তাুিরখ৯৭ বছর ৪ মাস ২৪ দিন বেঁচেছিলেন
১৯৭৩ সালেদরিকান্দি গ্রামের জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়াউনি দীর্ঘ সময়
বাঞ্ছারামপুর থানাবাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দের ১
কল্যাণ সমিতিরমার্চ, ১৬নং লেক সার্কাস, কলাবাগান, উত্তর ধানমন্ডিতে অবসর জীবন এবং গবেষণামূলক
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিইতিহাস ও বাংলার প্রাচীন প্রত্নতত্ত রচনা করে সময় কাটাচ্ছেনউনার জন্ম-০১-১০-১৯১৮
তারিখ, মৃত্যু-২৪-০২-২০১৬ তাুিরখ৯৭ বছর ৪ মাস ২৪ দিন বেঁচেছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাদূর্গারামপুর গ্রামের কৃষি বিজ্ঞানী ডক্টর আবদুল আলীম, তাঁর পিতার নামে আমিনুদ্দিন
কল্যাণ সমিতির স্থায়ীমুনশি বৃত্তি নামে ১০(দশ) হাজার টাকা দান করেন এবং পরে তিনি আরো টাকা দান
বৃত্তি তহবিলে যাঁরাকরে-মোট ৫০(পঞ্চাশ) হাজার টাকাএরপর দরিয়াদৌলত গ্রামের আলহাজ্জ মোঃ আমিনূল
প্রথম দান করেছেনইসলাম (মানিক মিঞার)-স্ত্রীর নামে জাহানারা ইসলাম বৃত্তি নামে ১০(দশ) হাজার টাকা
দান করেনএভাবে ২৩-০১-২০১০ তারিখ এসে বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির ট্রাষ্ট
ফান্ডের টাকার পরিমাণ হয়েছে প্রায়-১৯,৪৩,৮৬৪(উনিশ লাখ তেতাল্লিশ হাজার আটশত
চৌসট্টি) টাকা এবং ব্যক্তির সংখ্যা হলো-১০৪ জন
পাকিস্তান আমলেবড়কান্দি গ্রামের জনাব আবদুল খালেক, পাকিস্তান মিলিটারী একাউন্টস সার্ভিেস
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর(পি.এন.এ.এস.)-এ যোগদান করেন ও পরবর্তীেত ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে করাচি সিটি টেক্সেসন
মধ্যে বাঙ্গালী দরদীকমিশনার নিযুক্ত হন এবং ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তান জুট ট্রেডিং কপোের্রশনে সদস্য
অফিসার কাকে বলা হতপদে চাকুরীরত অবস্থায় ১৪-১২-১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে শহীদ হনশহীদ আবদুল খালেক
কলাকান্দি এইচ. কে. আসমাতুননেসা উচ্চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেনউনার জন্ম-১৯২২
সালে, মৃত্যু-১৪-১২-১৯৭১ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীরভেলানগর গ্রামের জনাব মুস-লেহ-উদ-দীন আহমদ (মানিক মিঞা), সচিব (অবঃ)উনি
মধ্যে প্রথম সচিব ছিলেনপাকিস্তান ট্যাক্সেশন সার্ভিেসর সদস্য ছিলেনউনার জন্ম-১৯২৭ সালে,
মৃত্যু-১০-০৯-২০১২ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমভেলানগর গ্রামের জনাব মুস-লেহ-উদ-দীন আহমেদ, ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকার
প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেনগুলশানে নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমআইয়ূবপুর গ্রামের জনাব মোঃ আজিজুল হক, ১৯৬২ সালের সি.এস.পি.
