ভাঙচুর।

২০১৩ সালের ২৭ মার্চ, প্রথম আলো: নাশকতাকারীদের দেখামাত্র গুলি! মহাসড়ক-রেলপথ উন্মুক্ত রাখতে কঠোর ব্যবস্থা।

২০১৩ সালের ২৮ মার্চ, প্রথম আলো: রপ্তানির পরিবর্তে এবার চাল আমদানির চুক্তি। প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টন চাল ও দেড় লাখ টন গম আমদানি করা যাবে।

২০১৩ সালের ৩ এপ্রিল, বাংলাদেশ প্রতিদিন: 'মুক্তিযুদ্ধের পূর্বপর' বইয়ে আলোচিত বক্তব্যের জের। রাজনৈতিক নির্দেশ ছাড়াই মুক্তিযুদ্ধ শুর। জিয়ার ঘোষণা শোনার সঙ্গে সঙ্গে সারা দেশে ও বাইরে প্রচন্ড উদ্দীপনা। পদত্যাগের পথে পরিকল্পনা মন্ত্রী এ. কে. খন্দকার।

২০১৩ সালের ৩ এপ্রিল, বাংলাদেশ প্রতিদিন: বছরে সাড়ে চৌদ্ধ হাজার কোটি টাকা পাচার।

২০১৩ সালের ৭ এপ্রিল, দৈনিক জনকন্ঠ: খাদ্য গুদামের ধারণ ক্ষমতা ২০ লাখ টনে উন্নীত হচ্ছে-১৭০টি গুদাম নির্মাণ শেষ হবে চলতি বছর।

২০১৩ সালের ২০ এপ্রিল, বাংলাদেশ প্রতিদিন: ১৯৭১ সালের ২০ এপ্রিল, আমার জীবনের এক বিশেষ দিন। এই দিনে পাকিস্তানের তৎকালীন সামরিক সরকার সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, বেতার উপদেষ্টা আবদুল মান্নান, দি পিপল পত্রিকার সম্পাদক আবিদুর রহমান এবং আমাকে ২৬ এপ্রিল, সকাল ৮ টায় সামরিক আদালতে সশরীরে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করে। ১৯৭১-এর এই দিনে প্রকাশিত সব পত্রিকায় আমাদের পাঁচজনকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশটি সিঙ্গেল কলামে ছাপা হয়েছিল।

২০১৩ সালের ২৩ এপ্রিল, প্রথম আলো: অবশেষে শ্রম আইন সংশোধন করা হয়েছে। শ্রমিকদের ইউনিয়ন করাসংক্রান্ত বেশ কিছু সুবিধা দিয়ে গতকাল সোমবার (২২-০৪-২০১৩ তারিখ) শ্রম আইন, ২০০৬ সংশোধনের প্রস্তাব নীতিগতভাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকার। শ্রম আইন, ২০০৬ সংশোধনের প্রস্তাব নীতিগতভাবে অনুমোদন। ৫০ জন শ্রমিক থাকলেই ইউনিয়ন। ট্রেড ইউনিয়ন করতে মালিকপক্ষের অনুমতি লাগবে না।

২০১৩ সালের ২৩ এপ্রিল, প্রথম আলো: পোশাক বিতর্ক-সিদ্দিকুর রহমান খান। লুঙ্গি, জাতীয় সংসদ ও বারিধারা। ১৯৯১ সালের ১ আগস্টের দৈনিক বাংলার খবরে জানা যায়, ওই সময়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি জাতিসংঘের মহাসচিব পেরেজ দ্য কুয়েলারের সঙ্গে প্রথম দিনে লুঙ্গি ও পাঞ্জাবি পরে দেখা করতে গিয়েছিলেন। আর এখন দেশের ভিতরে বারিধারায় লুঙ্গি পড়া যাবে না বা লুঙ্গি পড়ে বারিধারা যাওয়া যাবে না।

