১৯০৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, সিলেট জেলার বিয়ানী বাজারের লাউতা গ্রামে অধ্যাপক গোবিন্দচন্দ্র দেবের জন্ম, ঢাকায় শহীদঃ ১৪-১২-১৯৭১ তারিখ। ১৯০৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলার চানগাঁও গ্রামে তাঁর নানাবাড়িতে খালেকদাদ চৌধুরীর জন্ম, মৃত্যু-১৬-১০-১৯৮৫ তারিখ। দুই বাংলাতেই তিনি ছিলেন খ্যাতিমান লেখক। ১৯০৭ সালের ২৫ নভেম্বর, যশোর জেলার আলফাডাঙ্গার বুড়াইচ গ্রামে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির বিরল ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক নূরুল মোমেনের জন্ম, মৃত্যুঃ ১৬-০২-১৯৯০ তারিখ। ১৯০৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্যালিয়াম সিরিজের ঘুমের বড়ি'র আবিস্কারক লিও স্টার্নবাখের জন্ম, উত্তর ক্যারোলিনার চ্যাপেল হিলে নিজ বাসভবনে ৯৭ বছর বয়সে পরলোগমন-২৮-০৯-২০০৫ তারিখ। ১৯০৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, বাগেরহাটের ফকিরহাট থানার সাতশৈয়া গ্রামে আবদুস সবুর খানের জন্ম, মৃত্যু-২৫-০১-১৯৮২ তারিখ। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের সময় খুলনা অঞ্চলকে জোর করেই হিন্দুস্থানের দখলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সেদিন এ অন্যায়ের বিরুদ্ধে খান এ সবুরের নেতৃত্বেই প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়েছিল। যার ফলে তখন খুলনা অঞ্চল ন্যায়সঙ্গতভাবেই পাকিস্তানে রাখা সম্ভব হয়েছিল। ১৯০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি, ভারতের বিশিষ্ট বাংলা শিশু সাহিত্যিক লীলা মজুমদারের জন্ম, মৃত্যুঃ ০৬-০৪-২০০৭ তারিখ। ১৯০৮ সালের ১ এপ্রিল, বিশ্বকাপের প্রথম গোলদাতা ফরাসি লুসিয়ে লরাঁর জন্ম, মৃত্যু-১১-০৪-২০০৫ তারিখ। ১৯৩০ সালের ১৩ জুলাই, প্রথম বিশ্বকাপ হয়েছিল। ১৯৩০ সালে বিশ্বকাপের মোট গোল হয়েছে (২০৬৩)টি।
১৯০৮ সালের ২৯ মে, সাহিত্যক, ঔপন্যাসিক ও কথাশিল্পী মানিক বন্ধ্যোপ্যায়ের জন্ম, মৃত্যুঃ ০৩-১২-১৯৫৬ তারিখ। মাত্র বেঁচেছিলেন ৪৮ বছর। ১৯৩৫ থেকে ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত ২০০ শতের মত উপন্যাস লিখেন। তাঁর পৈত্রিক নিবাস মুন্সীগঞ্জের মালপদিয়া গ্রামে। ১৯০৮ সালে হাইড্রোজেন বোমার জনক এডওয়ার্ড টেনলরের জন্ম, মৃত্যু-০৯-০৯-২০০৩ তারিখ। ১৯০৮ সালে তেভাগা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক নড়াইলের বাকলি গ্রামের কৃষক নেত্রী পরিবালা বিশ্বাসের জন্ম, মৃত্যু-২৫-০৫-২০০৭ তারিখ। ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর, কুমিল্লা শহরে বিখ্যাত বাঙালি কবি, সাহিত্যিক, সমালোচক, প্রাবন্ধিক ও সংবাদপত্র সম্পাদক বুদ্ধদেব বসুর জন্ম, কলকাতায় মৃত্যুঃ ১৮-০৩-১৯৭৪ তারিখ। ১৯০৮ সালে মাদারীপুর জেলার কালকিনী উপজেলার গোপালপুর কাজী পরিবারে কাজী আশরাফ মাহমুদের জন্ম, মৃত্যু-০৩-১২-১৯৮৩ তারিখ। তিনি ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের বিশিষ্ট হিন্দী কবি, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অগ্নিপুরুষ, মহাত্মা গান্ধীর ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। ১৯০৯ সালের ১৫ জানুয়ারি, মুঘল ঐতিহ্যের কবি কাজী কাদের নওয়াজের জন্ম, মৃত্যু-০৩-০১-১৯৮৩ তারিখ। ১৯০৯ সালের ২৯ এপ্রিল, (বাংলা ১৩১৬ সনের ১৬ বৈশাখ) শেরপুর অঞ্চলের তৎকালীন জমিদার রমেশ চন্দ্র নিয়োগীর ঘরে জন্মগ্রহণ করেন রবি নিয়োগী, আমৃত্যু পর্যন্ত বাংলাদেশ কমিউনিষ্ট পার্টির সদস্য ছিলেন এবং মৃত্যু-১০-০৫-২০০২ তারিখ। তাঁর ৯৩ বছরের জীবনে ৪৩ বছরই কেটেছে কারাগারে। ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই, কলকাতার সুবিখ্যাত কলেজ স্ট্রিটের পাশে টেমার লেনে কবি বিঞ্চু দের জন্ম, মৃত্যু-০৩-১২-১৯৮২ তারিখ। বিঞ্চু দের এক বড় পরিচয় তিনি সমাজবাদে বিশ্বাসী, সেই সূত্রে সমাজবদলের সম্ভাবনায় অঙ্গীকৃত। তিনি ছিলেন ফ্যাসিবিরোধী লেখক শিল্পী সঙ্ঘের সক্রিয় কর্মী, সংগঠক। ১৯০৯ সালের ১৮ আগষ্ট, উপমহাদেশের প্রখ্যাত সানাইবাদক ওস্তাদ সোনা মিয়ার জন্ম, মৃত্যু-১৯-০৮-২০১১ তারিখ দিবাগত রাতে ঢাকায়। বরেণ্য এই শিল্পী ভারতবর্ষের স্বনামধন্য সানাইবাদক ওস্তাদ মুন্না খাঁর শিষ্য ছিলেন। ১৯০৯ সারের ১৯ সেপ্টেম্বর, কমিউনিষ্ট পার্টির প্রথম প্রাদেশিক সম্মেলনে গঠিত কমিটিতে নির্বািচত কমিউনিষ্ট নেতা নেপাল নাগের জন্ম, মৃত্যু-কলকাতায় ০৫-১০-১৯৭৮ তারিখ। ১৯১০ সালের ৭ জানুয়ারি, খ্যাতিসম্পন্ন পানিবিশেষজ্ঞ বি. এম. আব্বাসের জন্ম, ইন্তেকাল-২৭-১২-১৯৯৬ তারিখ।
১৯১০ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি, আর্জেিন্টনার প্রথম বিশ্বকাপ ফুটবল খেলোয়াড় ফ্রান্সিসকো ভারাল্লোর জন্ম। তিনি ১৯৩০ সালে বিশ্বকাপের সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড়ও ছিলেন এবং আর্জেিন্টনার পক্ষে প্রথম বিশ্বকাপ ফুটবল খেলে। প্রথম বিশ্বকাপ ফুটবল খেলোয়াড়দের মধ্যে তিনিই একমাত্র জীবিত খেলোয়াড়। তিনি ০৯-০৬-২০০৬ তারিখ বিশ্বকাপ খেলায় উপস্থিত ছিলেন। ০৫-০২-২০১০ সালে শতবর্ষ পার করেন। ১৯১০ সালের ২৩ মার্চ, জাপানের টোকিওর এক সিনেমাভক্ত পরিবারে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ জাপানি চলচ্চিত্রকার, পরিচালক, চিত্রনাট্যকার, চলচ্চিত্র সম্পাদক ও প্রয়োজক আকিরা কুরোশাওয়ারের জন্ম, জাপানের টোকিওতে মৃত্যু-০৬-০৯-১৯৯৮ তারিখ। সুগাতা সানশিরো মুক্তি পায় ১৯৪৩ সালে। প্রথম ছবিতেই পরিচালক হিসেবে আকিরা কুরোশাওয়ার প্রতিভার প্রমাণ পাওয়া যায়। এন্টারটেইনমেন্ট উইকলি র্কতৃক নির্বািচত সর্বকালের সেরা পরিচালকদের মধ্যে আকিরা কুরোশাওয়ার অবস্থান ৬ষ্ঠ। শ্রেষ্ঠ ৫০ জন চলচ্চিত্রকারের মধ্যে তিনি একমাত্র এশীয় ও আমেরিকানদের বাইরে তাঁর অবস্থান সবার ওপরে। ১৯১০ সালের ২৭ আগষ্টে, যুগোস্স্নাভিয়ার স্কপজেতে মাদার তেরেসার জন্ম, মিশনারিজ অফ চ্যারিটির প্রতিষ্ঠাতা মাদার তেরেসার মৃত্যু-০৫-০৯-১৯৯৭ তারিখ কলকাতা শহরে। ১৯১০ সালের ২০ সেপ্টেম্বর, চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানার বাজালিয়ায় ডা. মনীন্দ্রলাল চক্রবর্তীর জন্ম, মৃত্যু-১৪-০৭-১৯৮৩ তারিখ। স্কুলে থাকতেই তিনি গোপন বিপস্নবী দলে যোগ দিয়েছিলেন। ১৯১০ সালের ২০ অক্টোবর, নেত্রকোনা জেলার উলুয়াটি গ্রামে সাংবাদিক-সাহিত্যিক মুজীবুর রহমান খাঁ'র জন্ম, মৃত্যু-০৫-১০-১৯৮৪ তারিখ। ১৯৪৬ সালে তিনি ভারতের প্রথম গণপরিষদ সদস্য নির্বািচত হন। ১৯১১ সালের ১০ জানুয়ারি, চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী থানার উত্তর ভূর্ষি গ্রামে বিপ্লবী বিনোদবিহারী চৌধুরীর জন্ম, কলকাতায় মৃত্যু-১০-০৪-২০১৩ তারিখ। তাঁর ১৯২৯ সালে মাস্টারদার সঙ্গে পরিচয় হয়। কয়েকবার সাক্ষাতের পর মাস্টারদা বিপস্নবী দলে ঢোকার অনুমতি দেন বিনোদবিহারীকে। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ৪০ বছর পর ১৯৭১ সালে বিনোদবিহারী নিজেকে যুক্ত করেন পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে। ১৯১১ সালের ১১ জানুয়ারি, বিচারপতি সৈয়দ মাহাবুব মোর্শেদ পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন, মৃত্যুঃ ০৩-০৪-১৯৭৯ তারিখ। ১৯১১ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি, পাকিস্তানের পাঞ্জাবের শিয়ালকোর্টে আজন্ম বিপস্নবী কবি ফয়েজ আহমদ ফয়েজের জন্ম, ১৯৮৩ সালে অসুস্থ হয়ে নিজের দেশ পাকিস্তানের লাহোরে ফিরে আসেন, এখানেই মৃত্যু-১৯-১০-১৯৮৪ তারিখ। ১৯১১ সালের ১৩ মার্চ, সাংবাদিক ও সাহিত্যিক আবু জাফর শামসুদ্দীনের জন্ম, মৃত্যু-২৩-০৮-১৯৮৮ তারিখ। ১৯১১ সালের ৫ মে, চট্টগ্রামের ধলঘাটের দক্ষিণ সুরমা এলাকায় ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের বিপস্নবী বীরকন্যা প্রীতিলতার জন্ম, মৃত্যু-২৩-০৯-১৯৩২ তারিখ। প্রীতিলতা চট্টগ্রাম বিপস্নবী দলের মেয়ে সদস্য ও ছাত্রীদের নিয়ে চক্র গড়েন। ১৯১১ সালের ৩০ মে, দেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক, কিংবদন্তির এক নায়ক ও দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার জন্ম, মৃত্যুঃ ০১-০৬-১৯৬৯ তারিখ। ১৯১১ সালের ৬ জুন, লোহাগড়া (নড়াইল) ইতনা গ্রামের প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও সাহিত্যিক ডা. নীহার রঞ্জন রায়ের/গুপ্তের জন্ম, মৃত্যু-৩০-০৮-১৯৮১ তারিখ। ১৬-বছর বয়সে তাঁর প্রথম উপন্যাস 'রাজকুমারীম্ব' প্রকাশিত হয়।
১৯১১ সালের ২০ জুন, বাখেরগঞ্জ জেলার শায়েস্তাবাদ গ্রামে নানাবাড়িতে বেগম সুফিয়া কামালের জন্ম, মৃত্যুঃ ২০-১১-১৯৯৯ তারিখ। তাঁর বাবারবাড়ি ব্রহ্মণবাড়িয়া জেলার সেন্দুর-সিলাউর গ্রামে। ১৯১১ সালের ৯ জুলাই, ফ্লোরিডার জ্যাকশনভ্যালিতে জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের সর্বেশষ সহযোগীদের অন্যতম এবং মার্কিন পদার্থিবদ জন হুইলারের জন্ম, মৃত্যু-১৩-০৪-২০০৮ তারিখ। 