সি.এস.পি. ছিলেনউনি সচিব হয়ে অবসর গ্রহণ করেনউনার জন্ম-১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয়ফরদাবাদ গ্রামের জনাব সৈয়দ আহমদ, ১৯৬৩ সালে সি.এস.পি. ছিলেন
সি.এস.পি. ছিলেনউনি মন্ত্রী পরিষদ সচিব থেকে অবসর গ্রহণ করেনউনার জন্ম-১৯৩৭ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে একজনওনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে জনাব মনজুরে
সচিব পদে নেইমাওলার অবসরের পর ৩০-০৬-২০০৭ তারিখ পর্যন্ত সচিব পদে বাঞ্ছারামপুর
থানাবাসীর মধ্যে একজনও ছিল না
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীরমানিকপুর গ্রামের জনাব মোঃ আবদুল আউয়াল, পি.এস.সি. (অব.)উনি ১৯৪৯
মধ্যে প্রথম সি.এস.এস.সালের সি.এস.এস. প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে পাকিস্তান পুলিশ সার্ভিেস
থেকে পি.এস.সি.যোগদান করেন ও ডি.আই.জি., বি.আর.টি.সি'র চেয়ারম্যান এবং পাবলিক সার্ভিস
হয়েছিলেনকমিশনের সদস্য ছিলেনউনার জন্ম-১৯২০ সালে, মৃত্যু-০৭-০৮-১৯৮৫ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীরবাড়াইল(বাহেরচর) গ্রামের মেজর (অব.) এম. এ. খালেক, পি.এস.সি.উনি
মধ্যে (বাংলাদেশ আমলে)সেনাবাহিনী থেকে ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দে অবসর গ্রহণ করে, ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ পুলিশ
প্রথম পুলিশ বিভাগেসার্ভিেস যোগদান করে অতিরিক্ত মহা পুলিশ পরিদর্শক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন এবং অবঃ
সর্বোচ্চ কর্মকর্তা ছিলেনগ্রহণ করে-তিনি ১ অক্টোবর, ২০০১ খ্রিষ্টাব্দে (ব্রাহ্মণবাড়িয়া -৬ আসনে) জাতীয়
সংসদ-সদস্য নির্বািচত হয়েছেনউনার জন্ম-১৯৩৮ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমহায়দরনগর গ্রামের মোহাম্মদ হোসেন, ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দে ই.পি.সি.এস.
ই.পি.সি.এস. ছিলেনহয়েছিলেনতিনি মহা-পরিচালক(বি.আই.এম.) থেকে অবসর গ্রহণ করেন
জন্ম-১৯৩১ সালে, মৃত্যু-১৯৯৪ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয়খাল্লা গ্রামের মফিজ-উদ-দীন শিকদার, ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দের ই.পি.সি.এস.
ই.পি.সি.এস. ছিলেনহয়েছিলেনউনি অতিরিক্ত সচিব হিসেবে অবসর গ্রহণ করেনউনার
জন্ম-১৯৩৬ সালে, মৃত্যু-২৯-০৫-২০০১ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদশদনা গ্রামের মোঃ সিরাজুল ইসলাম (সিরাজ), যুগ্ম-সচিব পদ থেকে
দু'জন ১৯৭৩ সালে বি.সি.এস.অবসর গ্রহণ করেনউনার জন্ম-১৯৪৩ সালেজনাব সিরাজ ভাই ১৯৭৩ সালের
মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেনবি.সি.এস. পরীক্ষায় ৪২০ জনের মধ্যে ১০ম স্থান অধিকার করেন এবং খাল্লা
গ্রামের মোঃ আমিরুল করিম (মাওলা ভাই), যুগ্ম-সচিবের পদ থেকে
অবসর গ্রহণ করেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিয়াদৌলত গ্রামের মোঃ শফিকুল ইসলাম (মোমেন) ও তাঁরই ছোট ভাই
কোন গ্রামের ২(দুই) ভাই ১৯৮১মোঃ মাহমুদুল করিম (মজনু)তাঁরা উভয়েই যুগ্ম-সচিব হিসেবে কর্মরত
সালে বি.সি.এস. পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ছিলেন২৭-১১-২০০৫ তারিখ মোঃ শফিকুল ইসলাম (মোমেন), অতিরিক্তি
সচিব হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেনউনার জন্ম-১৯৪৯ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে একমাত্রদরিয়াদৌলত গ্রামের জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম (মোমেন), অতিরিক্ত
