ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের এবং বিদেশবিদেশ ও শহরসহ পরিবারের সংখ্যা হলো ৮০(আশি হাজার)টি
ও শহরসহ পরিবারের সংখ্যা কত
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টিবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে পরিবারের
ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যেসংখ্যা হলো ৬০(ষাট হাজার)
উপজেলার কয়টি পরিবার শহর ও২০(বিশ হাজার)টি পরিবার বাস করে
বিদেশে বাস করে
১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে ২০(বিশ
কয়টি কৃষক পরিবারহাজার) কৃষক পরিবার আছে
১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে ২,০০০(দুই
কয়টি নির্মাণ শ্রমিক পরিবার আছেহাজার) নির্মাণ শ্রমিক পরিবার আছে
১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে ২,০০০(দুই
কয়টি রিকসা শ্রমিক পরিবার আছেহাজার) রিকসা, সিএনজি,অটো ও মাইক্রো শ্রমিক পরিবার আছে
১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে ১,২০০(এক
কয়টি মৎস্যজীবি পরিবার আছেহাজার দুইশত) মৎস্যজীবি পরিবার আছে
১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রাম-শহর ও বিদেশসহ
কয়টি চাকরিজীবি পরিবার আছে২০(বিশ) হাজার চাকরিজীবি পরিবার আছে
১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রাম-শহর ও বিদেশসহ
কয়টি ব্যবসায়ী পরিবার আছে১০(দশ) হাজার ব্যবসায়ী পরিবার আছে
১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের ২০,০০০(বিশ
কয়টি পরিবার বিদেশী টাকার উপরহাজার)টি পরিবার বিদেশী টাকার উপর নির্ভরশীল আছে
নির্ভরশীল
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে শতকরা ৭০
কত লোক অপুষ্টিতেভাগ লোক অপুষ্টিতে ভোগে
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে শতকরা ৭০
কতভাগ লোক দারিদ্রসীমার নীচে বাসভাগ লোক দারিদ্রসীমার নীচে বাস করেসরকারী হিসেব অনুসারে যারা
গ্রামে বাস করে তাদের প্রতিজনের মাসিক আয়-৬০০/-টাকা এবং যারা
শহরে বাস করে তাদের মধ্যে প্রতিজনের মাসিক আয়-৯০০/-টাকা খরচ করে
তারাও দারিদ্রসীমার নীচে বাস করে
বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় কতজন মানুষবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং যারা
অনাহারে রাত কাটায়শহরে বাস করে তাদেরসহ ২০(বিশ) হাজার মানুষ অনাহারে রাত কাটায়
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক ডায়াবেটিক রোগেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৫ ভাগ
আক্রান্তমানুষ ডায়াবেটিক রোগে আক্রান্ত
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক উচ্চ রক্তচাপের শিকারবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ১৫ ভাগ
মানুষ
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক নিম্ন রক্তচাপের শিকারবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ২৫ ভাগ
মানুষ
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক আয়োডিন সমস্যায়বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ০৫ ভাগ
ভূগছেমানুষ আয়োডিন সমস্যায় ভূগছে
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক মাদকাসক্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৩ ভাগ
মানুষ
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক প্রতিবন্ধীবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৪ ভাগ
মানুষ
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক গলগন্ড রোগে ভুগছেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৫ ভাগ
মানুষ
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক এ্যাজমা রোগীবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৫ ভাগ
মানুষ
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ ৫ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাঁদেরসহ শতকরা ১০ ভাগ (৫
কোন না কোন অর্থৈনতিক কর্মকান্ডেথেকে ১৫) বছর বয়সী শিশু কোন না কোন অর্থৈনতিক কর্মকান্ডে জড়িত
জড়িত রয়েছেআছে
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক আশ্রয়হীনবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ১০ ভাগ
মানুষ
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক ধনুষ্টঙ্কারে মারা যায়বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ০.৫ ভাগ
মানুষ
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক ধুমপানের কারণে মারাবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ১০ ভাগ
যায়মানুষ
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক মৃগী রোগীবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ০.৫ ভাগ