'বস্ন্যাক হোল' শব্দের প্রবর্তেকর মৃত্যু। ১৯১১ সালের ৩১ জুলাই, বরিশালে উপমহাদেশের বিশিষ্ট সংগীতজ্ঞ পন্ডিত পান্নালাল ঘোষ জন্মগ্রহণ করেন, মৃত্যু-২০-০৪-১৯৬০ তারিখ দিল্লিতে। ১৯১১ সালে মুর্শিদাবাদ জেলায় বারডেম হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা জাতীয় অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিমের জন্ম, মৃত্যু-০৬-০৯-১৯৮৯ তারিখ। ১৯১১ সালে অবিভক্ত বাংলার মুসলমান চিত্রশিল্পীদের পথিকৃৎ প্রথম মুসলমান কার্টুিনস্ট এবং শিশু সাহিত্যিক কাজী আবুল কাসেমের জন্ম, মৃত্যু-১৯-০৭-২০০৪ তারিখ। ১৯১১ সালের ১১ ডিসেম্বর, মিশরের রাজধানী কায়রোর জামালিয়া কোয়ার্টােরর একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী আরব ঔপন্যাসিক নাগিব মাহফুজের জন্ম, মৃত্যু-৩০-০৮-২০০৬ তারিখ। তিনি ১৯৮৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। নাগিব মাহফুজ সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী প্রথম মুসলমান ছিলেন। ১৯১২ সালের ১৫ অক্টোবর, ভারতের মধ্যপ্রদেশের রাজনানগাঁয়ে অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুসলিম নারী ও মানবতাবাদী চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. জোহরা বেগম কাজীর জন্ম, মৃত্যুঃ ০৭-১১-২০০৭ তারিখ। তাঁর পৈতৃক নিবাস মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার গোপালপুর গ্রামে। ১৯১২ সালের ১৪ ডিসেম্বর, হবিগঞ্জ জেলার মিরাশী গ্রামের এক জমিদার পরিবারে উপমহাদেশের গণসংগীতের পুরোধা ব্যক্তিত্ব হেমাঙ্গ বিশ্বাসের জন্ম, মৃত্যু-২২-১১-১৯৮৭ তারিখ কলকাতায়। ১৯৮১ সালে যখন ঢাকায় আসেন, তখন দেখেছি হবিগঞ্জের স্মৃতিঘেরা জন্মভূমিকে দেখার জন্য তাঁর ছটফটানি।
১৯১৩ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি, আফ্রো-আমেরিকান আধুনিক রাষ্ট্রে নাগরিক অধিকার ও বর্ণবাদের বিরুদ্ধে একটি প্রজন্মের প্রতীক মানবাধিকার নেত্রী রোজা পার্কেসর জন্ম, পরলোগমণ ২৪-১০-২০০৫ তারিখ। সবার অধিকার সমান-রোজা পার্কস। আমি গ্রেপ্তার হই ১৯৫৫ সালের ১ ডিসেম্বর। বাসের সামনের দিকে শ্বেতাঙ্গদের জন্য নির্ধািরত বসার স্থান ছেড়ে না দেওয়ার জন্য। ১৯৫৫ সালেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন এমন ছিল কৃঞ্চাঙ্গ এবং শ্বেতাঙ্গের জন্য বাসে আলাদা বসার ছিট ছিল। ১৯১৩ সালের ১৯ জুলাই, নড়াইলের আফরা গ্রামে এক জোতদার পরিবারে তেভাগার সংগ্রামী কমরেড অমল সেনের জন্ম, মৃত্যু-১৭-০১-২০০৩ তারিখ। তিনি ১৯৩৪ সালে কমিউনিষ্ট পার্টির সদস্যপদ লাভ করেন। ১৯১৩ সালের ডিসেম্বর মাসে চাকমা রাজগুরু শ্রীমৎ অগ্রবংশ মহাথেরোর জন্ম, মৃত্যু-০৫-০১-২০০৮ তারিখ। ১৯৫৮ সালের জানুয়ারিতে এক ধর্মীয় মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চাকমা রাজা ত্রিদিব রায় তাঁকে রাজগুরু পদে বরণ করেন। ১৯১৪ সালের ১ জানুয়ারি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার গোকর্ণঘাট গ্রামে 'তিতাস একটি নদীর নাম' কালজয়ী ঔপন্যাসের লেখক (এক দরিদ্র জেলে পরিবারে) অদ্বৈত মল্ল বর্মেণর