সচিবসচিব-এর পদ থেকে ১৮-০৯-২০০৭ তারিখ সচিব পদে উন্নতি লাভ করেন এবং
১৫-০২-২০০৮ সাল থেকে এল.পি.আর.-এ যান
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদরিয়াদৌলত গ্রামের জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম (মোমেন), ১৫-০২-২০০৮
(১৬-০২-২০০৮ তারিখের পর) একজনওতারিখ থেকে এল.পি.আর.-এ চলে গেছেন এবং ১৫-০২-২০০৯ তারিখ থেকে
সচিব পদে বহাল নেইতাঁর অবসর সময়
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিয়াদৌলত গ্রামের মরহুম মৌলভী গোলাম মোস্তফা খন্দকার-এর মেয়ে
কোন গ্রামের মহিলা ১৯৮৩ খ্রিষ্টাব্দেমিসেস ছামেনা বেগম, যুগ্ম-সচিব (পর্যটন করপোের্রশন)
বি.সি.এস. পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমভেলানগর গ্রামের দক্ষিণপাড়ার অধীবাসী অধ্যাপক ও ভাষা বিশেষজ্ঞ
ভাষা বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিতি লাভমুহি-উদ-দীন আহমদউনার জন্ম-১৯২০ সালে,মৃত্যু-১৩-১২-১৯৯৬ তারিখ
করে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমভেলানগর গ্রামের উত্তরপাড়ার অধীবাসী বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক
অর্থনীতিবিদ হিসেবে পরিচিতি লাভআবদুল আজীজ খানউনার জন্ম-১৯২০, মৃত্যু-১৭-০৭-১৯৮৩ তারিখ
করে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমবাখরনগর গ্রামের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক কাজী আম্বর আলী,
স্কুল শিক্ষক হিসেবে জাতীয় পুরস্কারবি.এ., বি.এল., বি.টি. আলীগরতিনি শিক্ষকতার জন্য পূর্ব-পকিস্তানের
পানশ্রেষ্ঠ শিক্ষকের জাতীয় পুরস্কার পান ও ২১ মরনোত্তর পদকও লাভ করেন
উনার জন্ম-১৯০৩ সালে, আজিমপুরে মৃত্যু-১২-১২-১৯৯৪ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমউলুকান্দি গ্রামের অধীবাসী অধ্যাপক নোমান, এম. এ. (ইংরেজী), ঢাকা
কলেজ শিক্ষক হিসেবে জাতীয় পুরস্কারবিশ্ববিদ্যালয়শিক্ষাবিদ নোমানকে ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তান সরকার
পানশ্রেষ্ঠ ইংরেজী শিক্ষক হিসেবে খেতাব প্রদান করেন এবং তিনি ১৯৯৪ সালে
জাতীয় ২১ পদকও লাভ করেনউনার জন্ম-১৯২৫ সালে, মৃত্যু-০৩-০৯-১৯৯৬
তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমমরিচাকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মিজানুর রহমান-নবীনগর উচ্চ
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনেবিদ্যালয় হতে ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ৭ম স্থান অধিকার
ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ৭ম স্থানকরেনউনার জন্ম-১৮৯৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর, মৃত্যু-১৫-০৮-১৯৮১
অধিকারতারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেকৃঞ্চনগর গ্রামের অধিবাসী ডা. মোঃ ইয়াকুব আলী ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনেউজানচর কে. এন. উচ্চ বিদ্যালয় হতে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৩তম স্থান
ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৩তম স্থানঅধিকার করেনউনার জন্ম-১৯০৩ সালে, মৃত্যু-০৩-০২-২০০০ তারিখ
অধিকার
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ১০মদরিকান্দি গ্রামের জনাব আ.কা.মো. যাকারিয়া-১৯৪১ সালে ঢাকা কলেজ
স্থান (ঢাকা বোর্ডে)হতে আই.এ. পরীক্ষায় ১১তম স্থান অধিকার করেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেভেলানগর গ্রামের অধীবাসী অধ্যাপক ডক্টর মোয়াজ্জেম-উল-হক (মামুন),