২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল, সাভারের রানা প্লাজা ধসে ১১৩৫ জন শ্রমিকের প্রাণহানি। এক বছর পর (২০১৪ সালের ২৪ এপ্রিল) ক্ষতিপূরণের জন্য অপ্‌েক্ষা লজ্জার।

২০১৩ সালের ২৫ এপ্রিল, প্রথম আলো: ১৯৫০ সালে রাজশাহী জেলখানার খাপড়া ওয়ার্ডে উপমহাদেশের প্রথম জেল হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। তবে বর্তমান প্রজন্ম এ হত্যাকান্ড সম্পর্কে তেমন জানে না। রাষ্ট্র তাদের খাপড়া ওয়ার্ডের ইতিহাস জানানোর উদ্যোগ নেয়নি। সভায় আলোচকেরা খাপড়া ওয়ার্ডের ইতিহাস তুলে ধরেন। তাঁরা জানান, জেলখানার খাপড়া ওয়ার্ডে ৩৯ জন বিপস্নবীর মধ্যে সাতজন গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন। আহত ৩২ জনের মধ্যে ২৪-০৪-২০১৩ তারিখ পর্যন্ত মাত্র একজন বেঁচে আছেন। জেলাখানার রাজবন্ধী হিসেবে অন্য কয়েদিদের তুলনায় সুযোগ-সুবিধা বেশি পেতেন। বিপস্নবীরা জেলখানার এ বৈষম্য দূর করার সংগ্রামে নামেন।

২০১৩ সালের ১০ মে, প্রথম আলো: নওগাঁ জেলার পোড়শা উপজেলাতে শতবর্ষের আতিথেয়তা: দূর-দূরান্তের পথিকের রাত কাটানোর জন্য একসময় প্রচলন ছিল মুসাফিরখানার। সেখানে পথিকের জন্য থাকত থাকা আর খাওয়ার ব্যবস্থা। নওগাঁ জেলার পোরশায় এখনো টিকে আছে ১৯০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত তেমনই একটি মুসাফিরখানা। সেখানে রয়েছে বিনা মূল্যে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা। মুসাফিরখানার ইতিহাস জানতে চাইলে ম্যানেজার জানান, পরিচালনা কমিটির কোষাধ্যক্ষ জ্ঞানা হুজুর ভালো বলতে পারবেন। জ্ঞানা হুজুরের ভালো নাম শরিফ উদ্দিন শাহ। জ্ঞানী লোক বলে এলাকায় জ্ঞানা হুজুর নামেই তিনি পরিচিতি। তিনি পাশের আল জামিয়া আল-আরাবিয়া দারুল হেদায়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ। মাদ্রাসার ভেতরে ঢুকে মনে হলো, আমরা একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ঢুকেছি। জ্ঞানা হুজুর জানান, এটা তো বিশ্ববিদ্যালয়ই। আল-জামিয়া মানেই বিশ্ববিদ্যালয়। এটি পরিচালনার জন্য বছরে দুই কোটি টাকার দরকার পড়ে। মাদ্রাসার এক হাজার বিঘা জমি রয়েছে। তাতে হয় না। এলাকার লোকেরা সহযোগিতা করে, তাতেই চলে। এখানে আবাসিক ছাত্রই রয়েছে এক হাজার ১০০ জন। মুসাফিরখানা ঘুরে এসে লিখেছেন-আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ। জ্ঞানা হুজুর জানান ১৯০৮ সালে প্রতিষ্ঠিার পর দীর্ঘ ৮০ বছর মুসাফিরখানাটি মাটির ঘরই ছিল। ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠানের আয় দিয়েই এখনকার ভবনটি তৈরি করা হয়। এর নিচতলায় একাংশে মার্কেট। দোতালার একাংশ সম্প্রসারণ করে ওপরে কমিউনিটি সেন্টার করেছেন, তার নিচে গাড়ি পার্কিেয়র ব্যবস্থা করেছেন; বিদেশিরা এলেও সেখানেই গাড়ি রাখেন। নওগাঁ জেলা শহর থেকে ৬৪ কিলোমিটার পশ্চিমে এবং রাজশাহী থেকে ১০০ কিলোমিটার উত্তরে পোড়শা উপজেলা। ফারসি শব্দ পোরশা অর্থ পবিত্র ভূমি। খাদেম মোহাম্মদ শাহর পূর্বপুরুষেরা ইরান থেকে ধর্ম প্রচারের জন্য বহু বছর আগে এই গ্রামে এসেছিলেন। খাদেম মোহাম্মদ শাহর নাতির ছেলে নাজিব চৌধুরী জানান, এখানকার মাটি ও মানুষের সঙ্গে তাঁদের সখ্য হয়। তারা আর এই গ্রাম ছেড়ে যেতে পারেননি। ভালোবেসে গ্রামের নাম দেন পোরশা। গ্রামের নামে উপজেলার নাম হলেও থানা ও উপজেলা সদর এই গ্রাম থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে-নিতপুরে।