মানুষ
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক কুষ্ঠ রোগীবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ০.৫ ভাগ
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোক নদী-নালাবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি
ও পুকুরের পানি ব্যবহার করেগ্রামের মধ্যে শতকরা ১০ ভাগ মানুষ
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং
প্রতিজন লোক কি পরিমাণ জ্বালানিবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ প্রতিজন মানুষ ৭০
ব্যবহার করেকেজি জ্বালানি ব্যবহার করে
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক উপযুক্ত স্বাস্থ্য সেবারবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৮০ ভাগ
সুযোগ পাচ্ছে নামানুষ
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক এম. বি. বি. এস.বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ২০ ভাগ
ডাক্তারের চিকিৎসা নিতে পারেমানুষ এম.বি.বি.এস. ডাক্তারের চিকিৎসা নিতে পারে
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং
যাবতীয় কাজের কতভাগ মহিলারা করেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৬৩ ভাগ কাজ
করে মহিলারা
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং
যাবতীয় কাজের কতভাগ পুরুষরা করেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৩৭ ভাগ কাজ
করে পুরুষরা
২০১৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কতভাগবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং
লোক বিভিন্ন রোগের কারণে কানেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ১০ ভাগ
কম শোনেলোক কানে কম শোনে
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক যক্ষায় আক্রান্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৩০ ভাগ
মানুষ যক্ষায় আক্রান্ত
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক মানসিক রোগীবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ প্রাপ্তবয়স্কদের ১৬
শতাংশ মানসিক রোগীজরিফের ফলাফলে বলা হচ্ছে ১৯ শতাংশ নারী এবং
১৩ শতাংশ পুরুষ
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বরবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর
পর্যন্ত ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম ও ৮মউপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ ৮ম পুরুষ শিক্ষিত পরিবার ৫টি পরিবার৭ম
পুরুষ শিক্ষিত কয়টিপুরুষ শিক্ষিত পরিবার ১৩টি পরিবার ও ৬ষ্ঠ পুরুষ শিক্ষিত পরিবার ৩৭টি পাওয়া গেছে
পরিবারএবং ৫ম পুরুষ শিক্ষিত পরিবার মাত্র ৪৯টি পাওয়া গেছে
বাঞ্ছারামপুর ডিগ্রি কলেজ-এর প্রথমবাঞ্ছারামপুর ডিগ্রি কলেজের প্রথম নির্বািচত ছাত্র-সংগঠনের প্রথম নির্বাচনে
নির্বািচত ছাত্র-সংগঠনের ভি. পি.(১৯৮৬ খ্রিষ্টাব্দে) প্রথম নির্বািচত ভি. পি. হলেন এ. কে. এম. মুসা
কেমুসার জন্ম-১৫-০৩-১৯৬০ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে প্রথমদুর্গারামপুর গ্রামের শিল্পপতি জনাব আহমেদ আকবর সোবহান (শাহ আলম)
মহিলা মহাবিদ্যালয়টি কার নামেসাহেবের মায়ের নামে (মোসাম্মৎ উল্মে কুলসুম মহিলা মহাবিদ্যালয়)টি
হবেপ্রতিষ্ঠিত হওয়ার কথা
বাঞ্ছারামপুর উপজেলারবাঞ্ছারামপুর উপজেলার পূর্ব-উত্তর, পূর্ব ও দক্ষিণ সীমানা তিতাস নদীদ্বারা বেষ্টিত এবং
নদী ও নদীদ্বারামেঘনা নদীদ্বারা এ থানার পশ্চিম-উত্তর ও পশ্চিম দিক পর্যন্ত
সীমারেখা
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোন গ্রামে ভাটরাজারা বাস করতোনান্দরা গ্রামের উঁচু ভূমিতে ভাটরাজারা বাস
করতো
বাঞ্ছারামপুর উপজেলারআকানগর, বলদাখাল পরগনার জমিদার আকা সাদেকের নামে আকানগর গ্রামের নামকরণ
প্রথম গ্রাম কোনটিকরা হয়আকা সাদেক তুর্কি মুসলমান ছিলেনআকা সাদেক বলদাখাল বা বরদাখাত
পরগনার জমিদার ছিলেনবাঞ্ছারামপুর উপজেলার সমগ্র অঞ্চল, নবীনগর উপজেলার সমগ্র
অঞ্চল, মুরাদনগর উপজেলার সমগ্র অঞ্চল এবং দেবীদ্বার উপজেলার আংশিক নিয়ে বলদাখাল
পরগনা গঠিত ছিলএ পরগনার আয়তন হলো ৩৮৬ বর্গমাইলআকা সাদেক হলো আকা
বাকেরের নাতির ঘরের ছেলেআকা বাকেরের নামে নিজে ঢাকাতে বাকরখানী রুটির
নাম প্রবর্তন করেন
বাঞ্ছারামপুর উপজেলারভেলানগর, মির্যা ইব্রাহিম বেগ ওরফে মির্যা ভেলার নামে ভেলানগর গ্রামের নামকরণ
দ্বিতীয় গ্রাম কোনটিকরা হয়মির্যা ভেলা হলো আকা সাদেকের বড় পুত্রমির্যা ভেলাও বলদাখাল পরগনার
জমিদার ছিলেনমির্যা ভেলা হলেন আকা বাকেরের নাতির ঘরের নাতিমির্যা ভেলার
নাতিনের ঘরের নাতিন জামাই হলেন শের-এ-বাংলা এ.কে.ফজলুল হক ও হাসান শহীদ
সরওয়ার্দীশের-এ-বাংলা এ.কে.ফজলুল হক ও হাসান শহীদ সরওয়ার্দীর শ্যালক ড.