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১ম১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ হতে আই. এ. পরীক্ষায় ১ম
স্থান অধিকারস্থান অধিকার করেন এবং একই ব্যক্তি ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৯৪৩
খ্রিষ্টাব্দে ৪র্থ স্থান অধিকার করেনউনার জন্ম-১৯২৫ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমভেলানগর গ্রামের অধীবাসী অধ্যাপক ডক্টর মোয়াজ্জেম-উল-হক (মামুন)
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতিমামুনের পরিচয় হলো বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম প্রফেসর মোহাম্মদ
বিভাগের অধ্যাপক ছিলেনসানাউল্লাহর ছেলে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেবাহেরচর গ্রামের অধিবাসী অধ্যাপক ড. মোঃ তাহেরুল ইসলাম, ১৯৫০
পূর্ব-বাংলা বোর্ডে ১৬তম স্থানসালে উজানচর কে. এন. উচ্চ বিদ্যালয় হতে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৬তম
অধিকার করেনস্থান অধিকার করেনউনার জন্ম-১৯৩১ সালে, মৃত্যু-০২-০৭-১৯৯৩ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেরূপসদী-খানেপাড়ার অধিবাসী অধ্যাপক ড. অমরেশ চন্দ্র দাস, ১৯৫৭ সালে
পূর্ব-পাকিস্তান বোর্ডে ৮ম স্থানরূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয় হতে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ৮ম স্থান
অধিকার করেনঅধিকার করেনতিনি হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক
ছিলেনউনার জন্ম-১৯৩৯ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী প্রকৌশলী মোঃ মমিনুল হক (খোকন),
কুমিল্লা বোর্ডে ৩য় স্থান অধিকার১৯৬৩ সালে সিলেট সরকারী স্কুল হতে এস.এস.সি. পরীক্ষায় ৩য় স্থান
করেনঅধিকার করেনউনার জন্ম-১৯৪৫ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেরূপসদী গ্রামের উত্তরপাড়ার মোঃ ফরিদউদ্দিন আহমেদ, ১৯৭৩ সালে রূপসদী
কুমিল্লা বোর্ডে ১৮তম স্থান অধিকারবৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয় হতে এস.এস.সি. পরীক্ষায় মেধা তালিকায় ১৮তম
করেনস্থান অধিকার করেতাঁর জন্ম-১৯৫৫ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদশদনা গ্রামের শাফিউন নাহিন শিমুল, ১৯৯৬ সালে বাঞ্ছারামপুর এস. এম.
কুমিল্লা বোর্ডে ১ম স্থান অধিকারপাইলট উচ্চ বিদ্যালয় হতে এস.এস.সি. পরীক্ষায় মেধা তালিকায় প্রথম স্থান
করেন (সমাজবিজ্ঞান বিভাগে)অধিকার করেতার জন্ম-১৯৭৮ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেবাখরনগর গ্রামের অধিবাসী জনাব আবু সাঈদ মুহাম্মদ শহীদতিনি ১৯৬০
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার ছিলেনসালে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন১৯৬৬ সালে এম.এস. করেন এবং
আমেরিকা ম্যানচেষ্টার থেকে ডাবল ফেলোশীপ লাভ করেনউনার জন্ম-১৯৩৭
সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্বভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব খোশাল দিওয়ানউনি বলদাখাল বা
প্রথম সরকারী কর্মকর্তাবরদাখাতের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ছিলেনউনার জন্ম-১৭৬৫ সালে,
মৃত্যু-০৫-০১-১৮৪৪ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্বভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব খোশাল দিওয়ানের ছোট ভাই মুন্সেফ