২০১৩ সালের ৪ জুন, দৈনিক জনকন্ঠ: ১৯৭১ সালের ৪ জুন, সাত ঘন্টায় ৪শ' বাঙালীকে জবাই করা হয় নাটোরে। ১৯৭১ সালের ৪ জুন, মুক্তিযদ্ধের ইতিহাসে নৃশংস ও জঘন্যতম অধ্যায়টি রচিত হয় নাটোরের ছাতনি গ্রামে। এমন নৃশংস ঘটনা বিশ্বের আর কোথাও ঘটেছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে নাটোরের গণমানুষের মনে। শুধু গুলি নয় হানাদার বাহিনীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় মাত্র সাত ঘন্টায় চারশ' মানুষকে স্রেফ জবাই করে হত্যা করে অবাঙালীরা। সেদিন ছিল বৃহস্পতিবার দিন। আজও তারা আত্মত্যাগের স্বকৃতি পায়নি, নির্মিত হয়নি স্মৃতিসোধ।

২০১৩ সালের ১৩ জুন, দৈনিক জনকন্ঠ: বাংলাদেশে গবাদি পশুর মধ্যে ছাগলের সংখ্যাই বেশি: পাঁচ কোটি ২৮ লাখ ৩৬ হাজার। এরমধ্যে (১) গরুর সংখ্যা-২ কোটি ৩১ লাখ ৯৫ হাজার। (২) মহিষের সংখ্যা-১৪ লাখ ৪২ হাজার। (৩) ছাগলের সংখ্যা-২ কোটি ৫১ লাখ ১৬ হাজার। (৪) ভেড়ার সংখ্যা-৩০ লাখ ৮২ হাজার।

২০১৩ সালের ১১ জুন, প্রথম আলো: নিস্পত্তির অপেক্ষায় সাড়ে ২৪ লাখ ৫৪ হাজার ৩৬০টি মামলা। এক বছরে যুক্ত হয়েছে তিন লাখের বেশি মামলা। ২০১১ সালের শেষে সব আদালত মিলিয়ে নিস্পত্তির অপেক্ষায় ছিল ২১ লাখ ৩২ হাজার ৪৬টি মামলা।