জন্ম, কলকাতায় মৃত্যু-১৬-০৪-১৯৫১ তারিখ। ১৯১৪ সালের ৩ এপ্রিল, ভারতের অমৃতসরে ফিল্ড মার্শাল স্যাম হরমুসজি ফ্রামজি জামশেদজি মানেকশ'র জন্ম। ১৯৩৪ সালে ভারতীয় সামরিক একাডেমির (আইএমএ) প্রথম ব্যাচ থেকে তিনি কমিশন লাভ করেন। তিনি ১৯৬৯ সালের ৭ জুন ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান হন। ১৯৭১ সালে তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় মিত্রবাহিনীর প্রধান ছিলেন। ওই বছরের ১৬ ডিসেম্বর. বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর তাঁকে সম্মানসূচক ফিল্ড মার্শাল উপাধি দেওয়া হয়। স্যাম বাহাদুর নামে পরিচিত মানেকশ চার দশক পর ১৯৭৩ সালের ১৫ জানুয়ারি ভারতের অষ্টম সেনাপ্রধান হিসেবে অবসর নেন। তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, ১৯৬২ সালে চীন-ভারত যুদ্ধ এবং ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধে অংশ নেন। তাঁর মৃত্যু-০১-০৭-২০০৮ তারিখ। ১৯১৪ সালের ১৫ এপ্রিল, কুমিল্লা শহরের পৈত্রিক বাড়িতে ভাষাসৈনিক, শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবি (চিরকুমার) অধ্যাপক অজিতকুমার গুহের জন্ম, কুমিল্লায় মৃত্যু-২২-১১-১৯৬৯ তারিখ। ১৯১৪ সালের ১৫ মে, এভারেষ্ট বিজয়ী তেনজিং নোরগের জন্ম, মৃত্যু-মৃত্যু-০৫-০৫-১৯৮৬ তারিখ।
১৯১৪ সালের ৮ জুলাই, কলকাতার হ্যারিসন রোডের (বর্তমান মহাত্মা গান্ধী রোড) একটি বাড়িতে রাজনীতিক ও সাবেক মূখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর জন্ম, মৃত্যু-১৭-০১-২০১০ তারিখ কলকাতার একটি হাসপাতালে স্থানীয় সময় ১১টা ৪৭ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি ১৯৩০-এর দশকে কমিউনিষ্ট পার্টিেত যোগ দেন। ১৯১৪ সালে কেরানীগঞ্জ থানার কলাতিয়া মিয়াবাড়িতে বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাকের জন্ম, মৃত্যু-২৮-১১-১৯৯৯ তারিখ। ১৯১৪ সালের ১৫ জুলাই, ভারতের উত্তর প্রদেশের বেরিলীর সভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে আন্তর্জািতক খ্যাতিসম্পন্ন সম্াজকর্মী, পল্লী উন্নয়নে কুমিল্লা মডেলের উদ্ভাবক এবং বার্ডের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ড. আখতার হামিদ খানের জন্ম, আমেরিকাতে মৃত্যু-০৯-১০-১৯৯৯ তারিখ। ১৯৩৪ সালে ব্রিটিশভারতের সর্বোচ্চ চাকরি আইসিএস-এ নির্বািচত হন। তিনি ১৯৩৭-৪৪ সাল পর্যন্ত আই.সি.এস. অফিসার হিসেবে কুমিল্লা, পশ্চিমবঙ্গের তমলুক, পটুয়াখালী, নওগাঁ ও নেত্রকোনাসহ বিভিন্ন স্থানে এসডিও এবং অন্যান্য উচ্চপদে কাজ করেন। ১৯৪৭-৫০ সাল পর্যন্ত তিনি দিল্লীতে ড. জাকির হোসেন প্রতিষ্ঠিত জামিয়া মিলিয়াতে মাত্র ১০০ রুপী বেতনে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫০ সালের এক ক্রান্তিলগ্নে ড. আখতার হামিদ খান কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৫৯ সালের ২৭ মে কুমিল্লা একাডেমী (বর্তমানের বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী বা