প্রথম বিচার বিভাগে ছিলেনহোসাইন-উদ-দীন মুনশিউনার জন্ম-১৭৮৫ সালে, মৃত্যু-১৮৫৭ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্বভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়িতেখোশাল দিওয়ান স্কুলটি প্রতিষ্ঠা
প্রথম কোন গ্রামে পারিবারিক স্কুলকরেন
প্রতিষ্ঠিত
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্বরূপসদী গ্রামের অধিবাসী দারোগা আমির-উদ-দীনঢাকার বাদামতলিতে
প্রথম পুলিশ বিভাগে ছিলেনতাঁর নির্মিত পাঁকা মসজিদ ও মাদ্রাসা আছে এবং তিনি প্রচুর অর্থের
মালিক ছিলেনউনার জন্ম-১৭৮৯ সালে, মৃত্যু-১৮৬২ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথমরূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীনের বাড়ির মসজিদটিবর্তমানে
পাঁকা মসজিদ কোনটিখান সাহেব মৌঃ তুজাম্মেল আলী ওরফে মোঘল মিঞা (সাব-বাড়ি)
হিসেবে পরিচিতি লাভ করে
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথমরূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীনের বাড়িটিকে সাব-বাড়ি বলা
সাব-বাড়ী কোনটিহয়
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথমখাল্লা গ্রামের দারোগা নযম-উদ-দীন সাহেবের নামানুসারেই (খাল্লা
দারোগা বাড়ী কোনটিদারোগা বাড়ির) নামকরণ করা হয়
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথমভেলানগর গ্রামের দিওয়ানবাড়ির আবদুল্লাহ ডিপুটির বড় ছেলে ড.
শিক্ষা বিভাগে সর্বোচ্চ পদে ছিলেনমাহমুদউনি ডি.পি.আই. হয়েছিলেন (পশ্চিমবাংলা, ভারত)১৯৪৭ সালে
দেশ-বিভাগের পর ভারতেই থেকে যানউনার জন্ম-১৯১৪ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথমভেলানগর গ্রামের দিওয়ানবাড়ির আবদুল্লাহ ডিপুটির দ্বিতীয় ছেলে
পুলিশ বিভাগে সর্বোচ্চ পদে ছিলেনমোহাম্মদ মাসুদ (গেদু মিঞা)উনি আই.জি.পি. হয়েছিলেন
(পশ্চিমবাংলা, ভারত) এবং ১৯৪৭ সালে দেশ-বিভাগের পর ভারতেই থেকে
যানউনার জন্ম-১৯১৬ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথমরূপসদী গ্রামের অধিবাসী ও ঢাকা শহরের বাদামতলিতে বসবাসকারী
স্থানীয় জমিদার ছিলেনদারোগা আমির-উদ-দীন
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথমভেলানগর বড়বাড়ির মুনশি মুহাম্মদ হায়দর আলীউনার জন্ম-১৮৫৮ সালের
নায়েব ছিলেন৩১ ডিসেম্বর, মৃত্যু-৩০-০৬-১৯২৫ তারিখহায়দর আলী হলো নিবন্ধকার
মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর দাদা
বাঞ্ছারামপুর থানারনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর), ভেলানগর বড়বাড়ির বংশ পরিচিতি ও
মধ্যে প্রথম ব্যক্তিদেশ-বিদেশের তথ্য-বইয়ের জন্য নয়১৭৮০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ২০০২ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ভেলানগর
ভেলানগর বড়বাড়ির বংশবড়বাড়ির বংশ পরিচিতি (১০ম পুরুষের বাস ভেলানগর গ্রামে) এ ধরণের কাজ
পরিচিতি ওবাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে আর কে করেছেন আমার জানা নেই২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের ৫
দেশ-বিদেশের তথ্যেরঅঅগষ্টের তথ্য অনুসারে, এ পর্যন্ত ভেলানগর বড়বাড়ির বংশে জন্ম হয়েছে-২,০৭৯ জন,
লেখক (১৭৮০ থেকে ২০০২মৃত্যুবরণ করেছে-৬৮০ জন এবং জীবিত আছে-১,৩৯৯ জনঅঅর ৮৯ জন স্ত্রী তালামক
খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত)হয়েছে=১,৩১০ জন জীবীত মানুষবিদেশ, ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য শহরসহ ভেলানগর
বড়বাড়ির লোক বাস করে-৫০৯ জনের মধ্যে একমাত্র বিদেশে চাকুরী ও বসবাস করে ১৬৫