২০১৩ সালের ২১ জুন, প্রথম আলোর-অন্য আলো: ১৯৫২ সালে অনুষ্ঠিত সভায় আফ্রিকান ও আমেরিকানদের সঙ্গে হার্লেেমর বাঙালিরা। ঐ সভার ছবিটি দেয়া গেল না। ১৮৮০ সালের দিকে ইংল্যান্ড হয়ে আমেরিকায় আসতেন হাতে বোনা নানা জিনিসপত্র বিক্রি করতে। তাঁদের পরিচয় ছিল ফেরিওয়ালা। সেসব ফেরিওয়ালার কেউ কেউ দেশে ফিরে গেছেন, কিন্তু অধিকাংশই রয়ে গেছেন। নাবিক হিসেবে আসা অনেক বাঙালিও 'জাহাজ থেকে লাফিয়ে' ঢুকে পড়েন জনারণ্যে। হার্লেেমর বাঙালি-বাংলাদেশ ও পশ্চিম বাংলার বিভিন্ন জেলা থেকে তাঁদের পূর্বপুরুষেরা মার্কিন মুলুকে গিয়েছিলেন এক শ বা সোয়া শ বছর আগে। নানা পথ ঘুরে হাজির হয়েছেন নিউইয়র্কের হার্লেেম। আজ তাঁদের অনেকে পুরোদস্ত্তর আমেরিকান হলেও হৃদয়ে ধারণ করে আছেন। তাঁদের পূর্বপুরুষের দেশ। সম্প্রতি তাঁদের নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে একটি বই। তা নিয়ে লিখেছেন-হাসান ফেরদৌস। নিউইয়র্কে আড়াই দশক ধরে আছে, অথচ হার্লেেম এসেছি হাতে গোনা কয়েকবার। ম্যানহাটনের পশ্চিম ভাগে, আপার ওয়েস্ট সাইড ঘেঁষে একটি অংশজুড়ে এই উপশহর। একসময় হার্লেেমর পরিচয় ছিল কালো মানুষদের 'ঘেটো' হিসেবে। টম উলফের বিখ্যাত উপন্যাস বনফায়ার অব ভ্যানিটিস, যা পরে ব্রায়ান দে পালমা ফিল্ম বানিয়েছিলেন, তাতে হার্লেম ও দক্ষিণ ব্রঙ্কস-এই উপশহরের যে ছবি রয়েছে, তা নিউইয়র্কের কালো মানুষদের 'ঘেটো'র ব্যাপারে আমাদের ভীতিকে আরও বদ্ধমূল করেছে। সময় বদলেছে, শহরের মানচিত্র বদলেছে, কিন্তুু হার্লেম নিয়ে আমাদের মাথার ভেতরে যে বর্ণবাদী ছবিটি আঁকা আছে, তা কিন্তুু পুরোপুরি বদলায়নি। সেই হার্লেেমর সমবার্গ সেন্টারে গত ছয় এপ্রিল এক অনুষ্ঠানে এসে আমি হতবাক। হলভর্তি মানুষ, অধিকাংশই কালো আফ্রিকান-আমেরিকান। কিন্তু না, কালো মানুষ হলেও এরা সবাই বাঙালি। কিন্তুু আমি বলছি এমন এক সময়ের কথা, যখন সিলেট, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম বা সন্দ্বীপ থেকে আসা দলছুট মানুষ যে যেখানে পারে আশ্রয় নিয়েছে। ফিলাডেলফিয়া, বালটিমোর বা নিউ অরলিন্সের সমুদ্রবন্দর পেরিয়ে ঢুকে পড়েছে জনারণ্যে। পঞ্চাশ বা সত্তর বছর আমেরিকা ছিল সাদা ও কালোয় বিভক্ত এক দেশ। বাঙালিরাও কালো মানুষ, এই শহরের সাদা মানুষ তাদের স্বাগত জানাবে, তার সম্ভাবনা খুবই কম। ফলে সেই সব কালো মানুষ আশ্রয় পায় অন্য কালো মানুষের কাছে। কেউ ছোট খাটো দোকানদারিতে ভিড়ে যায়, কেউ কেউ গড়ে তুলে নিজের ব্যবসা। স্থানীয় কালোদের সঙ্গে মিলেমিশে তারা গড়ে তোলে নিজেদের জগৎ। হয় প্রেম, হয় বিবাহ। এখন দুই বা তিন প্রজন্ম পরে, সেই প্রথম আসা বাঙালিদের মধ্যে এখন কেউ বেঁচে নেই। রয়ে গেছে তাদের ছেলে মেয়ে, অথবা তারও পরবর্তী প্রজন্ম। ঠিক বাঙালি বলতে যা বুঝি-চেহারায়, ভাষায়, সাংস্কৃতি পরিচয়ে এদের ভেতর হঠাৎ করে বাঙালি হিসেবে সেসবের কিছু খোজ পাওয়া মুশকিল। তারপরও এরা বাঙালি। বুকের ভিতর পুষে রাখা পিতা ও পিতামোহের ছবিটি। কারো কারো পরিচয় এখনো ধরা আছে। বিবেক বলড নামের ভারতীয় বশোদ্ভুত লেখক ও অধ্যাপক সম্প্রতি আমাদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন হার্লেম নামের গ্রন্থে। এই আলাউদ্দিনের গল্প থেকেই বিবেক বলডের গবেষণার শুরু। একজন থেকে আরেকজন, তার থেকে আরেকজন, এভাবে একের পর এক বাঙালির খোঁজ পেয়ে তাঁদের গল্পটি লিখেছেন বেঙলি হার্লেম গ্রন্থে। পুরোনো যে বাঙালি অভিবাসীর কথা লিখেছেন বিবেক, তাঁর নাম ইব্রাহিম চৌধুরী। আশির দশকের শেষ মাথায় নিউইয়র্কে আসার পর তাঁর সঙ্গে আমারও পরিচয় হয়েছিল। সে সময় তিনি পরিণত বয়সের, তার পরও বাঙালি অভিবাসীদের নানা কাজে তাঁকে সব সময় পাওয়া যেত। প্রথম প্রথম যেসব বাঙালি এ দেশে বসতি গড়ার চেষ্টা করেন, তাঁদের অনেকেই বর্ণৈবষম্যের শিকার হয়েছিলেন। কেউ অনেক পথ ঘুরে অবশেষে হাজির হয়েছে মহানগর নিউইয়র্কে।ভতরেভ বেঙ্গলি হার্লেম বইয়ের প্রকাশনা উৎসবে হার্লেেমর বাঙালিরা। প্রথম আলোর পৃষ্ঠা থেকে মানুষের ছবি দেয়া গেল না।