সৈয়দ হোসেনড. সৈয়দ হোসেন হলো ভারতবর্ষের এক সময়ের দৈনিক ইংরেজী পত্রিকার
প্রখ্যাত সাংবাদিকড. সৈয়দ হোসেন-এর আরেকটি পরিচয় হলো পন্ডিত মতিলাল
নেহরুর মেয়ে বিজয় লক্ষী পন্ডিতকে বিয়ে করেছিলেন ১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে এলাহাবাদ শহরে
মুসলমান শরীয়তমতে ৫ জন স্বাক্ষীর মাধ্যমে মাওলানা শওকত আলীর নেতৃত্বেএ বিজয়
লক্ষী পন্ডিত(এর জন্ম-১৯০০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দে) হলেন পন্ডিত জওহর লাল
নেহরুর বোনড. সৈয়দ হোসেন মিসেস ইন্দিরা গান্ধীর ঢাকাইয়া ফুফা ছিলেনড.
সৈয়দ হোসেন-এর জন্ম-১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দে, কায়রোতে মৃত্যু-১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে বা ১৯৪৯
সালে কোনটা সঠিক আমার জানা নেইকায়রোতে ড. সৈয়দ হোসেন স্বাধীন ভারতের
প্রথম রাষ্ট্রদূত ছিলেন
তৃতীয় গ্রাম কোনটিদরিভেলানগর
৪র্থ গ্রাম কোনটিমধ্যনগর
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যেফরদাবাদ গ্রামটিদৈর্ঘ প্রায় ৪(চার) মাইলফরদাবাদ গ্রামটি উত্তর দিকে
সবচেয়ে লম্বা গ্রাম কোনটিগকুলনগর গ্রামের সাথে এবং দক্ষিণমূখী হয়ে গ্রামটি আবার তিতাস নদীর পাড়
ঘেসে পশ্চিমদিকে জুনারচর গ্রামের সাথে মিলেছে
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যেনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের
সবচেয়ে কম লম্বা গ্রামডোমরাকান্দি গ্রামের উত্তর-পশ্চিম পাশ্র্বের ''মঙ্গলকান্দী'' গ্রামটি
কোনটি
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে সবচেয়েনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে রুপসদী গ্রামে
বেশী লোক কোন গ্রামে বাসপ্রায় ১৫,০০০(পনের হাজার) লোক বাস করে
বাঞ্ছারামপুর উপজেলারনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের
মধ্যে সবচেয়ে কম লোকডোমরাকান্দি গ্রামের উত্তর-পশ্চিম পাশ্র্বের ''মঙ্গলকান্দি'' গ্রামে কম লোক বাস করে
কোন গ্রামে বাসপ্রায় ১৫০(একশত পঞ্চাশ) জন
বাঞ্ছারামপুর উপজেলারপ্রায় ৩২টি মসজিদ আছে ফরদাবাদ গ্রামেএ তথ্য ২৬-১২-২০০৭ তারিখ১২-১০-২০১২
কোন গ্রামে সবচেয়েতারিখের তথ্য হল ৪০টি মসজিদ আছে-আবদুল হামিদ
বেশি মসজিদ
কোন গ্রামে সবচেয়ে বড়বাঞ্ছারামপুর উপজেলার রূপসদী গ্রামের সুবিশাল বারিয়াদরের বিল
বিলটির অবস্থান
কোন গ্রামে সবচেয়েবাঞ্ছারামপুর উপজেলার দরিকান্দি গ্রামের ইমামনগরের আড়াইল্যার বিলটি সবচেয়ে
ছোট বিলটির অবস্থানছোট বিল হিসেবে পরিচিতি লাভ করেবিলটির আয়তন ১০ বিঘা
উপজেলার প্রথম মাষ্টারদরিকান্দি গ্রামের কাজী লাল মিঞা মাষ্টারউনার জন্ম-১৮৭০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯২৭
মুসলমানের মধ্যেখ্রিষ্টাব্দে
উপজেলার দ্বিতীয় মাষ্টারভেলানগর গ্রামের মোহাম্মদ ইব্রাহিম মাষ্টারউনার জন্ম-১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দে,
মুসলমানের মধ্যেমৃত্যু-১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দে
উপজেলার মধ্যে প্রথমদরিকান্দি গ্রামের জনাব নৈমদ্দিন পন্ডিতউনার জন্ম-১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা
পন্ডিত ছিলেননেইঢাকার নবাব বাড়ীতে থেকে লেখাপড়া করেছে এবং নিজের চোখে সিপাই বিপস্নব
দেখেছে বলেছে, জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার বাবা জনাব এমদাদ আলী
মিঞার নিকটএমদাদ আলীর জন্ম-১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২৫-১০-১৯৬৫ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানার মুসলমানের মধ্যেদুর্গারামপুর গ্রামের মুন্সি মোঃ আমিনুদ্দিনউনার জন্ম-১৮৭১
প্রথম দলিল লেখকখ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯...বাঞ্ছারামপুর গ্রামের আরো একজন হলেন মুন্সি
হাসান আলী
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যেদরিকান্দি গ্রামের মরহুম নওয়াব আলী মৌলভী সাহেবের বড় ছেলে মরহুম কাজী মধু
প্রথম কাজীমিঞা-১৯২০ সাল থেকে কাজী হিসেবে ম্যারিজ-রেজিস্ট্রার ছিলেনউনার জন্ম-১৮৯২
(বিবাহ-নিবন্ধনকরণ)খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯...মায়ারামপুর গ্রামের কাজী মাওলানা মোঃ সিরাজুল