বার্ড) নামে কোটবাড়িতে জন্মলাভ করে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পরিস্থিতি বিবেচনা করে তদানীন্তন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টের নির্দেেশ তাঁকে ইসলামাবাদে নিয়ে যাওয়া হয় এবং স্বাধীনতা যুদ্ধকালে তাঁকে আর বাংলাদেশে আসতে দেয়া হয়নি। ১৯৭৮-৭৯ সালে মাত্র সাত মাসের জন্য তিনি পল্লী উন্নয়ন একাডেমী, বগুড়ার উপদেষ্টা নিযুক্ত হন। ১৯১৪ সালে বাংলাদেশের মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার হাঁসাড়া গ্রামে পশ্চিমবাংলার প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ সিদ্ধার্থ শংকর রায়ের জন্ম, মৃত্যু-০৬-১১-২০১০ তারিখ স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ছয়টা ৫০ মিনিটে তিনি দক্ষিণ কলকাতার বেলতলা পার্কের নিজ বাসভবনে। পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মূখ্যমন্ত্রী ছিল ১৯৭২ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত। ঢাকা শহরের নবদ্বীপ বসাক রোডেও ছিল তাঁদের বাড়ি। তাঁর বাবা সুধীর কুমার রায় ব্যারিস্টার ছিলেন। তিনি ও তাঁর স্ত্রী মায়া রায়ও ব্যারিস্টার ছিলেন। সিদ্ধার্থ শংকর রায় নিঃসন্তান ছিলেন। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস ছিলেন তাঁর নানা। ১৯১৪ সালের ১৫ অক্টোবর, আফগানিস্তানের কাবুলে শেষ আফগান বাদশাহ জহীর শাহের জন্ম, ১৯৩৩ সালে তাঁর পিতা (নাদির শাহ) নিহত হওয়ার পর ১৯ বছর বয়সে জহীর শাহ সিংহাসন লাভ করেন। ১৯৭৩ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়া পর্যন্ত ৪০ বছর দেশ শাসন করেন এবং শেষ আফগান বাদশাহ জহীর শাহের মৃত্যু-২৩-০৭-২০০৭ তারিখ। ১৯১৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর, কিশোরগঞ্জ জেলার কেন্দুয়ায় শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের জন্ম, মৃত্যুঃ ২৮-০৫-১৯৭৬ তারিখ। ১৯১৪ সালে রমেন মিত্র বাংলাদেশের নবাবগঞ্জের (বর্তমান চাপাইনবাবগঞ্জ) রামচন্দ্রপুরে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৫ সালে ইলা মিত্রের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের পর দু'জনে শুরু করেন তেভাগা আন্দোলন। পূর্ববঙ্গে কমিউনিষ্ট আন্দোলন গড়ে তোলার অগ্রসেনানী এবং তেভাগা আন্দোলনের নেতা রমেন মিত্র(৯১) বছর বয়সে ২৮-০৬-২০০৫ তারিখ মঙ্গলবার সকালে কলকাতায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন। ১৯২৫ সালের ১৮ অক্টোবর, রাজশাহীর নাচোলের 'রানি মা' ও তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ইলা মিত্রের জন্ম, মৃত্যু-১৩-১০-২০০২ সালে। অধ্যাপনা করেছেন ১৯৬২ থেকে ১৯৭৮ পর্যন্ত। চারবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সদস্য হয়েছেন। ১৯টি জেলায় তেভাগা আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। ইলা মিত্র ছিলেন ক্রীড়াবিদ হিসেবেও তুখোড়। ঢাকায় পুত্র রণেন মিত্র। রণেন মিত্রের জন্ম-১৯৪৮ সালে।