২০১৩ সালের ৫ জুলাই, প্রথম আলোর অন্য আলো: দেড় শ বছর আগে বাঙালির অস্ট্রেলিয়া অভিযান। কলকাতা থেকে ছেড়ে আসা ওই জাহাজগুলোতে বিপুলসংখ্যক বাঙালি নাবিক যোগ দেন। সেই ১৮৬০ সাল থেকেই শুরু হয় বাঙালিদের অস্ট্রেলিয়া অভিবাসন। ১৯০৭ সালের ৩ ডিসেম্বর, আজাদ উল্লাহ নামের এক বাঙালি নাবিক তাঁর সহকর্মী আবদুল্লাহর হামলায় মারা যাওয়ার ঘটনাও ওই সময়টার অস্ট্রেলিয়ার পুলিশ বিভাগের নথিতে পকওয়া গেছে। ১৮৮২ সালে মেলবোর্নের রাস্তায় দরবেশ নামের একজন খুদে ব্যবসায়ী সম্পর্কেও তথ্য রয়েছে সেখানকার সিটি করপোরেশনের নথিতে। ১৮৯০ সালে ব্রিটিশ কলোনি পোর্ট হের্টল্যান্ডে আবদুল আজিজ নামের একজন বাঙালি পাচকেরও খোঁজ পান সামিয়া খাতুন। খাজা মোহাম্মদ বক্সের জবানীতে পাওয়া যায়, ১৯০৪ থেকে ১৯০৫ সালের মধ্যে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানকারী ৩০ জন বাঙালি কাপড় ব্যবসায়ীর দেখা পেয়েছেন, যাঁরা জাহাজ থেকে লাফ দিয়ে সাঁতার কেটে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন। তাঁরা পার্থ শহরের একটি ভবনকে মসজিদ হিসেবেও ব্যবহার করতেন। ৩১ বছর বয়সে পিএইচডি ডিগ্রি পাওয়া সামিয়া খাতুন অকপটে বলেন, 'এতদিন আমরা কোন কোন দেশের লোকেরা বাংলা অঞ্চলে এসেছিল, সেই ইতিহাস জানতাম। এখন আমরা খবর পাচ্ছি দক্ষিণ আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের অনেক দূরদূরান্তের দেশে বাঙালিরা দেড়-দুই শ বছর আগে থেকেই নিয়মিতভাবে যাতায়াত করত। সেই ইতিহাস ধীরে ধীরে উন্মোচিত হচ্ছে। বাঙালির সেই স্বর্ণময় ইতিহাসের পুরো দিক উন্মোচন করাই আমার আগমী দিনের কাজ হবে।'

২০১৩ সালের ৬ নভেম্বর, প্রথম আলো: সংসদে ৩০ হাজার প্রশ্নের জবাব।

২০১৩ সালের ১৪ নভেম্বর, প্রথম আলো: বাংলাদেশে ২০১০ সালে মোবাইল ব্যাংকিং শুরু হয়েছে। এখন মোবাইল ব্যাংকিং গ্রাহক এক কোটি দুই লাখ ৩৫ হাজার জন, গত এপ্রিল মাসে যা ছিল ৫০ লাখ। ২৮টি ব্যাংককে এ সেবা দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে ১৯টি ব্যাংক কাজ শুরু করেছে।

২০১৩ সালের ১৪ নভেম্বর, প্রথম আলো: বিয়ানীবাজারে শিক্ষামন্ত্রী-মন্ত্রী হয়ে বুঝেছি দুর্নীিত বন্ধ করা কত কঠিন কাজ। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, বিএনপি সরকারের আমলে শিক্ষামন্ত্রণালয়ে ৩৯ ভাগ নুর্নীিত ছিল। আমরা সেই দুর্নীিত কমিয়ে ১২ ভাগে এনেছি। তবে শূন্য ভাগে আনতে পারিনি।

২০১৩ সালের ১৪ নভেম্বর, প্রথম আলো: প্রধানমন্ত্রীর আহবান মানলেন মালিকেরা-পোশাকশ্রমিকেরা ৫,৩০০/- টাকাই মুজরি পাচ্ছেন।

২০১৩ সালের ১৮ নভেম্বর, দৈনিক জনকন্ঠ: পটুয়াখালীতে দেশের তৃতীয় সমুদ্রবন্দর হচ্ছে 'পায়রা' প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করবেন।

২০১৩ সালের ২০ নভেম্বর, প্রথম আলো: ৪২ সাধারণ বিমা, ১৭টি জীবন বিমা, একটি বিদেশী জীবন বিমা নিয়ে বর্তমান বিমা খাত। ২০১৩ জুলাইয়ে প্রথম দফায় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মন্ত্রী, সাংসদ ও নেতাকে ১১টি বিমা কোম্পানীর লাইসেন্স দেওয়া হয়। দু'দফায় দেয়া হয়েছিল-১৬টি মানে ১১+৫=মোট ১৬টি। আরো ৫টি বিমা কোম্পানির লাইসেন্স দেয়া হলো। এখন ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর, ৮১টি বিমা কোম্পানি আছে বাংলাদেশে।

২০১৩ সালের ১ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: বিশ্বে কার্বন দূষণের জন্য ৯০ কোম্পানি দায়ী-এর ৪০ শতাংশই যুক্তরাষ্ট্রের।

২০১৪ সালের ১ জানুয়ারি, প্রথম আলো: গত বছর ২০১৩ সালে রাজনৈতিক সংঘাতে নিহত ৫০৭ জন। চরম উদ্বেগের বছর ২০১৩।

২০১৪ সালের ৬ মে, দৈনিক জনকন্ঠ: ১২ বছর ৪ মাসে সারাদেশে অপহরণের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ১০ হাজার। এর মেধ্য সবচেয়ে বেশি অপহরণের ঘটনা ঘটেছে ২০০২ সালে ১ হাজার ৪০টি। সবচেয়ে কম ২০০৬ সালে ৭০০শ ২২টি। অপহরণের দিক থেকে সবচেয়ে বিপদজ্জনক ঢাকা শহর। এই মহানগরে অপহরণের ঘটনা সবচেয়ে বেশি। ২০১৩ সালে দেশে অপহরণের মধ্যে ১৬৫টি রাজধানীতে।